Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

শিল্প করিডর চাই দুর্গাপুরে উন্নয়ন পরিকল্পনার নির্দিষ্ট দিশা দাবি

গত তিন দশকে দুর্গাপুর-সহ পশ্চিম বর্ধমানে একের পর এক কেন্দ্রীয় শিল্প সংস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিল্পাঞ্চলের অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছে। এ দিনের বাজেট ঘিরে বণিক মহলের একাংশের অভিযোগ, বন্ধ কারখানাগুলি পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে কোনও স্পষ্ট ঘোষণা বা ইঙ্গিত নেই।

পশ্চিমবঙ্গের শিল্প মানচিত্রে এক সময় উজ্জ্বল নাম ছিল দুর্গাপুর। ইস্পাত, বিদ্যুৎ, ভারী যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই শহর শুধু রাজ্যের নয়, দেশের শিল্প ইতিহাসেও গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রেখেছে। তবে গত তিন দশকে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। একের পর এক কেন্দ্রীয় শিল্প সংস্থা বন্ধ হওয়া বা কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার ফলে দুর্গাপুর-সহ পশ্চিম বর্ধমান জেলার শিল্পাঞ্চলে কর্মসংস্থান কমেছে, অর্থনৈতিক গতিশীলতা শ্লথ হয়েছে এবং যুবসমাজের এক বড় অংশকে কাজের সন্ধানে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে দুর্গাপুরকে ঘিরে শিল্প করিডর গঠনের দাবি নতুন করে সামনে এসেছে। তবে শুধু দাবি নয়, শিল্পমহল ও বণিক সংগঠনগুলির একাংশের বক্তব্য এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন স্পষ্ট, সময়বদ্ধ এবং বাস্তবসম্মত রূপরেখা। নামমাত্র ঘোষণা বা অস্পষ্ট প্রতিশ্রুতিতে আর আস্থা রাখতে নারাজ তারা।

শিল্প করিডরের ধারণা কেন গুরুত্বপূর্ণ

শিল্প করিডর মানে শুধুমাত্র একাধিক কারখানার সমষ্টি নয়। এটি একটি সমন্বিত শিল্প ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন কেন্দ্র, কাঁচামাল সরবরাহ, পরিবহণ পরিকাঠামো, লজিস্টিক হাব, বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ, দক্ষ মানবসম্পদ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা এক সুতোয় বাঁধা থাকে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শিল্প করিডর গড়ে ওঠার ফলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বিনিয়োগ বেড়েছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় অর্থনীতি নতুন গতি পেয়েছে।

দুর্গাপুরের ভৌগোলিক অবস্থান এই দিক থেকে যথেষ্ট অনুকূল। জাতীয় সড়ক, রেলপথ, নিকটবর্তী বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং ইস্পাত শিল্পের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সব মিলিয়ে এই অঞ্চল শিল্প করিডরের জন্য স্বাভাবিকভাবেই উপযুক্ত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কেন উঠছে রূপরেখার দাবি

শিল্প করিডরের কথা অতীতেও উঠেছে। কিন্তু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একাধিক প্রশ্ন আজও অনুত্তরিত। শিল্পমহলের বক্তব্য অনুযায়ী

  • করিডরের সুনির্দিষ্ট এলাকা কোনগুলি হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়

  • কোন শিল্পগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ভারী শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প না কি নতুন প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নেই

  • জমি নীতি, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া কী হবে, তার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষিত হয়নি

  • বিনিয়োগকারীদের জন্য কী ধরনের করছাড় বা প্রণোদনা থাকবে, সে বিষয়ে কোনও লিখিত রোডম্যাপ নেই

এই অনিশ্চয়তাই বিনিয়োগকারীদের পিছিয়ে দিচ্ছে বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির।

বন্ধ শিল্প ও তার প্রভাব

গত কয়েক দশকে দুর্গাপুর ও পশ্চিম বর্ধমানে একাধিক বড় শিল্প সংস্থা বন্ধ হয়েছে বা উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমিয়েছে। এর ফলে প্রত্যক্ষভাবে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসা, পরিবহণ, আবাসন ও পরিষেবা ক্ষেত্র। একসময় যে এলাকায় শ্রমিকদের ভিড় লেগে থাকত, সেখানে এখন অনেক জায়গায় নীরবতা।

শিল্প করিডর গড়ে উঠলে এই বন্ধ শিল্পগুলির পরিকাঠামো আংশিকভাবে হলেও পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে বলে মত অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের। তবে তার জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও কেন্দ্র রাজ্য সমন্বয়।

যুবসমাজের প্রত্যাশা

দুর্গাপুর ও আশপাশের এলাকার যুবসমাজ দীর্ঘদিন ধরেই কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশ। উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন বহু যুবককে বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, পুনে বা দিল্লিমুখী হতে হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে শিল্প করিডর গড়ে উঠলে তথ্যপ্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং, লজিস্টিকস, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষেবা ক্ষেত্রে নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে এই আশাতেই তারা তাকিয়ে রয়েছে।

যুব প্রতিনিধিদের একাংশের মতে, শুধু শিল্প গড়লেই হবে না; দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও স্থানীয় নিয়োগে অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গি

প্রশাসনের তরফে শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরির কথা বারবার বলা হলেও শিল্পমহলের বক্তব্য বাস্তবে সেই উদ্যোগের গতি এখনও মন্থর। একাধিক দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব, দীর্ঘ অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং নীতিগত অস্পষ্টতা শিল্প করিডর বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ডেডিকেটেড শিল্প করিডর অথরিটি গঠন করে এক জানালা ব্যবস্থায় সমস্ত অনুমোদন দিলে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলাতে পারে।

কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের প্রয়োজন

শিল্প করিডর প্রকল্প সফল করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। পরিকাঠামো উন্নয়ন, রেল ও সড়ক সংযোগ, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ—এই সব ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে জমি, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব রাজ্যের।

news image
আরও খবর

এই দুই স্তরের সমন্বয় ছাড়া শুধু ঘোষণা দিয়ে শিল্প করিডর বাস্তবায়ন সম্ভব নয় এমনটাই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

 

সব মিলিয়ে দুর্গাপুরে শিল্প করিডর গঠনের দাবি নিছক রাজনৈতিক স্লোগান নয়। এটি একটি অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের প্রয়োজনীয়তা। তবে সেই প্রয়োজন বাস্তবে রূপ দিতে হলে চাই স্পষ্ট রূপরেখা, সময়সীমা নির্ধারিত পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতি।

অন্যথায় দুর্গাপুরের মতো শিল্প শহরগুলি শুধুই অতীত গৌরবের গল্পে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে। শিল্প করিডর যদি সত্যিই গড়ে ওঠে, তবে তা শুধু দুর্গাপুর বা পশ্চিম বর্ধমান নয় সমগ্র রাজ্যের শিল্প মানচিত্রকেই নতুন করে সাজিয়ে দিতে পারে। এখন দেখার, দাবি কতটা দ্রুত বাস্তবের মাটিতে নামতে পারে। 

সব মিলিয়ে দুর্গাপুরে শিল্প করিডর গঠনের দাবি নিছক কোনও রাজনৈতিক স্লোগান বা সাময়িক আলোচনার বিষয় নয়। এটি সময়ের দাবি এবং এক অর্থে শিল্পাঞ্চলটির অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের অপরিহার্য প্রয়োজন। এক সময় যে দুর্গাপুর ভারী শিল্প, ইস্পাত উৎপাদন ও বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে দেশের শিল্প মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছিল, আজ সেই শহরই দীর্ঘদিন ধরে স্থবিরতার মুখে দাঁড়িয়ে। শিল্প করিডরের দাবি আসলে সেই স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন দিশা খোঁজার আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন।

গত কয়েক দশকে দুর্গাপুর ও সংলগ্ন পশ্চিম বর্ধমান জেলার শিল্প পরিকাঠামোয় যে ভাঙন ধরেছে, তার প্রভাব কেবল শিল্প ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নেই। কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় অর্থনীতি, ছোট ও মাঝারি ব্যবসা, এমনকি সামাজিক কাঠামোও। বহু পরিবারকে জীবিকার তাগিদে অন্য রাজ্যে পাড়ি দিতে হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে শিল্প করিডর গঠন মানে শুধুমাত্র নতুন কারখানা স্থাপন নয় এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম তৈরির প্রয়াস।

কেন শিল্প করিডর অপরিহার্য

শিল্প করিডর এমন একটি ধারণা, যেখানে উৎপাদন, পরিবহণ, লজিস্টিকস, বিদ্যুৎ, প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদ সবকিছু একত্রে পরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলা হয়। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে উৎসাহিত হন এবং স্থানীয় মানুষের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। দুর্গাপুরের মতো শিল্পনগরীর ক্ষেত্রে এই মডেল বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে, কারণ এখানে এখনও বহু অব্যবহৃত বা আংশিক ব্যবহৃত শিল্প পরিকাঠামো রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্প করিডর গড়ে উঠলে ভারী শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, স্টার্ট-আপ, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন এবং পরিষেবা ক্ষেত্রেও বিনিয়োগ আসতে পারে। এতে শিল্পের বৈচিত্র্য বাড়বে এবং কোনও একটি খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমবে।

রূপরেখার অভাবই মূল প্রশ্ন

যদিও শিল্প করিডরের দাবি বারবার উঠছে, বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পষ্ট রূপরেখার অভাব। কোন এলাকায় করিডর গড়ে উঠবে, কী ধরনের শিল্প সেখানে অগ্রাধিকার পাবে, জমি নীতি কী হবে, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রশাসনিক অনুমোদনের সময়সীমা কত এই প্রশ্নগুলির সুস্পষ্ট উত্তর এখনও সামনে আসেনি।

শিল্পমহলের বক্তব্য, বিনিয়োগকারীরা শুধু সম্ভাবনার কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেন না। তারা চান নির্দিষ্ট পরিকল্পনা, লিখিত নীতি এবং সময়বদ্ধ বাস্তবায়নের আশ্বাস। এই জায়গাতেই শিল্প করিডর সংক্রান্ত আলোচনাকে বাস্তবের মাটিতে নামাতে হলে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

সময়সীমা নির্ধারিত পরিকল্পনার গুরুত্ব

শিল্প করিডর প্রকল্প দীর্ঘমেয়াদি হলেও তার প্রতিটি ধাপে সময়সীমা নির্ধারিত থাকা জরুরি। জমি অধিগ্রহণ, পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ, সড়ক ও রেল সংযোগ প্রতিটি ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকলে প্রকল্প বছরের পর বছর ঝুলে থাকার আশঙ্কা থাকে।

অতীতে একাধিক শিল্প প্রকল্পের ক্ষেত্রে এই বিলম্বই বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করেছে। তাই দুর্গাপুরে শিল্প করিডর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি হলে চলবে না এমনটাই মত অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের।

বিনিয়োগবান্ধব নীতির প্রয়োজন

শুধু পরিকাঠামো তৈরি করলেই শিল্প করিডর সফল হয় না। তার সঙ্গে প্রয়োজন বিনিয়োগবান্ধব নীতি কর ছাড়, সহজ অনুমোদন প্রক্রিয়া, এক জানালা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা। শিল্পমহলের একাংশের দাবি, যদি সত্যিই দুর্গাপুরকে নতুন করে শিল্প মানচিত্রে ফিরিয়ে আনা হয়, তবে নীতিগত স্তরে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বড় শিল্প প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা যেমন জরুরি, তেমনই স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতাও অপরিহার্য।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশা

দুর্গাপুরের শিল্প করিডর নিয়ে আলোচনায় সবচেয়ে বড় অংশীদার আসলে এখানকার যুবসমাজ। তারা চায় স্থানীয়ভাবে কাজের সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়নের পরিকাঠামো এবং আধুনিক শিল্প পরিবেশ। শিল্প করিডর যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি, লজিস্টিকস, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে বিপুল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

তবে সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিতে হলে শিল্প করিডরকে কেবল বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রকল্প হিসেবে নয়, মানবসম্পদ উন্নয়নের একটি মাধ্যম হিসেবেও দেখতে হবে।

শেষ কথা

অন্যথায় দুর্গাপুরের মতো শিল্প শহরগুলি শুধুই অতীত গৌরবের গল্পে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে যেখানে ইতিহাস আছে, কিন্তু বর্তমান নেই। শিল্প করিডর যদি সত্যিই গড়ে ওঠে এবং তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে তা শুধু দুর্গাপুর বা পশ্চিম বর্ধমানের জন্য নয়, বরং সমগ্র রাজ্যের শিল্প মানচিত্রকেই নতুন করে সাজিয়ে দিতে পারে।

এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই দাবি কতটা দ্রুত বাস্তবের মাটিতে নামতে পারে। স্পষ্ট রূপরেখা, সময়সীমা নির্ধারিত পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতি যদি বাস্তবে রূপ পায়, তবে দুর্গাপুর আবারও তার শিল্প পরিচয় ফিরে পেতে পারে। এখন অপেক্ষা সেই বাস্তবায়নের।

Preview image