Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

কথা কাটাকাটির জেরে ভাইকে ছুরি দিয়ে কোপ, হাসপাতালে মৃত্যু! যতীন দাস পার্কে চাঞ্চল্য

যতীন দাস পার্কে দাদা ও ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, বিবাদের মাঝেই ভাইকে ছুরি দিয়ে কোপান দাদা। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

যতীন দাস পার্কে দুই ভাইয়ের বিবাদ ঘিরে চাঞ্চল্য, ছুরির আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু! ধৃত চন্দন

কলকাতার যতীন দাস পার্কে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, কথা কাটাকাটির মাঝেই ভাইকে ছুরি দিয়ে কোপান দাদা চন্দন। গুরুতর জখম অবস্থায় আক্রান্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় অভিযুক্ত চন্দনকে গ্রেফতার করেছে ভবানীপুর থানার পুলিশ। কী কারণে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়েছিল, কী ভাবে তা হিংসাত্মক রূপ নিল এবং ঠিক কোন পরিস্থিতিতে ছুরির আঘাত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই ভাইয়ের মধ্যে প্রায়ই নানা কারণে অশান্তি হত। ঘটনার দিনও তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছিল বলে অভিযোগ। তবে বৃহস্পতিবার রাতে ঠিক কী নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার পিছনে পুরনো কোনও বিবাদ ছিল, নাকি তাৎক্ষণিক কোনও বিষয়কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

কথা কাটাকাটি থেকে ছুরির আঘাত, কী ঘটেছিল যতীন দাস পার্কে?

প্রাথমিক ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে যতীন দাস পার্ক এলাকায় দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ, সেই বিবাদের মধ্যেই ভাইকে ছুরি দিয়ে কোপান চন্দন। ছুরির আঘাতে গুরুতর জখম হন তাঁর ভাই। পরিস্থিতি বুঝে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর চিকিৎসা শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় আক্রান্তের।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। দুই ভাইয়ের মধ্যে ঠিক কী নিয়ে অশান্তি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। সাধারণ কথা কাটাকাটি থেকে কী ভাবে এমন গুরুতর ঘটনা ঘটল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

দুই ভাইয়ের মধ্যে পুরনো কোনও বিরোধ ছিল কি না, তা তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে অতীতে অশান্তি হত বলেই বৃহস্পতিবারের ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না। সেই কারণে ঘটনার আগে ও পরে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

তবে ঘটনার মুহূর্তে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, কে প্রথম উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং কী ভাবে ছুরির ব্যবহার করা হয়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি। তাই ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ জানতে তদন্তের উপরেই নির্ভর করছেন তদন্তকারীরা।

অভিযুক্ত চন্দনকে গ্রেফতার করল ভবানীপুর থানার পুলিশ

ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে ভবানীপুর থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে অভিযুক্ত চন্দনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর ভূমিকা এবং বিবাদের পিছনে থাকা সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

দুই ভাইয়ের মধ্যে আগে থেকেই অশান্তি হত বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই পুরনো বিবাদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, ঘটনার আগে দুই ভাইয়ের মধ্যে কী ধরনের কথাবার্তা হয়েছিল এবং বিবাদ কতটা গুরুতর হয়ে উঠেছিল, তা জানারও চেষ্টা চলছে।

তদন্তকারীদের কাছে এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটেছিল। শুধুমাত্র কথা কাটাকাটির জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তদন্তে পাওয়া তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই সেই বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে পুলিশ।

উদ্ধার হয়েছে হামলায় ব্যবহৃত ছুরি

এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ছুরিটি উদ্ধার করেছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, ওই ছুরি দিয়েই ভাইকে কোপানো হয়েছিল। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থল থেকেও বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা।

ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বস্তু ও নমুনা সংগ্রহ তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেগুলি পরীক্ষা করে ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। উদ্ধার হওয়া ছুরিটি কী ভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং সংগৃহীত নমুনার সঙ্গে ঘটনার কোনও প্রাসঙ্গিক যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হতে পারে।

তবে তদন্তের এই পর্যায়ে উদ্ধার হওয়া ছুরি বা ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত নমুনা সম্পর্কে বিস্তারিত পরীক্ষার ফল জানা যায়নি। ফলে তদন্তকারীরা কী কী সূত্র পেয়েছেন, সে বিষয়ে এখনই নির্দিষ্ট কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।

news image
আরও খবর

দুই ভাইয়ের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি হত, দাবি পুলিশ সূত্রের

পুলিশ সূত্রে খবর, দুই ভাইয়ের মধ্যে প্রায়ই নানা কারণে অশান্তি হত। অর্থাৎ, তাঁদের মধ্যে বিবাদ একেবারে নতুন ছিল না বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। তবে আগের অশান্তিগুলির ধরন কী ছিল, সেগুলি কতটা গুরুতর ছিল এবং বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার সঙ্গে সেগুলির কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিবাদের ক্ষেত্রে ঘটনার নেপথ্য কারণ বুঝতে আগের সম্পর্ক ও পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হয়। এই ক্ষেত্রেও দুই ভাইয়ের মধ্যে পুরনো কোনও বিরোধ ছিল কি না, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ দিক হতে পারে। তবে শুধুমাত্র আগে অশান্তি হত বলে বর্তমান ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না।

ঘটনার আগে কী হয়েছিল, কী ভাবে বিবাদ শুরু হয় এবং কোন পরিস্থিতিতে ছুরির আঘাত করা হয়, সেই সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার নেপথ্যে থাকা কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

তদন্তকারীরা বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনাক্রম পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। বিবাদের সূত্রপাত থেকে ছুরির আঘাত এবং তার পরবর্তী পরিস্থিতি—প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই ঘটনার প্রকৃত কারণ আরও পরিষ্কার হতে পারে।

মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন দুই ভাই? খতিয়ে দেখছে পুলিশ

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় দুই ভাই মদ্যপ ছিলেন। তবে তাঁদের মদ্যপ অবস্থায় থাকার বিষয়টি কী ভাবে যাচাই করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতির সঙ্গে বিবাদের কোনও সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

মদ্যপ অবস্থায় কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছিল কি না, অথবা অন্য কোনও বিষয় বিবাদকে হিংসাত্মক করে তুলেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে মদ্যপ থাকাই যে এই ঘটনার একমাত্র কারণ, এমন কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মতো তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

বৃহস্পতিবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানার জন্য ঘটনাক্রম, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মতো তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার আরও বিস্তারিত বিবরণ সামনে আসতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা

যতীন দাস পার্কের এই ঘটনায় আপাতত অভিযুক্ত চন্দনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে অভিযোগে ব্যবহৃত ছুরি। ঘটনাস্থল থেকে নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু সব কিছুর পরেও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ঠিক কী কারণে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ চরমে উঠেছিল?

আগে থেকেই তাঁদের মধ্যে অশান্তি হত বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেলেও বৃহস্পতিবার রাতের নির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। কোনও পুরনো বিবাদ, তাৎক্ষণিক উত্তেজনা, নাকি অন্য কোনও বিষয় এই ঘটনার পিছনে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একই সঙ্গে তদন্তকারীরা ঘটনার আগে ও পরে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা বোঝার চেষ্টা করছেন। উদ্ধার হওয়া ছুরি এবং ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া নমুনা তদন্তে সহায়ক হতে পারে। তবে তদন্তের ফল সামনে আসার আগে ঘটনার নেপথ্যে থাকা কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।

যতীন দাস পার্কে দুই ভাইয়ের বিবাদকে কেন্দ্র করে এই মৃত্যুর ঘটনায় আপাতত একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। অভিযুক্তের গ্রেফতারি এবং ছুরি উদ্ধারের পর তদন্ত এগোলেও বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ছবি এখনও স্পষ্ট নয়। সেই কারণেই ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন ভবানীপুর থানার তদন্তকারীরা।

Preview image