Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

সাহেব–সুস্মিতা জুটির অনস্ক্রিন প্রেম গুঞ্জন, বাস্তবে শুধু বন্ধুত্ব

ধারাবাহিক শেষ হলেও সাহেব সুস্মিতার জুটি এখনও দর্শকমনের প্রিয়।নতুন ধারাবাহিকের খবরের মধ্যেও অভিনেত্রী ব্যস্ত ছুটি ও নিজের সময় উপভোগে।প্রেমের গুঞ্জনকে কেবল দর্শকের ভালোবাসা বলে হেসে উড়িয়ে দিলেন সুস্মিতা।অনস্ক্রিন রসায়ন থাকলেও বাস্তবে সম্পর্ক কেবল বন্ধুত্ব ও কাজের সহমর্মিতা।

বাংলা টেলিভিশনের দর্শকপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কথা’ শেষ হয়েছে প্রায় মাসখানেক আগে। ধারাবাহিকটি শেষ হলেও দর্শকরা এখনও সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে—এই জুটিকে মনে রাখছেন, তাদের অনস্ক্রিন রসায়ন এখনও প্রিয়। ধারাবাহিক চলাকালীন সময়ে দুজনের পারফরম্যান্স এবং সম্পর্ক নিয়ে দর্শক ও সামাজিক মাধ্যমে বহু গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। অনেকে বিশ্বাস করতেন যে, সাহেব ও সুস্মিতার জুটি কেবল পর্দার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

সাহেব ভট্টাচার্যকে বাংলা টেলিভিশনের একজন প্রতিভাবান অভিনেতা হিসেবে পরিচিত। তার অভিনয় শৈলী প্রায়ই দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। অন্যদিকে, সুস্মিতা দে তাঁর প্রাণবন্ত অভিনয় এবং সহজাত উষ্ণতার কারণে দর্শকের প্রিয় হয়ে উঠেছেন। ধারাবাহিক ‘কথা’-তে তাঁদের অনস্ক্রিন জুটি এমনভাবে আবদ্ধ হয়েছে যে, দর্শকরা তাদের chemistry-কে কেবল গল্পের অংশ হিসেবে নয়, বাস্তব জীবনের সম্পর্কের অংশ হিসেবেও ভাবতে শুরু করেন।

ধারাবাহিক চলাকালীন সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন টেলিপর্টাল নিউজে নিয়মিত প্রকাশ পেত সাহেব–সুস্মিতার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন। কেউ কেউ বলতেন, এ জুটি পর্দার বাইরেও সম্পর্ক রেখেছে, আবার কেউ বলতেন, এটি শুধুই দর্শকের কল্পনা। এসব গুঞ্জনের মধ্যেও দুই অভিনেতা নিজেদের পেশাদারিত্ব ধরে রেখেছেন।

ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পরে যখন সংবাদমাধ্যম যোগাযোগ করে সুস্মিতার সঙ্গে, তখন তিনি হেসে বললেন, “আগের ধারাবাহিকের রেশ কাটার আগেই কীভাবে নতুন শুটিং শুরু করব! এখন ছুটিতে আছি, ঘুমোচ্ছি, সিনেমা দেখছি, বেড়াতে যাচ্ছি।” এই মন্তব্য স্পষ্টভাবে দেখায় যে, তিনি এখন নিজের সময় উপভোগে ব্যস্ত। তিনি দর্শকদের জানিয়েছেন যে, এখন তার প্রাধান্য নতুন কাজ শুরু করার চেয়ে নিজের বিশ্রাম এবং ব্যক্তিগত সময় উপভোগ করা।

সাহেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নে সুস্মিতা আরও পরিষ্কার ছিলেন। তিনি জানালেন, “ধারাবাহিক শেষ, এখন আর নিয়মিত দেখা হয় না। আমরা মাঝে মাঝে একসঙ্গে মঞ্চে কাজ করছি, আবার আমি একাও অনেক শো করছি।” এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, তাদের সম্পর্ক এখন কেবল বন্ধুত্ব এবং পেশাগত সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ।

ধারাবাহিক চলাকালীন দর্শকেরা এই জুটিকে এতটাই পছন্দ করেছেন যে, অনেকে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক নিয়েও কৌতূহল প্রকাশ করেছেন। সুস্মিতা এই প্রসঙ্গে হেসে বলেন, “ওগুলো দর্শকের ভালোবাসা। ওঁরা আমাদের জুটিকে পছন্দ করেছেন, তাই বাস্তবেও দেখতে চান।” এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, দর্শকরা যেসব গুঞ্জন ছড়িয়েছেন তা মূলত তাদের ভালোবাসার ফল।

বর্তমানে সুস্মিতা নতুন ধারাবাহিকে ফিরবেন বলে কিছু সময়ের জন্য কোনো শুটিং করছেন না। তিনি নিজের ব্যক্তিগত সময়কে প্রাধান্য দিচ্ছেন। ছুটি কাটানোর সময় তিনি সিনেমা দেখছেন, ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং সাধারণভাবে নিজের জীবন উপভোগ করছেন। এটি দেখায় যে, ছোটপর্দার এই জনপ্রিয় মুখও মাঝে মাঝে নিজেকে রিফ্রেশ করতে এবং জীবনের ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করতে সময় দেন।

সাহেব–সুস্মিতার অনস্ক্রিন chemistry বাংলা টেলিভিশনে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। দর্শকরা তাঁদের পারফরম্যান্সকে শুধু গল্পের অংশ হিসেবে নয়, বরং বাস্তবের সঙ্গেও যুক্ত করার চেষ্টা করেছেন। এই ধরনের জনপ্রিয়তা অনেক সময় অভিনেতাদের ব্যক্তিগত জীবনের উপর প্রভাব ফেলে। তবে দুজনেই পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছেন এবং মিডিয়ায় গুঞ্জনগুলোকে সহজভাবে মোকাবিলা করেছেন।

news image
আরও খবর

দুই অভিনেতার কাজের ধরনও একে অপরকে সম্পূরক করেছে। সাহেব ভট্টাচার্য সাধারণত চরিত্রের গভীরতা এবং সংলাপের সূক্ষ্মতা দিয়ে দর্শককে মুগ্ধ করেন। সুস্মিতা দে, যিনি প্রাণবন্ত এবং অভিব্যক্তিশীল অভিনয়ের জন্য পরিচিত, সাহেবের সঙ্গে মিলে জুটি হিসেবে দর্শককে অনন্য অনুভূতি প্রদান করেছেন। তাঁদের মিলিত পারফরম্যান্স গল্পের আবহকে সমৃদ্ধ করেছে, যা দর্শক মনে দীর্ঘ সময় ধরে থেকে গেছে।

সাহেব এবং সুস্মিতার অনস্ক্রিন বন্ধুত্ব এবং পারফরম্যান্স দর্শককে প্রমাণ করেছে যে, অভিনয় শুধুমাত্র স্ক্রিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি দর্শকের মনে স্থায়ী ছাপ ফেলে। ধারাবাহিক ‘কথা’ শেষ হওয়ার পরেও দর্শকরা তাঁদের chemistry স্মরণ করছে এবং আগ্রহ দেখাচ্ছে।

বর্তমানে টেলিপাড়ায় নতুন ধারাবাহিক নিয়ে আলোচনার মধ্যে সুস্মিতা নিজেকে ছুটি এবং ব্যক্তিগত সময়ের জন্য সময় দিচ্ছেন। এটি দেখায় যে, তিনি পেশাদারিত্বের সঙ্গে সঙ্গে নিজের জীবনের প্রয়োজনকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেন। সাহেবও বিভিন্ন মঞ্চ ও শো-তে ব্যস্ত থাকলেও মাঝে মাঝে সুস্মিতার সঙ্গে কাজ করছেন।

সাহেব–সুস্মিতার সম্পর্ক এবং জনপ্রিয়তা দর্শককে শেখায় যে, অনস্ক্রিন chemistry দর্শককে আনন্দ দেয় এবং কখনও কখনও দর্শকের কল্পনায় প্রেমের রূপ নেয়। তবে বাস্তব জীবনে এটি বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক পেশাগত সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

সংক্ষেপে বলা যায়, ধারাবাহিক ‘কথা’ শেষ হলেও সাহেব–সুস্মিতার জুটি দর্শকের মনে জীবন্ত। অনস্ক্রিন রসায়ন এবং দর্শকপ্রিয়তা তাঁদের পেশাগত সাফল্যের অংশ। তবে বাস্তবে দুজনের সম্পর্ক কেবল বন্ধুত্ব এবং কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সুস্মিতা ছুটি উপভোগ করছেন এবং নতুন কাজের প্রস্তুতি নেবার আগে নিজের সময় কাটাচ্ছেন, যা দেখায় যে অভিনেতাদেরও কখনো ব্যক্তিগত সময় প্রয়োজন।

দর্শকরা হয়তো সাহেব–সুস্মিতার সম্পর্ক নিয়ে কৌতূহল প্রকাশ করবেন, কিন্তু বাস্তবের চিত্র একেবারে আলাদা। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ, যা দেখায় যে জনপ্রিয়তা এবং অনস্ক্রিন chemistry সবসময় ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রতিফলন নয়। এই জুটি বাংলা টেলিভিশনের জন্য এক অনন্য উদাহরণ, যেখানে পেশাদারিত্ব, দর্শকের ভালোবাসা এবং ব্যক্তিগত জীবনকে সুষমভাবে সামলানো যায়।

পরিশেষে, সাহেব–সুস্মিতা জুটি বাংলার ছোটপর্দায় একটি প্রিয় স্মৃতি হিসেবে থেকে যাচ্ছে। দর্শকরা তাদের chemistry উপভোগ করেছেন, কিন্তু অভিনেতারা নিজেদের ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনকে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন। এই জুটি প্রমাণ করেছে যে, স্ক্রিনের গল্প এবং বাস্তব জীবনের সম্পর্ক আলাদা হলেও দুটোই শ্রদ্ধার যোগ্য এবং দর্শক হৃদয়ে স্থায়ী ছাপ রেখে যায়।

Preview image