Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

একাধিক সুযোগ নষ্ট করে গোল করতে ব্য়র্থ রোনাল্ডো তাও জিতল পর্তুগাল কোস্টা রিকাকে হারাল ইংল্যান্ড

রোনাল্ডো একাধিক সুযোগ নষ্ট করে গোল না পেলেও জয়ের হাসি হাসল পর্তুগাল। অন্যদিকে কোস্টা রিকাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াল ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ফুটবল মাঠে দেখা গেল দুই ভিন্ন ছবি। একদিকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো একাধিক সহজ সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হলেন, তবুও জয় ছিনিয়ে নিল পর্তুগাল। অন্যদিকে কোস্টা রিকার বিরুদ্ধে দাপুটে ফুটবল খেলে বড় জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের আগে এই দুই ম্যাচ ঘিরে ফুটবল মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। পর্তুগালের ম্যাচে সবার নজর ছিল রোনাল্ডোর দিকে। অভিজ্ঞ এই তারকা এখনও দলের অন্যতম বড় ভরসা। কিন্তু নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে গোলের সামনে একাধিকবার সুযোগ পেয়েও বল জালে জড়াতে পারলেন না তিনি। বয়স বাড়লেও রোনাল্ডোর ফিটনেস, পজিশন সেন্স এবং মাঠে উপস্থিতি নিয়ে এখনও প্রশ্ন নেই। কিন্তু ফিনিশিংয়ে এই ব্যর্থতা বিশ্বকাপের আগে পর্তুগাল শিবিরে কিছুটা চিন্তা বাড়াতে পারে। ম্যাচটি পর্তুগাল ২-১ গোলে জিতেছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে। ম্যাচের শুরু থেকেই পর্তুগাল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চেয়েছিল। মাঝমাঠে বলের দখল রেখে তারা বারবার নাইজেরিয়ার রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে। রোনাল্ডোও একাধিকবার বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছে যান। কিন্তু কখনও শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, কখনও ঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তিনি। তাঁর মতো বড় মাপের ফুটবলারের কাছ থেকে এমন সুযোগ নষ্ট হওয়া স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

তবে ব্যক্তিগতভাবে রোনাল্ডো গোল না পেলেও দল হিসেবে পর্তুগাল নিজেদের কাজ সেরে নিয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচে জয় সবসময়ই আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নামার আগে দলের ছন্দ, সমন্বয় এবং মানসিক দৃঢ়তা যাচাই করার জন্য এমন ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। সেই দিক থেকে পর্তুগালের জয় তাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিল। তবে রোনাল্ডোর গোল না পাওয়া নিয়ে কোচিং স্টাফ নিশ্চয়ই ভাববেন। পর্তুগালের হয়ে আক্রমণভাগে বেশ কিছু ভালো মুভ দেখা গেলেও ফাইনাল থার্ডে আরও ধারালো হওয়া দরকার। কারণ বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষ আরও কঠিন হবে। সেখানে সুযোগ কম আসবে, আর সেই কম সুযোগ কাজে লাগানোই বড় দলের বৈশিষ্ট্য। রোনাল্ডো যদি নিজের স্বাভাবিক ফিনিশিং ছন্দে ফিরতে পারেন, তবে পর্তুগালের আক্রমণভাগ অনেক বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে।

অন্যদিকে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স ছিল অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক। কোস্টা রিকার বিরুদ্ধে তারা ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে। ডেকলান রাইস, অ্যান্থনি গর্ডন এবং অলি ওয়াটকিন্স গোল করেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ম্যাচে ইংল্যান্ডের আক্রমণ, বল পজেশন এবং দলগত ভারসাম্য যথেষ্ট ভালো ছিল। ইংল্যান্ডের জন্য এই জয় শুধু স্কোরলাইনের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ নয়, মানসিক দিক থেকেও তা বড় পাওনা। বিশ্বকাপের আগে দল যদি এমন আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে পারে, তা হলে টুর্নামেন্টে নামার আগে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ অনেকটাই ইতিবাচক থাকে। কোচের পরিকল্পনা, খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়া এবং বিকল্প ফুটবলারদের পারফরম্যান্স সব মিলিয়ে ইংল্যান্ড শিবিরে আশার আলো দেখা যাচ্ছে।

এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক ছিল গোলের জন্য একজন নির্দিষ্ট ফুটবলারের উপর নির্ভর করতে হয়নি। বিভিন্ন ফুটবলার গোল করেছেন, যা বড় টুর্নামেন্টের আগে একটি দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশ্বকাপে শুধু একজন তারকার উপর নির্ভর করলে বিপদ বাড়ে। প্রতিপক্ষ যদি সেই ফুটবলারকে আটকে দেয়, তবে গোলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রে দেখা গেল, একাধিক ফুটবলার আক্রমণে অবদান রাখতে পারেন। কোস্টা রিকার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের রক্ষণও বেশ সংগঠিত ছিল। প্রতিপক্ষকে বড় সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি তারা। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ তৈরি করা, উইং ব্যবহার করা এবং সেট-পিসে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা সব মিলিয়ে ইংল্যান্ড নিজেদের প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করল। বিশ্বকাপের আগে এমন পারফরম্যান্স সমর্থকদের মধ্যেও প্রত্যাশা বাড়িয়ে দেবে।

তবে প্রস্তুতি ম্যাচের জয় দেখে অতিরিক্ত আত্মতুষ্ট হওয়াও ঠিক নয়। কারণ বিশ্বকাপের মূল পর্ব সম্পূর্ণ আলাদা চাপের। সেখানে প্রতিটি ম্যাচে মানসিক চাপ, মাঠের পরিবেশ এবং প্রতিপক্ষের কৌশল ভিন্ন হবে। তাই ইংল্যান্ডের সামনে চ্যালেঞ্জ এখনও অনেক। কিন্তু কোস্টা রিকার বিরুদ্ধে এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসী করবেই। রোনাল্ডোর গোল না পাওয়া এবং ইংল্যান্ডের দাপুটে জয় দুই ঘটনাই বিশ্বকাপের আগে আলোচনার কেন্দ্রে। রোনাল্ডো তাঁর শেষ দিকের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে আরও একটি বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করতে চাইবেন। তাঁর অভিজ্ঞতা পর্তুগালের জন্য অমূল্য। কিন্তু গোলের সামনে ব্যর্থতা যদি বারবার দেখা যায়, তবে তা দলের জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে।

অন্যদিকে ইংল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরেই বড় ট্রফির অপেক্ষায়। প্রতিভাবান ফুটবলারদের সমন্বয়ে তৈরি এই দল নিয়ে প্রত্যাশা অনেক। প্রস্তুতি ম্যাচে তারা যে ছন্দ দেখাল, তা সমর্থকদের আশাবাদী করবে। তবে বিশ্বকাপের আসল পরীক্ষা শুরু হলে বোঝা যাবে, এই প্রস্তুতির সাফল্য কতটা কাজে লাগে। সব মিলিয়ে বলা যায়, প্রস্তুতি ম্যাচে পর্তুগাল জয় পেলেও রোনাল্ডোর গোলহীনতা প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে কোস্টা রিকাকে হারিয়ে ইংল্যান্ড নিজেদের শক্তির বার্তা দিল। বিশ্বকাপের আগে এই দুই ফলাফল ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার নতুন খোরাক দিল। এখন দেখার, মূল মঞ্চে রোনাল্ডো নিজের পুরনো ছন্দে ফিরতে পারেন কি না এবং ইংল্যান্ড তাদের এই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারে কি না।

বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে দুই শক্তিশালী দলের পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। একদিকে পর্তুগাল জয় পেলেও ম্যাচের বড় চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়ালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। গোলের সামনে একাধিক সুযোগ পেয়েও তিনি বল জালে জড়াতে পারেননি। অন্যদিকে কোস্টা রিকার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের দাপুটে জয় সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আশা জাগিয়েছে। বড় টুর্নামেন্টের আগে এমন প্রস্তুতি ম্যাচ দলগুলির আত্মবিশ্বাস, পরিকল্পনা এবং দুর্বলতা যাচাই করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দেয়। পর্তুগালের ম্যাচে শুরু থেকেই নজর ছিল রোনাল্ডোর উপর। আন্তর্জাতিক ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে তিনি পর্তুগালের সবচেয়ে বড় মুখ। তাঁর অভিজ্ঞতা, গোল করার ক্ষমতা এবং বড় ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করার মানসিকতা এখনও দলের জন্য বড় সম্পদ। কিন্তু এ দিনের ম্যাচে গোলের সামনে তাঁকে স্বাভাবিক ছন্দে দেখা গেল না। একাধিকবার ভালো পজিশনে থেকেও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তিনি। কখনও শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে, কখনও গোলরক্ষক বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন, আবার কখনও শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে অভাব চোখে পড়েছে।

news image
আরও খবর

রোনাল্ডোর মতো একজন তারকা যখন সহজ সুযোগ নষ্ট করেন, তখন তা স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। কারণ তাঁর কাছ থেকে সমর্থকদের প্রত্যাশা সবসময়ই অনেক বেশি। দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করে দলকে জিতিয়েছেন। তাই প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও তাঁর গোল না পাওয়া পর্তুগাল শিবিরে কিছুটা চিন্তার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে সুযোগ কম আসে, আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে দলকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তবে ব্যক্তিগতভাবে রোনাল্ডো গোল না পেলেও দল হিসেবে পর্তুগাল জয় পেয়েছে, সেটাই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তি। প্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফল সবসময় মূল টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না, কিন্তু জয়ের অভ্যাস যে কোনও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বড় প্রতিযোগিতার আগে ড্রেসিংরুমে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা খুব দরকার। সেই দিক থেকে পর্তুগালের এই জয় ইতিবাচক বার্তা দিল। দলের আক্রমণভাগে গতি ছিল, মাঝমাঠে বল দখলের চেষ্টা ছিল এবং রক্ষণভাগও চাপ সামলে নিয়েছে।

পর্তুগালের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হল আক্রমণভাগে আরও ধার আনা। রোনাল্ডো যদি নিজের পুরনো ফিনিশিং ছন্দ ফিরে পান, তবে দল আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে অন্য ফুটবলারদেরও গোল করার দায়িত্ব নিতে হবে। বড় টুর্নামেন্টে শুধু একজন তারকার উপর নির্ভর করলে বিপদ বাড়ে। তাই দলগত ভারসাম্য, দ্রুত পাসিং, উইং থেকে আক্রমণ এবং বক্সের ভিতরে নিখুঁত ফিনিশিং সব ক্ষেত্রেই উন্নতির সুযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স ছিল অনেক বেশি আশাব্যঞ্জক। কোস্টা রিকার বিরুদ্ধে তারা আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে। ম্যাচে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগ ছিল সক্রিয়, মাঝমাঠে ছিল নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগে দেখা গেছে সংগঠিত ভাব। বড় ট্রফির জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা ইংল্যান্ডের সমর্থকদের কাছে এই জয় নিঃসন্দেহে স্বস্তির। কারণ প্রতিভাবান ফুটবলারদের নিয়ে তৈরি এই দলকে ঘিরে প্রত্যাশা বরাবরই বেশি। ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হল, তারা দল হিসেবে ভালো খেলেছে। শুধু একজন নির্দিষ্ট ফুটবলারের উপর নির্ভর না করে একাধিক খেলোয়াড় ম্যাচে প্রভাব ফেলেছেন। আধুনিক ফুটবলে এই দলগত ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ম্যাচে আলাদা ধরনের চাপ থাকে। কখনও প্রতিপক্ষ রক্ষণাত্মক খেলবে, কখনও দ্রুত পাল্টা আক্রমণে চাপ তৈরি করবে। সেই পরিস্থিতিতে দলের সব বিভাগকে সমানভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়।

কোস্টা রিকার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড যে ছন্দ দেখিয়েছে, তা তাদের প্রস্তুতির শক্ত দিক তুলে ধরেছে। বলের দখল ধরে রেখে আক্রমণ গড়ে তোলা, উইং ব্যবহার করা, দ্রুত পাসে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙা এবং সুযোগ তৈরি করা সব দিক থেকেই ইংল্যান্ডকে বেশ সংগঠিত লেগেছে। এই ধরনের পারফরম্যান্স বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। একই সঙ্গে কোচিং স্টাফও বুঝতে পারেন, কোন পরিকল্পনা কার্যকর হচ্ছে এবং কোন জায়গায় আরও কাজ দরকার। তবে প্রস্তুতি ম্যাচের সাফল্য দেখে অতিরিক্ত আত্মতুষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ বিশ্বকাপের মূল পর্বের চাপ সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে প্রতিটি ভুলের মূল্য অনেক বড় হতে পারে। বড় দলের বিরুদ্ধে সুযোগ কম আসবে, আর প্রতিপক্ষের কৌশলও অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। তাই ইংল্যান্ডকে এই জয় থেকে আত্মবিশ্বাস নিতে হবে, কিন্তু একই সঙ্গে নিজেদের দুর্বলতাগুলিও চিহ্নিত করে প্রস্তুতি আরও মজবুত করতে হবে।

ইংল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরেই বড় ট্রফির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রতিভার অভাব কখনও ছিল না, কিন্তু বড় মঞ্চে শেষ ধাপ পার করা তাদের জন্য বারবার কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই এবারও সমর্থকদের প্রত্যাশা অনেক। প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স সেই প্রত্যাশাকে আরও বাড়িয়ে দিল। তবে আসল পরীক্ষা শুরু হবে বিশ্বকাপের মঞ্চে। সেখানে চাপ সামলানো, বড় মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই হবে আসল চাবিকাঠি। সব মিলিয়ে এই প্রস্তুতি ম্যাচগুলি দুই দলের জন্য ভিন্ন বার্তা দিল। পর্তুগাল জিতলেও রোনাল্ডোর গোলহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর অভিজ্ঞতা এখনও দলের বড় শক্তি, কিন্তু গোলের সামনে আরও নিখুঁত হতে হবে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড কোস্টা রিকাকে হারিয়ে নিজেদের শক্তির বার্তা দিয়েছে। দলগত ছন্দ, আত্মবিশ্বাস এবং আক্রমণাত্মক মানসিকতা তাদের সমর্থকদের আশাবাদী করবে।

 


 

Preview image

About Us

Lenspedia brings you verified Bengali news, breaking updates, videos, and local stories. Our mission is to provide accurate and real-time coverage of events that matter to you.

সংবাদ অন্বেষণ করুন