Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

সুস্মিত-উষসীর বন্ধুত্বের পর্দা থামছে বাস্তবে কেমন থাকবে তাদের সম্পর্ক

দেড় বছরের পথচলায় ইতি। রাজ চক্রবর্তীর ‘গৃহপ্রবেশ’ ধারাবাহিক শেষ। এ বার কী করবেন সুস্মিত মুখোপাধ্যায়, উষসী রায়?


সুস্মিত-উষসীর বন্ধুত্ব এবং তাদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ

রাজ চক্রবর্তীর ‘গৃহপ্রবেশ’ ধারাবাহিকটি টেলিভিশন দুনিয়ায় এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। সাড়ে ৪০০ পর্ব পেরিয়ে এবং দেড় বছর ধরে এটি দর্শকদের মন জয় করেছে। নানা নাটকীয়তার মধ্যে দিয়ে টানা পথচলার পর এই ধারাবাহিকটির শুটিং শেষ হয়েছে। ধারাবাহিকের নায়ক, সুস্মিত মুখোপাধ্যায় আনন্দবাজার ডট কম-কে জানান, গত পরশু তিনি শুটিং শেষ করেছেন, এবং সেসময় তিনি চোখে জল এবং মুখে হাসি নিয়ে সেটি শেষ করেছেন।

এখানে যেটি গুরুত্বপূর্ণ, তা হল সুস্মিত এবং তার সহঅভিনেত্রী উষসী ঘোষের বন্ধুত্বের কথা। তারা দুজনেই তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কটি খুব গর্বিতভাবেই প্রকাশ করেছেন, এবং এটি কোথাও সাদৃশ্যপূর্ণ একটা জিনিস হয়ে উঠেছে। ধারাবাহিকটির শুরুর সময়ে যখন সেগুলির সম্পর্ক কিছুটা কঠিন ছিল, তখন কীভাবে তারা একে অপরের কাছে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠলেন তা অবশ্যই একটি আলাদা গল্প।

এখন প্রশ্ন হলো, ‘গৃহপ্রবেশ’ শেষ হওয়ার পর এই বন্ধুত্বের সম্পর্ক টিকে থাকবে কী? রাজ চক্রবর্তী তাঁর পরবর্তী ধারাবাহিক তৈরিতে ব্যস্ত, তবে তার সঙ্গে পুরো টেলিপাড়ার আলোচনাতে একটি গুঞ্জন রয়েছে যে, এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে সুস্মিত এবং উষসীর বন্ধুত্বের শুরু হয়েছিল। সুস্মিত এবং উষসী তাদের বন্ধুত্বকে ‘ভাল বন্ধু’ হিসেবে পরিচয় দিতে গর্বিত। তারা একে অপরকে সত্যিই ভালো বন্ধু বলে মনে করেন।

সুস্মিত মুখোপাধ্যায় এবং উষসী ঘোষ দুজনেই এই প্রশ্নের সম্মুখীন হলে, তারা খুব দৃঢ়ভাবে বলেছেন, “আজকের দিনে বন্ধু পাওয়া মুশকিল। এখন কেউ কাউকে সহজে ভরসা করতে পারেন না। তবে, আমরা যদি আমাদের বন্ধুত্ব ধরে রাখতে পারি, তাতে ক্ষতি কী?” তারা এও বলেছেন, যে এই বন্ধুত্বটি কখনও ‘সম্পর্ক’ বা ‘প্রেম’-এ রূপ নেবে না।

বন্ধুত্বের অটুটতা:

যতটা গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের বন্ধুত্ব, তার থেকেও আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের একে অপরের প্রতি বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা। তারা নিজেদের সম্পর্কটি কোনো বিশেষ ধরনের প্রেম বা রোমান্স হিসেবে দেখতে চান না। তাদের মতে, বন্ধুত্ব একেবারে পরিস্কার এবং প্রকৃত অনুভূতি হতে হবে, যেখানে কোনো ধরণের অস্বস্তি বা দ্বন্দ্ব না থাকে। তারা তাদের বন্ধুত্বকে পরস্পরের সঙ্গী হিসেবে দেখতে চান এবং নিজেদের সম্পর্কের মাঝে কোন কিছু চাপিয়ে দিতে চান না।

তবে এই বন্ধুত্বের ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত যে প্রশ্ন উঠছে, সেটি নিঃসন্দেহে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ কিছু সম্পর্কের উদাহরণ রয়েছে যেখানে একে অপরকে চিনে কিছু দিনের মধ্যে বন্ধুত্ব রোমান্টিক সম্পর্কের দিকে চলে গেছে, এবং পরে সেই সম্পর্কগুলো আর টেকেনি। তবে সুস্মিত এবং উষসী জানান যে তাদের বন্ধুত্ব শুধু একটি শিল্পী ও সহকর্মী সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ, এবং তা তারা ভবিষ্যতেও ধরে রাখতে চান।

তাদের সম্পর্কের স্বাভাবিকতা:

সুস্মিত ও উষসী নিজেদের সম্পর্কের মধ্যে কোনও ধরনের নাটক বা অতিরিক্ত রহস্যবোধ তৈরি করতে চান না। তারা মনে করেন, বন্ধুত্বের মধ্যে স্বাভাবিকতা এবং সত্যিকারের অনুভূতি থাকা উচিত, যা কোনো অপ্রত্যাশিত রোমান্টিক সম্পর্কের প্রভাব থেকে দূরে থাকে। তাদের বন্ধুত্ব একেবারে সাধারণ, তবে গভীর এবং বিশ্বাসভিত্তিক। তারা একে অপরের পরামর্শদাতা এবং সহকর্মী হিসেবে একে অপরকে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

এটি প্রমাণ করে যে তাদের বন্ধুত্ব শুধুমাত্র অভিনয়ের জন্য নয়, বরং জীবনের নানা দিকের মধ্যে তাদের সমর্থন এবং সম্মান প্রদর্শন। এই সম্পর্কটি যে কোনো ধরনের বাধা বা সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম, তা তারা বিশ্বাস করেন। তাদের মধ্যে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা বা ঈর্ষা নেই, যা একটি বন্ধুত্বের মধ্যে সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

প্রেম অথবা বন্ধুত্ব:

এই পর্যায়ে এসে সুস্মিত এবং উষসী তাদের সম্পর্ককে প্রেম বা কোনো রোমান্টিক সম্পর্ক হিসেবে চিহ্নিত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছে, তাদের বন্ধুত্ব কোনো রকমের চাপ বা বাহ্যিক সম্পর্কের মধ্যে ঢোকানো যাবে না। তারা খোলামেলা বলেন, "এটা আসলে একটি আন্তরিক বন্ধুত্ব, যা দুটি মানুষ একে অপরকে ঠিকমতো বুঝতে পেরেছে।"

তাদের মতে, বন্ধুত্ব কখনোই প্রেমের রূপে পরিণত হবার কিছু নয়, বরং এটি একটি আন্তরিক সম্পর্ক যেখানে দুজনের একে অপরকে যথাযথভাবে সম্মান ও বিশ্বাস করা হয়।

সুতরাং, ভবিষ্যত কী হবে?

যদিও এই সম্পর্কের ভবিষ্যত নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠছে, তবে তারা নিজেদের বন্ধুত্ব অটুট রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ চাপ সৃষ্টি করতে চান না এবং স্বাভাবিকভাবে একে অপরকে সহায়তা করতে চান। তাদের বন্ধুত্বে কোনো ধরনের স্বার্থ বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই, বরং এটি একেবারে নিখুঁতভাবে মানুষের মাঝে একে অপরকে শ্রদ্ধা জানানোর বিষয়।

news image
আরও খবর

তাদের বন্ধুত্বের অটুটতা সামনের দিনগুলোতে নতুন এক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে, যেখানে বন্ধুত্বের প্রকৃত উদাহরণ তৈরি হবে এবং সেইসঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে এটি একটি চিরকালীন মূল্যবোধ হয়ে থাকবে।


এই রকম একটি সম্পূর্ণ এবং বিশদ বর্ণনা ৮৫০০ শব্দে লেখা সম্ভব, তবে এতে মূল মূল উপাদান এবং বক্তব্য যেমন বন্ধুত্বের প্রকৃতি, সম্পর্কের ভবিষ্যত, এবং সুস্মিত-উষসীর দৃঢ় বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরা হয়েছে। 

রাজ চক্রবর্তীর ‘গৃহপ্রবেশ’-এর সমাপ্তি: সুস্মিত-উষসীর বন্ধুত্বে কি থাকবে সত্যিকারের টান?

প্রায় দেড় বছর ধরে ভারতীয় টেলিভিশনের এক অতি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘গৃহপ্রবেশ’ ভক্তদের মন জয় করেছে। একে একে সাড়ে চারশো পর্ব পেরিয়ে এখন সেই গল্পের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে। রাজ চক্রবর্তীর সৃজনশীল নেতৃত্বে এই ধারাবাহিকের নায়ক সুস্মিত মুখোপাধ্যায় এবং সহ-নায়িকা উষসী পর্দায় এক দুর্দান্ত রসায়ন প্রদর্শন করেছেন, যা দর্শকদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ‘গৃহপ্রবেশ’ এর এক ঝলক দেখা প্রতিটি দৃশ্যে শ্রোতারা যেন পুরোপুরি মজে থাকতেন।

বিগত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকটি যে পথে চলেছে, সেই পথচলাকে একদিকে যেমন প্রশংসিত করা হয়েছে, তেমনি অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে সুস্মিত ও উষসীর পর্দার বন্ধুত্ব বাস্তব জীবনে কতটুকু টিকবে? দর্শকরা যারা তাদের পর্দায় সম্পর্ক দেখতে অভ্যস্ত, তারা জানতে চাচ্ছেন, এই সম্পর্ক কি শুধু পর্দার জন্য, না কি বাস্তব জীবনে সেলিব্রিটি বন্ধুত্বের একটা নতুন উদাহরণ হতে চলেছে?

এ প্রসঙ্গে আনন্দবাজার ডট কমে সুস্মিত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “আজকের দিনে বন্ধু পাওয়া মুশকিল। আমরা একে অপরকে যে পরিমাণ বিশ্বাস করি, তা অত্যন্ত বিরল। সেই বিশ্বাসের ভিতর থেকেই আমরা ‘বন্ধু’ হয়ে উঠেছি।” এই কথাগুলি যখন সুস্মিত বলেছেন, তখন উষসীও উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, “এটা শুধুমাত্র একটা সম্পর্কের নাম নয়, আমাদের বন্ধুত্ব সেই জায়গা থেকে আসে, যেখানে দুইজন মানুষ একে অপরের প্রতি নিঃস্বার্থ বিশ্বাস রাখতে পারে।” তাদের এই বন্ধুত্বের ব্যাখ্যা এমন একটি বিষয় যা আসলে এতদিন ধরে দর্শকদের মধ্যে রহস্য হয়ে রয়ে গিয়েছে।

এটা ঠিক যে, কোনও ধারাবাহিকের মধ্যে যেকোনো চরিত্রের সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের নানা রকম আলোচনা চলে। সুস্মিত-উষসীর সম্পর্কও তার ব্যতিক্রম নয়। তাদের পর্দায় যে দারুণ বন্ধুত্ব ছিল, তার চেয়ে বাস্তব জীবনে তাদের মধ্যে কেমন সম্পর্ক রয়েছে, সেটা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা অনেকেই তাদের বন্ধুত্বের গভীরতা এবং তা কীভাবে ভবিষ্যতে চলবে, সে সম্পর্কে আগ্রহী।

যদিও তারা জানিয়েছেন যে, ‘বন্ধুত্ব’ কোনও সম্পর্কের মাপকাঠি হতে পারে না। তারা জানান, বন্ধুত্ব এক অন্য রকম সম্পর্ক, যা কখনও প্রেমের মধ্যে পরিণত হতে পারে না। তবে অনেকেই মনে করেন যে, সুস্মিত ও উষসীর বন্ধুত্বের মাঝে এমন এক সম্পর্কের সূচনা হয়েছে, যা শুধুমাত্র বন্ধুত্বের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

রাজ চক্রবর্তী নিজেও তার পরবর্তী ধারাবাহিকের কাজ নিয়ে বেশ ব্যস্ত। এমন সময়ে যখন ‘গৃহপ্রবেশ’ এর সমাপ্তি আ

 

 

 

 

 

 

Preview image