Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ইজরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্রের ঝড়, ৫০ বিমান অংশগ্রহণ

ইজ়রায়েলের বায়ুসেনা জানিয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সহযোগিতায় এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, গত সাত দিনের মধ্যে শুক্রবারের এই হামলাই সবচেয়ে জোরালো।

ইরানের রাজধানী Tehran-এর বুকে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ হামলা চালাল Israel। একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে শহরের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায়। ইজ়রায়েলের বায়ুসেনা জানিয়েছে, মোট ৫০টি যুদ্ধবিমান একযোগে অভিযান চালিয়ে তেহরানের সামরিক ঘাঁটি ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারকে লক্ষ্য করে হামলা করে।

ইজ়রায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, এই অভিযানে তাদের গোয়েন্দা সংস্থা Mossad গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করে হামলা চালানো হয়। ইজ়রায়েলের মতে, গত সাত দিনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী ও বড়সড় আক্রমণ।

সূত্রের খবর, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei-এর জন্য তৈরি একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারকে লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়। ওই বাঙ্কারটি মূলত জরুরি পরিস্থিতিতে আশ্রয় নেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

ইজ়রায়েলের দাবি, বাঙ্কার তৈরি থাকলেও সেখানে আশ্রয় নেওয়ার আগেই খামেনেইকে হত্যা করা হয়েছে। ফলে তিনি সেই বাঙ্কারে ঢোকার সুযোগ পাননি। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের প্রশাসনিক ও সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ওই সুরক্ষিত ঘাঁটিতে আশ্রয় নিচ্ছিলেন বলে সূত্রের খবর।

এই পরিস্থিতিতেই ওই বাঙ্কারকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইজ়রায়েলের বায়ুসেনা। হামলার জেরে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

তেহরানে ইজ়রায়েলের হামলা: বাঙ্কার লক্ষ্য করে আকাশপথে বড়সড় অভিযান, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল যখন ইরানের রাজধানী Tehran-এ ভয়াবহ বিমান হামলা চালানোর দাবি করল Israel। ইজ়রায়েলি সেনাবাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে তেহরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার লক্ষ্য করে একযোগে হামলা চালানো হয়।

ইজ়রায়েলের বায়ুসেনার দাবি, এই অভিযানে প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমান অংশ নেয় এবং কয়েক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো এবং বিশেষভাবে তৈরি কিছু সুরক্ষিত বাঙ্কার, যেখানে উচ্চপদস্থ সামরিক ও প্রশাসনিক কর্তারা আশ্রয় নিতে পারেন।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হামলার দাবি

ইজ়রায়েলের তরফে জানানো হয়েছে, এই হামলার পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় তাদের গোয়েন্দা সংস্থা Mossad। গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তেহরানের নির্দিষ্ট কিছু স্থাপনা চিহ্নিত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইজ়রায়েলের বায়ুসেনা জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহ ধরে তারা ইরানের সামরিক কাঠামো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর নজরদারি চালাচ্ছিল। সেই পর্যবেক্ষণ এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের পরই এই হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত সাত দিনের মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী আক্রমণ।

লক্ষ্য ছিল ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত বাঙ্কার

সূত্রের দাবি, তেহরানের একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার এই হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল। ওই বাঙ্কারটি তৈরি করা হয়েছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei-এর জন্য, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে তিনি সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন।

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইরান বহু বছর ধরেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতৃত্বের জন্য শক্তিশালী বাঙ্কার নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। এই ধরনের বাঙ্কার সাধারণত মাটির অনেক গভীরে তৈরি করা হয় এবং শক্তিশালী কংক্রিট ও ইস্পাত দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।

এই ধরনের স্থাপনায় সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্র বা বোমা দিয়ে হামলা করলেও সবসময় ক্ষতি করা সম্ভব হয় না। তাই বিশেষ ধরনের ‘বাঙ্কার-বাস্টার’ অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

খামেনেইকে নিয়ে ইজ়রায়েলের দাবি

ইজ়রায়েলের দাবি অনুযায়ী, ওই বাঙ্কার তৈরি থাকলেও সেখানে আশ্রয় নেওয়ার আগেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei-কে হত্যা করা হয়েছে।

তাদের বক্তব্য, খামেনেইকে বাঙ্কারে ঢোকার সুযোগই দেওয়া হয়নি। যদিও এই দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও আন্তর্জাতিক মহলে কোনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য সামনে আসেনি।

ইরানের সরকারি মহল থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বাঙ্কারে আশ্রয় নিচ্ছিলেন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা

খামেনেইকে ঘিরে পরিস্থিতি ঘনীভূত হওয়ার পর ইরানের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওই সুরক্ষিত ঘাঁটিতে আশ্রয় নিচ্ছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

ইজ়রায়েলের বায়ুসেনা বলছে, সেই কারণেই ওই বাঙ্কারকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

তাদের মতে, ওই স্থাপনায় হামলা চালালে ইরানের সামরিক নেতৃত্বের উপর বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে।

তেহরানে আতঙ্কের পরিবেশ

হামলার সময় তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী এবং অগ্নিশিখা দেখা যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে।

অনেক বাসিন্দা সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও এবং ছবি পোস্ট করেছেন, যেখানে রাতের আকাশে বিস্ফোরণের আলো দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

যদিও এই ভিডিওগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা

এই হামলার খবর সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্য এমনিতেই বহু বছর ধরে সংঘাত এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান ও ইজ়রায়েলের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।

news image
আরও খবর

অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই ধরনের হামলা যদি পাল্টা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়, তাহলে তা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। অনেক দেশই ইতিমধ্যে দুই পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যদি এই উত্তেজনা দ্রুত কমানো না যায়, তাহলে তা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

সামরিক কৌশলগত দিক

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার লক্ষ্য করে হামলা চালানো অত্যন্ত জটিল একটি অপারেশন। এর জন্য নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য, উন্নত প্রযুক্তি এবং বিশেষ ধরনের অস্ত্রের প্রয়োজন হয়।

৫০টি যুদ্ধবিমান একযোগে ব্যবহার করা হলে তা একটি বড় আকারের সমন্বিত অভিযান বলেই ধরা হয়।

এই ধরনের অভিযানে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের বিমান অংশ নেয়—কিছু বিমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে, আবার কিছু বিমান আকাশে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার কাজ করে।

পরিস্থিতির দিকে নজর বিশ্বজুড়ে

বর্তমানে গোটা বিশ্বের নজর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখনই বলা কঠিন।

তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনার পর ইরান-ইজ়রায়েল সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।

যদি দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও বাড়ে, তাহলে তা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক রাজনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

৫০টি যুদ্ধবিমান একযোগে ব্যবহার করা হলে তা সামরিক কৌশলের দিক থেকে একটি বড় আকারের সমন্বিত অভিযান হিসেবেই ধরা হয়। আধুনিক যুদ্ধনীতিতে এই ধরনের অপারেশনকে অত্যন্ত জটিল এবং বহুস্তরীয় বলে মনে করা হয়। কারণ, একসঙ্গে এতগুলি যুদ্ধবিমান আকাশে তুলে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে গেলে পরিকল্পনা, গোয়েন্দা তথ্য, প্রযুক্তি এবং সময়ের নিখুঁত সমন্বয় প্রয়োজন হয়। সাধারণত এই ধরনের অভিযানে আকাশপথে কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়, যাতে পুরো মিশনটি কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা যায়।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন একযোগে বহু যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়, তখন সব বিমান একই ধরনের কাজ করে না। বরং একটি নির্দিষ্ট কৌশল অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব ভাগ করা থাকে। কিছু বিমান সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে বোমা বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, আবার কিছু বিমান সেই হামলাকে সফল করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এই সহায়ক বিমানের কাজের মধ্যে থাকতে পারে শত্রুপক্ষের রাডার সিস্টেম বিভ্রান্ত করা, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করা কিংবা অন্য বিমানগুলিকে সুরক্ষা দেওয়া।

অনেক সময় এমন অভিযানে ‘ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার’ বা ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থাও ব্যবহার করা হয়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রাডার সিগন্যালকে বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হয়। ফলে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা বিমানগুলো তুলনামূলকভাবে কম প্রতিরোধের মুখে পড়ে। আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তিতে এই ধরনের কৌশল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল গোয়েন্দা তথ্য। এই ধরনের বড় আকারের বিমান হামলার আগে সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হয়। স্যাটেলাইট ছবি, ড্রোন পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ করে লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিকটিও বিবেচনা করা হয়, কারণ এমন হামলার প্রভাব কেবল সামরিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে না।

এই ধরনের সমন্বিত অভিযানে সময়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হামলার সময় নির্বাচন করা হয় এমনভাবে যাতে শত্রুপক্ষ প্রস্তুত হওয়ার আগেই আঘাত হানা যায়। অনেক সময় রাতের অন্ধকারে বা ভোরের দিকে এই ধরনের অভিযান চালানো হয়। কারণ তখন নজরদারি তুলনামূলকভাবে কম থাকে এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সক্রিয় হতে কিছুটা সময় লাগে।

৫০টি যুদ্ধবিমান নিয়ে পরিচালিত একটি অভিযান সাধারণত কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথম ধাপে আকাশপথ পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়। অর্থাৎ শত্রুপক্ষের রাডার, বিমানঘাঁটি বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে মূল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়। আর শেষ ধাপে বিমানগুলো নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে আসে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে।

এই ধরনের অপারেশনের একটি বড় লক্ষ্য হল কৌশলগত সুবিধা অর্জন করা। শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা গেলে তাদের সামরিক সক্ষমতা সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে যদি সেই অবকাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড সেন্টার, অস্ত্রভাণ্ডার বা যোগাযোগ কেন্দ্র থাকে, তাহলে তার প্রভাব আরও বড় হতে পারে।

পরিস্থিতির দিকে নজর এখন শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং গোটা বিশ্বই এই ঘটনার দিকে নজর রাখছে। মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানে সামান্য উত্তেজনাও দ্রুত বড় আকারের সংঘাতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা পরিস্থিতির উপর গভীর নজর রাখছেন। কারণ এই অঞ্চলের সংঘাত অনেক সময়ই বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির উপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে তেলসমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে তার প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারেও পড়তে পারে।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, এই ঘটনার পর ইরান ও ইজ়রায়েলের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক এবং সামরিক উত্তেজনা রয়েছে। সেই উত্তেজনা নতুন করে বাড়লে তা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন দেশ এবং আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। ফলে একটি সংঘাত অনেক সময় অন্য দেশগুলিকেও প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণেই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করে, তাহলে তার প্রভাব শুধু ওই অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বৈশ্বিক রাজনীতি, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উপরও তার প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষ করে তেল ও জ্বালানি বাজারের ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে বহু দেশের অর্থনীতিতেও চাপ তৈরি হতে পারে।

তবে কূটনৈতিক মহলের অনেকেই এখনও আশা করছেন যে পরিস্থিতি আরও বড় সংঘাতে গড়াবে না। বিভিন্ন দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানায় এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করে।

Preview image