Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মুল্লানপুরের হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন সূর্যকুমার, বললেন—অভিষেক নয়, আমার ও শুভমনেরই দায়িত্ব নেওয়া উচিত ছিল

মুল্লানপুরে হতাশাজনক পরাজয়ের পর ম্যাচ-পরবর্তী সাংবাদিক বৈঠকে দায়িত্ব এড়াননি ভারতের তারকা ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব। বরং স্পষ্ট ও সৎভাবে তিনি দলের সিনিয়র খেলোয়াড়দের ভূমিকাই সামনে আনলেন। সূর্যকুমার বলেন, এই হারের জন্য শুধু অভিষেককে দোষ দেওয়া ঠিক নয়। আমি এবং শুভমন গিল আমাদের দু’জনেরই আরও বেশি দায়িত্ব নেওয়া উচিত ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ক্রিকেট মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট হারানো এবং চাপের সময় ইনিংস ধরে রাখতে না পারার বিষয়টি স্বীকার করে সূর্য জানান, একজন অভিজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে তাঁর উচিত ছিল তরুণ খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর মতে, দলে নেতৃত্ব শুধু কথায় নয়, মাঠের পারফরম্যান্সেই প্রমাণ করতে হয়। সূর্যকুমারের এই আত্মসমালোচনামূলক মনোভাব দেখিয়ে দিয়েছে তাঁর নেতৃত্বগুণ এবং দলীয় সংস্কৃতির প্রতি দায়িত্ববোধ। শুবমন গিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বোঝান, বড় ম্যাচে সিনিয়রদের এগিয়ে এসে চাপ সামলানোই দলের ভারসাম্য বজায় রাখে। এই পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে দল ঘুরে দাঁড়াবে বলেই বিশ্বাস তাঁর।

মুল্লানপুরের হারের পর সূর্যকুমার যাদবের ঐতিহাসিক স্বীকারোক্তি: নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ এবং ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন মূল্যবোধের প্রতিষ্ঠা

ক্রিকেট কেবল বাইশ গজের খেলা নয়; এটি দায়িত্বের এক গভীর পরীক্ষা, যেখানে জয়-পরাজয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আসে নেতৃত্ব, সততা এবং দলগত মানসিকতা। মুল্লানপুরে সাম্প্রতিক ম্যাচে হতাশাজনক পরাজয়ের পর ভারতের তারকা ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব যে বার্তাটি দিয়েছেন, তা ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। তাঁর স্পষ্ট এবং আন্তরিক স্বীকারোক্তি—"শুধু অভিষেক নয়, আমার ও শুভমনেরই এগিয়ে আসা উচিত ছিল"—প্রমাণ করে যে একজন পরিণত ক্রিকেটার কীভাবে ব্যক্তিগত আত্ম-সমালোচনাকে দলীয় দায়বদ্ধতার পথে চালিত করতে পারেন। এই সুদীর্ঘ নিবন্ধে আমরা সূর্যকুমার যাদবের এই বক্তব্যের গুরুত্ব, তরুণদের উপর চাপ, সিনিয়রদের ভূমিকা এবং ভারতীয় ক্রিকেটে একটি নতুন ইতিবাচক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করব।

১. ম্যাচের প্রেক্ষাপট: প্রত্যাশা ও ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ

ক. হতাশাজনক ফলাফল ও সমালোচনার ঝড়: মুল্লানপুরের ম্যাচটি ছিল ভারতীয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। ঘরোয়া মাঠে খেলা এবং দলীয় ফর্মের কারণে সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং—প্রতিটি বিভাগেই ছন্দপতন লক্ষ্য করা যায়। বিশেষত, সেট হওয়া ব্যাটারদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আউট এবং চাপের মুখে দ্রুত উইকেট হারানোর প্রবণতা দলটিকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেয়।

খ. টার্গেট স্থির ও বিতর্কের সূত্রপাত: ম্যাচ শেষে স্বাভাবিকভাবেই সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে দলের মূল ব্যর্থতা। তরুণ ওপেনার অভিষেক শর্মার মতো খেলোয়াড়দের আউট বা অভিজ্ঞদের ব্যর্থতা নিয়ে সমর্থক এবং বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। সাধারণত, পরাজয়ের পর দায় চাপানো হয় এমন কোনো খেলোয়াড়ের ওপর, যার হয়তো খেলার অভিজ্ঞতা কম। কিন্তু এই চিরাচরিত ধারণাকেই ভেঙে দিলেন সূর্যকুমার যাদব।

২. সূর্যকুমারের ঐতিহাসিক স্বীকারোক্তি: নেতৃত্ব মানে ব্যক্তিগত দায়ভার

সূর্যকুমার যাদবের ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন ভারতীয় ক্রিকেটে দায়িত্ববোধের এক নতুন সংজ্ঞা তৈরি করেছে।

ক. আত্মসমালোচনামূলক নেতৃত্ব: সূর্যকুমার সরাসরি ব্যর্থতার দায় ব্যক্তিগতভাবে নিজের কাঁধে টেনে নিলেন। তাঁর এই বক্তব্য একজন প্রকৃত নেতার মানসিকতা প্রদর্শন করে। একজন নেতা শুধু জয়ের কৃতিত্ব নেন না, বরং পরাজয়ের দায়িত্বও ভাগ করে নেন। তিনি বলেন:

"এই হারের জন্য শুধু অভিষেককে দোষ দেওয়া ঠিক নয়। আমি এবং শুভমন—আমাদের দু’জনেরই আরও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হত।"

এই স্বীকারোক্তি আসলে দলের অন্যান্য সিনিয়র খেলোয়াড়দের (যাঁরা রান পাননি) প্রতি তাঁর নীরব বার্তা।

খ. সিনিয়রদের ভূমিকা: সূর্যকুমার অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে সিনিয়র খেলোয়াড়দের ভূমিকার সংজ্ঞা দিয়েছেন। তাঁর মতে, সিনিয়রদের কাজ কেবল বড় শট খেলা বা দ্রুত রান করা নয়। তাঁদের প্রধান দায়িত্ব হলো:

  • চাপের সময় ইনিংসকে স্থিতিশীলতা দেওয়া।

  • উইকেট ধরে রেখে তরুণদের ওপর থেকে চাপ কমানো।

  • মাঠে থাকা তরুণ খেলোয়াড়দের পাশে থেকে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো।

তাঁর এই উপলব্ধি প্রমাণ করে যে, তিনি শুধুমাত্র একজন 'টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট' নন, বরং একজন পরিপক্ব ক্রিকেট মস্তিষ্ক।

৩. অভিষেক শর্মা প্রসঙ্গ: তরুণদের প্রতি ঢাল

সূর্যকুমার যাদবের মন্তব্যের সবচেয়ে ইতিবাচক দিকটি হলো তরুণ খেলোয়াড় অভিষেক শর্মাকে রক্ষা করা।

ক. অযাচিত চাপ থেকে মুক্তি: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক শর্মা এখনও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে। এই সময়ে তাঁর ওপর অতিরিক্ত ব্যর্থতার দায় চাপানো হলে তা তাঁর আত্মবিশ্বাসকে চিরতরে নষ্ট করে দিতে পারত। সূর্যকুমার সরাসরি এই দায়ভার নিজের কাঁধে নিয়ে অভিষেককে অযাচিত চাপ থেকে মুক্তি দিলেন।

খ. শেখার প্রক্রিয়া হিসাবে ভুল: সূর্যকুমার বলেন, "তরুণরা ভুল করবেই, সেটাই শেখার প্রক্রিয়া।" এটি কোচিং এবং দলীয় সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি। ভুল করার ভয় থাকলে কোনো খেলোয়াড়ই তাদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারে না। সিনিয়রদের এই ধরনের সমর্থন পেলে তরুণরা নির্ভয়ে নিজেদের সেরাটা দিতে পারে। ভারতীয় ক্রিকেটে এই ধরনের 'দোষারোপ-মুক্ত' সংস্কৃতি তৈরি করা ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য।

৪. শুভমন গিলের দায়িত্ব: মূল স্তম্ভদের প্রতি আলোকপাত

সূর্যকুমার যাদব শুধু নিজের দায় স্বীকার করেননি, তিনি দলের অন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার শুভমন গিলের নামও উল্লেখ করেছেন।

ক. দলের মূল স্তম্ভ: শুভমন গিল বর্তমান ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর ফর্ম ও ধারাবাহিকতা দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সূর্যকুমার যখন বলেন, "আমার ও শুভমনেরই দায়িত্ব নেওয়া উচিত ছিল," তখন তিনি আসলে সেই 핵-খেলোয়াড়দের কথাই বলেন, যাঁদের পারফরম্যান্সের ওপর দলের ভাগ্য নির্ভর করে।

খ. বড় ম্যাচে সিনিয়রদের পারফরম্যান্স: এই বক্তব্য ক্রিকেটীয় নীতিতেও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত: বড় ম্যাচে বা কঠিন পরিস্থিতিতে সিনিয়র ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সই দলের ভাগ্য নির্ধারণ করে। ব্যক্তিগতভাবে শুভমন গিলও ম্যাচে বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হন। সূর্যকুমারের মন্তব্য এই ব্যর্থতাকে ব্যক্তিগত নয়, দলগত ও সিনিয়রদের সম্মিলিত ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরেছে।

৫. নেতৃত্বের নতুন সংজ্ঞা: শুধু পদ নয়, আচরণ

সূর্যকুমার যাদব তাঁর আচরণের মাধ্যমে নেতৃত্বের এক নতুন সংজ্ঞা দিলেন।

news image
আরও খবর

ক. 'লিড বাই এক্সাম্পল' (কাজের মাধ্যমে নেতৃত্ব): নেতৃত্ব মানে শুধু অধিনায়কত্ব করা নয়, এটি মাঠে ও মাঠের বাইরে দায়িত্বশীল আচরণ এবং আত্মত্যাগ। সূর্যকুমার দেখিয়ে দিলেন, নেতৃত্ব কথার মাধ্যমে নয়, বরং আত্ম-সমালোচনা এবং অন্যের দায়ভার গ্রহণ করার মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়।

খ. তরুণদের জন্য রোল মডেল: তাঁর এই মানসিকতা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য একটি রোম মডেল তৈরি করেছে। তরুণরা দেখছে যে, সিনিয়ররা চাপের মুহূর্তে দল ছেড়ে পালাচ্ছেন না, বরং ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। এই ধরনের মানসিকতা একটি শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ দলের ভিত্তি তৈরি করে।

৬. ক্রিকেট মহলের প্রতিক্রিয়া ও সংস্কৃতি পরিবর্তন

সূর্যকুমারের এই বক্তব্যের পর ক্রিকেট মহলে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

  • প্রাক্তনদের প্রশংসা: সুনীল গাভাস্কার, রবি শাস্ত্রীর মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা এই মানসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, দায়িত্ব নেওয়ার এই প্রবণতা ভারতীয় ক্রিকেটে একটি দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

  • সমর্থকদের সমর্থন: সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজার হাজার সমর্থক সূর্যকুমারকে 'প্রকৃত নেতা' আখ্যা দিয়েছেন এবং তাঁর এই সততার প্রশংসা করেছেন।

  • ভারতীয় ক্রিকেটে ইতিবাচক সংস্কৃতির বীজ: এই ঘটনা আসলে ভারতীয় ক্রিকেটে একটি ইতিবাচক, ভীতিহীন এবং জবাবদিহিমূলক সংস্কৃতি গড়ে তোলার বীজ বপন করেছে। যেখানে ভুল করার ভয় কমে যায় এবং খেলোয়াড়রা শেখার দিকে মনোযোগ দিতে পারে।

৭. উপসংহার: সূর্যকুমারের বার্তা ও ভবিষ্যতের পথ

মুল্লানপুরের হার হয়তো স্কোরবোর্ডে একটি সাধারণ পরাজয় হিসেবে লেখা থাকবে, কিন্তু এই ম্যাচের পর সূর্যকুমার যাদবের বার্তাটি ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হবে।

"শুধু অভিষেক নয়, আমার ও শুভমনেরই এগিয়ে আসা উচিত ছিল"—এই একটি বাক্যই ক্রিকেটীয় নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ এবং দলগত মানসিকতার সর্বোচ্চ আদর্শকে তুলে ধরেছে। এটি প্রমাণ করে যে, একজন খেলোয়াড় যখন পরিণত হন, তখন তিনি কেবল নিজের সাফল্য নিয়ে ভাবেন না, বরং সামগ্রিক দলের দায়ভার গ্রহণ করেন।

এই আত্মসমালোচনা এবং দায়বদ্ধতার সংস্কৃতিই ভবিষ্যতে ভারতীয় দলকে আরও বেশি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং যেকোনো প্রতিকূলতা মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলবে—এটাই এখন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের দৃঢ় বিশ্বাস। এই মানসিকতাই ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেটের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
 

অভিষেক শর্মার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স: মুল্লানপুরের আগে প্রত্যাশার কারণ

মুল্লানপুরের ম্যাচের আগে অভিষেক শর্মার উপর উচ্চ প্রত্যাশা থাকার পেছনে তাঁর সাম্প্রতিক ঘরোয়া ক্রিকেট, আইপিএল এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিস্ফোরক পারফরম্যান্সই প্রধান কারণ। এই পারফরম্যান্সগুলি প্রমাণ করে যে তিনি একজন উদীয়মান টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট।

১. টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রেকর্ড এবং ধারাবাহিকতা:

  • বিস্ফোরক ব্যাটিং: অভিষেক শর্মা একজন বিস্ফোরক বামহাতি ওপেনার হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

  • সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে (SMAT 2025) ঝড়: মুল্লানপুর ম্যাচের ঠিক আগে, ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে (SMAT 2025) তাঁর পারফরম্যান্স ছিল অবিশ্বাস্য:

    • তিনি ১২ বলে দ্রুততম ফিফটি হাঁকান (টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যৌথভাবে দ্রুততম ফিফটিগুলির মধ্যে অন্যতম)।

    • তিনি মাত্র ৩২ বলে সেঞ্চুরি করেন (ভারতীয়দের মধ্যে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিগুলির মধ্যে একটি)।

    • একটি ম্যাচে তিনি বেঙ্গল-এর মতো অভিজ্ঞ বোলিং আক্রমণের (মোহাম্মদ শামি, আকাশ দীপসহ) বিরুদ্ধে ৫২ বলে ১৪৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন।

    • তিনি টি-টোয়েন্টিতে এক ক্যালেন্ডার বর্ষে ১০০-এর বেশি ছক্কা হাঁকানো প্রথম ভারতীয় ব্যাটার হন।

    • তিনি SMAT 2023-24 মরসুমে পাঞ্জাবকে তাদের প্রথম শিরোপা জেতাতে সাহায্য করেন, যেখানে তিনি ৪২৫ রান করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন।

২. আইপিএলে প্রভাব (২০২৪ এবং ২০২৫ মরসুম):

  • রেকর্ড ব্রেকিং স্ট্রাইক রেট: আইপিএল ২০২৪ এবং ২০২৫ উভয় মরসুমেই তিনি সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের (SRH) হয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক স্ট্রাইক রেটে (বিশেষত ২০২৪ সালে ২০৪.২২ এবং ২০২৫ সালে

Preview image