Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

কন্যাকে আগলে রাখেন শাহরুখ? ছবির সেটে সুহানার সঙ্গে ঠিক কেমন আচরণ করেন বলি তারকা?

‘কিং’ ছবির মাধ্যমেই প্রথম বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ হবে সুহানার। শুটিং সেটে কি বাবা অর্থাৎ শাহরুখের ছত্রছায়ায় থেকেছেন তিনি?‘আর্চিজ়’ ছবিতে প্রথম অভিনয় সুহানা খানের। ওটিটি-তে এই ছবি মুক্তি পাওয়ার পরেই অভিনয়ের জন্য সমালোচিত হন শাহরুখ খানের কন্যা। তার পরে দীর্ঘ বিরতি। এ বার তাঁকে দেখা যাবে তাঁর বাবার ছবিতেই। ‘কিং’ ছবির মাধ্যমেই প্রথম বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ হবে সুহানার। শুটিং সেটে কি বাবা অর্থাৎ শাহরুখের ছত্রছায়ায় থেকেছেন তিনি? তাঁর সঙ্গে কেমন আচরণ করেছেন বলিউডের বাদশা? জানালেন বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌরভ শুক্ল।

সৌরভও এই ছবির অংশ। এর আগেও ‘বাদশা’ ছবিতে শাহরুখ খানের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। সেই স্মৃতিচারণ করে সৌরভ প্রথমে বলেন, “সেই সময়ে শাহরুখ উঠতি তারকা। তখন ওর সঙ্গে যে খুব দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে, তা নয়। কয়েক বার কথা হয়েছে মাত্র। তবে পরে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে ওর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে।” শাহরুখের ব্যবসায়িক বুদ্ধিরও প্রশংসা করেন তিনি। সৌরভের কথায়, “ব্যবসায়ী হিসাবে শাহরুখ খুবই ভাল। ব্যবসায়ে ও অসাধারণ না হলে এই ভাবে একা হাতে নিজের একটা সাম্রাজ্য তৈরি করা সম্ভব হত না।” এর পাশাপাশি শাহরুখ তাঁর পরিবারের থেকেও সমর্থন পেয়েছেন বলেও দাবি করেন সৌরভ শুক্ল।পরিবারকে শাহরুখ নিজেও গুরুত্ব দেন, সেই অভিজ্ঞতাও রয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেতার। এর পরেই তিনি সুহানা খানের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। ‘কিং’ ছবির সেটে তিনি বাবা ও মেয়েকে দেখেছেন। তবে ছবির সেটে তিনি কন্যা সুহানার সঙ্গে একেবারে ভিন্ন আচরণ করেন বলে জানান সৌরভ। তাঁর কথায়, “শাহরুখ বাবা হিসাবে খুব বুদ্ধিমান। কন্যাকে বাবা আগলে রাখবেন, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শাহরুখ ওর সন্তানদের অনেকটা স্বাধীনতা দেন। নিজেদের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা দেন তিনি। শাহরুখের মধ্যে তেমন অধিকারবোধ কাজ করে না। ছবির সেটে সুহানার সঙ্গে সহকর্মীর মতোই আচরণ করেন শাহরুখ। একজন সহ-অভিনেতা যেমন পরামর্শ দেন, তেমন পরামর্শই দেন কন্যাকে।”

শিল্পীজীবন এবং পারিবারিক জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অনেকের কাছেই একটি কঠিন কাজ। বিশেষ করে যখন সেই ব্যক্তি হন Shah Rukh Khan-এর মতো একজন বিশ্বখ্যাত তারকা, তখন প্রত্যাশা, চাপ এবং দায়িত্ব—সবই বহুগুণে বেড়ে যায়। তবুও শাহরুখ খান বারবার প্রমাণ করেছেন যে, তিনি শুধু একজন সফল অভিনেতাই নন, একজন দায়িত্বশীল বাবা হিসেবেও তিনি সমানভাবে প্রশংসিত। তাঁর সন্তানদের সঙ্গে সম্পর্ক, তাঁদের বড় করে তোলার ধরণ এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা দেওয়ার মানসিকতা—সবকিছুই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান অভিনেতা Saurabh Shukla শাহরুখ খান এবং তাঁর মেয়ে Suhana Khan-এর সম্পর্ক নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। বিশেষ করে ‘কিং’ ছবির সেটে তাঁদের আচরণ কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই উঠে এসেছে শাহরুখের পিতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি।

প্রথমেই বলা দরকার, বলিউডে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে তারকা সন্তানেরা তাঁদের বাবা-মায়ের ছায়াতেই বড় হন। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের ওপর থাকে বাড়তি নজরদারি, নিয়ন্ত্রণ এবং প্রত্যাশা। কিন্তু শাহরুখ খান এই প্রচলিত ধারা থেকে কিছুটা আলাদা। তিনি বিশ্বাস করেন, সন্তানদের নিজস্ব পরিচয় গড়ে তোলার জন্য তাঁদের স্বাধীনতা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সৌরভ শুক্লা জানিয়েছেন, ‘কিং’ ছবির সেটে তিনি যেটা লক্ষ্য করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। একজন বাবা হিসেবে শাহরুখ তাঁর মেয়েকে ভালোবাসেন, সুরক্ষা দেন—এটা স্বাভাবিক। কিন্তু একইসঙ্গে তিনি সুহানাকে একজন পেশাদার অভিনেত্রী হিসেবেও দেখেন। সেটে তিনি কখনও ‘বাবা’ হয়ে আচরণ করেন না, বরং একজন সহ-অভিনেতা হিসেবে তাঁর সঙ্গে কাজ করেন। এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেখায় যে শাহরুখ তাঁর মেয়ের প্রতিভা এবং ব্যক্তিত্বকে কতটা সম্মান করেন।

সন্তানদের স্বাধীনতা দেওয়ার বিষয়টি শাহরুখের জীবনে নতুন কিছু নয়। বহুবার বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন যে, তিনি চান তাঁর সন্তানরা নিজেরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিক, নিজেদের ভুল থেকে শিখুক এবং নিজের পথ নিজেই তৈরি করুক। এই দৃষ্টিভঙ্গি আধুনিক পিতামাতার জন্য একটি বড় শিক্ষা হতে পারে।

সুহানা খানের ক্ষেত্রেও আমরা একই বিষয়টি দেখতে পাই। তিনি অভিনয় জগতে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছেন, এবং সেখানে শাহরুখ খান কখনও তাঁর ওপর নিজের প্রভাব চাপিয়ে দেননি। বরং তিনি সবসময় তাঁকে গাইড করেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন—ঠিক যেমন একজন সিনিয়র সহ-অভিনেতা একজন নতুন অভিনেতাকে সাহায্য করেন।

এই প্রসঙ্গে সৌরভ শুক্লার একটি মন্তব্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, শাহরুখের মধ্যে ‘অধিকারবোধ’ খুব একটা কাজ করে না। অর্থাৎ, তিনি তাঁর সন্তানদের নিজের সম্পত্তি হিসেবে দেখেন না, বরং তাঁদের স্বতন্ত্র ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেন। এই মানসিকতা আজকের দিনে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যেখানে অনেক সময় পিতামাতারা সন্তানদের ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দেন।

শাহরুখ খানের এই দৃষ্টিভঙ্গির পেছনে তাঁর নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাও কাজ করেছে। ছোটবেলায় তিনি অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। নিজের চেষ্টায় তিনি আজকের এই জায়গায় পৌঁছেছেন। তাই তিনি জানেন, নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া, শাহরুখ খান সবসময় তাঁর পরিবারকে অগ্রাধিকার দেন। ব্যস্ত শিডিউলের মধ্যেও তিনি চেষ্টা করেন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে। তাঁর সন্তানদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ। তিনি শুধু একজন বাবা নন, একজন ভালো বন্ধু হিসেবেও তাঁদের পাশে থাকেন।

এই ধরনের সম্পর্ক সন্তানদের মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখন সন্তানরা বুঝতে পারে যে, তাঁদের বাবা-মা তাঁদের কথা শুনছেন, তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, তখন তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তাঁরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে শিখে এবং জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হতে সক্ষম হয়।

সুহানা খানের ক্ষেত্রেও আমরা এই আত্মবিশ্বাস দেখতে পাই। তিনি নিজের মতো করে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। যদিও তিনি একজন সুপারস্টারের মেয়ে, তবুও তিনি নিজের পরিচয় তৈরি করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন। আর এই পথচলায় তাঁর বাবার সমর্থন তাঁকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।

‘কিং’ ছবির সেটে শাহরুখ এবং সুহানার সম্পর্ক দেখে এটা স্পষ্ট যে, তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং বোঝাপড়া রয়েছে। একজন বাবা হিসেবে শাহরুখ তাঁর দায়িত্ব পালন করছেন, আবার একজন সহ-অভিনেতা হিসেবে সুহানার প্রতি তাঁর আচরণ সম্পূর্ণ পেশাদার। এই ভারসাম্য বজায় রাখা সত্যিই প্রশংসনীয়।

news image
আরও খবর

আজকের দিনে, যেখানে অনেক সময় বাবা-মায়েরা সন্তানদের ওপর অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ রাখেন, সেখানে শাহরুখ খানের এই দৃষ্টিভঙ্গি একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তিনি দেখিয়েছেন যে, সন্তানদের ভালোবাসা মানে শুধু তাঁদের রক্ষা করা নয়, বরং তাঁদের স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সবশেষে বলা যায়, শাহরুখ খান শুধু পর্দার ‘কিং’ নন, বাস্তব জীবনেও তিনি একজন আদর্শ বাবা। তাঁর সন্তানদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস—সবকিছুই তাঁকে আরও বড় করে তোলে। সুহানা খানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আমাদের শেখায় যে, সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানসিকতা থাকলে বাবা-মা এবং সন্তানের সম্পর্ক আরও সুন্দর এবং শক্তিশালী হতে পারে।

এই ধরনের সম্পর্ক শুধু একজন পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং সমাজের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। যখন আমরা এমন উদাহরণ দেখি, তখন আমরা নিজেরাও চেষ্টা করি সেই পথ অনুসরণ করতে। তাই শাহরুখ খানের এই দৃষ্টিভঙ্গি শুধু তাঁর পরিবারের জন্য নয়, আমাদের সবার জন্যই একটি বড় শিক্ষা।

 more 500 words

শাহরুখ খান ও সুহানা খানের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে গেলে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে—তা হল কাজের জায়গায় পেশাদারিত্ব এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সঠিক সীমারেখা বজায় রাখা। অনেক সময় দেখা যায়, পরিবারে কাজ করার ক্ষেত্রে আবেগ বা পক্ষপাতিত্ব কাজ করে, যা পেশাদার পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু Shah Rukh Khan এই জায়গায় একেবারেই আলাদা। তিনি বুঝতে পারেন যে, একটি চলচ্চিত্রের সেট একটি কর্মক্ষেত্র, যেখানে প্রত্যেককে নিজের দক্ষতা এবং পরিশ্রম দিয়ে প্রমাণ করতে হয়।

সৌরভ শুক্লার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শাহরুখ কখনও সুহানাকে বাড়তি সুবিধা দেন না। বরং তিনি চান সুহানা নিজের যোগ্যতায় নিজের জায়গা তৈরি করুক। এটি একজন বাবার জন্য সহজ নয়, কারণ স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটি বাবা-মা চান তাঁদের সন্তান যেন সবসময় নিরাপদ থাকে এবং কোনো কষ্ট না পায়। কিন্তু শাহরুখ জানেন, এই কষ্ট এবং চ্যালেঞ্জই একজন মানুষকে শক্ত করে তোলে। তাই তিনি সুহানাকে সেই বাস্তবতার মুখোমুখি হতে দেন।

এই প্রসঙ্গে Suhana Khan-এর মানসিক দৃঢ়তার কথাও উল্লেখ করা জরুরি। তিনি এমন একটি পরিবারে বড় হয়েছেন, যেখানে সাফল্য যেমন আছে, তেমনই আছে প্রচণ্ড নজরদারি এবং সমালোচনা। তবুও তিনি নিজের কাজের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। এই আত্মবিশ্বাসের পেছনে তাঁর বাবার ভূমিকা অপরিসীম।

শাহরুখ খান তাঁর সন্তানদের শুধু স্বাধীনতাই দেন না, তাঁদের দায়িত্ববোধও শেখান। তিনি বারবার বলেছেন, স্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই করা নয়; বরং নিজের কাজের দায়িত্ব নেওয়া। এই শিক্ষাটি সুহানার কাজের মধ্যেও প্রতিফলিত হয়। তিনি জানেন যে, তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ মানুষের নজরে থাকবে, তাই তাঁকে আরও বেশি সচেতন এবং পরিশ্রমী হতে হবে।

এছাড়া, শাহরুখ খান সবসময় তাঁর সন্তানদের বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চান। তিনি চান না যে, তাঁর সন্তানরা শুধুমাত্র বিলাসবহুল জীবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকুক। বরং তাঁরা যেন জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানে এবং বুঝতে পারে। এই কারণেই তিনি তাঁদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দেন, যাতে তাঁরা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—শাহরুখ তাঁর সন্তানদের সঙ্গে খোলামেলা সম্পর্ক বজায় রাখেন। তিনি তাঁদের সঙ্গে বন্ধুর মতো কথা বলেন, তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনে পরামর্শ দেন। এই ধরনের সম্পর্ক সন্তানদের মানসিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী করে তোলে। তারা সহজেই নিজেদের ভাবনা প্রকাশ করতে পারে এবং কোনো সমস্যায় পড়লে বাবা-মায়ের কাছে সাহায্য চাইতে দ্বিধা করে না।

‘কিং’ ছবির সেটে এই সম্পর্কের প্রতিফলন দেখা গেছে। সেখানে শাহরুখ এবং সুহানা একসঙ্গে কাজ করছেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে কোনো অস্বস্তি বা দ্বিধা নেই। বরং তাঁদের মধ্যে রয়েছে একধরনের পারস্পরিক সম্মান এবং বোঝাপড়া, যা একটি সফল কর্ম-সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, শাহরুখ খানের পিতৃত্বের ধরণ আমাদের একটি আধুনিক এবং বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি দেয়। তিনি দেখিয়েছেন যে, সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা মানে শুধু তাঁদের রক্ষা করা নয়, বরং তাঁদের নিজের মতো করে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া। আর এই শিক্ষাই সুহানা খানের মতো একজন নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রীকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের পথ তৈরি করতে সাহায্য করছে।

এই গল্পটি শুধু একটি তারকা পরিবারের নয়, এটি প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি অনুপ্রেরণা—কিভাবে ভালোবাসা, স্বাধীনতা এবং দায়িত্বের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা যায়।

Preview image