Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পূর্ণেন্দু ঘোষ মহাশয়: জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী, শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত তৃণমূল নেতৃত্ব

আজ জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী, পাড়াতল ২ অঞ্চলের, ইলামপুর গ্ৰাম নিবাসী পূর্ণেন্দু ঘোষ মহাশয় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকেই পূর্ণেন্দু বাবু দলের একনিষ্ঠ কর্মী এবং বর্তমানে তিনি পাড়াতল ২ অঞ্চলের ১১৯ নং বুথের বুথ সভাপতি হিসাবে কাজ করছিলেন। তাঁর নশ্বর শরীর কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এবং বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করার জন্য, তাঁর বাড়িতে উপস্থিত হন জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জনাব মেহেমুদ খাঁন মহাশয়। মেহেমুদ খাঁন মহাশয়,পূর্ণেদু বাবুর নশ্বর দেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা জানান । তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পাড়াতল ২ এর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আনোয়ার সরকার, পাড়াতল ২ অঞ্চলের প্রধান মাবিয়া বেগম মহাশয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং অন্নান্য নেতৃত্ব বৃন্দ। পূর্ণেন্দু বাবুর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।

রাজনীতি

পূর্ণেন্দু ঘোষ মহাশয়: জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মীর পরলোকগমন, শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত তৃণমূল নেতৃত্ব

আজ জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী, পাড়াতল ২ অঞ্চলের, ইলামপুর গ্রামের নিবাসী পূর্ণেন্দু ঘোষ মহাশয় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেছেন। পূর্ণেন্দু বাবু, যারা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলেন, দলের জন্মলগ্ন থেকেই তার অনবদ্য অবদান ছিল। তিনি পাড়াতল ২ অঞ্চলের ১১৯ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি হিসেবে কাজ করছিলেন এবং এই ভূমিকার মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

পূর্ণেন্দু বাবুর মৃত্যু শোকাহত করেছে পুরো জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসকে। তাঁর কর্মজীবনে তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে যে পরিচ্ছন্নতা, নিষ্ঠা এবং নিষ্কলুষতার পরিচয় দিয়েছিলেন, তা আজও এলাকার মানুষের স্মৃতিতে অম্লান। তার মৃত্যু শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য একটি বড় ক্ষতি নয়, বরং তার পরিচিত এলাকাবাসী এবং তার পরিবারের জন্যও একটি গভীর শোকের মুহূর্ত। পাড়াতল ২ অঞ্চলে তার অবদান, কর্মঠতা এবং এলাকার প্রতি ভালোবাসা তাকে সর্বদা স্মরণীয় করে রাখবে।

পূর্ণেন্দু বাবুর তৃণমূল কংগ্রেসে অবদান

পূর্ণেন্দু বাবু, যিনি তৃণমূল কংগ্রেসের দলের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দলের প্রতি তার এক গভীর আনুগত্য ছিল। তিনি প্রথম থেকেই দলের আদর্শ, নীতি এবং তার লক্ষ্যকে বুঝে তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। দলের সাথে তার সম্পর্ক ছিল এক অটুট বন্ধন, যা তাকে সমাজে একটি বিশেষ স্থান এনে দিয়েছিল। তিনি দলের মূল মন্ত্র "মাটি, মানুষ, ও উন্নয়ন" কে ধারন করে কাজ করছিলেন এবং এলাকার মানুষের জন্য তিনি ছিলেন এক অতুলনীয় উৎসাহ।

পূর্ণেন্দু বাবু দলের সকল কর্মসূচি এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতেন। মানুষের মধ্যে দলের কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, জনসংযোগ বাড়ানো, দুঃস্থ মানুষদের সাহায্য করা – এ সবকিছুই ছিল তার জীবনের লক্ষ্য। তার এই কর্মকাণ্ডে তাকে কখনোই দলের নেতা বা সমর্থকরা একা দেখেননি। বরং তিনি ছিলেন দলের একজন একান্ত প্রিয় সদস্য, যিনি দলের সঙ্গে সঙ্গেই বেড়ে উঠেছিলেন।

তিনি রাজনৈতিক দৃষ্টিতে যেমন চৌকস ছিলেন, তেমনি এলাকার উন্নয়নের জন্যও কাজ করতেন। বিশেষ করে, তিনি মানুষের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতে এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধান করতে সচেষ্ট থাকতেন। দলীয় কর্মসূচির সফলতা, এলাকাবাসীর জন্য তার নানা উদ্যোগ তাকে এলাকায় একটি বিশেষ জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল।

শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত তৃণমূল নেতৃত্ব

পূর্ণেন্দু বাবুর মৃত্যুতে তার পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করতে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি, জনাব মেহেমুদ খাঁন মহাশয় তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি তার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে পূর্ণেন্দু বাবুর নশ্বর দেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং শেষ শ্রদ্ধা জানান। মেহেমুদ খাঁন মহাশয়, তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী, দলের জন্য পূর্ণেন্দু বাবুর অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।পূর্ণেন্দু ঘোষ মহাশয়, জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী এবং পাড়াতল ২ অঞ্চলের বুথ সভাপতি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেছেন। তার দীর্ঘদিনের অবদান এবং নিষ্ঠা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কার্যক্রমে ছিল অপরিসীম। পূর্ণেন্দু বাবুর স্মৃতিতে শোক জানাতে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন মহাশয় সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তার বাড়িতে উপস্থিত হন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পূর্ণেন্দু বাবু ছিলেন একজন সৎ, নিষ্ঠাবান এবং কর্মঠ নেতা, যার জীবন এবং কাজ সমাজের প্রতি তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যু আমাদের জন্য এক বড় ক্ষতি হলেও তার আদর্শ, কর্ম এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি নিষ্ঠা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পূর্ণেন্দু বাবুর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।

তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পাড়াতল ২ অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি, আনোয়ার সরকার, পাড়াতল ২ অঞ্চলের প্রধান মাবিয়া বেগম মহাশয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব। সবাই একযোগে পূর্ণেন্দু বাবুর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার স্মৃতিকে চিরকাল মনে রাখার অঙ্গীকার করেন। এই শোকবার্তাটি শুধু তৃণমূল কংগ্রেসেরই নয়, জামালপুর ব্লকের পুরো রাজনৈতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রের এক বৃহৎ ক্ষতির চিহ্ন।

পূর্ণেন্দু বাবু একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার নেতৃত্বে পাড়াতল ২ অঞ্চলে দলীয় কর্মসূচি আরও শক্তিশালী এবং ফলপ্রসূ হয়েছিল। তাকে শুধু দলের সহকর্মীই নয়, এলাকার সাধারণ মানুষও গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জানাতেন। তার অবদান ছিল দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নে। তার আমলে পাড়াতল ২ অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল এবং বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে তিনি সমাজের নীচু স্তরের মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।

news image
আরও খবর

তার মৃত্যুতে শোকাহত জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জনাব মেহেমুদ খাঁন মহাশয় তার পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করতে তার বাড়িতে উপস্থিত হন। মেহেমুদ খাঁন মহাশয়, তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী, দলের জন্য পূর্ণেন্দু বাবুর অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং তার নশ্বর দেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তিনি বলেন, "পূর্ণেন্দু বাবু ছিলেন দলের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, তার পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার জন্য আমরা চিরকাল কৃতজ্ঞ। তার মতো কর্মীকে হারানো তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য এক বড় ক্ষতি।"

মেহেমুদ খাঁনের সাথে ছিলেন পাড়াতল ২ অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আনোয়ার সরকার, পাড়াতল ২ অঞ্চলের প্রধান মাবিয়া বেগম মহাশয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব। তারা সবাই একযোগে পূর্ণেন্দু বাবুর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার স্মৃতিকে চিরকাল মনে রাখার অঙ্গীকার করেন।

পূর্ণেন্দু বাবু ছিলেন একজন রাজনৈতিক কর্মী, যিনি তার জীবনে রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য— জনগণের সেবা এবং উন্নয়ন—সঠিকভাবে পালন করেছিলেন। তার জীবনের সব দিকেই এক উদ্দেশ্য ছিল—দলের জন্য কাজ করা এবং জনগণের জন্য উন্নয়ন আনা। তার মৃত্যু আমাদেরকে আরও একবার মনে করিয়ে দেয় যে, জীবন চিরকাল থাকে না, তবে আমাদের কাজ এবং অবদানই আমাদের জীবনের আসল পরিণতি।

পূর্ণেন্দু বাবু যখন জীবিত ছিলেন, তখন তার ছিল এক বিশাল জনপ্রিয়তা। তিনি কখনোই তার কাজে পরিশ্রম থেকে পিছপা হননি এবং সবসময় চেষ্টা করেছেন দলের প্রতি তার দায়িত্ব পালন করতে। তার নৈতিকতা, সততা এবং কর্মক্ষমতা তাকে শুধু দলের নেতাদের নয়, বরং সাধারণ মানুষদের কাছেও শ্রদ্ধিত করে তুলেছিল।

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক অঙ্গনে তার অবদান অসীম। তিনি দলের কর্মসূচির প্রতিটি পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেছেন এবং দলে কাজ করার জন্য তাকে সর্বদা অনুপ্রেরণা ও উদ্দীপনা জুগিয়েছেন। তার অকাল মৃত্যুর ফলে, শুধু জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসই নয়, বরং পুরো এলাকার রাজনৈতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রেও এক বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

পূর্ণেন্দু বাবুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা

পূর্ণেন্দু বাবু এক সফল রাজনৈতিক নেতা এবং একজন মানবদরদি ব্যক্তি ছিলেন। তার মৃত্যুতে যে শোকবার্তা ছড়িয়ে পড়েছে, তা শুধু তার পরিবার বা দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো জামালপুর ব্লকের মানুষের মধ্যে গভীর দুঃখের ছায়া ফেলেছে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন স্থানে শোকসভা এবং স্মৃতিসভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে তার কর্মজীবন এবং অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পূর্ণেন্দু বাবুর জীবন ছিল সত্যিই এক অনুপ্রেরণা, যা আসন্ন প্রজন্মের জন্য একটি আদর্শ হয়ে থাকবে। তার জীবন থেকে যা শেখার আছে, তা হল দেশপ্রেম, নিষ্ঠা, দলপ্রেম এবং মানুষের প্রতি এক অবিচল আস্থা। তিনি তার জীবনকালে যেভাবে এক সাধারণ মানুষের মতো থেকে দেশের জন্য কাজ করেছেন, তা আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লান।

শেষ কথা

পূর্ণেন্দু বাবুর মৃত্যু একটি গভীর শোকের মুহূর্ত, তবে তার জীবন ছিল এক আলোকিত পথ। তিনি যে শিক্ষাগুলি দিয়ে গেছেন তা আমাদের সবার জন্য অনুসরণীয়। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি এবং তার স্মৃতিকে চিরকাল ধরে রাখার অঙ্গীকার করি। আজকের শোকসভায় উপস্থিত সবাই তার জন্য একসঙ্গে প্রার্থনা করেছেন, যাতে তার আত্মা শান্তিতে বিশ্রাম পায়। পূর্ণেন্দু বাবুর কর্মজীবন এবং অবদান আগামী প্রজন্মের কাছে এক প্রেরণা হয়ে থাকবে।

Preview image