Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

রামাফোসা’র G20 শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ: বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৈষম্য ও উন্নয়নের সমস্যা

রামাফোসা’র G20 শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ: বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৈষম্য ও উন্নয়নের সমস্যা দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসা গতকাল G20 শীর্ষ সম্মেলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং উন্নয়নের সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে সম্পদ এবং উন্নয়নের যে বৈষম্য রয়েছে তা শুধু অন্যায়পূর্ণ নয়, বরং টেকসই নয়।” রামাফোসা তাঁর ভাষণে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই বৈষম্য কেবল ন্যায়বিচারহীন নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্যও তা অত্যন্ত ক্ষতিকর। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক উন্নয়ন যদি অসম হয়ে থাকে, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব শুধু উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি পুরো বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। রামাফোসা আরও বলেন, “বিশ্বের মধ্যে যে অর্থনৈতিক বৈষম্য রয়েছে, তা শুধু দেশের মধ্যে নয়, দেশের মধ্যেও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে।” তিনি জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দুর্বল দেশগুলোকে তাদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ন্যায্য সুযোগ দিতে হবে। তিনি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে আরও সহায়তা ও সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে তারা বৈশ্বিক উন্নয়নে অংশ নিতে পারে। রামাফোসা তাঁর ভাষণে চারটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন—দুর্যোগ সহনশীলতা ও সাড়া দেওয়া, নিম্ন-আয়ের দেশগুলোর ঋণ টেকসইতা, সুষম শক্তি রূপান্তর, এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানগুলোর স্থানিক প্রক্রিয়াজাতকরণ। তিনি বলেন, "এই বৈষম্য দূর করতে হলে গ্লোবাল সাউথ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।” রামাফোসা আরও বলেন, G20 যদি তার বিশ্বাস ও সৎ আচরণ বজায় না রাখে, তবে তার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, “এটি শুধু ন্যায়ের বিষয় নয়, এটি পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ও।” এছাড়া, তিনি বিশ্ব নেতাদের কাছে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছেন—বিশ্বের বৈষম্য শুধু আর্থিক বৈষম্য নয়, এটি একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবেও দাঁড়িয়ে আছে। রামাফোসা তাঁর ভাষণে স্পষ্ট করেছেন যে, বৈষম্য দূর করতে হলে বিশ্বের সকল দেশকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে, যাতে সমতা, ন্যায় এবং সুশাসন নিশ্চিত করা যায়।

বিশ্ব অর্থনৈতিক বৈষম্য ও উন্নয়ন ব্যবস্থার পরিবর্তন: Ramaphosa’র G20 শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ

গ্লোবাল অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বৈষম্য ও উন্নয়ন সঙ্কট আজ একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসা গতকাল G20 শীর্ষ সম্মেলনে যা বললেন, তা শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা বা গ্লোবাল সাউথের জন্য নয়, বরং বিশ্বব্যাপী এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটি বড় বার্তা হয়ে উঠেছে। তিনি তাঁর ভাষণে স্পষ্টভাবে বলেছেন, বিশ্বজুড়ে সম্পদ এবং উন্নয়নের যে বৈষম্য রয়েছে তা “অন্যায়পূর্ণ এবং টেকসই নয়।” তাঁর মতে, এই বৈষম্য কেবল ন্যায়বিচারহীন নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্যও ক্ষতিকর এবং তা মানবতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় হুমকি। রামাফোসার এই মন্তব্যে তিনি মূলত বিশ্ব নেতাদের মধ্যে একত্রিত হয়ে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক বৈষম্য দূর করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, “বিশ্বের মধ্যে যে অর্থনৈতিক বৈষম্য রয়েছে, তা শুধু দেশের মধ্যে নয়, দেশের মধ্যেও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। সম্পদ এবং উন্নয়ন এর বৈষম্য বিশ্বকে একটি নতুন অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, এই বৈষম্য এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা ন্যায়বিচার এবং মানবিকতার বিরুদ্ধে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে বিশ্বের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলবে। রামাফোসা এই বৈষম্যকে টেকসই না হওয়ার পেছনের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তাঁর আহ্বান ছিল যে, এই বৈষম্য দূর করার জন্য একযোগে কাজ করতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসা গতকাল G20 শীর্ষ সম্মেলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন, যেখানে তিনি বিশ্বের আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে সম্পদ এবং উন্নয়নের যে বৈষম্য রয়েছে তা শুধু অন্যায়পূর্ণ নয়, বরং টেকসই নয়।” রামাফোসা তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই বৈষম্য কেবল ন্যায়বিচারহীন নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্যও তা অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং তা মানবতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় হুমকি। তাঁর মতে, বিশ্ব নেতাদের এই বৈষম্য দূর করতে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়।

বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থা এবং সম্পদের অসম বণ্টন নিয়ে রামাফোসা আরও বলেন, “বিশ্বের মধ্যে যে অর্থনৈতিক বৈষম্য রয়েছে, তা শুধু দেশের মধ্যে নয়, দেশের মধ্যেও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দুর্বল দেশগুলোকে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ন্যায্য সুযোগ দিতে হবে।” তিনি জানান, বৈশ্বিক শক্তির মধ্যে সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে উন্নয়নশীল দেশগুলোও সমান সুযোগ পায় এবং বৈশ্বিক উন্নয়নের অংশ হয়ে ওঠে।

রামাফোসা আরও বলেন, “বিশ্বের বৈষম্য শুধু আর্থিক বৈষম্য নয়, এটি একটি সামাজিক সমস্যাও। এই বৈষম্য শুধুমাত্র মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে না, বরং এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং শান্তির ক্ষেত্রেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, বৈশ্বিক উন্নয়ন যদি অসম হয়, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব শুধু গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি পুরো বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি রামাফোসা তাঁর ভাষণে বিশ্ব নেতাদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা বৈশ্বিক উন্নয়ন প্রকল্পে সুষম অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করে এবং বিশ্বের প্রতিটি দেশকে সমান সুযোগ দেওয়ার পথে এগিয়ে আসে। তাঁর মতে, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা প্রদান এবং তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা একমাত্র উপায়, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে এবং বৈষম্য কমাবে।

বিশ্বের অর্থনৈতিক বৈষম্য: সমস্যা এবং কারণ

বিশ্বজুড়ে আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্য এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অধিকাংশ উন্নত দেশ তাদের সম্পদ এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে, কিন্তু উন্নয়নশীল দেশগুলি সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। গ্লোবাল সাউথ (বিশ্বের দক্ষিণাংশে অবস্থিত দেশগুলি) এখনও তেমন সুবিধা পাচ্ছে না এবং এই দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম বণ্টন স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। এই বৈষম্য শুধু সামাজিক ন্যায় এবং মানবাধিকার সম্পর্কিত সমস্যা নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, শক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সঙ্কট সৃষ্টি করছে।

রামাফোসা তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেছেন, “এই বৈষম্য শুধু উন্নয়নের জন্য একটি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে না, বরং তা সারা বিশ্বের জন্য একটি বিপদ সৃষ্টি করছে। বৈশ্বিক উন্নয়ন যদি অসম হয়ে থাকে, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব শুধু গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি পুরো বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।”

বিশ্বের বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশের অভ্যন্তরে রয়েছে অর্থনৈতিক দুর্বলতা, যেখানে রাজনৈতিক এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার অভাব রয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বৈষম্য, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তির অপ্রতুলতা, এবং অন্যান্য সামাজিক অবিচার এই বৈষম্যকে আরও তীব্র করে তুলেছে। এই অবস্থায়, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন সহায়তা এবং ন্যায্য অর্থনৈতিক সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

রামাফোসার চারটি প্রধান অগ্রাধিকার:

news image
আরও খবর

রামাফোসা তাঁর ভাষণে আরও চারটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। তিনি বলেছেন, গ্লোবাল সাউথ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য তাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত:

১. দুর্যোগ সহনশীলতা এবং সাড়া দেওয়া:
রামাফোসা উল্লেখ করেছেন যে, দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলা করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের জন্য সহায়তা প্রদান করা জরুরি।

২. নিম্ন-আয়ের দেশগুলোর ঋণ-টেকসইতা:
নিম্ন-আয়ের দেশগুলো বর্তমানে ঋণখেলাপির ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। রামাফোসা বলেন, “ঋণের বোঝা কমানোর জন্য উন্নত দেশগুলোর উচিত তাদের সাহায্য করা, যাতে তারা অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য দূরীকরণে সফল হতে পারে।”

৩. সুষম শক্তি রূপান্তর:
শক্তি রূপান্তরের ক্ষেত্রে সুষমতা নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে বিশ্বের সব দেশে শক্তির সুষম বণ্টন এবং জ্বালানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে, নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৪. গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানগুলোর স্থানিক প্রক্রিয়াজাতকরণ:
দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানগুলোর স্থানিক প্রক্রিয়াজাতকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। রামাফোসা বলেন, “আমাদের খনিজ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ অত্যন্ত প্রয়োজন, যাতে আমরা নিজেদের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে পারি এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে পারি।”

বিশ্বের সকল দেশের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ

রামাফোসা আরও বলেন, “এই বৈষম্য শুধুমাত্র আফ্রিকার জন্য নয়, এটা বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য গুরুতর সমস্যা।” তাঁর মতে, বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে একযোগে কাজ করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায্যতা, এবং পৃথিবীকে একটি সাসটেইনেবল দিকনির্দেশনা দেওয়া জরুরি। শুধু একটি অঞ্চলের জন্য উন্নয়ন সম্ভব নয়, এটি বিশ্বব্যাপী একটি সংহতির বিষয়। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়।

বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি

রামাফোসা বলেন, “বিশ্বের বৈষম্য শুধু আর্থিক নয়, এটি একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবেও দাঁড়িয়ে আছে। এই বৈষম্য শুধুমাত্র মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে না, বরং এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং শান্তির ক্ষেত্রেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে, বৈষম্য দূর করতে হবে।”

এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেছেন যে, যদি G20 দেশের নেতারা তাদের স্বার্থ ও বিশ্বাসের প্রতি সৎ না থাকে, তাহলে G20 এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং বিশ্বে এর কার্যকারিতা কমে যাবে। এর ফলে, পৃথিবীজুড়ে সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো আরও গভীর হবে।

উপসংহার

রামাফোসা’র এই ভাষণ বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে গৃহীত হতে পারে। তিনি যে পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেছেন, তা বৈশ্বিক উন্নয়ন এবং সামগ্রিক বিশ্ব শান্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। G20 শীর্ষ সম্মেলনে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর আলোচনা একদিকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য শক্তি যোগাবে, অন্যদিকে বিশ্বের সব দেশের জন্য একটি সুস্থ, উন্নত এবং ন্যায়বিচারপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করার জন্য পথপ্রদর্শক হতে পারে।

Preview image