Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মেসি-রোনাল্ডো-এমবাপের বিশ্বজয়ের লড়াই, কোন ম্যাচ দেখতে কখন অ্যালার্ম দেবেন?

মেসি, রোনাল্ডো ও এমবাপের বিশ্বকাপ লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা তুঙ্গে। বিশ্বমঞ্চে তিন মহাতারকার প্রতিটি ম্যাচ দেখতে রাত জাগতে প্রস্তুত সমর্থকেরা। কখন কোন ম্যাচ, কোন সময়ে অ্যালার্ম সেট করবেন—সব নজর এখন সেই সূচির দিকেই।

১১ জুন থেকে শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর—ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। এ বারের বিশ্বকাপ বিশেষ, কারণ প্রথমবার ৪৮টি দল নিয়ে ১০৪ ম্যাচের বিশাল আয়োজন হবে। আয়োজক তিন দেশ—আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকো। টুর্নামেন্ট চলবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত, এবং ফাইনাল হবে নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে।

তবে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল সময়। উত্তর আমেরিকায় খেলা হওয়ায় ভারতের ঘড়িতে অনেক ম্যাচ পড়বে গভীর রাত, মধ্যরাত বা ভোরে। কেউ কেউ হয়তো অফিস, পড়াশোনা বা দিনের কাজ সামলে রাত জেগে ম্যাচ দেখবেন। আবার কারও জন্য অ্যালার্ম দিয়ে ঘুম থেকে উঠে প্রিয় তারকার খেলা দেখা ছাড়া উপায় থাকবে না। বিশেষ করে লিয়োনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ও কিলিয়ান এমবাপের ম্যাচ ঘিরে আগ্রহ থাকবে তুঙ্গে।

মেসি, রোনাল্ডো ও এমবাপে—এই তিন নাম শুধু তিনটি দেশের প্রতিনিধি নন, তাঁরা তিনটি ফুটবল যুগের প্রতীক। মেসি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক, আর্জেন্টিনার স্বপ্নপূরণের মুখ। রোনাল্ডো পর্তুগালের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার, যাঁর কাছে বিশ্বকাপ এখনও অপূর্ণ স্বপ্ন। আর এমবাপে আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় মুখগুলির একজন, যিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ জয় করেছেন এবং আবারও ফ্রান্সকে শীর্ষে তুলতে চাইবেন।

২০২৬ বিশ্বকাপ তাই শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, অনেকের চোখে এটি হতে পারে এক যুগের শেষ অধ্যায় এবং আরেক যুগের পূর্ণ প্রতিষ্ঠা। মেসি ও রোনাল্ডোর বয়স, অভিজ্ঞতা ও উত্তরাধিকার যেমন আলোচনায় থাকবে, তেমনই এমবাপের গতি, গোল করার ক্ষমতা এবং নেতৃত্বও থাকবে নজরে। গ্রুপ পর্ব থেকেই বোঝা যাবে কোন দল কতটা প্রস্তুত এবং কোন তারকা নিজের দলকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন।

মেসির আর্জেন্টিনা: চ্যাম্পিয়নদের সামনে নতুন পরীক্ষা

লিয়োনেল মেসির আর্জেন্টিনা ২০২২ সালে কাতারে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেই সাফল্যের পর ২০২৬ বিশ্বকাপে তাদের উপর চাপ আরও বেশি। কারণ চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে প্রত্যাশা থাকবে আকাশছোঁয়া। প্রতিটি ম্যাচে প্রতিপক্ষ আলাদা পরিকল্পনা নিয়ে নামবে। আর্জেন্টিনাকে আটকাতে সবাই বাড়তি সতর্ক থাকবে।

গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময়ে ম্যাচটি দেখা যাবে ১৭ জুন সকাল ৬:৩০ মিনিটে। অর্থাৎ মেসির খেলা দেখতে চাইলে ভারতীয় দর্শকদের জন্য এটি একেবারে ভোরের ম্যাচ। অফিস বা স্কুল-কলেজে যাওয়ার আগে অনেকেই হয়তো ঘুম ভেঙে টিভি বা মোবাইলের সামনে বসবেন।

আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় ম্যাচ অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে। এই ম্যাচটি ভারতীয় দর্শকদের জন্য তুলনামূলক সুবিধাজনক সময়—২২ জুন রাত ১০:৩০ মিনিট। রাত জেগে বেশি কষ্ট করতে হবে না। পরিবারের সঙ্গে বা বন্ধুদের সঙ্গে বসে এই ম্যাচ দেখার সুযোগ থাকবে অনেকের।

তৃতীয় গ্রুপ ম্যাচ আর্জেন্টিনা খেলবে জর্ডনের বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময়ে ২৮ জুন সকাল ৭:৩০ মিনিটে এই ম্যাচ। গ্রুপের শেষ ম্যাচ হওয়ায় এর গুরুত্ব অনেক বেশি হতে পারে। যদি আর্জেন্টিনা আগের দুই ম্যাচে ভালো ফল করে, তবে এই ম্যাচে নকআউটের জায়গা নিশ্চিত করার সুযোগ থাকবে। আর যদি পয়েন্ট টেবিল জটিল হয়, তবে এই ম্যাচই হতে পারে গ্রুপ ভাগ্য নির্ধারণের লড়াই। FOX Sports-এর সূচি অনুযায়ী আর্জেন্টিনার গ্রুপ ম্যাচগুলি ১৬, ২২ ও ২৭ জুন ET সময় অনুযায়ী রয়েছে, যা ভারতে ১৭, ২২ ও ২৮ জুন পড়ছে।

রোনাল্ডোর পর্তুগাল: অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণের শেষ সুযোগ?

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ক্যারিয়ারে প্রায় সব বড় সাফল্যই আছে। ক্লাব ফুটবল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, আন্তর্জাতিক গোলের রেকর্ড—সবকিছুতেই তিনি ইতিহাস লিখেছেন। কিন্তু বিশ্বকাপ ট্রফি এখনও তাঁর হাতে ওঠেনি। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপ তাঁর কাছে আবেগের, উত্তরাধিকারের এবং অসমাপ্ত স্বপ্নের লড়াই।

পর্তুগালের প্রথম গ্রুপ ম্যাচ কঙ্গো ডিআরের বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময়ে ১৭ জুন রাত ১০:৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হবে। রোনাল্ডো ভক্তদের জন্য এটি দারুণ সময়। গভীর রাতে জাগতে হবে না, আবার ভোরেও উঠতে হবে না। পর্তুগালের জন্য প্রথম ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভালো শুরু করলে গ্রুপের চাপ অনেকটা কমে যায়।

দ্বিতীয় ম্যাচ পর্তুগাল খেলবে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময়ে ২৩ জুন রাত ১০:৩০ মিনিটে এই ম্যাচ। এই ম্যাচেও রোনাল্ডোর দলের কাছ থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল আশা করবেন সমর্থকেরা। উজবেকিস্তান সহজ প্রতিপক্ষ ভাবলে ভুল হবে, কারণ বিশ্বকাপের মঞ্চে ছোট দলও বড় অঘটন ঘটাতে পারে।

পর্তুগালের তৃতীয় ম্যাচ কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময়ে ২৮ জুন ভোর ৫:০০ মিনিটে এই ম্যাচ। এটিই পর্তুগালের গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলির একটি হতে পারে। কলম্বিয়া শারীরিক শক্তি, গতি এবং লাতিন আমেরিকান টেকনিক্যাল ফুটবলের জন্য পরিচিত। তাই রোনাল্ডোর দলকে এই ম্যাচে সতর্ক থাকতে হবে।

ভারতীয় দর্শকদের জন্য রোনাল্ডোর গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ সহজ সময়ে হলেও শেষ ম্যাচ দেখতে হলে অ্যালার্ম দিতে হবে। ভোর ৫টার ম্যাচ মানে ঘুম ভাঙিয়ে ফুটবল দেখতে হবে। তবে রোনাল্ডোর সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ অধ্যায় দেখতে তাঁর ভক্তরা নিশ্চয়ই এই কষ্ট মেনে নেবেন। পর্তুগালের গ্রুপ ম্যাচগুলি FOX Sports-এর সূচিতে ১৭, ২৩ ও ২৭ জুন ET সময় অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে, যা IST-এ ১৭, ২৩ ও ২৮ জুন পড়ছে।

এমবাপের ফ্রান্স: নতুন প্রজন্মের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা

কিলিয়ান এমবাপে ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজের ছাপ রেখে দিয়েছেন। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয়, ২০২২ ফাইনালে অসাধারণ পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে তিনি এখন ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। ২০২৬ বিশ্বকাপে তাঁর সামনে লক্ষ্য পরিষ্কার: ফ্রান্সকে আবার বিশ্বসেরার আসনে বসানো।

ফ্রান্সের প্রথম ম্যাচ সেনেগালের বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময়ে ১৭ জুন রাত ১২:৩০ মিনিটে ম্যাচটি দেখা যাবে। অর্থাৎ ১৬ জুন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অ্যালার্ম দিয়ে রাখতে হবে। সেনেগাল শক্তিশালী আফ্রিকান দল, তাই ফ্রান্সের শুরুটা সহজ হবে না।

news image
আরও খবর

দ্বিতীয় ম্যাচ ফ্রান্স খেলবে ইরাকের বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময়ে ২৩ জুন রাত ২:৩০ মিনিটে এই ম্যাচ। এটি ভারতীয় দর্শকদের জন্য কিছুটা কঠিন সময়। রাত ২:৩০-এর ম্যাচ দেখতে হলে হয় জেগে থাকতে হবে, নয়তো মাঝরাতে উঠে খেলা দেখতে হবে।

তৃতীয় ম্যাচ নরওয়ের বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময়ে ২৭ জুন রাত ১২:৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হবে। নরওয়ে দলে আক্রমণভাগে বড় নাম থাকতে পারে, তাই এই ম্যাচ ফ্রান্সের ডিফেন্সের জন্য বড় পরীক্ষা হতে পারে। এমবাপের গতি, ফিনিশিং এবং কাউন্টার অ্যাটাক এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

ফ্রান্সের ম্যাচগুলির সময় ভারতীয় দর্শকদের জন্য তুলনামূলক কঠিন। তিনটি ম্যাচই রাত বা মধ্যরাতের কাছাকাছি। তাই এমবাপে ভক্তদের আগে থেকেই সময় দেখে প্রস্তুতি নিতে হবে। FOX Sports-এর গ্রুপ পর্বের তালিকায় ফ্রান্সের ম্যাচগুলি ১৬, ২২ ও ২৬ জুন ET সময় অনুযায়ী রয়েছে, যা ভারতে ১৭, ২৩ ও ২৭ জুন পড়ছে।

কেন এই তিন তারকার ম্যাচ এত গুরুত্বপূর্ণ?

ফুটবল বিশ্বকাপে সব দলেরই আলাদা গল্প থাকে। কিন্তু মেসি, রোনাল্ডো ও এমবাপেকে ঘিরে আবেগ অন্য মাত্রার। মেসির ক্ষেত্রে প্রশ্ন—তিনি কি আবার আর্জেন্টিনাকে বিশ্বজয়ী করতে পারবেন? রোনাল্ডোর ক্ষেত্রে প্রশ্ন—শেষ পর্যন্ত কি বিশ্বকাপ স্বপ্ন পূরণ হবে? এমবাপের ক্ষেত্রে প্রশ্ন—তিনি কি মেসি-রোনাল্ডোর পরবর্তী যুগের সবচেয়ে বড় বিশ্বমঞ্চের রাজা হয়ে উঠবেন?

এই তিনজনের খেলার ধরনও সম্পূর্ণ আলাদা। মেসি খেলাকে নিয়ন্ত্রণ করেন বুদ্ধি, পাস, ড্রিবল ও মুহূর্তের জাদু দিয়ে। রোনাল্ডো নির্ভর করেন ফিটনেস, গোলের ক্ষুধা, বক্সের ভিতরে উপস্থিতি এবং মানসিক দৃঢ়তার উপর। এমবাপে ভয়ংকর তাঁর গতি, ডাইরেক্ট রান, ফিনিশিং এবং বড় ম্যাচে পারফর্ম করার ক্ষমতার জন্য।

একই বিশ্বকাপে এই তিন তারকার উপস্থিতি ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিরল আনন্দ। হয়তো তাঁদের মধ্যে সরাসরি লড়াই গ্রুপ পর্বে হবে না, কিন্তু একই টুর্নামেন্টে তাঁদের প্রতিটি ম্যাচই আলাদা করে নজর কেড়ে নেবে।

ভারতীয় দর্শকদের জন্য অ্যালার্ম গাইড

ভারতে বসে এই বিশ্বকাপ দেখার জন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা দরকার। সব ম্যাচ সরাসরি দেখতে চাইলে ঘুমের সময় বদলাতে হতে পারে। বিশেষ করে ১২:৩০ AM, ২:৩০ AM, ৫:০০ AM এবং ৬:৩০ AM-এর ম্যাচগুলি দেখতে হলে অ্যালার্ম জরুরি।

মেসি ভক্তদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অ্যালার্ম হবে ১৭ জুন সকাল ৬:৩০ এবং ২৮ জুন সকাল ৭:৩০। রোনাল্ডো ভক্তদের জন্য ১৭ ও ২৩ জুন রাত ১০:৩০ সহজ সময়, তবে ২৮ জুন ভোর ৫টার ম্যাচের জন্য অ্যালার্ম দিতে হবে। এমবাপে ভক্তদের জন্য ১৭ জুন রাত ১২:৩০, ২৩ জুন রাত ২:৩০ এবং ২৭ জুন রাত ১২:৩০—তিনটিই রাত জাগার ম্যাচ।

যাঁরা সব তারকার খেলা দেখতে চান, তাঁদের ১৭ জুন দিনটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। কারণ ভারতীয় সময়ে ওই দিনই এমবাপের ফ্রান্স, মেসির আর্জেন্টিনা এবং রোনাল্ডোর পর্তুগাল—তিন দলেরই ম্যাচ দেখা যাবে। রাত ১২:৩০ থেকে শুরু হয়ে সকাল ৬:৩০ এবং রাত ১০:৩০—পুরো দিনটাই ফুটবল ভক্তদের জন্য উৎসবের মতো হতে চলেছে।

গ্রুপ পর্বেই তৈরি হবে বিশ্বকাপের আসল ছন্দ

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বকে অনেকেই শুধু নকআউটে ওঠার ধাপ হিসেবে দেখেন। কিন্তু বাস্তবে গ্রুপ পর্বেই বোঝা যায় কোন দল কতটা ছন্দে আছে। বড় দল যদি প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খায়, তবে চাপ দ্বিগুণ হয়ে যায়। আবার প্রথম ম্যাচে জিতলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।

আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে মেসির নেতৃত্ব ও দলের ভারসাম্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। পর্তুগালের ক্ষেত্রে রোনাল্ডোকে কী ভূমিকায় ব্যবহার করা হবে, সেটি বড় প্রশ্ন। ফ্রান্সের ক্ষেত্রে এমবাপেকে ঘিরে আক্রমণ কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেটাই দেখার বিষয়।

বিশ্বকাপের মঞ্চে নামের জোরে ম্যাচ জেতা যায় না। প্রতিটি দলকে ৯০ মিনিট লড়তে হয়। ছোট দলগুলিও এখন আগের থেকে অনেক বেশি সংগঠিত, ফিট এবং কৌশলগতভাবে পরিণত। তাই গ্রুপ পর্বে কোনও ম্যাচকে সহজ ভাবার সুযোগ নেই।

শেষ কথা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি আবেগ, ইতিহাস, বিদায়, প্রত্যাবর্তন এবং নতুন উত্তরাধিকারের গল্প। মেসি, রোনাল্ডো ও এমবাপে—তিনজনই এই গল্পের কেন্দ্রে থাকবেন। কারও কাছে এটি হয়তো শেষ সুযোগ, কারও কাছে নতুন রাজত্ব প্রতিষ্ঠার মঞ্চ।

ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এবারের বিশ্বকাপ মানে রাত জাগা, ভোরে ওঠা, অ্যালার্ম দেওয়া এবং প্রিয় দলের জার্সি পরে স্ক্রিনের সামনে বসে পড়া। সময় যতই কঠিন হোক, মেসির এক পাস, রোনাল্ডোর এক গোল বা এমবাপের এক দৌড়—এই সব মুহূর্তের জন্যই তো বিশ্বকাপ দেখা।

তাই ক্যালেন্ডারে তারিখ লিখে রাখুন, মোবাইলে অ্যালার্ম সেট করুন, আর প্রস্তুত থাকুন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় নাটকের জন্য। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে, আর তার সঙ্গে শুরু হচ্ছে মেসি, রোনাল্ডো ও এমবাপেকে ঘিরে নতুন এক উত্তেজনার অধ্যায়।

Preview image

About Us

Lenspedia brings you verified Bengali news, breaking updates, videos, and local stories. Our mission is to provide accurate and real-time coverage of events that matter to you.

সংবাদ অন্বেষণ করুন