বজবজের এক যুবকের অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে তাঁর দেহে জরায়ু ও ডিম্বনালির উপস্থিতি দেখতে পান চিকিৎসকেরা। এই অপ্রত্যাশিত আবিষ্কারে চিকিৎসকদের মধ্যে বিস্ময় তৈরি হয়েছে। যুবকের শারীরিক গঠনের কারণ এবং ক্রোমোজ়োমের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পেতে ক্রোমোজ়োম পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।
হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে বিরল শারীরিক গঠনের সন্ধান পেলেন চিকিৎসকেরা। ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্যজেলার একটি নার্সিংহোমে ২৪ বছর বয়সি এক যুবকের অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে তাঁর দেহে জরায়ু ও ডিম্বনালির অস্তিত্ব দেখতে পান চিকিৎসকেরা। বজবজের বাসিন্দা ওই যুবক হার্নিয়ার চিকিৎসার জন্য নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু অস্ত্রোপচারের সময় এমন শারীরিক বৈশিষ্ট্য সামনে আসায় বিস্মিত হন চিকিৎসকেরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এ বার তাঁর ক্রোমোজ়োম পরীক্ষা করার কথা ভাবছেন তাঁরা।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এই ধরনের শারীরিক বৈশিষ্ট্যকে যৌনবিকাশের ভিন্নতা বা ‘ডিফারেন্সেস অফ সেক্স ডেভেলপমেন্ট’ (ডিএসডি) বলা হয়। চিকিৎসকদের মতে, কিছু বিরল ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির বাহ্যিক যৌন বৈশিষ্ট্য, ক্রোমোজ়োম এবং অভ্যন্তরীণ প্রজনন অঙ্গের গঠনের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। ফলে শুধু বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখে কোনও ব্যক্তির জিনগত বা প্রজননগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
ডায়মন্ড হারবারের এই যুবকের ক্ষেত্রে ঠিক কী ধরনের শারীরিক অবস্থা রয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ক্রোমোজ়োম পরীক্ষা-সহ প্রয়োজনীয় মূল্যায়নের মাধ্যমে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করা হবে। চিকিৎসাবিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এমন ক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি তাঁর মানসিক স্বাচ্ছন্দ্য, ব্যক্তিগত পরিচয় এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার। বজবজের বাড়ি থেকে হার্নিয়ার চিকিৎসা করাতে ডায়মন্ড হারবার এলাকার একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন ২৪ বছর বয়সি ওই যুবক। চিকিৎসকেরা তাঁকে জানান, পরদিন অস্ত্রোপচার করা হবে। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার তাঁর অস্ত্রোপচার শুরু হয়। অস্ত্রোপচারের সময়ই চিকিৎসকেরা তাঁর দেহে জরায়ু ও ডিম্বনালির অস্তিত্ব দেখতে পান।
সাধারণত জরায়ু ও ডিম্বনালি নারীর অভ্যন্তরীণ প্রজননতন্ত্রের অংশ। ডিম্বনালি ডিম্বাশয় থেকে নির্গত ডিম্বাণুকে জরায়ুর দিকে পৌঁছতে সাহায্য করে। সেই অঙ্গের উপস্থিতি একজন পুরুষ হিসেবে পরিচিত রোগীর দেহে দেখতে পাওয়ায় চিকিৎসকেরা বিষয়টি আরও বিস্তারিত ভাবে পরীক্ষা করার প্রয়োজন অনুভব করেন।
ওই যুবক যে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ভর্তি হয়েছিলেন, সেই চিকিৎসক এইচ জামান জানান, রোগী পুরুষ হিসেবেই তাঁর কাছে ভর্তি হয়েছিলেন। অস্ত্রোপচারের সময় জরায়ু ও ডিম্বনালি দেখতে পেয়ে চিকিৎসকেরা বিস্মিত হন। আগে থেকে এমন কোনও শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কথা তাঁদের জানা ছিল না বলেও জানান তিনি।
এই পরিস্থিতিতে রোগীর শারীরিক গঠন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ক্রোমোজ়োম পরীক্ষা করার কথা ভাবছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, বাহ্যিক যৌন বৈশিষ্ট্য এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রজনন অঙ্গের গঠন সব ক্ষেত্রে একই ধরনের হবে, এমন কোনও নিয়ম নেই।
এসএসকেএমের ইউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক সৌভিক চট্টোপাধ্যায়ের মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ধরনের শারীরিক অবস্থাকে আগে ‘সিউডোহেরম্যাফ্রোডিটিজ়ম’ নামে উল্লেখ করা হত। বর্তমানে ‘ডিফারেন্সেস অফ সেক্স ডেভেলপমেন্ট’ বা ডিএসডি পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাংলায় একে যৌনবিকাশের ভিন্নতা বলা যেতে পারে।
মানবদেহে যৌনবিকাশ একটি জটিল প্রক্রিয়া। ভ্রূণের বিকাশের সময় ক্রোমোজ়োম, হরমোন, হরমোনের প্রতি শরীরের সাড়া এবং প্রজনন অঙ্গের গঠন—সব মিলিয়ে যৌন বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ার কোনও পর্যায়ে ভিন্নতা দেখা দিলে ব্যক্তির বাহ্যিক যৌন বৈশিষ্ট্য ও অভ্যন্তরীণ প্রজনন অঙ্গের গঠনে পার্থক্য থাকতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির বাহ্যিক যৌনাঙ্গ পুরুষের মতো দেখতে হলেও তাঁর অভ্যন্তরীণ প্রজনন অঙ্গের গঠন আলাদা হতে পারে। আবার ক্রোমোজ়োম, হরমোনের কার্যকারিতা এবং প্রজনন অঙ্গের বিকাশের মধ্যেও বিভিন্ন ধরনের ভিন্নতা দেখা যায়। তাই শুধু বাহ্যিক গঠন দেখে কোনও ব্যক্তির সম্পূর্ণ জৈবিক যৌন বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করা যায় না।
চিকিৎসক সৌভিক চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, অ্যান্ড্রোজেন-সহ বিভিন্ন হরমোনের কার্যকারিতা এবং ভ্রূণের বিকাশের সময় শরীরে ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে এমন কিছু অবস্থার সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে কারণ এক নয়। ডায়মন্ড হারবারের যুবকের ক্ষেত্রে ঠিক কোন কারণে জরায়ু ও ডিম্বনালি তৈরি হয়েছে, তা পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা শারীরিক কারণ জানতে ক্রোমোজ়োম পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা। সাধারণত মানুষের কোষে ৪৬টি ক্রোমোজ়োম থাকে। তার মধ্যে যৌন ক্রোমোজ়োমের বিন্যাস সাধারণত XX বা XY হতে পারে। তবে যৌনবিকাশের ভিন্নতার ক্ষেত্রে ক্রোমোজ়োমের বিন্যাস, হরমোনের কার্যকারিতা কিংবা প্রজনন অঙ্গের বিকাশে বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য দেখা যেতে পারে।
ক্রোমোজ়োম পরীক্ষা করলে ওই যুবকের জিনগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে শুধু ক্রোমোজ়োম পরীক্ষাই সব প্রশ্নের উত্তর দেবে, এমন নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকেরা হরমোন পরীক্ষা, শারীরিক মূল্যায়ন এবং অন্যান্য পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।
চিকিৎসকদের মতে, রোগীর অভ্যন্তরীণ প্রজনন অঙ্গের গঠন, বহির্গত যৌনাঙ্গ, হরমোনের মাত্রা এবং অন্যান্য শারীরিক বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে বিচার করেই সঠিক মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাই এই মুহূর্তে ডায়মন্ড হারবারের যুবকের শারীরিক অবস্থাকে নির্দিষ্ট কোনও রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না।
পুরুষের দেহে জরায়ু ও ডিম্বনালির অস্তিত্বের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ‘পারসিসট্যান্ট ম্যুলেরিয়ান ডাক্ট সিন্ড্রোম’ বা পিএমডিএসের কথাও উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকেরা। চিত্তরঞ্জন সেবা সদনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ তথা স্ত্রীরোগ চিকিৎসক আশিস মুখোপাধ্যায় এই বিরল শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন।
সাধারণত ভ্রূণের বিকাশের সময় মুল্যারিয়ান নালি থেকে জরায়ু, ডিম্বনালি এবং প্রজননতন্ত্রের কিছু অংশ তৈরি হয়। অন্য দিকে, সাধারণ পুরুষ যৌনবিকাশের ক্ষেত্রে অণ্ডকোষ থেকে নিঃসৃত অ্যান্টি-মুল্যারিয়ান হরমোন বা এএমএইচ এই নালির বিকাশ বন্ধ করতে সাহায্য করে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও সমস্যা হলে মুল্যারিয়ান নালির কিছু অংশ থেকে যেতে পারে।
পিএমডিএস এমন একটি বিরল অবস্থা, যেখানে সাধারণত পুরুষ যৌনবৈশিষ্ট্যযুক্ত ব্যক্তির দেহে জরায়ু ও ডিম্বনালির মতো অভ্যন্তরীণ প্রজনন অঙ্গের অস্তিত্ব থাকতে পারে। তবে ডায়মন্ড হারবারের যুবকের ক্ষেত্রে এই অবস্থাই রয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। ক্রোমোজ়োম বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাগত পরীক্ষার পরেই বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, একই ধরনের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের পিছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই পরীক্ষা না করে কোনও নির্দিষ্ট রোগের নাম দিয়ে দেওয়া উচিত নয়।
পুরুষ যৌনবৈশিষ্ট্যের বিকাশে অ্যান্ড্রোজেন হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভ্রূণের বিকাশের সময় এই হরমোনের উৎপাদন, কার্যকারিতা এবং শরীরের কোষগুলির হরমোনের প্রতি সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা যৌন বৈশিষ্ট্য তৈরিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
কিছু বিরল অবস্থায় হরমোনের কার্যকারিতায় ভিন্নতার কারণে বাহ্যিক যৌনাঙ্গের গঠন সাধারণ প্রত্যাশার থেকে আলাদা হতে পারে। তবে জরায়ু ও ডিম্বনালির অস্তিত্বের ব্যাখ্যা দিতে শুধু অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের কথা বললেই হবে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ক্রোমোজ়োম, অভ্যন্তরীণ প্রজনন অঙ্গ এবং অন্যান্য শারীরিক বৈশিষ্ট্যও পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
ডায়মন্ড হারবারের যুবকের ক্ষেত্রে অণ্ডকোষ ছিল না বলে তাঁর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে আরও পরীক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে। তবে শুধু অণ্ডকোষের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি দিয়ে কোনও ব্যক্তির সম্পূর্ণ জিনগত পরিচয় কিংবা যৌনবিকাশের ধরন নির্ধারণ করা যায় না।
এই ধরনের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের নজির কলকাতাতেও রয়েছে। প্রায় ১৮ বছর আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এক রোগীর হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে ডিম্বনালির সন্ধান পেয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। সেই সময় অস্ত্রোপচারের দায়িত্বে থাকা তরুণ চিকিৎসক উৎপল দে বর্তমানে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের প্রধান।
উৎপল দে জানিয়েছেন, ওই রোগীর ক্ষেত্রেও হার্নিয়ার অস্ত্রোপচারের সময় ডিম্বনালি পাওয়া গিয়েছিল। এমন ক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় ও মানসিক স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
চিকিৎসকের মতে, কোনও ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে যে পরিচয়ে জেনে এসেছেন, তাঁর শারীরিক পরীক্ষায় ভিন্ন কোনও বৈশিষ্ট্য সামনে এলেই সেই পরিচয়কে অস্বীকার করা উচিত নয়। রোগীর সঙ্গে আলোচনা, প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং এবং তাঁর মতামতকে মর্যাদা দিয়ে পরবর্তী চিকিৎসার পরিকল্পনা করা জরুরি।
এই ধরনের ঘটনায় রোগীকে যথাযথ তথ্য দেওয়া, তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে চিকিৎসার পরিকল্পনা তৈরি করা যেতে পারে।
ডায়মন্ড হারবারের যুবকের ক্ষেত্রে এখন সবচেয়ে জরুরি তাঁর শারীরিক অবস্থার সঠিক মূল্যায়ন। চিকিৎসকেরা ক্রোমোজ়োম পরীক্ষা করার কথা ভাবছেন। সেই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পরীক্ষা করা হতে পারে। পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে চিকিৎসকেরা বুঝতে পারবেন, কোন ধরনের যৌনবিকাশের ভিন্নতা রয়েছে এবং আদৌ কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন আছে কি না।
সব ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না। কোনও অঙ্গের উপস্থিতি মানেই সেটি অপসারণ করতে হবে, এমনও নয়। চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, উপসর্গ, সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং তাঁর নিজের পছন্দের উপর। কোনও চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের আগে রোগীকে যথাযথ তথ্য দেওয়া এবং তাঁর সম্মতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন বিরল শারীরিক বৈশিষ্ট্য সামনে এলে ইউরোলজি, স্ত্রীরোগ, এন্ডোক্রিনোলজি, জিনগত পরীক্ষা এবং মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঠিক কোন ধরনের চিকিৎসা প্রয়োজন, তা পরীক্ষা ও রোগীর মূল্যায়নের পরেই নির্ধারণ করা উচিত।
ডায়মন্ড হারবারের এই ঘটনা আবারও দেখিয়ে দিল, মানবদেহের যৌনবিকাশ কতটা জটিল হতে পারে। তবে ওই যুবকের ক্ষেত্রে ঠিক কী ধরনের শারীরিক অবস্থা রয়েছে, তার উত্তর এখনও মেলেনি। ক্রোমোজ়োম পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মূল্যায়নের পরেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা।