Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

নাসার ক্যামেরায় ধরা পড়ল মহাশূন্যে সেকেন্ডে ৯৫৪ কিমি গতিতে ধেয়ে আসা প্রকাণ্ড কৃষ্ণগহ্বর কোথায় তার অভিমুখ

বিজ্ঞানীরা এই দ্রুতগতির কৃষ্ণগহ্বরটির নাম দিয়েছেন আরবিএইচ-১। এর ভর সূর্যের তুলনায় প্রায় এক কোটি গুণ বেশি, অর্থাৎ এটি এক কোটি সূর্যের সমান ভর গ্রাস করতে সক্ষম।

মহাবিশ্বের অন্ধকার ও রহস্যময় অধ্যায়ে আবারও যুক্ত হল এক অভূতপূর্ব ঘটনা, যা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কৌতূহলও প্রবলভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। মহাশূন্যের অসীম বিস্তারের মধ্যে প্রবল গতিতে ছুটে চলেছে একটি অতিকায় কৃষ্ণগহ্বর—যার গতি সেকেন্ডে প্রায় ৯৫৪ কিলোমিটার। এমনই এক বিস্ময়কর ও অভাবনীয় দৃশ্য সম্প্রতি ধরা পড়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অত্যাধুনিক জেম্‌স ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ-এর ক্যামেরায়। বিজ্ঞানীদের ভাষায়, এটি শুধুমাত্র একটি কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান নয়, বরং মহাবিশ্বের ইতিহাসে এক বিরল ও ব্যতিক্রমী অধ্যায়—একটি “পলাতক দৈত্য”-এর অস্তিত্বের প্রমাণ।

এই দুরন্ত গতিসম্পন্ন কৃষ্ণগহ্বরটির নাম দেওয়া হয়েছে আরবিএইচ-১ (RBH-1)। এর ভর আমাদের নিকটতম নক্ষত্র সূর্যের তুলনায় প্রায় এক কোটি গুণ বেশি। অর্থাৎ, তাত্ত্বিক ভাবে বলা যায়—এক কোটি সূর্যকে একত্রে গ্রাস করার মতো ক্ষমতা রয়েছে এই কৃষ্ণগহ্বরের। এত বিপুল ভরের কোনও বস্তু সাধারণত ছায়াপথের কেন্দ্রে স্থির অবস্থায় থাকে এবং তার চারপাশেই ঘুরে বেড়ায় অসংখ্য নক্ষত্র, গ্যাস ও ধূলিকণা। কিন্তু আরবিএইচ-১ সেই চিরাচরিত ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে।

বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তুলেছে এই বিষয়টি যে, আরবিএইচ-১ তার নিজের জন্মস্থান—অর্থাৎ নিজস্ব ছায়াপথের কেন্দ্র—থেকে সম্পূর্ণভাবে ছিটকে বেরিয়ে এসেছে। সাধারণভাবে মনে করা হয়, ছায়াপথের কেন্দ্রীয় মহাকর্ষ এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে একটি সুপারম্যাসিভ কৃষ্ণগহ্বরের সরে যাওয়া কার্যত অসম্ভব। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, আরবিএইচ-১ সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করে তুলেছে। বর্তমানে কোনও নির্দিষ্ট গন্তব্য ছাড়াই সে ছুটে চলেছে আন্তঃছায়াপথ শূন্যতার দিকে, যেখানে নক্ষত্রের ঘনত্ব অত্যন্ত কম।

আরবিএইচ-১-এর আরেকটি চমকপ্রদ দিক হল তার পিছনে তৈরি হওয়া দীর্ঘ নক্ষত্র-লেজ। প্রায় দু’লক্ষ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত এই লেজে নতুন নক্ষত্রের জন্ম হচ্ছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। সাধারণত কৃষ্ণগহ্বর মানেই ধ্বংস ও গ্রাস করার প্রতীক। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, ধাবমান এই কৃষ্ণগহ্বরের আকর্ষণে আশপাশের গ্যাস সংকুচিত হয়ে নক্ষত্র তৈরির উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করছে। এই ঘটনাই জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রচলিত ধারণার সঙ্গে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, আরবিএইচ-১-এর এই অস্বাভাবিক গতি ও বিচ্যুতির পেছনে রয়েছে এক প্রবল মহাকর্ষীয় ঘটনা। ধারণা করা হচ্ছে, একাধিক সুবিশাল কৃষ্ণগহ্বরের একত্রীভবনের সময় সৃষ্ট শক্তিশালী গ্র্যাভিটেশনাল রিকয়েল বা মহাকর্ষীয় পশ্চাদপসরণের ফলেই এটি নিজের ছায়াপথ থেকে ছিটকে বেরিয়ে পড়েছে। এই ধরনের ঘটনা তাত্ত্বিক ভাবে আগে অনুমান করা হলেও, বাস্তবে এত স্পষ্ট প্রমাণ এই প্রথম মিলল।

এই আবিষ্কার শুধু একটি কৃষ্ণগহ্বরের গল্প নয়, বরং মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়াকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মহাশূন্যে আরবিএইচ-১-এর মতো আরও অনেক ধাবমান কৃষ্ণগহ্বর লুকিয়ে থাকতে পারে, যাদের অস্তিত্ব এখনও আমাদের অজানা। ভবিষ্যতে আরও উন্নত পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে সেই অদৃশ্য দৈত্যদের সন্ধান পাওয়াও সম্ভব হবে।

এক কোটি সূর্যের সমান ভর, অথচ ছুটছে নির্বিকার গতিতে

আরবিএইচ-১-এর ভর আমাদের নিকটতম নক্ষত্র সূর্যের তুলনায় প্রায় এক কোটি গুণ বেশি। অর্থাৎ, তাত্ত্বিক ভাবে বলা যায়—এমন এক কোটি সূর্যকে গিলে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এই কৃষ্ণগহ্বরের। এত বিপুল ভরের কোনও বস্তু সাধারণত ছায়াপথের কেন্দ্রে স্থির অবস্থায় থাকে। কারণ, ছায়াপথের ভারসাম্য ও গঠন অনেকাংশেই নির্ভর করে কেন্দ্রীয় সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের উপর।

কিন্তু সেই চিরাচরিত ধারণাকেই ভেঙে দিয়েছে আরবিএইচ-১। আলোর বেগের প্রায় ০.৩২ শতাংশ গতিতে সে ছুটে চলেছে—যা মহাকাশীয় মানদণ্ডে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। যদিও বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাশূন্যে এই গতির বস্তু বিরল নয়, কিন্তু এত বিশাল ভরের কোনও কৃষ্ণগহ্বর এই গতিতে চলা—এটাই নজিরবিহীন।

২০২৩ সালে প্রথম ইঙ্গিত, ২০২৫-এ নিশ্চিত প্রমাণ

এই রহস্যময় কৃষ্ণগহ্বরটির অস্তিত্ব প্রথম নজরে আসে ২০২৩ সালে। তখন জেম্‌স ওয়েব টেলিস্কোপের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেন, একটি অস্বাভাবিক নক্ষত্র-ধারা ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসছে। সেই সময় অনুমান করা হলেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে এর কেন্দ্রে একটি ধাবমান কৃষ্ণগহ্বর রয়েছে।

এরপর থেকে আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী নিয়মিত ভাবে আরবিএইচ-১-এর উপর নজর রাখতে শুরু করেন। জ্যোতির্পদার্থ বিজ্ঞানী পিটার ভ্যান ডোক্কাম-এর নেতৃত্বে চলতে থাকে এই গবেষণা। দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ, ডেটা বিশ্লেষণ এবং জেম্‌স ওয়েব থেকে প্রাপ্ত ইনফ্রারেড চিত্র বিশ্লেষণের পর সম্প্রতি নিশ্চিত হওয়া যায়—আরবিএইচ-১ সত্যিই নিজের ছায়াপথ ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছে এবং উচ্চগতিতে ছুটে চলেছে।

প্রশ্ন একটাই: এত ভারী কৃষ্ণগহ্বর কীভাবে ছিটকে গেল?

বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ হল—কী ধরনের শক্তি বা ধাক্কা এই বিপুল ভরের কৃষ্ণগহ্বরকে তার ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে উৎখাত করতে পারে? কারণ, ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলকে সরিয়ে দিতে যে পরিমাণ শক্তি প্রয়োজন, তা সাধারণ কোনও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনার পক্ষে তৈরি করা অসম্ভব বলেই এতদিন মনে করা হত।

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই উঠে আসছে এক গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব—গ্র্যাভিটেশনাল রিকয়েল বা মহাকর্ষীয় পশ্চাদপসরণ। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, একাধিক সুবিশাল কৃষ্ণগহ্বরের একত্রীভবনের সময় যে প্রবল মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তার প্রতিক্রিয়াতেই আরবিএইচ-১ ছিটকে বেরিয়ে পড়েছে।

news image
আরও খবর

মহাবিশ্বের গভীরে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা এতটাই প্রবল ও জটিল যে, সেগুলি মানুষের কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যায়। তেমনই এক বিস্ময়কর ও তুলনামূলক ভাবে কম পরিচিত ঘটনা হল গ্র্যাভিটেশনাল রিকয়েল—যাকে বিজ্ঞানীরা আখ্যা দেন “মহাকাশের অদৃশ্য লাথি” হিসেবে। এই ঘটনাই বর্তমানে ধাবমান অতিকায় কৃষ্ণগহ্বর আরবিএইচ-১-এর রহস্য উন্মোচনের চাবিকাঠি বলে মনে করা হচ্ছে।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যখন দুটি বা তার বেশি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল একে অপরের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে শেষ পর্যন্ত একত্রিত হয়, তখন সেই সংঘর্ষ বা একত্রীভবনের সময় মহাবিশ্বে সৃষ্টি হয় প্রবল গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ বা মহাকর্ষীয় তরঙ্গ। এই তরঙ্গগুলো হল স্থান-কালের মধ্যে সৃষ্ট ঢেউ, যেগুলি আলোর বেগে ছড়িয়ে পড়ে এবং দূর মহাকাশ পর্যন্ত প্রভাব ফেলে। আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে বহু আগেই এই তরঙ্গের ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল, যদিও বাস্তবে তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ মিলেছে অনেক পরে।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই গ্র্যাভিটেশনাল তরঙ্গ সব সময় সমান ভাবে বা সব দিকে ছড়িয়ে পড়ে না। যদি দুটি কৃষ্ণগহ্বরের ভর, ঘূর্ণনের গতি বা অক্ষ একে অপরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তা হলে তরঙ্গের বিস্তারেও একটি অসমতা তৈরি হয়। ঠিক এই অসমতার ফলেই সৃষ্টি হয় এক দিকমুখী প্রবল প্রতিক্রিয়া—যাকে বলা হয় গ্র্যাভিটেশনাল রিকয়েল। এই রিকয়েল কার্যত এক ধরনের অদৃশ্য ধাক্কার মতো কাজ করে, যা একত্রীভূত কৃষ্ণগহ্বরটিকে বিপরীত দিকে ঠেলে দেয়।

বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী, আরবিএইচ-১ ঠিক এমনই এক অভূতপূর্ব মহাকর্ষীয় ধাক্কার শিকার হয়েছে। কোনও এক সময়ে তার নিজস্ব ছায়াপথের কেন্দ্রে একাধিক সুবিশাল কৃষ্ণগহ্বরের মিলন ঘটেছিল। সেই মিলনের মুহূর্তে সৃষ্ট গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ অসম ভাবে নির্গত হওয়ায় আরবিএইচ-১-এর উপর পড়ে এক প্রবল রিকয়েল বল। এই বলের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, ছায়াপথের কেন্দ্রে থাকা শক্তিশালী মহাকর্ষ বলকেও অতিক্রম করে কৃষ্ণগহ্বরটি তার অবস্থান থেকে ছিটকে বেরিয়ে যায়।

এই ঘটনা বোঝার জন্য বিজ্ঞানীরা একটি উদাহরণ দেন। যেমন, যদি একটি বন্দুক থেকে গুলি ছোড়া হয়, তবে গুলির সামনে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্দুকটি পিছনের দিকে সরে যায়। ঠিক তেমনই, গ্র্যাভিটেশনাল তরঙ্গ একদিকে বেশি শক্তিতে নির্গত হলে, বিপরীত দিকে কৃষ্ণগহ্বরটি প্রবল বেগে সরে যেতে বাধ্য হয়। তবে পার্থক্য হল—এখানে কোনও দৃশ্যমান ধাক্কা নেই, নেই কোনও শব্দ বা আলো। সবকিছুই ঘটে স্থান-কালের গভীর স্তরে।

নক্ষত্রের লেজ: ধাবমান কৃষ্ণগহ্বরের স্বাক্ষর

আরবিএইচ-১-এর পিছনে যে দীর্ঘ নক্ষত্র-গঠন দেখা যাচ্ছে, সেটিই বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি চমকে দিয়েছে। সাধারণত কৃষ্ণগহ্বর সবকিছু গ্রাস করে বলে পরিচিত। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, ধাবমান কৃষ্ণগহ্বরটির আকর্ষণে আশপাশের গ্যাস সংকুচিত হয়ে নতুন নক্ষত্রের জন্ম দিচ্ছে।

এই ঘটনাকে বিজ্ঞানীরা তুলনা করছেন জালের উপর দিয়ে মাকড়সার চলার সঙ্গে। মাকড়সা যেমন চলার সময় জাল কাঁপিয়ে তোলে, ঠিক তেমনই কৃষ্ণগহ্বরটি চলার পথে মহাকাশের গ্যাস ও ধূলিকণার উপর প্রভাব ফেলছে। তার ফলে তৈরি হচ্ছে এই দীর্ঘ নক্ষত্রধারা।

স্থির নয় কৃষ্ণগহ্বর—ভাঙছে পুরনো ধারণা

দীর্ঘদিন ধরে জ্যোতির্বিজ্ঞানে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল—সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল মানেই ছায়াপথের কেন্দ্রে স্থির এক শক্তিশালী বস্তু। কিন্তু আরবিএইচ-১ সেই ধারণাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন, কৃষ্ণগহ্বর সব সময় স্থির থাকবে—এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।

একটি তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাবিশ্বে মাঝেমধ্যেই ঘটে যাওয়া বিশালাকায় বিশৃঙ্খলা—যেমন ছায়াপথের সংঘর্ষ, কৃষ্ণগহ্বরের একত্রীভবন বা প্রবল মহাকর্ষীয় তরঙ্গ—এই সবকিছু মিলিয়ে কৃষ্ণগহ্বরকে তার স্থানচ্যুত করতে পারে। তখন তারা সমগ্র মহাবিশ্ব জুড়ে ঘুরে বেড়াতে শুরু করে, ঠিক যেমন আরবিএইচ-১ করছে।

ভবিষ্যতের ইঙ্গিত: আরও অনেক পলাতক কৃষ্ণগহ্বর?

বিজ্ঞানীদের মতে, আরবিএইচ-১ সম্ভবত একমাত্র উদাহরণ নয়। মহাশূন্যের গভীরে আরও অনেক এমন ধাবমান কৃষ্ণগহ্বর লুকিয়ে থাকতে পারে, যাদের এখনও আমরা শনাক্ত করতে পারিনি। জেম্‌স ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এবং ভবিষ্যতের আরও উন্নত পর্যবেক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে আগামী দিনে তাদের খোঁজ পাওয়া সম্ভব।

এই আবিষ্কার শুধু একটি কৃষ্ণগহ্বরের গল্প নয়—এটি আমাদের মহাবিশ্ব বোঝার পদ্ধতিতেই এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। ছায়াপথের গঠন, বিবর্তন এবং মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

মহাশূন্যের এই পলাতক দৈত্য যেন আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—ব্রহ্মাণ্ড আজও কতটা অজানা, কতটা রহস্যে ভরা। আর সেই রহস্য উন্মোচনের পথে প্রতিটি নতুন আবিষ্কার আমাদের নিয়ে যাচ্ছে আরও গভীর বিস্ময়ের দিকে।

Preview image