কাঞ্চন শ্রীময়ীর দম্পতির কন্যাসন্তান কৃষভিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে চলছে উত্তাপের ঝড়। এক বছরের কন্যাকে নিয়ে কিছু ট্রোলার কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, যা শুধুমাত্র শিশুটির নয়, পুরো পরিবারের সম্মানকে আঘাত করেছে। জন্মের পর থেকেই নেটিজেনদের দৃষ্টি ও কটাক্ষের মুখোমুখি হয়েছেন এই তারকা দম্পতি। বয়সের ফারাক, পূর্বের বিবাহ এসব বিষয় নিয়েই শুরু থেকেই তাদের সম্পর্ককে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে কৃষভির আগমনে তাদের জীবনে এসেছে সবচেয়ে বড় আনন্দ এবং নতুন দায়িত্ব। মেয়ের প্রতি নেটিজেনদের অযৌক্তিক কটাক্ষে শ্রীময়ী চুপ থাকতে রাজি নন। সম্প্রতি সিটি সিনেমাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বাবা মায়ের রক্তই তো সন্তানের মধ্যে থাকবে। এটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।তিনি ট্রোলারদের মানসিকতার প্রতি প্রশ্ন তোলেন এবং তাদের কুরুচিকর মন্তব্যকে সমাজের নীচু মানসিকতার প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেন। শ্রীময়ী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, মেয়ের এক রাতের রেট বোঝার ক্ষমতাই হয়নি।এটি শুধুমাত্র কটূক্তি নয়, বরং শিশু ও পরিবারের প্রতি অসম্মানের উদাহরণ। শ্রীময়ী সোশ্যাল মিডিয়ায় কমেন্ট সেকশন বন্ধ করতে রাজি নন। যেখানে তার স্বামী কাঞ্চন এসব এড়িয়ে চলেন, সেখানে শ্রীময়ী সুযোগ পেলেই ট্রোলারদের যথাযথ জবাব দেন। আইনি পথে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি চান না তার কন্যার নাম আদালতের মঞ্চে উঠুক। মূল লক্ষ্য হলো, সন্তান ও পরিবারের সম্মান রক্ষা করা। তিনি বারবার বলেন, একজন মা হিসেবে সন্তানের মর্যাদার সঙ্গে আপস করা সম্ভব নয়।
কাঞ্চন শ্রীময়ী দম্পতি টলিউডের অন্যতম আলোচিত নাম। সম্পর্কের শুরু থেকেই তাদের জীবনে বিতর্কের ছায়া লেগে থাকে। বয়সের ফারাক, পূর্বের বিবাহ এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নেটিজেনরা বিভিন্ন সময়ে নানা মন্তব্য করেছে। তবে এই তারকা জুটির জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে তাদের কন্যাসন্তান কৃষভির জন্মের পর। এক বছরের এই কন্যা শুধুমাত্র তাদের সুখের কেন্দ্রবিন্দুই নয়, একই সঙ্গে নেটিজেনদের নজরের কেন্দ্রবিন্দুও হয়ে উঠেছে।
শিশুর জন্মের পর থেকেই নেটিজেনরা একদিকে যেমন কৃষভিকে নিয়ে প্রশংসা করেছেন, অন্যদিকে কিছু ট্রোলার কুরুচিকর মন্তব্য করতেও পিছপা হননি। এক বছরের শিশুর প্রতি এই ধরনের কটূক্তি সামাজিক সীমারেখা অতিক্রম করে। শিশুকে ঘিরে এই মন্তব্যগুলো শুধুমাত্র পরিবারের প্রতি অসম্মান নয়, বরং সমাজের নীচু মানসিকতারও প্রকাশ। এই পরিস্থিতিতে শ্রীময়ী চুপ থাকতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বাবা মায়ের রক্তই তো সন্তানের মধ্যে থাকবে। এটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।এটি একটি সাধারণ সত্য যে শিশুর বৈশিষ্ট্য প্রায়শই বাবা মায়ের মধ্যে সংকরিত হয়ে প্রকাশ পায়। তবে কিছু মানুষ এই সত্যকে কটাক্ষের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন, যা শ্রীময়ী মানতে পারেননি।
শ্রীময়ী কেবল নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতিই প্রকাশ করেননি, বরং সামাজিক সচেতনতার বার্তাও দিয়েছেন। তিনি ট্রোলারদের মানসিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন এবং বলেন, কুরুচিকর মন্তব্য শুধু অপরাধমূলক নয়, বরং এটি একটি সমাজের মানসিক বিকৃতির পরিচায়ক। শিশুর বয়স বিবেচনা করে মন্তব্যের সীমা কেমন হওয়া উচিত, সেটিও তিনি তুলে ধরেন। মেয়ের এক রাতের রেট বোঝার ক্ষমতাই হয়নি, এমন মন্তব্যের মাধ্যমে শিশু ও পরিবারের প্রতি যে অসম্মান দেখানো হচ্ছে, তা সমাজের জন্য এক ধরণের সতর্কবার্তা।
শ্রীময়ী সোশ্যাল মিডিয়ায় কমেন্ট সেকশন বন্ধ করতে রাজি নন। তিনি মনে করেন, চুপ থাকা মানেই এই ধরনের আচরণকে উৎসাহ দেওয়া। যেখানে তার স্বামী কাঞ্চন এসব এড়িয়ে চলেন, সেখানে শ্রীময়ী প্রত্যেক সুযোগে ট্রোলারদের যথাযথ জবাব দেন। তাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নয় এটি শিশু ও পরিবারের সম্মান রক্ষার এক দৃঢ় পদক্ষেপ। আইনি পথে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি চান না তার কন্যার নাম আদালতে উঠুক। এটি তার মা হিসেবে দৃষ্টিভঙ্গি শিশুর মর্যাদা ও সুরক্ষা প্রথমে।
শ্রীময়ীর বক্তব্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি ট্রোলারদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করতে চান। তিনি বলেন, যারা এই ধরনের মন্তব্য করেন, তাদের মানসিক সুস্থতার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে সরকারি ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নয়, বরং সমাজের মানসিক স্বাস্থ্য ও সচেতনতার বিষয়। একজন মা হিসেবে শ্রীময়ী স্পষ্টভাবে বার্তা দেন যে, সন্তানের সম্মান রক্ষা করতে কোনও আপস নেই।
কৃষভি শুধুমাত্র তাদের সন্তানেরা নয়, বরং নেটিজেনদেরও আগ্রহের কেন্দ্র। শিশুর সুন্দর চেহারা, বাবার সঙ্গে মিল এবং ছোট ছোট আচরণগুলো নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই শিশুটিকে আদর ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন, আবার কিছু কিছু মানুষ কুরুচিকর মন্তব্য করে বিতর্ক তৈরি করেন। শ্রীময়ী এই দুই প্রকার প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই সামাজিক দায়িত্বের দিকটি গুরুত্ব দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব সমাজের জন্য অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ।
শ্রীময়ী স্পষ্ট করে বলেন যে, এই ধরনের কটূক্তি সমাজের জন্য শিক্ষা হওয়া উচিত। শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা প্রতিশোধ নয়, বরং এটি একটি সামাজিক বার্তা যে শিশুর উপর ভিত্তিহীন মন্তব্য করা কতটা অনুচিত। তিনি ট্রোলারদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে বিষয়টিকে সামলাতে চাচ্ছেন, যাতে তাদের মানসিক অবস্থা ও আচরণ পরিবর্তন করা যায়। তার মানসিকতা হলো যে কেউ যদি শিশু ও পরিবারের প্রতি অসম্মান দেখায়, তাকে শুধু শাস্তি দেওয়া নয়, বরং সচেতন করার চেষ্টা করতে হবে।
এই পরিস্থিতি শ্রীময়ীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে। একজন মা হিসেবে তার দায়িত্ব শুধুমাত্র নিজের সন্তানকে ভালোবাসা নয়, বরং তাকে সমাজের অনাকাঙ্ক্ষিত সমালোচনা থেকে রক্ষা করা। শিশুর মানসিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, তিনি প্রতিটি পদক্ষেপে সচেতন। শিশু ও পরিবারের প্রতি ট্রোলারদের আচরণকে নিরপেক্ষভাবে বিশ্লেষণ করে তিনি দেখান, কীভাবে নীচু মানসিকতা প্রকাশ পায় এবং তা কেবল ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক সমস্যারও অংশ।
কৃষভিকে ঘিরে যে উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রতিক্রিয়ায় শ্রীময়ী সামাজিক দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি চাইছেন যে, শিশুর প্রতি অযৌক্তিক ও কুরুচিকর মন্তব্য করা মানুষদের মানসিকভাবে পুনর্বিন্যাস করা হোক। এটি কেবল ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া নয়, বরং সমাজের নৈতিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতাও বৃদ্ধি করে। শ্রীময়ীর বার্তা স্পষ্ট পরিবার ও সন্তানের সম্মান রক্ষা করতে কোনো আপস নেই, এবং সমাজের মধ্যে শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাবের গুরুত্ব অপরিসীম।
শ্রীময়ী সবসময়ই স্পষ্টভাষী একজন মানুষ। তার মুখে কখনও কোনও ধরণের ভান বা আত্মসংযম থাকে না। মেয়ের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যের জবাবে তিনি সরাসরি বলেন, বাবা মায়ের সঙ্গে শিশুর বৈশিষ্ট্য থাকা স্বাভাবিক। এটি কোনো অস্বাভাবিকতা নয়। তিনি লক্ষ্য করেন, অনেকেই শিশুর কণ্ঠ, আচরণ বা চেহারার সঙ্গে অতিরিক্ত সংযোগ বা তুলনা করতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন যা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। ছোট বয়সের শিশুদের নিয়ে এমন ধরনের জটিল ও কুরুচিকর কথাবার্তা সমাজের মানসিক বিকৃতিরই চিত্র।
শ্রীময়ী জানিয়েছেন, এই ধরনের ট্রোলিংয়ের মধ্যে অনেক সময়ই শিশুর জন্যই সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব থাকে। শিশু যখন সামাজিক মাধ্যমে তার ছবি বা ভিডিও দেখায়, তখন তাকে ঘিরে যে কটাক্ষ বা অযৌক্তিক মন্তব্য হয়, তা শিশু এবং পরিবার উভয়ের মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও এক বছরের শিশু নিজের পরিস্থিতি বুঝতে পারে না, তার মা হিসেবে শ্রীময়ী প্রত্যেকবার সচেতন থাকেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, একটি শিশুকে ঘিরে রাতের আলোচনায় কুরুচিকর মন্তব্য করা মানসিকভাবে কতটা নিচু মানসিকতার পরিচায়ক, তা বোঝা দরকার।
শ্রীময়ী শুধু কটাক্ষের জবাব দেয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার কমেন্ট সেকশন বন্ধ করতে রাজি হননি, কারণ তার মতে চুপ থাকা মানে এই ধরনের আচরণকে উৎসাহ দেওয়া। যেখানে তার স্বামী কাঞ্চন পরিস্থিতি এড়িয়ে চলেন, সেখানে শ্রীময়ী সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেন। যদিও আইনি পথে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি চান না তার কন্যার নাম আদালতে উঠুক। তার এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে একজন মা হিসেবে তার মূল লক্ষ্য হলো শিশুর মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা।
শ্রীময়ী নেটিজেনদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমেও বিষয়টি মোকাবিলা করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, যারা শিশুর প্রতি অযৌক্তিক মন্তব্য করছে, তাদের মানসিক সুস্থতার দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে সরকারি ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তার এই দৃষ্টিভঙ্গি কেবল ব্যক্তি কেন্দ্রিক নয়, এটি সমাজের মানসিক ও নৈতিক দিকও স্পর্শ করে। শ্রীময়ীর বার্তা স্পষ্ট সন্তানের সম্মান রক্ষা করতে কোনো আপস করা হবে না।
শিশুর কল্পনা বা আচরণকে ঘিরে যে আলোচনা চলছে, তার মধ্যে কিছু মানুষ নেগেটিভ মন্তব্যের মাধ্যমে নিজের মন খারাপ করার চেষ্টা করছে। শ্রীময়ী সেই মনোভাবের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে দাঁড়ান। তিনি বলেন, সন্তানকে ঘিরে কোনো অসম্মান মানা হবে না, এবং এই ধরনের আচরণকে সামাজিক শিক্ষা হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। শিশুর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব বজায় রাখা সমাজের দায়িত্ব।
কৃষভির চেহারা ও বাবার সঙ্গে মিল নিয়ে নেটিজেনদের নানা প্রতিক্রিয়া এসেছে। অনেকেই শিশুটিকে আদর ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন, আবার কিছু লোক কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন। শ্রীময়ী এ ধরনের মন্তব্যকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেন এবং সচেতনতার সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, শিশুদের মানসিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অভিভাবকের প্রথম দায়িত্ব।
শ্রীময়ীর প্রতিক্রিয়া দেখায় কিভাবে একজন মা তার সন্তানকে সামাজিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। শিশু ও পরিবারের প্রতি ট্রোলারদের আচরণকে বিশ্লেষণ করে তিনি দেখান, এটি কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং সামাজিক নৈতিকতারও পরীক্ষা। শিশুর প্রতি অসম্মানজনক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া শুধু ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নয়, এটি একটি সামাজিক বার্তাও হয়ে দাঁড়ায়।
শ্রীময়ীর এবং কাঞ্চনের উদাহরণ দেখায়, কিভাবে একজন মা ও পিতা সন্তান এবং পরিবারকে নৈতিক ও সামাজিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার ও সন্তানের সুরক্ষা এগুলো তাদের জন্য অপরিহার্য। সামাজিক মাধ্যমে শিশুর ছবি, ভিডিও বা আচরণ নিয়ে যখন আলোচনা হয়, তখন শ্রীময়ী সচেতনভাবে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি দেখান, কিভাবে শিশুদের প্রতি অসম্মানজনক মনোভাব সমাজে কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
শ্রীময়ী বারবার বলেন, সন্তানকে ঘিরে যে কোন ধরনের অসম্মান মেনে নেওয়া হবে না। এটি কেবল ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং সমাজের মধ্যে শিশুদের প্রতি নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বের দিকও নির্দেশ করে। তিনি দেখান, কিভাবে একজন মা শিশুর নিরাপত্তা এবং সম্মান রক্ষা করতে তার শক্তি ও প্রজ্ঞা ব্যবহার করতে পারেন। এটি শুধু এক পরিবারের গল্প নয়, এটি সমাজে শিশুদের প্রতি নৈতিক ও সামাজিক সচেতনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
শ্রীময়ীর দৃষ্টিভঙ্গি কেবল সমালোচনার প্রতিক্রিয়া নয়। এটি এক প্রকার সামাজিক বার্তা, যা সমাজকে মনে করিয়ে দেয় যে শিশুদের সম্মান রক্ষা করা প্রত্যেকের দায়িত্ব। ট্রোলিংয়ের জবাবের মাধ্যমে তিনি শুধু ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া দেননি, বরং একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ স্থাপন করেছেন, যা সামাজিক সচেতনতা ও নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে যুক্ত। শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণের গুরুত্ব ও পরিবারের মর্যাদা রক্ষার বার্তা তার প্রতিটি বক্তব্যে ফুটে ওঠে।
শ্রীময়ীর এই ধৈর্য, স্পষ্টতা ও দায়িত্ববোধ দেখায় যে কিভাবে একজন অভিভাবক সন্তান এবং পরিবারের সম্মান রক্ষা করতে পারে। তিনি নিজেকে শুধুমাত্র কটাক্ষের প্রতিক্রিয়াকারী হিসেবে দেখেননি, বরং সমাজের সচেতন নাগরিক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এই দীর্ঘ বিবরণটি শুধু কঞ্চন শ্রীময়ী ও তাদের কন্যার গল্প নয়, এটি সমাজে শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব ও নৈতিক সচেতনতার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
শ্রীময়ী ও কাঞ্চন দম্পতির উদাহরণ দেখায়, কিভাবে একজন মা ও পিতা সমাজের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারেন। ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার এবং সন্তানের সুরক্ষা এই তিনটি বিষয়েই তারা স্থির প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিশুদের প্রতি অযৌক্তিক ট্রোলিং সমাজে কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তা শ্রীময়ীর বক্তব্যের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যায়। তিনি বারবার এই বার্তা দেন যে, সন্তানকে ঘিরে যে কোন ধরনের অসম্মান মানা হবে না এবং সেটির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া সকলের দায়িত্ব।
সংক্ষেপে, কন্যাসন্তান কৃষভিকে ঘিরে ঘটে যাওয়া কটাক্ষ ও ট্রোলিংয়ের মোকাবেলায় শ্রীময়ী স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। শিশুর প্রতি কুরুচিকর মন্তব্যের প্রতিকার হিসেবে তিনি জবাব দিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমিতনয়ন কার্যকর করেছেন, আইনি পথ বাদ দিয়ে নৈতিক ও সামাজিকভাবে ট্রোলারদের শিক্ষা দিতে চেয়েছেন। শ্রীময়ীর বার্তা স্পষ্ট পরিবার ও সন্তানের সম্মান রক্ষা করতে কোনো আপস নেই। এই দীর্ঘ বর্ণনা শুধু একটি পরিবারের গল্প নয়, বরং সমাজে শিশুদের সম্মান এবং নৈতিক সচেতনতার এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।