Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য উন্নতমানের চার্জার তৈরি আইআইটি খড়্গপুরে খোঁজ চলছে গবেষকের

সুযোগ পাবেন দু’জন। প্রকল্পটিতে অর্থ সহায়তা করছে অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন। নিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রতি মাসে ৩৭ হাজার টাকা করে সাম্মানিক দেওয়া হবে।

খড়্গপুরের আইআইটি-তে বৈদ্যুতিক যানবাহনের উন্নত চার্জার তৈরির গবেষণা প্রকল্প, নিয়োগ হবে জুনিয়র রিসার্চ ফেলো

ভারতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের (ইলেকট্রিক ভেহিকল বা ইভি) ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। পরিবেশ দূষণ কমানো, জ্বালানির উপর নির্ভরতা হ্রাস করা এবং ভবিষ্যতের টেকসই পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বৈদ্যুতিক গাড়ির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রেক্ষাপটে ইভি চার্জিং প্রযুক্তির উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। আর সেই লক্ষ্যেই খড়্গপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি খড়্গপুর) এক নতুন গবেষণা প্রকল্পে কাজ শুরু করেছে।

সম্প্রতি আইআইটি খড়্গপুরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য উন্নতমানের চার্জার তৈরির উদ্দেশ্যে একটি গবেষণা প্রকল্পে কাজ করার জন্য গবেষকদের খোঁজ করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে জুনিয়র রিসার্চ ফেলো (Junior Research Fellow বা JRF) পদে নিয়োগ করা হবে। মোট দু’জন গবেষককে এই প্রকল্পে যোগদানের সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রকল্পের লক্ষ্য ও গুরুত্ব

এই গবেষণা প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল ইলেকট্রিক ভেহিকলের জন্য আরও উন্নত, কার্যকর এবং দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তি তৈরি করা। বর্তমানে ভারতে ইভি চার্জিং পরিকাঠামো দ্রুত গড়ে উঠলেও এখনও অনেক জায়গায় চার্জিং সময়, দক্ষতা, নিরাপত্তা এবং শক্তি ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। উন্নত চার্জার তৈরি হলে চার্জিং সময় কমবে, শক্তির অপচয় কম হবে এবং ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সুবিধাজনক ইভি ব্যবস্থাপনা সম্ভব হবে।

এই প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ANRF), যা ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা অর্থায়ন সংস্থা। সরকারের সহায়তায় পরিচালিত এই ধরনের প্রকল্পগুলি দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করছে।

নিয়োগের পদ ও সুযোগ

আইআইটি খড়্গপুরের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধীনে এই গবেষণা প্রকল্পে জুনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে দু’জন প্রার্থীকে নিয়োগ করা হবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা সরাসরি গবেষণার কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং অত্যাধুনিক গবেষণাগারে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

এই ধরনের প্রকল্পে কাজ করার মাধ্যমে গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা করার সুযোগ তৈরি হয়, যা ভবিষ্যতে পিএইচডি, পোস্টডক্টরাল গবেষণা বা শিল্পক্ষেত্রে উচ্চস্তরের চাকরির জন্য অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে।

সম্মানিক ও আর্থিক সুবিধা

নিযুক্ত জুনিয়র রিসার্চ ফেলোদের প্রতি মাসে ৩৭,০০০ টাকা করে সাম্মানিক দেওয়া হবে। গবেষণা ক্ষেত্রে এটি একটি আকর্ষণীয় সম্মানিক হিসেবে বিবেচিত হয়, বিশেষ করে সদ্য স্নাতক বা স্নাতকোত্তর প্রার্থীদের জন্য। অনেক ক্ষেত্রেই গবেষণা প্রকল্পে কাজ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ডক্টরাল গবেষণার সুযোগও তৈরি হয়।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের অবশ্যই যে কোনও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ব্যাচেলর অফ টেকনোলজি (B.Tech) অথবা ব্যাচেলর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং (B.E) ডিগ্রি থাকতে হবে। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মৌলিক বিষয়গুলিতে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।

পাশাপাশি প্রার্থীদের গ্র্যাজুয়েট অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (GATE) অথবা ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (NET) উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। এই পরীক্ষাগুলি দেশের অন্যতম কঠিন ও মর্যাদাপূর্ণ পরীক্ষার মধ্যে পড়ে, যা গবেষণার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের যোগ্যতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বয়সসীমা ও ছাড়

আবেদনকারীদের বয়স ২৮ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে সংরক্ষিত শ্রেণিভুক্ত প্রার্থীদের জন্য সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ছাড় প্রযোজ্য হবে। এতে করে বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক শ্রেণির প্রার্থীরা সমান সুযোগ পাওয়ার সুযোগ পায়।

আবেদন পদ্ধতি

news image
আরও খবর

এই গবেষণা প্রকল্পে আবেদন করতে হলে আগ্রহী প্রার্থীদের আইআইটি খড়্গপুরের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি দেখে বিস্তারিত যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পর্কে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত এই ধরনের গবেষণা পদে আবেদন করতে সিভি, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র, GATE/NET স্কোরকার্ড এবং একটি স্টেটমেন্ট অফ পারপাস বা গবেষণার আগ্রহপত্র জমা দিতে হয়।

গবেষণার ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

আইআইটি খড়্গপুরের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে গবেষণার অভিজ্ঞতা পাওয়া মানে ভবিষ্যতে একাধিক সুযোগের দরজা খুলে যাওয়া। ইভি প্রযুক্তি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অন্যতম আলোচিত গবেষণা ক্ষেত্র। ভবিষ্যতে গাড়ি নির্মাণ সংস্থা, শক্তি ব্যবস্থাপনা সংস্থা, ব্যাটারি প্রযুক্তি সংস্থা এবং স্মার্ট গ্রিড উন্নয়ন সংস্থায় গবেষণার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এছাড়াও যারা ভবিষ্যতে পিএইচডি করতে চান, তাঁদের জন্য এই ধরনের গবেষণা প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হয়। আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার ক্ষেত্রেও আইআইটি-র গবেষণা অভিজ্ঞতা একটি বড় প্লাস পয়েন্ট হিসেবে গণ্য হয়।

ইলেকট্রিক ভেহিকল ও ভারতের ভবিষ্যৎ

ভারত সরকার ইতিমধ্যেই বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রসারে একাধিক নীতি ও প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ফাস্টার অ্যাডপশন অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অফ ইলেকট্রিক ভেহিকলস (FAME) প্রকল্পের মাধ্যমে ইভি কেনার ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি চার্জিং পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলিকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে আইআইটি খড়্গপুরের মতো প্রতিষ্ঠানের গবেষণা প্রকল্পগুলি দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উন্নত চার্জার প্রযুক্তি তৈরি হলে ভারতের ইভি ইকোসিস্টেম আরও শক্তিশালী হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে বৈদ্যুতিক যানবাহন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

উপসংহার

বর্তমান যুগে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হয়ে উঠেছে বৈদ্যুতিক যানবাহন বা ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি)। ক্রমবর্ধমান দূষণ, জীবাশ্ম জ্বালানির সীমিত ভান্ডার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে ইভি প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে উঠে এসেছে। কিন্তু শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক যানবাহন তৈরি করলেই সমস্যার সমাধান হয় না—তার সঙ্গে প্রয়োজন উন্নতমানের চার্জিং প্রযুক্তি, শক্তি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা এবং নিরাপদ ও দ্রুত চার্জিং পরিকাঠামো। এই প্রেক্ষাপটে খড়্গপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির উদ্যোগে বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য উন্নত চার্জার তৈরির গবেষণা প্রকল্প নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী ও ভবিষ্যতমুখী পদক্ষেপ।

আইআইটি খড়্গপুর দেশের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ প্রযুক্তি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণা প্রকল্প মানেই উচ্চমানের বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা, আধুনিক গবেষণাগার এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন। তাই এই প্রতিষ্ঠানের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্প শুধু একটি সাধারণ গবেষণা উদ্যোগ নয়, বরং ভারতের ভবিষ্যৎ ইভি ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এই প্রকল্পে জুনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগ তরুণ ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য এক বিরল সুযোগ। একদিকে যেমন তাঁরা উন্নত প্রযুক্তির উপর হাতে-কলমে গবেষণা করার সুযোগ পাবেন, অন্যদিকে তাঁদের কাজ সরাসরি দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে অবদান রাখবে। গবেষণার জগতে কাজ করার অভিজ্ঞতা একজন ইঞ্জিনিয়ারের পেশাগত জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ভবিষ্যতে পিএইচডি, আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্প বা বড় শিল্প সংস্থায় গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) বিভাগে কাজ করার ক্ষেত্রে বড় সুবিধা এনে দেয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এই প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা ও সম্মানিক। প্রতি মাসে ৩৭ হাজার টাকা সাম্মানিক পাওয়া একজন তরুণ গবেষকের জন্য যথেষ্ট সহায়ক, যা তাঁদের গবেষণায় সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের মতো একটি জাতীয় স্তরের গবেষণা সংস্থার অর্থায়ন প্রকল্পটির গুরুত্ব এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকে আরও বৃদ্ধি করে।

ভারত সরকার বর্তমানে ইলেকট্রিক ভেহিকলকে ভবিষ্যতের পরিবহণ ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। ফেম (FAME) প্রকল্প, ব্যাটারি উৎপাদন নীতি, চার্জিং স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা—সব মিলিয়ে দেশে একটি সম্পূর্ণ ইভি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। এই উদ্যোগগুলির সঙ্গে আইআইটি খড়্গপুরের মতো প্রতিষ্ঠানের গবেষণা যুক্ত হলে দেশীয় প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীলতা বাড়বে এবং বিদেশি প্রযুক্তির উপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমবে।

উন্নত চার্জার প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে চার্জিং সময় কমানো সম্ভব হবে, শক্তির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাবে এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইভি গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, স্মার্ট গ্রিড এবং নবায়নযোগ্য শক্তির সঙ্গে ইভি প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানোর পথও প্রশস্ত হবে।

সব মিলিয়ে, আইআইটি খড়্গপুরের এই গবেষণা প্রকল্প শুধু একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বা গবেষণা উদ্যোগ নয়, বরং ভারতের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ নির্মাণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তরুণ ইঞ্জিনিয়ার ও গবেষকদের জন্য এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ, যেখানে তাঁরা দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের পরিবহণ ব্যবস্থাকে নতুন দিশা দিতে পারবেন।

যাঁরা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন এবং গবেষণার প্রতি আগ্রহী, তাঁদের জন্য এই জুনিয়র রিসার্চ ফেলো পদে আবেদন করা নিঃসন্দেহে একটি বড় সুযোগ হতে পারে। সঠিক যোগ্যতা ও প্রস্তুতি থাকলে এই প্রকল্পে কাজ করার মাধ্যমে তাঁদের পেশাগত জীবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

অতএব বলা যায়, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আইআইটি খড়্গপুরের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। গবেষণা, শিক্ষা এবং শিল্পক্ষেত্রের সমন্বয়ে এই ধরনের প্রকল্পই ভারতের বৈদ্যুতিক যানবাহন বিপ্লবকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

Preview image