১৬৯ রানের জবাবে মাত্র ৪৫ রানেই অল-আউট শ্রীলঙ্কা! দাপুটে জয়ে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে টিম ইন্ডিয়া।
এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে দুরন্ত দাপট দেখিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিল টিম ইন্ডিয়া। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে কার্যত একপেশে ম্যাচে ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করল ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৬৯ রান তোলে শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। সেই রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৪৫ রানেই অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ফলে বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে পৌঁছে গেল মেন ইন ব্লু। অন্তত রুপোর পদক নিশ্চিত হয়েছে ভারতের। তবে শ্রেয়স আয়াররা এখন রুপোয় সন্তুষ্ট নন। লক্ষ্য একটাই—সোনা।
ফাইনালে ভারতের সামনে এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান। শনিবারের ভারত-পাকিস্তান মহারণ ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে। দুই দলের ক্রিকেটীয় দ্বৈরথ বরাবরই সমর্থকদের কাছে আলাদা আবেগের জায়গা তৈরি করে। তার উপর সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। ফলে এশিয়ান গেমসের ফাইনালেও দুই দলের লড়াই ঘিরে আগ্রহ আরও বেড়ে গিয়েছে।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ভারত যেভাবে পারফর্ম করেছে, তাতে দলের আত্মবিশ্বাস যে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে, তা বলাই যায়। ব্যাটিংয়ে ঈশান কিষানের দুরন্ত ইনিংস এবং বোলিংয়ে বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল ও অভিষেকের কার্যকর স্পেল ভারতকে বড় জয় এনে দেয়। শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপ ভারতীয় বোলারদের সামনে কার্যত কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি।
ম্যাচের শুরুতেই ভারতের একাদশ নিয়ে ছিল বিশেষ নজর। জাপানের কারোগি স্পোর্টস পার্কের পিচে ফাটল থাকার কারণে স্পিনারদের সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট একাদশে তিন স্পিনারকে জায়গা দেয়। অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর এবং রবি বিষ্ণোইকে নিয়ে বোলিং আক্রমণ সাজানো হয়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন দলের প্রধান পেস অস্ত্র যশপ্রীত বুমরাহ। পিচের পরিস্থিতি বুঝে এই কম্বিনেশন যে কার্যকর হয়েছে, ম্যাচের ফলাফলই তার প্রমাণ।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমেছিল ভারত। ইনিংসের শুরুটা করেন তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। বিস্ময় কিশোর নিজের ব্যাটিং প্রতিভার আরও এক ঝলক দেখান। মাত্র ২১ বলে ৩৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ছয়টি চার এবং দুটি ছক্কা। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন বৈভব। তাঁর দ্রুত রান তোলার কারণে ভারতের স্কোরবোর্ডে শুরু থেকেই ভালো রান উঠতে থাকে।
অন্য প্রান্তে অবশ্য বড় রান করতে পারেননি অভিষেক। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। এরপর ভারতীয় ইনিংসে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পড়ে। সঞ্জু স্যামসন করেন ৭ রান এবং অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের ব্যাট থেকেও আসে মাত্র ১৩ রান। ফলে মাঝের ওভারে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল ভারতের উপর। বড় স্কোর করার জন্য তখন প্রয়োজন ছিল একজন ব্যাটসম্যানের দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে থাকা।
সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন ঈশান কিষান। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ঈশান আবারও প্রমাণ করে দেন কেন তাঁকে ভারতের ব্যাটিংয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। চাপের মুহূর্তে উইকেটে থেকে তিনি একদিকে ইনিংস ধরে রাখেন, অন্যদিকে প্রয়োজন অনুযায়ী বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানরেটও বাড়াতে থাকেন।
ঈশানের ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৮০ রান। মাত্র ৪৬ বলের ইনিংসে তিনি মারেন চারটি চার এবং পাঁচটি ছক্কা। তাঁর ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা। ফলে ভারতীয় ইনিংস শেষ হওয়ার সময় দলের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৬৯ রান।
ভারতের জন্য ১৬৯ রান ছিল লড়াই করার মতো শক্তিশালী স্কোর। বিশেষ করে পিচে স্পিনারদের জন্য সহায়তা থাকার সম্ভাবনা এবং ভারতীয় বোলিং আক্রমণের মানের কথা মাথায় রাখলে এই রান শ্রীলঙ্কার জন্য যথেষ্ট কঠিন লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।
১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে শ্রীলঙ্কা। ভারতীয় বোলারদের সামনে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দ্বীপরাষ্ট্র। কোনও ব্যাটসম্যানই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বাধিক রান করেন নুওয়ানিন্দু ফার্নান্দো। তাঁর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১৫ রান। সেটাই দলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর।
শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল দলের আর কোনও ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি। একের পর এক ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরতে থাকেন। ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে কোনও রকম জুটি গড়ে তুলতে পারেনি শ্রীলঙ্কা।
ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল এবং অভিষেক দুটি করে উইকেট তুলে নেন। বাকি বোলাররাও নিজেদের কাজটা যথাযথভাবে পালন করেন। ফলে মাত্র ৪৫ রানেই শ্রীলঙ্কার ইনিংস শেষ হয়ে যায়। ভারতের ১৬৯ রানের জবাবে ৪৫ রানে অলআউট—স্কোরলাইনই ম্যাচের একপেশে চিত্রটি স্পষ্ট করে দেয়।
এই জয়ের ফলে এশিয়ান গেমসে অন্তত রুপোর পদক নিশ্চিত করেছে ভারত। কিন্তু ভারতীয় দলের লক্ষ্য এখন আরও বড়। ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিতে সোনা ঘরে তুলতে চান শ্রেয়স আয়াররা। ফলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালের জয় এখন অতীত। দলের নজর ইতিমধ্যেই ফাইনালের দিকে।
ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ মানেই আলাদা উত্তেজনা। দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে এই ম্যাচ নিয়ে আগ্রহ বরাবরই অনেক বেশি। এবার এশিয়ান গেমসের ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে দুই প্রতিবেশী দেশ। ফলে ম্যাচটি যে টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে, তা বলাই যায়।
সাম্প্রতিক সময়েও ভারত ও পাকিস্তান একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। এশিয়া কাপের ফাইনাল এবং টি-২০ বিশ্বকাপেও দুই দলের লড়াই দেখা গিয়েছে। ভারতের দিক থেকে সেই ম্যাচগুলির ফল আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মতো। তবে ফাইনালের ম্যাচে আগের ফলাফল কোনও নিশ্চয়তা দেয় না। পাকিস্তানও বড় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা রাখে। তাই শনিবারের ম্যাচে দুই দলের পারফরম্যান্সই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে দলের বর্তমান ছন্দ। ঈশান কিষান ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৮০ রানের অপরাজিত ইনিংস তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে। এছাড়াও বৈভব সূর্যবংশীর বিস্ফোরক ব্যাটিং ভারতের টপ অর্ডারকে বাড়তি শক্তি দিয়েছে। মাত্র ২১ বলে ৩৮ রান করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, দ্রুত রান তোলার ক্ষেত্রে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপে একাধিক বিকল্প রয়েছে।
তবে ফাইনালে ভারতের ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিং নিয়েও থাকবে বড় প্রত্যাশা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৪৫ রানে অলআউট করার পর বোলারদের আত্মবিশ্বাস যে অনেকটাই বেড়েছে, তা বলাই যায়। যশপ্রীত বুমরাহর মতো অভিজ্ঞ পেসার এবং অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর ও রবি বিষ্ণোইয়ের মতো স্পিন বিকল্প থাকায় ভারতের বোলিং আক্রমণ যথেষ্ট বৈচিত্র্যময়।
কারোগি স্পোর্টস পার্কের পিচে ফাটল থাকার বিষয়টিও সেমিফাইনালে ভারতের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। স্পিনারদের ব্যবহার করে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংকে চাপে ফেলা হয়। ফাইনালে পিচের চরিত্র কেমন হবে, তার উপরও ভারতের একাদশ ও বোলিং পরিকল্পনা নির্ভর করতে পারে।
অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের কাছেও এবার বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যক্তিগতভাবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বড় রান করতে পারেননি তিনি। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে দলকে ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছেন। এখন তাঁর লক্ষ্য হবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সোনার পদক নিশ্চিত করার জন্য সেরা কৌশল তৈরি করা।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের পারফরম্যান্সে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—দলের প্রত্যেক বিভাগে ম্যাচ জেতানোর মতো ক্রিকেটার রয়েছে। শুরুতে বৈভব সূর্যবংশীর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং, মাঝের ওভারে ঈশান কিষানের দায়িত্বশীল ইনিংস এবং পরে বোলারদের দাপট—সব মিলিয়ে ম্যাচটি ভারতের নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
ভারতের ১৬৯ রানকে খুব বড় স্কোর বলা না হলেও বোলিং ইউনিট সেই রানকে যথেষ্ট বড় করে তোলে। মাত্র ৪৫ রানে প্রতিপক্ষকে অলআউট করা যে কোনও দলের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট। বিশেষ করে ফাইনালের আগে এমন জয় দলের ড্রেসিংরুমে ইতিবাচক আবহ তৈরি করতে পারে।
এখন প্রশ্ন একটাই—পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ফাইনালে কী হবে? শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে যে দাপট দেখিয়েছে ভারত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও কি সেই ছন্দ বজায় থাকবে? ঈশান কিষান কি আবারও বড় রান করবেন? বৈভব সূর্যবংশী কি শুরুতেই ম্যাচের গতি ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দিতে পারবেন? বুমরাহ, অক্ষর, বিষ্ণোই এবং ওয়াশিংটন সুন্দরদের বোলিং কি পাকিস্তানের ব্যাটিংকে চাপে ফেলতে পারবে? উত্তর মিলবে ফাইনালের মাঠেই।
তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, শ্রীলঙ্কাকে ৪৫ রানে অলআউট করে ভারত নিজেদের শক্তির পরিচয় দিয়েছে। ব্যাট হাতে ১৬৯ রান এবং বল হাতে মাত্র ৪৫ রানে প্রতিপক্ষকে থামিয়ে দেওয়া—দুই দিক থেকেই ভারতের পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া।
ফাইনালের আগে ভারতীয় দলের হাতে এখন কিছুটা সময় থাকবে নিজেদের ভুলত্রুটি খতিয়ে দেখার। বিশেষ করে টপ অর্ডারে কয়েকজন ব্যাটসম্যান বড় রান না পাওয়াটা টিম ম্যানেজমেন্টের নজরে থাকতে পারে। পাকিস্তানের মতো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মাঝের ওভার পর্যন্ত উইকেট ধরে রাখা এবং শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও ভারতীয় বোলারদের শুরুটা গুরুত্বপূর্ণ হবে। নতুন বলে উইকেট তুলে নিতে পারলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত ভারতের হাতে চলে আসতে পারে। আবার পাকিস্তান যদি শুরুতেই বড় জুটি তৈরি করে, তাহলে ভারতের বোলারদের জন্য চাপ বাড়বে।
এশিয়ান গেমসের ফাইনাল তাই শুধুমাত্র একটি ক্রিকেট ম্যাচ নয়, দুই দলের সমর্থকদের কাছেও এটি হতে চলেছে বড় আকর্ষণের লড়াই। একদিকে ভারত সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী। অন্যদিকে পাকিস্তানও ফাইনালে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে চাইবে।
ভারতের সামনে এখন পরিষ্কার লক্ষ্য—রুপোর পদক নিশ্চিত হয়েছে, কিন্তু দলের চোখ সোনার দিকে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৮০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলা ঈশান কিষান, ২১ বলে ৩৮ করা বৈভব সূর্যবংশী, অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার এবং শক্তিশালী বোলিং ইউনিটকে নিয়েই ফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করবে ভারত।
শনিবারের ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল তাই ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য হতে চলেছে বিশেষ আকর্ষণের। শ্রীলঙ্কাকে মাত্র ৪৫ রানে গুটিয়ে ভারত যে আত্মবিশ্বাস নিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে, সেই আত্মবিশ্বাস এবার কাজে লাগাতে হবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। সেমিফাইনালের দাপট ভুলে নতুন করে শুরু করতে হবে। কারণ ফাইনালের চাপ, পরিস্থিতি এবং প্রতিপক্ষ—সবই আলাদা।
শেষ পর্যন্ত সোনা কার হাতে উঠবে, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াইয়ে। তবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের এই দুরন্ত জয় নিশ্চিতভাবেই ফাইনালের আগে দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। ১৬৯ রান করার পর প্রতিপক্ষকে মাত্র ৪৫ রানে আটকে দেওয়া ভারতের সামগ্রিক পারফরম্যান্সেরই প্রতিফলন। এখন সব নজর শনিবারের মহারণে—ভারত বনাম পাকিস্তান, এশিয়ান গেমসের সোনার লড়াই।