Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

১৫০ র অধিক গতিতে বল করতে সক্ষম আইপিএলে নজর কাড়ার পরেই ভারতীয় এ দলে ডাক পেলেন ফাস্ট বোলার

আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর ভারতীয় এ দলে সুযোগ পেলেন ১৫০ কিমির বেশি গতিতে বল করতে সক্ষম তরুণ ফাস্ট বোলার। তাঁর গতি ও আগ্রাসী বোলিং নজর কেড়েছে নির্বাচকদের।

আইপিএলে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন তরুণ ফাস্ট বোলার। ধারাবাহিকভাবে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করার ক্ষমতা, আক্রমণাত্মক মানসিকতা এবং চাপের মুহূর্তে নিজেকে প্রমাণ করার দক্ষতাই তাঁকে ভারতীয় ‘এ’ দলে জায়গা করে দিল। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে আইপিএল প্রতিটি ধাপেই নিজের গতি ও বোলিং বৈচিত্র্যে আলাদা নজর কেড়েছেন এই তরুণ পেসার। এবার জাতীয় নির্বাচকদের নজরে পড়ে তিনি পেলেন আরও বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ। ভারতীয় ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই দ্রুতগতির পেসারের চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফল হতে গেলে শুধু লাইন-লেংথ নয়, প্রয়োজন বাড়তি গতি, বাউন্স এবং ব্যাটসম্যানকে চাপে রাখার ক্ষমতা। এই জায়গাতেই আলাদা করে নজর কেড়েছেন ওই তরুণ বোলার। আইপিএলে তাঁর বোলিংয়ে দেখা গিয়েছে আগ্রাসন, গতি এবং উইকেট নেওয়ার ক্ষুধা। পাওয়ারপ্লে হোক বা ডেথ ওভার বল হাতে দায়িত্ব পেলে তিনি আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়েই এগিয়েছেন।

আইপিএল বরাবরই তরুণ প্রতিভাদের জন্য বড় মঞ্চ। এখানে ভাল পারফরম্যান্স করলে নির্বাচকদের নজরে আসার সুযোগ অনেকটাই বেড়ে যায়। বহু ক্রিকেটার আইপিএলকে হাতিয়ার করেই জাতীয় দলের দরজায় কড়া নেড়েছেন। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন এই তরুণ ফাস্ট বোলারও। তাঁর গতি শুধু দর্শকদের উত্তেজিত করেনি, ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদেরও মুগ্ধ করেছে। ১৫০ কিমি-র বেশি গতিতে ধারাবাহিকভাবে বল করা সহজ কাজ নয়। তার সঙ্গে যদি ইয়র্কার, শর্ট বল, স্লোয়ার এবং বাউন্সার ব্যবহারের দক্ষতা থাকে, তাহলে সেই বোলার যে কোনও দলের বড় সম্পদ হয়ে উঠতে পারেন। ভারতীয়  দলে ডাক পাওয়া কোনও সাধারণ বিষয় নয়। এটি জাতীয় দলে ওঠার আগে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এখানে ক্রিকেটারদের শুধু প্রতিভা নয়, মানসিক দৃঢ়তা, ফিটনেস, ধারাবাহিকতা এবং ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতাও পরীক্ষা করা হয়। ভারতীয় এ দলের হয়ে ভাল খেলতে পারলে জাতীয় দলের দরজা আরও খুলে যেতে পারে। তাই এই সুযোগ তরুণ পেসারের কেরিয়ারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এই বোলারের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর গতি। আধুনিক ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানরা অনেক বেশি আক্রমণাত্মক। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ব্যাটসম্যানরা প্রথম বল থেকেই বড় শট খেলতে চান। এমন পরিস্থিতিতে একজন দ্রুতগতির বোলার ব্যাটসম্যানকে ভাবতে বাধ্য করতে পারেন। গতি, বাউন্স এবং শরীর লক্ষ্য করে বল করার ক্ষমতা থাকলে ব্যাটসম্যানের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়। আইপিএলে বারবার সেই ছবিই দেখা গিয়েছে। তাঁর বলে ব্যাটসম্যানরা অনেক সময় দেরিতে শট খেলেছেন, অনেকে আবার গতির কাছে পরাস্ত হয়েছেন। তবে শুধু গতি থাকলেই একজন পেসার বড় মাপের বোলার হয়ে উঠতে পারেন না। প্রয়োজন নিয়ন্ত্রণ, পরিকল্পনা এবং ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী বোলিং করার ক্ষমতা। এই জায়গাতেও উন্নতির ইঙ্গিত দিয়েছেন তরুণ পেসার। আইপিএলে তিনি কখনও নতুন বলে সুইং করানোর চেষ্টা করেছেন, কখনও মাঝের ওভারে শর্ট বল ব্যবহার করেছেন, আবার শেষদিকে ইয়র্কার দিয়ে রান আটকানোর চেষ্টা করেছেন। এই বহুমুখী ক্ষমতাই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এবং নির্বাচকরা বর্তমানে ভবিষ্যতের পেস বোলিং ইউনিট তৈরি করার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছেন। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ সিরিজ, বিদেশ সফর এবং বিভিন্ন ফরম্যাটে ধারাবাহিক সাফল্য পেতে হলে শক্তিশালী পেস বোলিং রিজার্ভ থাকা জরুরি। সিনিয়র দলে জায়গা পাওয়ার আগে ভারতীয় এ দল সেই প্রস্তুতির অন্যতম সেরা মঞ্চ। এখানে ভাল পারফর্ম করলে নির্বাচকদের কাছে নিজের দাবি আরও শক্তিশালী করা যায়। এই ডাক তরুণ বোলারের জন্য যেমন বড় সাফল্য, তেমনই বড় দায়িত্বও। আইপিএলে ভাল খেলা এবং ভারতীয় এ দলের হয়ে ভাল খেলা দুটি আলাদা চ্যালেঞ্জ। এখানে লাল বল, সাদা বল, ভিন্ন কন্ডিশন এবং শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেকে প্রমাণ করতে হতে পারে। তাই শুধু গতি নয়, তাঁকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে ফিটনেস, নিয়ন্ত্রণ এবং ধারাবাহিকতার উপর। দ্রুতগতির বোলারদের ক্ষেত্রে চোটের ঝুঁকিও বেশি থাকে। ফলে নিজের শরীরকে ঠিকমতো সামলানো এবং দীর্ঘ সময় একই গতি ধরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। তরুণ পেসারের ভারতীয় এ দলে সুযোগ পাওয়া ভারতীয় ক্রিকেটের জন্যও ইতিবাচক বার্তা। কারণ এটি প্রমাণ করে, ঘরোয়া ক্রিকেট ও আইপিএলে ভাল পারফরম্যান্স করলে জাতীয় স্তরে সুযোগ পাওয়া সম্ভব। তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে এটি বড় অনুপ্রেরণা। শুধু নাম নয়, পারফরম্যান্সই শেষ কথা এই বার্তা আরও একবার স্পষ্ট হল।

এখন নজর থাকবে ভারতীয় এ দলের হয়ে তাঁর পারফরম্যান্সের দিকে। তিনি যদি সেখানে গতি, নিয়ন্ত্রণ এবং উইকেট নেওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া অসম্ভব নয়। ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন প্রজন্মের পেসারদের মধ্যে তিনি নিজের জায়গা তৈরি করতে পারেন। আইপিএলের মঞ্চে যে আগুনঝরা গতি দেখা গিয়েছে, সেটাই যদি বড় মঞ্চেও ধরে রাখতে পারেন, তাহলে ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ পেস আক্রমণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠতে পারেন। সব মিলিয়ে, আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর ভারতীয় এ দলে ডাক পাওয়া এই তরুণ ফাস্ট বোলারের কেরিয়ারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ১৫০ কিমির বেশি গতিতে বল করার ক্ষমতা, সাহসী মানসিকতা এবং উইকেট নেওয়ার আগ্রাসন তাঁকে নির্বাচকদের নজরে এনেছে। এখন তাঁর সামনে সুযোগ নিজেকে আরও বড় মঞ্চে প্রমাণ করার।

আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর ভারতীয় ‘এ’ দলে সুযোগ পাওয়া এই তরুণ ফাস্ট বোলারের কেরিয়ারে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেই মনে করছে ক্রিকেট মহল। আধুনিক ক্রিকেটে গতি, আগ্রাসন এবং ধারাবাহিকতা—এই তিনটি গুণ একজন পেসারের সবচেয়ে বড় শক্তি। আর এই তিন ক্ষেত্রেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন তিনি। ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করার ক্ষমতা তাঁকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছে। আইপিএলের মতো চাপের মঞ্চে নিজের গতি ও নিয়ন্ত্রণ দিয়ে তিনি যে ভাবে নজর কেড়েছেন, সেটাই নির্বাচকদের ভাবনায় তাঁকে জায়গা করে দিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেটে দ্রুতগতির বোলারের চাহিদা বরাবরই ছিল। বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে সফল হতে হলে এমন পেসার দরকার, যিনি শুধু লাইন-লেংথ বজায় রাখবেন না, ব্যাটসম্যানকে গতির চাপে ফেলতেও পারবেন। এই তরুণ বোলারের মধ্যে সেই সম্ভাবনার ইঙ্গিত স্পষ্ট। আইপিএলে তাঁকে দেখা গিয়েছে নতুন বলে আক্রমণ করতে, মাঝের ওভারে ব্যাটসম্যানকে চাপে রাখতে এবং প্রয়োজনের সময়ে উইকেট তুলে নিতে। তাঁর বোলিংয়ে আগ্রাসন থাকলেও, সেই আগ্রাসনের সঙ্গে পরিকল্পনার ছাপও চোখে পড়েছে।

ভারতীয় এ দল জাতীয় দলের দরজায় পৌঁছনোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এখানে সুযোগ পাওয়া মানে শুধু স্বীকৃতি নয়, বরং আরও বড় দায়িত্ব। কারণ ভারতীয় ‘এ’ দলের হয়ে পারফরম্যান্স করলে নির্বাচকদের কাছে নিজের দাবি আরও জোরালো করে তোলা যায়। এই মঞ্চে খেলতে গেলে শুধু গতি থাকলেই হবে না, প্রয়োজন ধৈর্য, ফিটনেস, নিয়ন্ত্রণ এবং ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা। তরুণ পেসারের সামনে তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে আইপিএলের সাফল্যকে ভারতীয় ‘এ’ দলের জার্সিতেও ধরে রাখা। ১৫০ কিমি-র বেশি গতিতে বল করা সহজ বিষয় নয়। এর জন্য প্রয়োজন অসাধারণ ফিটনেস, শক্তিশালী শরীর, সঠিক বোলিং অ্যাকশন এবং মানসিক দৃঢ়তা। দ্রুতগতির বোলারদের ক্ষেত্রে চোটের ঝুঁকিও বেশি থাকে। তাই তাঁকে নিজের শরীরের যত্ন নিতে হবে এবং দীর্ঘ সময় একই গতি ধরে রাখার দিকে নজর দিতে হবে। গতি যদি নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে একজন পেসার যে কোনও ফরম্যাটে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন। এই তরুণ বোলারের ক্ষেত্রেও সেই সম্ভাবনাই দেখছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

news image
আরও খবর

আইপিএলে তাঁর আগুনঝরা গতি বহু ব্যাটসম্যানকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। অনেক সময় ব্যাটসম্যানরা তাঁর গতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেননি। শর্ট বল, বাউন্সার, ইয়র্কার এবং দ্রুত লেংথ ডেলিভারি সব মিলিয়ে তাঁর বোলিংয়ে ছিল বৈচিত্র্যের ছাপ। তবে বড় মঞ্চে সফল হতে গেলে তাঁকে আরও উন্নতি করতে হবে। বিশেষ করে লাইন-লেংথের ধারাবাহিকতা, ডেথ ওভারে রান আটকানো এবং চাপের পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে হবে। ভারতীয় ক্রিকেটে বর্তমানে তরুণ পেসারদের একটি শক্তিশালী প্রজন্ম উঠে আসছে। সিনিয়র দলের নিয়মিত পেসারদের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য রিজার্ভ বোলিং ইউনিট তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সূচি, বিভিন্ন ফরম্যাট এবং বিদেশ সফরের কথা মাথায় রাখলে ভারতীয় দলের প্রয়োজন একাধিক দক্ষ পেসার। সেই জায়গায় এই তরুণ বোলার ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। ভারতীয় ‘এ’ দলের হয়ে ভাল পারফরম্যান্স করলে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া তাঁর জন্য অসম্ভব নয়।

তবে এখনই তাঁকে নিয়ে অতিরিক্ত প্রত্যাশা তৈরি করা ঠিক হবে না। একজন তরুণ পেসারের উন্নতির জন্য সময়, সুযোগ এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। আইপিএল তাঁকে পরিচিতি দিয়েছে, ভারতীয় ‘এ’ দল তাঁকে পরবর্তী পরীক্ষা দেবে। এই পরীক্ষায় সফল হতে পারলে তাঁর কেরিয়ার নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে পারে। এখানে তাঁকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি শুধু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের বোলার নন, বরং দীর্ঘ ফরম্যাটেও কার্যকর হতে পারেন। সব মিলিয়ে, আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর ভারতীয় এ দলে ডাক পাওয়া এই তরুণ ফাস্ট বোলারের জন্য বড় সুযোগ। তাঁর গতি, সাহসী মানসিকতা এবং উইকেট নেওয়ার আগ্রাসন নির্বাচকদের নজর কেড়েছে। এখন তাঁর সামনে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হবে ভারতীয় এ দলের হয়ে নিজের পারফরম্যান্স ধরে রাখা। যদি তিনি গতি ও নিয়ন্ত্রণের সঠিক সমন্বয় বজায় রাখতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে ভারতীয় জাতীয় দলের পেস আক্রমণে তাঁর নাম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর এখন সেই দিকেই আইপিএলের ঝড় ভারতীয় এ দলের মঞ্চেও একই ভাবে বইতে পারে কি না।

 

 

 

 

 

 

Preview image