Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মেসির নতুন চমক স্পেনের শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব কিনলেন, এক বছরেই দ্বিতীয় দলের মালিক

মাঠের বাইরেও নতুন অধ্যায় শুরু মেসির! অবসরের পর স্পেনের দুই ক্লাবের মালিক হয়ে ফুটবলে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

সবুজ গালিচায় নিজের পায়ের জাদুতে ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করার পর এবার মাঠের বাইরেও ফুটবল দুনিয়ায় নিজের প্রভাব আরও বাড়াচ্ছেন লিওনেল মেসি। খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা নাম হওয়ার পাশাপাশি ধীরে ধীরে ফুটবল উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজের অবস্থান শক্ত করছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ইন্টার মায়ামির হয়ে এখনও মাঠে খেলছেন তিনি। তার মধ্যেই স্প্যানিশ ফুটবলের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক আরও গভীর করে নতুন এক ক্লাবের মালিকানায় নাম লেখালেন মেসি।

স্পেনের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব সিডি এলদেন্স বা CD Eldense-এর মালিকানা নেওয়ার খবর সামনে এসেছে। ক্লাবটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে মালিকানা পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে খেলোয়াড়ি জীবনের মাঝেই ইউরোপের আরও একটি ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে সরাসরি মালিকানা সূত্রে যুক্ত হলেন মেসি। এর আগে স্পেনের পঞ্চম স্তরের ক্লাব ইউই করনেল্লার সঙ্গে তাঁর বিনিয়োগের খবর সামনে এসেছিল। ফলে এলদেন্সের মালিকানা মেসির ফুটবল ব্যবসায়িক পরিকল্পনার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লিওনেল মেসির সঙ্গে স্প্যানিশ ফুটবলের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। তাঁর ক্যারিয়ারের দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে সফল সময় কেটেছে বার্সেলোনায়। কাতালান ক্লাবটির জার্সিতে অসংখ্য ম্যাচ খেলে রেকর্ডের পর রেকর্ড তৈরি করেছেন তিনি। বার্সেলোনার হয়ে একাধিক লিগ, ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা এবং ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। তাই স্পেনের ফুটবল কাঠামোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বহু পুরনো। এবার সেই সম্পর্ককে খেলোয়াড়ের গণ্ডি পেরিয়ে মালিকানার পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার খবর ফুটবল দুনিয়ায় নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে।

CD Eldense একটি দীর্ঘ ইতিহাসের ক্লাব। শতাব্দীপ্রাচীন এই স্প্যানিশ দলটি দেশের ফুটবল কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে দীর্ঘদিন ধরে খেলেছে। ক্লাবটির ঐতিহ্য এবং স্থানীয় ফুটবল সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। মেসির মতো বিশ্বখ্যাত তারকার মালিকানায় আসার ফলে ক্লাবটির আন্তর্জাতিক পরিচিতি যে আরও বাড়তে পারে, সেটিও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

তবে মেসির নতুন মালিকানার সময়টা এলদেন্সের জন্য একেবারেই সহজ নয়। চলতি মরশুমে দলের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। সেহুন্দা ডিভিশনের প্রথম কয়েকটি ম্যাচের পরেই দলটি লিগ টেবলের নিচের দিকে অবস্থান করছে। একাধিক ম্যাচে হার তাদের পরিস্থিতি কঠিন করে তুলেছে। ফলে নতুন মালিক হিসেবে মেসির সামনে শুধু ক্লাবের ব্যবসায়িক কাঠামো উন্নত করার বিষয়ই নয়, মাঠের পারফরম্যান্সকে ঘুরিয়ে দেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জও রয়েছে।

অবশ্য ক্লাবের মালিক হলেই যে মেসি সরাসরি দলের কোচিং বা খেলোয়াড় নির্বাচনের দায়িত্ব নেবেন, এমন কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। মালিকানা এবং ফুটবল পরিচালনার দায়িত্ব সাধারণত আলাদা কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই মেসি এলদেন্সের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর ঠিক কোন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং ক্লাবের ক্রীড়া প্রকল্পে তাঁর ভূমিকা কতটা থাকবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

মেসির মালিকানায় আসার ফলে ক্লাবটির বাণিজ্যিক মূল্য এবং ব্র্যান্ড পরিচিতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশ্বজুড়ে মেসির বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাঁর নামের সঙ্গে যুক্ত কোনও প্রতিষ্ঠান বা ফুটবল প্রকল্প সহজেই আন্তর্জাতিক ফুটবলপ্রেমীদের নজরে আসে। সেই জায়গা থেকে CD Eldense-এর জন্য নতুন স্পনসর, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিতি, ডিজিটাল উপস্থিতি এবং বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

তবে ফুটবল ক্লাব পরিচালনা শুধুমাত্র অর্থ বিনিয়োগের বিষয় নয়। বিশেষ করে স্পেনের পেশাদার ফুটবল কাঠামোয় আর্থিক নিয়ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাবগুলিকে নির্দিষ্ট আর্থিক কাঠামো এবং খেলোয়াড়দের বেতন সংক্রান্ত সীমার মধ্যে থেকে দল পরিচালনা করতে হয়। ফলে মেসি মালিক হয়েছেন বলেই ইচ্ছেমতো বিপুল অর্থ খরচ করে তারকা ফুটবলার কিনে দলকে রাতারাতি শক্তিশালী করে তোলা সম্ভব নয়।

এই কারণেই এলদেন্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অ্যাকাডেমি, তরুণ ফুটবলার তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদি স্কাউটিং ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। একজন বিশ্বমানের ফুটবলার হিসেবে মেসি জানেন, প্রতিভা চিহ্নিত করা এবং সঠিক পরিবেশে তাদের উন্নতি ঘটানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়ন, যুব ফুটবল এবং নতুন প্রতিভা তৈরির দিকে নজর দেওয়া হলে সেটি এলদেন্সের দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের অংশ হতে পারে।

মেসির ক্লাব মালিকানায় প্রবেশ অবশ্য একেবারে নতুন ঘটনা নয়। বর্তমান ফুটবলে বেশ কিছু তারকা খেলোয়াড় খেলোয়াড়ি জীবনের পাশাপাশি ক্লাব মালিকানা বা বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। মেসির প্রাক্তন বার্সেলোনা সতীর্থ জেরার্ড পিকে ইতিমধ্যেই এফসি অ্যান্ডোরার মালিকানার সঙ্গে যুক্ত। ফলে ফুটবলার থেকে ফুটবল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে।

মেসির ক্ষেত্রেও এই পরিবর্তন ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে। তাঁর দীর্ঘ খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের পরবর্তী ধাপ কী হবে, তা নিয়ে বহুদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তাঁর ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা সামনে এসেছে। খেলোয়াড়ি জীবনের পর ফুটবল প্রশাসন, বিনিয়োগ অথবা ক্লাব পরিচালনার সঙ্গে তাঁর যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ফুটবলবিশ্বে আগ্রহ রয়েছে।

স্পেনের ক্লাব কেনার সিদ্ধান্ত সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ কি না, তা অবশ্য এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে ইউরোপীয় ফুটবলের সঙ্গে মেসির সম্পর্ক আরও দৃঢ় হচ্ছে—এটি তাঁর সাম্প্রতিক ক্লাব বিনিয়োগের আলোচনায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

news image
আরও খবর

CD Eldense-এর জন্য মেসির আগমন আরও একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাবটি এমন একটি সময়ে নতুন মালিক পেয়েছে যখন মাঠে ফলাফল নিয়ে চাপ রয়েছে। নতুন মালিকানার অধীনে ক্লাবের প্রশাসনিক কাঠামো, খেলোয়াড় নিয়োগ, যুব ফুটবল, প্রশিক্ষণ পরিকাঠামো এবং বাণিজ্যিক পরিকল্পনায় কী পরিবর্তন আসে, সেদিকে নজর থাকবে।

একইসঙ্গে মেসির মালিকানা ক্লাবটির আন্তর্জাতিক দর্শকসংখ্যাও বাড়াতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা এখন CD Eldense সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারেন শুধুমাত্র মেসির সঙ্গে সম্পর্কের কারণে। সোশ্যাল মিডিয়া, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও এই নতুন পরিচিতি ক্লাবকে বাড়তি সুযোগ দিতে পারে।

তবে শেষ পর্যন্ত ফুটবল মাঠের সাফল্যই একটি ক্লাবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়। মালিকানা পরিবর্তনের পর এলদেন্স লিগে নিজেদের অবস্থান কতটা উন্নত করতে পারে, সেটাই বড় প্রশ্ন। দলটি যদি ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করতে পারে, তাহলে নতুন মালিকানার প্রকল্পের ওপর সমর্থকদের আস্থা আরও বাড়বে। বিপরীতে মাঠের পারফরম্যান্স খারাপ থাকলে প্রশাসনিক পরিবর্তনের পাশাপাশি ক্রীড়া প্রকল্পেও বড় সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হতে পারে।

মেসির জন্যও এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা। ফুটবলার হিসেবে তিনি ম্যাচের ফলাফলের জন্য মাঠে লড়াই করেছেন। কিন্তু মালিক হিসেবে তাঁকে আরও অনেক বড় পরিসরে ভাবতে হবে। ক্লাবের আর্থিক স্থিতিশীলতা, পরিকাঠামো, কর্মী, কোচিং স্টাফ, খেলোয়াড় নিয়োগ, অ্যাকাডেমি এবং বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব—সবকিছুর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সঙ্গে মালিকানার বিষয়টি যুক্ত।

বিশ্ব ফুটবলে মেসির ব্র্যান্ড ভ্যালু যে বিশাল, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। সেই জনপ্রিয়তাকে যদি ক্লাবের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তাহলে CD Eldense ভবিষ্যতে নিজেদের আলাদা পরিচিতি তৈরি করতে পারে। তবে সেই প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। মালিকানা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাতারাতি ক্লাবের ক্রীড়া সাফল্য নিশ্চিত হয় না।

সব মিলিয়ে, খেলোয়াড় হিসেবে এখনও সক্রিয় থাকা অবস্থায় লিওনেল মেসির দ্বিতীয় ফুটবল ক্লাবের মালিকানা নেওয়ার খবর তাঁর ক্যারিয়ারের মাঠের বাইরের অধ্যায়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একদিকে ইন্টার মায়ামির হয়ে তাঁর খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার চলছে, অন্যদিকে ইউরোপীয় ফুটবলে বিনিয়োগের পরিধিও বাড়ছে। স্পেনের ঐতিহ্যবাহী CD Eldense এখন মেসির নতুন ফুটবল প্রকল্পের অংশ।

আগামী দিনে ক্লাবটির ক্রীড়া ও ব্যবসায়িক কাঠামোয় কী পরিবর্তন আসে, নতুন মালিক হিসেবে মেসি কতটা সক্রিয় ভূমিকা নেন এবং এলদেন্স মাঠের ফলাফলে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না—এই বিষয়গুলিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের নজরে থাকবে। মেসির দ্বিতীয় ক্লাব মালিকানা তাই শুধু একটি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নয়, তাঁর ফুটবল-পরবর্তী ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও নতুন আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে।  

মেসির নতুন ক্লাব মালিকানা নিয়ে আলোচনার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, আধুনিক ফুটবলে একজন তারকার ভূমিকা কীভাবে বদলে যাচ্ছে। একটা সময় পর্যন্ত বিশ্বসেরা ফুটবলারদের পরিচয় মূলত মাঠের পারফরম্যান্সের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত। কিন্তু এখন অনেক তারকা খেলোয়াড় নিজেদের ব্র্যান্ড, ব্যবসা এবং ফুটবল বিনিয়োগের মাধ্যমে খেলার জগতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরি করছেন। লিওনেল মেসির ক্ষেত্রেও সেই পরিবর্তন ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

CD Eldense-এর মতো ঐতিহ্যবাহী স্প্যানিশ ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ফলে মেসির ইউরোপীয় ফুটবল নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ক্লাবটির দীর্ঘ ইতিহাস, স্থানীয় সমর্থকগোষ্ঠী এবং স্প্যানিশ ফুটবল কাঠামোর অবস্থান—সব মিলিয়ে এটি তাঁর জন্য একটি আলাদা ধরনের বিনিয়োগ। একইসঙ্গে মেসির আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা ক্লাবটির নাম বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

বিশেষ করে তরুণ ফুটবলার তৈরির ক্ষেত্রে এই মালিকানা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। স্পেনের ফুটবল অ্যাকাডেমিগুলি দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির জন্য পরিচিত। এলদেন্স যদি নিজেদের যুব প্রকল্প আরও শক্তিশালী করতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক তরুণ প্রতিভাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। একজন কিংবদন্তি ফুটবলারের সঙ্গে যুক্ত ক্লাব হওয়ায় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের কাছেও প্রকল্পটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে সমর্থকদের প্রত্যাশাও স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। মেসির নাম ক্লাবটির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর প্রত্যেকটি ম্যাচ, নতুন খেলোয়াড়, কোচিং সিদ্ধান্ত এবং ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও বেশি নজরে আসবে। তবে এই অতিরিক্ত প্রচারের সঙ্গে প্রত্যাশার চাপও বাড়বে।

মাঠের ফলাফল, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই হবে নতুন মালিকানার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি CD Eldense-এর ভবিষ্যৎ কীভাবে এগোয়, সেটাই এখন স্প্যানিশ ফুটবলপ্রেমীদের নজরে।

Preview image