ভারতের হার্ড-হিটিং অলরাউন্ডার Shivam Dube আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, তিনি কেবল ছক্কা হাঁকানো ব্যাটার নন বল হাতেও দলের জন্য সমান কার্যকর হতে পারেন। তার স্পষ্ট বক্তব্য, “আমি ইয়র্কার করতে পারি, স্লোয়ার বল করতে পারি… আর আমি জানি, ছক্কা মারতেও পারি।” এই মন্তব্যেই ফুটে উঠেছে নিজের সামর্থ্যের প্রতি তার অটুট বিশ্বাস। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে দুবে মিডল অর্ডারে নেমে দ্রুত রান তুলে দলের ইনিংসে গতি এনেছেন। স্পিনারদের বিরুদ্ধে লম্বা ছক্কা হাঁকানো তার বিশেষ দক্ষতা হলেও, প্রয়োজনে পেসারদেরও সমান তালে সামলাতে পারেন তিনি। তবে শুধু ব্যাটিং নয়, পার্ট-টাইম পেসার হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ। টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে এক-দু’ওভার কার্যকর বোলিং ম্যাচের ফল নির্ধারণ করতে পারে, আর সেই জায়গাতেই নিজের ভূমিকা পরিষ্কার করেছেন দুবে। দলের ভারসাম্য রক্ষায় একজন ব্যাটিং অলরাউন্ডারের গুরুত্ব অপরিসীম। দুবের বিশ্বাস, সুযোগ পেলে তিনি ম্যাচের দুই বিভাগেই প্রভাব ফেলতে পারেন। আত্মবিশ্বাসী এই বার্তায় বোঝা যাচ্ছে, তিনি শুধু দলে জায়গা ধরে রাখতে নয়, বরং বড় মঞ্চে নিজেকে আরও প্রতিষ্ঠিত করতেই প্রস্তুত।
ক্রীড়া প্রতিবেদক | মুম্বাই
ভারতীয় ক্রিকেটে অলরাউন্ডারের গুরুত্ব সবসময়ই অপরিসীম। কপিল দেব থেকে যুবরাজ সিং, কিংবা বর্তমানের হার্দিক পাণ্ডিয়া—দলের ভারসাম্য রক্ষায় এদের অবদান অনস্বীকার্য। সেই উত্তরাধিকার বহন করার দৌড়ে এখন সবচেয়ে আলোচিত নামটি হলো শিবম দুবে। সম্প্রতি নিজের দক্ষতা নিয়ে দুবের একটি মন্তব্য ক্রিকেট মহলে বেশ শোরগোল ফেলেছে। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেছেন—“আমি ইয়র্কার করতে পারি, স্লোয়ার বল করতে পারি… আমি জানি, আমি ছক্কা মারতে পারি।” এই উক্তিটি কেবল আত্মশ্লাঘা নয়, বরং এটি একজন ক্রিকেটারের কঠোর পরিশ্রমের পর অর্জিত আত্মপরিচয়ের এক বলিষ্ঠ ঘোষণা।
মুম্বাইয়ের ঘরোয়া ক্রিকেটে শিবম দুবে যখন প্রথম নজর কাড়েন, তখন তার প্রধান অস্ত্র ছিল দানবীয় সব ছক্কা। লম্বা চওড়া গড়ন আর বাঁহাতি ব্যাটিংয়ের অনায়াস ভঙ্গি তাকে রাতারাতি নির্বাচকদের নজরে নিয়ে আসে। রঞ্জি ট্রফিতে এক ওভারে পাঁচ ছক্কা মেরে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, আধুনিক ক্রিকেটে ‘পাওয়ার হিটিং’ বলতে যা বোঝায়, তার সবটুকুই তার কবজিতে মজুদ আছে।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শুরুটা তার জন্য খুব একটা মসৃণ ছিল না। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতার অভাব আর ফিটনেস নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু দুবে দমে যাননি। বরং গত দুই বছরে আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির অধীনে নিজের খেলাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি।
শিবম দুবের ব্যাটিং নিয়ে সংশয় না থাকলেও, তার বোলিং নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তিনি নিজেকে একজন ‘বোলিং অলরাউন্ডার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া।
ইয়র্কার ও স্লোয়ারের কারিশমা: টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ডেথ ওভারে রান আটকানো সবচেয়ে কঠিন কাজ। দুবে এখন নেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইয়র্কার এবং নিখুঁত স্লোয়ার বলের অনুশীলন করছেন। তার উচ্চতা তাকে বাড়তি বাউন্স পেতে সাহায্য করে, যা ব্যাটারদের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়ায়।
কৌশলগত সচেতনতা: দুবে এখন জানেন কখন স্লাইসড স্লোয়ার দিতে হয় আর কখন গতির তারতম্য ঘটাতে হয়। তার এই নতুন সংস্করণ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে একজন বাড়তি পেস বোলারের বিকল্প দিচ্ছে।
ভারতীয় দলে টপ অর্ডার সাধারণত শক্তিশালী হয়, কিন্তু মিডল অর্ডারে এমন একজনকে প্রয়োজন হয় যিনি প্রথম বল থেকেই আক্রমণ করতে পারেন।
স্পিন হন্তারক: দুবে সম্ভবত বর্তমান ভারতীয় দলের সেরা স্পিন-হিটার। ক্রিস গেইল বা যুবরাজ সিংয়ের মতো ক্রিজে স্থির থেকে স্পিনারদের মাথার ওপর দিয়ে বল গ্যালারিতে পাঠানো তার সহজাত প্রবৃত্তি।
মানসিক দৃঢ়তা: সমালোচনার ঝড় এড়িয়ে নিজের কাজে মনোনিবেশ করা দুবের অন্যতম শক্তি। চাপের মুখে তিনি এখন অনেক বেশি শান্ত এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী গিয়ার পরিবর্তন করতে সক্ষম।
ভারতীয় ক্রিকেটে হার্দিক পাণ্ডিয়া অপরিহার্য হলেও, তার ইনজুরি প্রবণতা দলের জন্য উদ্বেগের কারণ। এই প্রেক্ষাপটে শিবম দুবের উত্থান ভারতকে একটি ‘ব্যাক-আপ’ বা সমমানের বিকল্প দিচ্ছে। দুবে জানেন, দলে টিকে থাকতে হলে তাকে কেবল ব্যাটার হিসেবে নয়, বরং বল হাতেও নিয়মিত উইকেট নিতে হবে। এই প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবই তাকে আরও শাণিত করছে।
আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং আইসিসি ইভেন্টগুলোর কথা মাথায় রাখলে, দুবে হতে পারেন ভারতের তুরুপের তাস। যদি তিনি ধারাবাহিকভাবে ১৪০ কিমি গতিতে বল না করতে পারলেও ১২৫-১৩০ কিমি গতিতে নিখুঁত লেংথ বজায় রাখতে পারেন, তবে সেটিও দলের জন্য বোনাস।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুবের ব্যাটিং স্টাইল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিয়ন্ত্রিত। তিনি কেবল বড় শট খেলার পেছনে ছোটেন না, বরং ইনিংস গড়ার দিকেও নজর দিচ্ছেন। এটিই একজন পরিণত ক্রিকেটারের লক্ষণ।
শিবম দুবের যাত্রা আমাদের শেখায় যে প্রতিভা থাকলেই হয় না, সেই প্রতিভাকে ঘষেমেজে উজ্জ্বল করতে হয়। তার সেই আত্মবিশ্বাসী উক্তি—“আমি জানি আমি ছক্কা মারতে পারি”—আসলে কঠোর পরিশ্রমের ফসল।
ব্যাট হাতে আকাশচুম্বী ছক্কা, বল হাতে নিখুঁত ইয়র্কার, আর মনে হিমালয়ের মতো অটল বিশ্বাস—এই তিনের সংমিশ্রণে শিবম দুবে এখন ভারতীয় ক্রিকেটের এক নতুন নক্ষত্র। তিনি কেবল একজন খেলোয়াড় নন, তিনি এক লড়াকু যোদ্ধার নাম, যিনি প্রমাণ করেছেন যে সঠিক মানসিকতা থাকলে আকাশ ছোঁয়া অসম্ভব কিছু নয়।
ভারতীয় ক্রিকেটে অলরাউন্ডারের গুরুত্ব সবসময়ই বিশেষ। ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই অবদান রাখতে পারেন এমন ক্রিকেটাররা দলকে বাড়তি ভারসাম্য দেন। সাম্প্রতিক সময়ে সেই ভূমিকায় নিজেকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ে আছেন Shivam Dube। তার সাম্প্রতিক মন্তব্য—“আমি ইয়র্কার করতে পারি, স্লোয়ার বল করতে পারি… আমি জানি, আমি ছক্কা মারতে পারি”—শুধু আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ নয়, বরং নিজের বহুমুখী দক্ষতার এক স্পষ্ট ঘোষণা।
দুবের ক্রিকেটযাত্রা সহজ ছিল না। মুম্বাইয়ের ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে উঠে আসা এই লম্বা চেহারার বাঁহাতি ব্যাটার শুরু থেকেই পরিচিত ছিলেন তার পাওয়ার হিটিংয়ের জন্য। স্থানীয় টুর্নামেন্টে তার লম্বা ছক্কা নজর কাড়ে নির্বাচকদের। ধীরে ধীরে তিনি মুম্বাইয়ের হয়ে রঞ্জি ট্রফি ও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সুযোগ পান। সেখানে তার ব্যাটের জোর ও মিডল অর্ডারে দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা তাকে আলাদা পরিচিতি দেয়।
তবে কেবল ব্যাটিংই নয়, দুবে মিডিয়াম পেস বোলিংয়েও দক্ষ। তার উচ্চতা তাকে বাড়তি বাউন্স এনে দেয়, যা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কার্যকর অস্ত্র হতে পারে। যদিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে শুরুটা ছিল কিছুটা ওঠানামায় ভরা, তবু তিনি ধৈর্য হারাননি। বরং নিজেকে উন্নত করার কাজ চালিয়ে গেছেন নীরবে।
আইপিএলের মঞ্চে দুবে নিজের প্রতিভার ঝলক আরও উজ্জ্বলভাবে দেখান। বড় শট খেলার ক্ষমতা, বিশেষ করে স্পিনারদের বিরুদ্ধে আগ্রাসী মনোভাব, তাকে দলের জন্য মূল্যবান সম্পদে পরিণত করে। মিডল অর্ডারে নেমে কয়েক ওভারের মধ্যেই ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার সামর্থ্য তার রয়েছে। বহু ম্যাচে তিনি দেখিয়েছেন, চাপের মুহূর্তে নির্ভীক ব্যাটিং কীভাবে ফলাফল বদলে দিতে পারে।
তার সাম্প্রতিক মন্তব্য আসলে সেই পরিপক্বতার প্রতিফলন। ইয়র্কার ও স্লোয়ার বল—এই দুটি ডেলিভারি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডেথ ওভারে ইয়র্কার ব্যাটারকে বড় শট নিতে বাধা দেয়, আর স্লোয়ার বল বিভ্রান্ত করে টাইমিং নষ্ট করে। দুবে যখন বলেন তিনি এই ডেলিভারিগুলো করতে পারেন, তখন তিনি বোঝাতে চান—তিনি কেবল পার্ট-টাইমার নন, বরং কৌশলগতভাবে সচেতন বোলার।
ভারতীয় দলে অলরাউন্ডারের প্রতিযোগিতা তীব্র। হার্দিক পাণ্ডিয়ার মতো প্রতিষ্ঠিত নামের পাশাপাশি নতুন মুখরাও জায়গা পেতে চাইছেন। এই প্রেক্ষাপটে দুবের আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানেন, আধুনিক ক্রিকেটে একমাত্রিক খেলোয়াড়দের জায়গা ক্রমশ কমছে। তাই নিজের দক্ষতার পরিধি বাড়ানোই সাফল্যের চাবিকাঠি।
দুবের ব্যাটিং স্টাইল আক্রমণাত্মক হলেও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিয়ন্ত্রিত। শুরুতে তিনি কখনও কখনও অযথা ঝুঁকি নিতেন, ফলে ইনিংস বড় হতো না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, তিনি পরিস্থিতি বুঝে খেলছেন। কখন আক্রমণ করতে হবে, কখন স্ট্রাইক রোটেট করতে হবে—এই ভারসাম্য রপ্ত করছেন ধীরে ধীরে। এর ফলে তার ইনিংসগুলো আরও কার্যকর হচ্ছে।
বোলিংয়েও উন্নতির ছাপ স্পষ্ট। তিনি লেংথ ও ভ্যারিয়েশন নিয়ে কাজ করছেন। কোচিং স্টাফের সঙ্গে অনুশীলনে ইয়র্কার ও স্লোয়ার বলের পুনরাবৃত্তি তাকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। ম্যাচে সেই অনুশীলনের প্রতিফলন দেখা গেলে দল বাড়তি সুবিধা পাবে।
দুবের আরেকটি শক্তি হলো তার মানসিক দৃঢ়তা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সমালোচনা অনিবার্য। খারাপ পারফরম্যান্স এলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু তিনি সেসব পাশ কাটিয়ে নিজের খেলায় মনোযোগ দিয়েছেন। এই মানসিক শক্তিই তাকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে।
দলের ভারসাম্যের দিক থেকে ভাবলে, একজন বাঁহাতি পাওয়ার হিটার মিডল অর্ডারে থাকা বড় সুবিধা। প্রতিপক্ষ বোলারদের লাইন-লেন্থ বদলাতে বাধ্য করে। বিশেষ করে স্পিনারদের বিরুদ্ধে তার লম্বা শট দলকে দ্রুত রান এনে দেয়। আবার প্রয়োজন হলে এক-দু’ওভার বল করে মূল বোলারদের চাপ কমাতে পারেন।
দুবের মন্তব্যে আরেকটি দিক স্পষ্ট—তিনি নিজের ভূমিকা নিয়ে পরিষ্কার। তিনি জানেন, দলে তার জায়গা পোক্ত করতে হলে কেবল ব্যাটিং নয়, বোলিংয়েও অবদান রাখতে হবে। এই আত্মসচেতনতা একজন পেশাদার ক্রিকেটারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভবিষ্যতের দিকে তাকালে, দুবের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। বড় মঞ্চে চাপ বেশি থাকে, প্রতিপক্ষের পরিকল্পনাও সুসংগঠিত হয়। সেখানে টিকে থাকতে হলে টেকনিক, মানসিক শক্তি ও ফিটনেস—সবকিছুই সমানভাবে জরুরি। দুবে সেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেই তার বক্তব্যে এমন দৃঢ়তা।
তার এই আত্মবিশ্বাস তরুণ ক্রিকেটারদের জন্যও অনুপ্রেরণা। প্রতিভা থাকলেই যথেষ্ট নয়; নিজের সামর্থ্যে বিশ্বাস রাখা ও নিয়মিত উন্নতি করাই আসল। দুবে দেখাচ্ছেন, সমালোচনা বা ব্যর্থতা শেষ কথা নয়—সঠিক মানসিকতা থাকলে প্রত্যাবর্তন সম্ভব।
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি দুবে ধারাবাহিকভাবে ব্যাট ও বল হাতে অবদান রাখতে পারেন, তবে তিনি সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠতে পারেন। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তার মতো অলরাউন্ডার দলের কৌশলগত বিকল্প বাড়িয়ে দেয়।
সব মিলিয়ে, “আমি ইয়র্কার করতে পারি… আমি জানি, আমি ছক্কা মারতে পারি”—এই বক্তব্যে শুধু আত্মবিশ্বাস নয়, রয়েছে এক পরিণত ক্রিকেটারের আত্মপরিচয়। তিনি জানেন তিনি কী পারেন, এবং সেটাই মাঠে প্রমাণ করতে প্রস্তুত।
শিবম দুবের যাত্রা এখনও চলছে। প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি ইনিংস তার গল্পে নতুন অধ্যায় যোগ করছে। যদি তিনি এই আত্মবিশ্বাস ও উন্নতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেন, তবে ভারতীয় ক্রিকেটে তার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
শেষ পর্যন্ত, ক্রিকেটে সাফল্য নির্ভর করে বিশ্বাস, পরিশ্রম ও মানসিক দৃঢ়তার ওপর। শিবম দুবে সেই তিনটি গুণ নিয়েই এগিয়ে চলেছেন—ব্যাট হাতে ছক্কা, বল হাতে ইয়র্কার, আর মনে অটুট আত্মবিশ্বাস।