চলতি মাসের শেষ দিকে ভারতের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিন ফরম্যাটের সিরিজ খেলবে নিউজিল্যান্ড। প্রথমে শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ, যেখানে চাপম্যানের না থাকা নিয়ে তৈরি হয়েছে আলোচনা।
নিউজিল্যান্ড: ভারতের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে আসন্ন পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজের আগে বড় ধাক্কা খেল নিউজিল্যান্ড। চোটের কারণে এই সিরিজে খেলতে পারবেন না দলের ব্যাটার মার্ক চাপম্যান এবং পেসার জাক ফাউলকেস। শুক্রবার, ৯ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে। দুই ক্রিকেটারের পরিবর্তে দলে নেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার জশ ক্লার্কসন এবং পেসার ব্লেয়ার টিকনারকে। ফলে ভারতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে দল সাজানোর ক্ষেত্রে নতুন করে পরিকল্পনা করতে হবে কিউয়ি শিবিরকে। পাঁচ ম্যাচের এই টি-২০ সিরিজ শুরু হবে ২২ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চে। <Cite refs={["turn977822search0","turn977822search1"]}/>
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে আসন্ন সিরিজ ঘিরে ইতিমধ্যেই ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দুই দলের সাম্প্রতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, শক্তিশালী ক্রিকেটারদের উপস্থিতি এবং সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেদের প্রমাণ করার লড়াই এই সিরিজকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। কিন্তু সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই চোটের কারণে দু’জন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারকে হারানো নিউজিল্যান্ডের জন্য নিঃসন্দেহে উদ্বেগের বিষয়।
মার্ক চাপম্যান মূলত ব্যাটিং বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। অন্যদিকে জাক ফাউলকেসের অনুপস্থিতিতে বোলিং বিভাগেও বিকল্প পরিকল্পনা করতে হবে নিউজিল্যান্ডকে। তাঁদের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া ক্লার্কসন ও টিকনারের সামনে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার মার্ক চাপম্যান গত মাসে ইউরোপিয়ান টি-২০ লিগে খেলার সময় বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। পরীক্ষায় তাঁর বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে ছিঁড়ে যাওয়ার সমস্যা ধরা পড়ে। সেই চোটের কারণে ভারতের বিরুদ্ধে আসন্ন পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে তাঁকে পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। <Cite refs={["turn977822search1","turn977822search4"]}/>
চাপম্যানের অনুপস্থিতি নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। টি-২০ ক্রিকেটে ব্যাটারদের দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী ইনিংস সামলানোর দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই দলের পরিচিত একজন ব্যাটারকে না পাওয়া নির্বাচকদের সামনে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে।
তবে চাপম্যানের চোট নিয়ে পুরোপুরি হতাশ হওয়ার কারণ নেই কিউয়ি শিবিরের কাছে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি ভারতের বিরুদ্ধে পরবর্তী এক দিনের আন্তর্জাতিক বা ওয়ান ডে সিরিজে খেলার জন্য ফিট হয়ে ওঠার পথে রয়েছেন। অর্থাৎ, টি-২০ সিরিজে না থাকলেও পরবর্তী পর্যায়ে তাঁকে পাওয়ার আশা রয়েছে। অবশ্য তাঁর প্রত্যাবর্তন শেষ পর্যন্ত শারীরিক সুস্থতা ও ফিটনেসের উপর নির্ভর করবে। <Cite refs={["turn977822search1","turn977822search4"]}/>
চাপম্যানের পুনর্বাসন কত দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে নিউজিল্যান্ড দলের। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে ওঠার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করলে সমস্যা বাড়তে পারে। তাই দ্রুত মাঠে ফেরার পাশাপাশি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠাও গুরুত্বপূর্ণ।
চাপম্যানের পাশাপাশি টি-২০ সিরিজ থেকে ছিটকে গিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের পেসার জাক ফাউলকেসও। সম্প্রতি ক্যান্টারবেরি দলের অনুশীলনের সময় তাঁর ডান দিকের হিপ ফ্লেক্সরে চোট লাগে। এই চোটের কারণে ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে খেলতে পারবেন না তিনি। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, ফাউলকেসের মাঠে ফেরার নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনও স্থির করা যায়নি। <Cite refs={["turn977822search1","turn977822search2"]}/>
টি-২০ ক্রিকেটে বোলিং বিভাগের ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে বোলারদের উপর ধারাবাহিকভাবে চাপ থাকে। প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের রান আটকানো, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নেওয়া এবং শেষের ওভারগুলিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা—সব ক্ষেত্রেই বোলিং বিভাগের ভূমিকা বড়।
ফাউলকেসের অনুপস্থিতিতে নিউজিল্যান্ডকে বিকল্প পেসারদের উপর নির্ভর করতে হবে। বিশেষ করে একাধিক ম্যাচে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
তবে ফাউলকেসের চোটের কারণে কতটা দীর্ঘ সময় তাঁকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে, তা এখনই নিশ্চিত নয়। তাঁর পুনর্বাসনের অগ্রগতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।
দুই ক্রিকেটারের অনুপস্থিতিতে নিউজিল্যান্ডের টি-২০ দলে পরিবর্তন এনেছে নির্বাচকরা। চাপম্যানের পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন অলরাউন্ডার জশ ক্লার্কসন। অন্যদিকে ফাউলকেসের পরিবর্তে দলে এসেছেন পেসার ব্লেয়ার টিকনার। শুক্রবার নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় এই দুই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। <Cite refs={["turn977822search0","turn977822search1"]}/>
ক্লার্কসনের কাছে এই সিরিজ নিজেকে প্রমাণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। অলরাউন্ডার হিসেবে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই অবদান রাখার সুযোগ থাকে তাঁর। তবে দলে সুযোগ পাওয়ার পর সেই সুযোগকে কতটা কাজে লাগাতে পারবেন, তা নির্ভর করবে ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্স এবং দলের প্রয়োজনের উপর।
অন্যদিকে ব্লেয়ার টিকনারের সামনে রয়েছে পেস বোলিং বিভাগে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করার সুযোগ। ভারতের মতো শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিরুদ্ধে বোলারদের ধারাবাহিকতা ও সঠিক পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বলে উইকেট নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান নিয়ন্ত্রণ—বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তাঁকে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে ক্লার্কসন ও টিকনার দলে এলেই যে তাঁরা প্রত্যেক ম্যাচে প্রথম একাদশে সুযোগ পাবেন, তা নিশ্চিত নয়। চূড়ান্ত দল নির্বাচন নির্ভর করবে ম্যাচের পরিস্থিতি, পিচ, প্রতিপক্ষ এবং দলের কৌশলের উপর।
দুই ক্রিকেটারের চোটের খবরে হতাশা প্রকাশ করেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধান কোচ রব ওয়ালটার। তাঁদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার আশা প্রকাশ করার পাশাপাশি বিকল্প ক্রিকেটারদের নিয়ে আশাবাদী তিনি।
ওয়ালটারের বক্তব্য অনুযায়ী, চাপম্যান ও ফাউলকেসের চোট দলের জন্য হতাশাজনক হলেও ক্লার্কসন এবং টিকনারের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। দুই ক্রিকেটারই দলে সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত বলে জানিয়েছেন কোচ। <Cite refs={["turn977822search0","turn977822search1"]}/>
একটি দীর্ঘ সিরিজে চোটের সমস্যা সামলানো যে কোনও দলের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে যখন পরপর পাঁচটি টি-২০ ম্যাচ খেলতে হয়, তখন স্কোয়াডের গভীরতা ও বিকল্প ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক।
কোচের সামনে এখন প্রধান কাজ হবে দলের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং উপলব্ধ ক্রিকেটারদের সঠিকভাবে ব্যবহার করা। ব্যাটিং ও বোলিং বিভাগে যে পরিবর্তন এসেছে, তার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দল গড়াই হবে কিউয়ি শিবিরের লক্ষ্য।
ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ দিয়ে। প্রথম ম্যাচটি ২২ অক্টোবর ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এর পর সিরিজের বাকি ম্যাচগুলি হবে ২৪ অক্টোবর ক্রাইস্টচার্চে, ২৭ অক্টোবর ওয়েলিংটনে, ৩০ অক্টোবর অকল্যান্ডে এবং ১ নভেম্বর হ্যামিল্টনে। <Cite refs={["turn977822search0","turn977822search4"]}/>
পাঁচ ম্যাচের এই সিরিজে দুই দলই নিজেদের শক্তি যাচাই করার সুযোগ পাবে। টি-২০ ক্রিকেটে অল্প সময়ের মধ্যে ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। ফলে ব্যাটিংয়ের গতি, বোলিংয়ের বৈচিত্র্য, ফিল্ডিং এবং চাপের মুখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা ফলাফলে বড় ভূমিকা নিতে পারে।
নিউজিল্যান্ডের ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় স্থানীয় পরিবেশ ও পরিচিত কন্ডিশন কাজে লাগানোর সুযোগ থাকবে স্বাগতিকদের। অন্যদিকে ভারতও শক্তিশালী দল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইবে। তাই সিরিজের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে আকর্ষণীয় লড়াই দেখার প্রত্যাশা থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।
চাপম্যান ও ফাউলকেসের অনুপস্থিতি নিউজিল্যান্ডের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনলেও দলের হাতে বিকল্প ক্রিকেটার রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কে কতটা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেন, সেটিই হবে দেখার বিষয়।
ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর শুধুমাত্র টি-২০ সিরিজেই সীমাবদ্ধ নয়। সূচি অনুযায়ী, পাঁচটি টি-২০ ম্যাচের পর দুই দল পাঁচ ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজে মুখোমুখি হবে। এরপর সফরের শেষ পর্যায়ে রয়েছে দু’টি টেস্ট ম্যাচ। অর্থাৎ, সফরজুড়ে তিনটি ফরম্যাটেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবে দুই দল। <Cite refs={["turn977822search11","turn977822search4"]}/>
এই দীর্ঘ সফরে খেলোয়াড়দের ফিটনেস এবং চোট থেকে সেরে ওঠার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। টি-২০ সিরিজে না থাকলেও চাপম্যানের ওয়ান ডে সিরিজে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তাঁর পুনর্বাসনের অগ্রগতি নিউজিল্যান্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
অন্যদিকে ফাউলকেসের প্রত্যাবর্তনের সময়সীমা এখনও নির্দিষ্ট নয়। তাই তাঁর ক্ষেত্রে দলের চিকিৎসক ও ফিটনেস বিভাগের মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ হবে। দীর্ঘ সফরে কোনও ক্রিকেটারকে তাড়াহুড়ো করে মাঠে ফেরানোর পরিবর্তে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্যও জরুরি।
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ভারতের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করা হয়েছে। মিচেল স্যান্টনারকে অধিনায়ক করা হয়েছে। দলে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন ক্লার্কসন ও টিকনার। <Cite refs={["turn977822search0","turn977822search1"]}/>
নিউজিল্যান্ডের টি-২০ দল:
১. মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক)
২. ফিন অ্যালেন
৩. মাইকেল ব্রেসওয়েল
৪. জশ ক্লার্কসন
৫. ডেভন কনওয়ে
৬. জ্যাকব ডাফি
৭. লকি ফার্গুসন
৮. ম্যাট হেনরি
৯. বেভন জ্যাকবস
১০. কাইল জেমিসন
১১. অ্যাডাম মিলনে
১২. ড্যারিল মিচেল
১৩. গ্লেন ফিলিপস
১৪. টিম সেইফার্ট
১৫. নাথান স্মিথ
১৬. ব্লেয়ার টিকনার
এই স্কোয়াডে ব্যাটিং, অলরাউন্ডার এবং পেস বোলিং—সব বিভাগেই একাধিক বিকল্প রয়েছে। ফলে চোটের কারণে দুই ক্রিকেটার ছিটকে গেলেও দল গঠনের ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের হাতে কিছুটা নমনীয়তা থাকছে।
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ শুরুর আগে চোটের সমস্যা নিউজিল্যান্ডের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। চাপম্যানের ব্যাটিং এবং ফাউলকেসের বোলিং না পাওয়া দলের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চোটের সমস্যা নতুন কিছু নয়। যে দল দ্রুত বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করে এবং নতুন ক্রিকেটারদের কাছ থেকে কার্যকর অবদান পায়, তারা এই ধরনের পরিস্থিতি সামলে উঠতে পারে।
জশ ক্লার্কসন ও ব্লেয়ার টিকনারের সামনে তাই সুযোগের পাশাপাশি দায়িত্বও রয়েছে। তাঁদের পারফরম্যান্স সিরিজে নিউজিল্যান্ডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার এবং দলের অন্যান্য অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
সব মিলিয়ে, ভারতের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজের আগে জোড়া চোটের ধাক্কা সামলানোই এখন নিউজিল্যান্ডের প্রথম চ্যালেঞ্জ। মার্ক চাপম্যান ও জাক ফাউলকেসের অনুপস্থিতিতে ক্লার্কসন ও টিকনার কতটা কার্যকর ভূমিকা নিতে পারেন, সেদিকে নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের। ২২ অক্টোবর ক্রাইস্টচার্চে প্রথম ম্যাচের মাধ্যমে শুরু হবে এই লড়াই। ঘরের মাঠে ভারতকে কতটা কঠিন চ্যালেঞ্জ দিতে পারে নিউজিল্যান্ড, তার উত্তর মিলবে মাঠের পারফরম্যান্সেই।