গোবিন্দ সহঅভিনেত্রীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন, তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। এক বছর ধরে বিয়ের কথা গোপন রাখলেও, বাঙালি নায়িকার সঙ্গে হোটেলে দেখা করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন তিনি,যা তার জীবনের একটি বিতর্কিত মুহূর্ত হয়ে দাঁড়ায়।
গোবিন্দ, নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা, যার পেশাদার জীবন ছিল ভীষণ ব্যস্ত। একাধিক ছবির শুটিং একসঙ্গে চালানোর জন্য তিনি ছিলেন বলিউডের শীর্ষ অভিনেতাদের মধ্যে। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও ছিল নানা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। বয়স ৬০ পার করার পরেও পরকীয়া সম্পর্কের কারণে বার বার খবরের শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। তাঁর স্ত্রী সুনীতা অহুজা যদিও গোবিন্দের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেও, সম্পর্কের ইতি টানেননি, তবে কাদা ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে।
১৯৮৭ সালে সুনীতাকে বিয়ে করেছিলেন গোবিন্দ। সুনীতা ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের বান্ধবী এবং বলিপাড়ার অনেকের দাবি, সুনীতা গোবিন্দের কেরিয়ার গঠনে অনেক সাহায্য করেছিলেন। যদিও সুনীতার সঙ্গে সম্পর্কের শুরুর দিকে গোবিন্দ আড়ষ্ট ছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তারা বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলে। সুনীতা এবং গোবিন্দের সম্পর্ক ছিল নিছক বন্ধুত্বের, যা ধীরে ধীরে আরও গভীর হয়ে ওঠে। কিন্তু গোবিন্দের মনের মধ্যে অন্য কিছু ছিল।
গোবিন্দের জীবনে নীলম কোঠারি নামের এক সহ-অভিনেত্রী এসে ছিলেন, যাকে তিনি প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। তাঁদের একসঙ্গে অভিনীত ছবিগুলি বক্স অফিসে সাফল্য লাভ করেছিল, এবং গোবিন্দ মনে করতেন, নীলমই তাঁর কেরিয়ারের সৌভাগ্য। যদিও গোবিন্দ এবং নীলমের মধ্যে নানা সামাজিক পার্থক্য ছিল, তবুও তাদের মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। তবে গোবিন্দের মায়ের অনুরোধে নীলমকে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
এদিকে, সুনীতা এবং গোবিন্দের বিয়ে গোপন রাখার চেষ্টা করলেও, অনেকেই মনে করেন যে, তাঁর কেরিয়ারের জন্য তিনি বিয়েটি গোপন রেখেছিলেন। তবে বিয়ের এক বছর পরে নীলম গোবিন্দের বিয়ের খবর জানতে পারেন এবং তিনি নিজেই গোবিন্দ থেকে দূরে সরে যান।
গোবিন্দের পরকীয়া সম্পর্কের গল্প থেমে থাকেনি। পরবর্তী সময়ে, রানি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও শোনা গেছে নানা গুজব। ২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হদ কর দি আপনে’ ছবির শুটিংয়ে গোবিন্দ এবং রানি একে অপরের কাছে আরও কাছাকাছি এসেছিলেন। তাদের সম্পর্কের গোপনীয়তা বেশিদিন ধরে রাখা যায়নি এবং শোনা যায়, হোটেলের এক ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গোবিন্দকে রাত পোশাকে দেখা গিয়েছিল, যেখানে রানি উপস্থিত ছিলেন।
এই সম্পর্কের খবর জানার পর সুনীতা অত্যন্ত মন খারাপ করেছিলেন এবং নিজেকে গোবিন্দের পরিবার থেকে দূরে সরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু গোবিন্দ তার ভুল বুঝতে পেরে পরকীয়া সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন এবং পরবর্তীতে সুনীতার সঙ্গে সম্পর্কটা পুনরায় ঠিক হয়ে যায়।
গোবিন্দ, যিনি নব্বইয়ের দশকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন, তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং সম্পর্কগুলি নিয়ে প্রচুর আলোচনা এবং বিতর্ক হয়েছে। বরাবরই একটি বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত, গোবিন্দের ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকা অবস্থায়, তার পারিবারিক জীবন এবং পরকীয়া সম্পর্কও বেশ চর্চিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাঁর জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছিল যা বার বার শিরোনামে উঠে এসেছে, যার মধ্যে ছিল একাধিক পরকীয়া সম্পর্ক, বিয়ের গোপনতা, এবং একাধিক সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক।
গোবিন্দ ১৯৮৭ সালে সুনীতা অহুজাকে বিয়ে করেছিলেন, যিনি তাঁর দীর্ঘ দিনের বান্ধবী ছিলেন। সুনীতা গোবিন্দের কেরিয়ার গঠনে সহায়তা করেছিলেন, যদিও তার সঙ্গেও গোবিন্দের সম্পর্ক কখনওই সহজ ছিল না। প্রথম দিকে, তাঁদের সম্পর্ক ছিল নিছক বন্ধুত্বের, কিন্তু ধীরে ধীরে তা গভীর হয়ে ওঠে। তবে, গোবিন্দের মনের মধ্যে ছিল অন্য কিছু। তিনি শোনা যায়, তাঁর সহ-অভিনেত্রী নীলম কোঠারির প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন এবং তার সঙ্গে একটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
নীলম কোঠারি ছিলেন একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী, যাঁর সঙ্গে গোবিন্দের একাধিক ছবিতে জুটি বেঁধে কাজ করেছিলেন। তাঁদের একসঙ্গে অভিনীত ছবিগুলি বক্স অফিসে বেশ ভালো ব্যবসা করেছিল, এবং গোবিন্দ মনে করেছিলেন, নীলম তাঁর কেরিয়ারের সৌভাগ্য। নীলমের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের শুরু হয়েছিল প্রফেশনাল প্রেক্ষাপটে, কিন্তু সেই সম্পর্ক ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে যায়। একসময় গোবিন্দ নীলমের সঙ্গে একটি ভবিষ্যত ভাবনা নিয়ে বিয়ের কথা চিন্তা করেছিলেন। কিন্তু তাঁর মায়ের সিদ্ধান্তে, তিনি এই সম্পর্ক থেকে পিছিয়ে যান।
গোবিন্দের সঙ্গে নীলমের সম্পর্ক নিয়ে অনেক গুঞ্জন ছিল, তবে নীলম নিজে এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন, তাঁর এবং গোবিন্দের মধ্যে কখনোই কোনও রোম্যান্টিক সম্পর্ক ছিল না। তবে, শোনা যায়, সুনীতাও এই সম্পর্কের ব্যাপারে জানতেন এবং তাঁর সম্পর্কের কাঁটাতার তৈরী হয়েছিল। এই সময়ে গোবিন্দের মনও দ্বিধায় পড়েছিল, এবং তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি নতুন জটিলতা তৈরি করছিল।
গোবিন্দের জীবনে আরও একটি পরকীয়া সম্পর্ক ছিল, যা শোনা যায়, ছিল তাঁর সহ-অভিনেত্রী রানী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। 'হদ কর দি আপনে' ছবিতে প্রথম একসঙ্গে কাজ করার সময়, গোবিন্দ এবং রানির সম্পর্ক নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। এসময় শোনা যায়, তাঁরা একে অপরকে ভীষণ পছন্দ করতে শুরু করেছিলেন এবং একটি গোপন সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক সাংবাদিক গোবিন্দকে রানির সঙ্গে হোটেলে রাতে দেখা করেছিলেন, যার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এই ঘটনায় পরবর্তীতে রানিকে ‘তৃতীয় ব্যক্তি’ হিসেবে পরিচিতি দেওয়া হয়েছিল।
রানি মুখোপাধ্যায়ের সাথে তাঁর সম্পর্কের গোপনীয়তা অনেক দিন ধরে রাখা সম্ভব হয়নি, এবং শোনা যায়, তাঁরা একে অপরকে অনেক মূল্যবান উপহার দিতেন। কিন্তু এই সম্পর্কটি সুনীতা জানার পরই চূড়ান্ত আঘাত পেয়েছিলেন, এবং তাঁর মন ভেঙে গিয়েছিল। সুনীতা শুরুতে গোবিন্দকে ছেড়ে বাড়ি চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন, তবে গোবিন্দ তাঁর ভুল বুঝতে পেরে পরকীয়া সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন।
গোবিন্দ এবং সুনীতার ৩৭ বছরের দাম্পত্যে একাধিকবার টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গোবিন্দের পরকীয়া সম্পর্কগুলি সুনীতার জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং সুনীতার মানসিক কষ্টের কথা বার বার শোনা যেত। সুনীতা গোবিন্দকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করতেন এবং বলতেন, "গোবিন্দের মতো পুরুষদের সঙ্গে মহিলারা তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে চান।" এর ফলে গোবিন্দ এবং সুনীতার মধ্যে প্রায়ই অশান্তি সৃষ্টি হতো।
গোবিন্দ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমি তো একটাই বিয়ে করেছি, দু’-তিনটে বিয়ে তো করিনি।" তার এই বক্তব্যটি বোঝায় যে, বলিউডে অনেক সম্পর্ক এবং গুজব ঘিরে থাকলেও, তিনি কেবল সুনীতাকেই জীবনের সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
গোবিন্দের জীবনে পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি একটি বার বার ফিরে আসা থিম হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর বিবাহিত জীবন এবং সম্পর্কের সঙ্গতি ক্রমাগতভাবে চাপের মধ্যে ছিল। একদিকে সুনীতা, অন্যদিকে নীলম, রানি, এবং পরে এক তরুণী মরাঠি অভিনেত্রী, গোবিন্দের সম্পর্কগুলো কখনোই শান্তিতে পরিপূর্ণ ছিল না। সুনীতা গোবিন্দের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে সমালোচনা করতে থাকলে, গোবিন্দও এক সময় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন।
গোবিন্দ, ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকের অন্যতম জনপ্রিয় এবং সফল বলিউড অভিনেতা ছিলেন, যিনি তাঁর অদ্ভুত অভিনয় স্টাইল, শরীরী ভাষা, এবং নৃত্যের জন্য খ্যাতি লাভ করেছিলেন। সঙ্গীত, হাস্যরস, এবং নাটকীয়তা তাঁর অভিনয়ের অঙ্গ ছিল, যা তাঁকে একজন অলরাউন্ডার অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। কিন্তু গোবিন্দের জীবন শুধুমাত্র তার ক্যারিয়ারের জন্য নয়, বরং তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কারণে বিভিন্ন সময়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং ক্যারিয়ার দুটোই একে অপরের সঙ্গে intertwined ছিল। তবে, গোবিন্দের জীবনের পরবর্তী অধ্যায় যেমন তার ক্যারিয়ারের পরিণতি, তেমনই তার সম্পর্কের নানা জটিলতা এবং পারিবারিক কষ্টও অনেক মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গোবিন্দের ক্যারিয়ারের শুরু হয়েছিল ১৯৮০ সালের দশকে। প্রথম দিকে তিনি বেশ কিছু সিঙ্গেল ফিল্মে অভিনয় করেন, তবে সেগুলো তেমন সাফল্য পায়নি। তবে ১৯৮৬ সালে 'ইনসাফ কা তকড়া' এবং 'তিসরি মঞ্জিল' ছবিতে অভিনয়ের পর তিনি কিছুটা প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করেন। তবে তার মূল পরিচিতি আসে ১৯৮৯ সালের 'বেটা' ছবির মাধ্যমে, যেখানে তিনি অভিনয় করেন মাধুরী দীক্ষিতের বিপরীতে। গোবিন্দ এবং মাধুরী দীক্ষিতের জুটি বক্স অফিসে সাফল্য পায় এবং তাঁদের মধ্যে রোমান্স, নাচ এবং গান বলিউডে এক নতুন যুগের সূচনা করে। এর পর থেকেই গোবিন্দের কেরিয়ার শীর্ষে চলে আসে। 'প্যাঁচোয়া', 'রাজা বাবু', 'হাসেনা মান জাবে', 'কুলি নম্বর ওয়ান', 'জুদাই', 'দুলহে রাজা', 'কোই মিল গ্যায়া'সহ একাধিক হিট সিনেমা তাঁকে একে একে প্রধান ধারা-অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
গোবিন্দের জীবনের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল তার ব্যক্তিগত জীবন। তাঁর বিবাহিত জীবন ছিল কখনোই শান্তির নয়। ১৯৮৭ সালে, গোবিন্দ সুনীতাকে বিয়ে করেছিলেন। সুনীতা ছিলেন তাঁর দীর্ঘদিনের বান্ধবী এবং গোবিন্দের কেরিয়ার গঠনে বেশ সাহায্য করেছিলেন। তবে, গোবিন্দের অনেক সহ-অভিনেত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যার মধ্যে অন্যতম ছিল নীলম কোঠারি, রানী মুখোপাধ্যায়ের মতো অভিনেত্রীরা। সুনীতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক একাধিকবার চরম সংকটের মধ্যে পড়েছিল, কারণ গোবিন্দের পরকীয়া সম্পর্কগুলি একাধিকবার সুনীতার সামনে আসেছিল এবং সুনীতা একাধিকবার গোবিন্দের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সুনীতা এবং গোবিন্দের মধ্যে এক গভীর সম্পর্ক থাকার কারণে, তিনি কখনোই পূর্ণ পরিত্যাগ করেননি।
প্রথম দিকে, সুনীতা জানতেন না যে, গোবিন্দ নীলমের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তৈরি করেছেন, তবে এক সময় নীলমের উপস্থিতি এবং তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে সুনীতা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন। সেই সময়ে গোবিন্দ অনেকবার তার পরকীয়া সম্পর্ককে লুকিয়ে রাখতে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে, সুনীতা জানতেন যে তাঁর স্বামী বিবাহিত থাকার পরেও পরকীয়ায় জড়িয়েছেন।
এমনকি রানি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তার নাম জড়িয়েছিল। 'হদ কর দি আপনে' ছবিতে অভিনয়ের সময় গোবিন্দ এবং রানির সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়। হোটেলের ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গোবিন্দকে রাত পোশাক পরে দেখা গিয়েছিল, যার ফলে ওই গোপন সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে চলে আসে।
গোবিন্দ এবং সুনীতার সম্পর্ক বারবার টালমাটাল হয়েছিল। যখন সুনীতা গোবিন্দের পরকীয়া সম্পর্ক জানতেন, তখন তিনি সিদ্ধান্ত নেন, সবকিছু ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যাবেন। গোবিন্দ তখন বুঝতে পারেন, তাঁর এই আচরণ সুনীতাকে কতটা কষ্ট দিয়েছে এবং তিনি তার ভুল বুঝে পরকীয়া সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে সুনীতার প্রতি গোবিন্দের ক্ষোভও ছিল, কারণ গোবিন্দের ভাষায়, "আমি তো একটাই বিয়ে করেছি, দু'-তিনটে বিয়ে তো করিনি।" এই ঘটনাগুলি গোবিন্দের জীবনের ট্র্যাজেডি হয়ে দাঁড়ায়।
গোবিন্দ এবং সুনীতার সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত পুনরুদ্ধার হলেও, তার জীবনের এই সম্পর্কগুলো তাকে অনেক শোক, কষ্ট এবং বিতর্কের মধ্যে ফেলেছিল। সুনীতা শেষ পর্যন্ত গোবিন্দকে ক্ষমা করে দেন, কিন্তু এই সব সম্পর্ক, পারিবারিক অশান্তি এবং পরকীয়া নিয়ে চর্চা গোবিন্দের জীবনের একটি বড় অধ্যায় হয়ে রয়ে গেছে।
২০১৯ সালে 'রঙ্গীলা রাজা' ছবির পর থেকে গোবিন্দ আর কোনও হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেননি। এই ছবির পর থেকে গোবিন্দের ক্যারিয়ারের পতন শুরু হয় বলে অনেকেই মনে করেন। ২০০০ সালের পর থেকেই তাঁর অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ কমে গিয়েছিল এবং চলচ্চিত্রের প্রযোজকরা তাঁকে অনেকটাই অবহেলা করতে শুরু করেছিলেন। এক সময়ে গোবিন্দ যে বলিউডে একেবারে শীর্ষে ছিলেন, সেই শীর্ষ স্থান থেকে তাঁর নাম সরে যেতে থাকে।
গোবিন্দ যদিও চলচ্চিত্রের জগৎ থেকে দূরে চলে গেলেও, তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এখনও মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়ে গেছে। তাঁর জীবনের নানা সম্পর্ক, দাম্পত্য সংকট, এবং পরকীয়ার কাহিনীগুলি এখনও বলিউডের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
গোবিন্দের জীবনের নানা দিক এবং একাধিক সম্পর্ক, পরকীয়া কাহিনী তাকে শুধুমাত্র একজন অভিনেতা হিসেবে নয়, বরং একজন কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর অভিনয়, নাচ, এবং ব্যক্তিগত জীবন—এই সবকিছুই আজও বলিউডে আলোচিত হচ্ছে। যদিও গোবিন্দ নিজের ক্যারিয়ারের শেষ সময় নিয়ে চুপ ছিলেন, তবুও তার কর্মকাণ্ড এবং জীবন অনেককেই প্রভাবিত করেছে।
গোবিন্দের বর্ণময় জীবন, যেখানে তার ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে দারুণ অস্থিরতা ছিল, সেই জীবনই তাকে আজও একটি কিংবদন্তি অভিনেতা হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছে।