Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

দ্রাবিড়-কুম্বলে স্ট্যান্ডে গর্ব চিন্নাস্বামীর প্রসাদের সম্মানে উজ্জ্বল রঙ্গস্বামীও

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ নিল কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা। একসঙ্গে সম্মানিত করা হল তিন কিংবদন্তি প্রাক্তন ক্রিকেটারকে। স্টেডিয়ামের তিনটি স্ট্যান্ডের নামকরণ করা হয়েছে রাহুল দ্রাবিড়, অনিল কুম্বলে এবং শান্তা রঙ্গস্বামী-র নামে। কর্নাটকের ক্রিকেট ইতিহাসে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দিতেই এই উদ্যোগ। চিন্নাস্বামীর গ্যালারিতে এখন থেকে জ্বলজ্বল করবে তিন তারকার নাম।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ৫০ বছর পূর্তি শুধু একটি পরিকাঠামোগত মাইলফলক নয়, কর্নাটক ক্রিকেটের ইতিহাসেরও এক আবেগঘন অধ্যায়। এই বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা (কেএসসিএ) সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্টেডিয়ামের তিনটি স্ট্যান্ডের নামকরণ করবে রাজ্যের তিন কিংবদন্তি ক্রিকেটারের নামে—রাহুল দ্রাবিড়, অনিল কুম্বলে এবং শান্তা রঙ্গস্বামী।

এই উদ্যোগের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন কেএসসিএ-র সভাপতি বেঙ্কটেশ প্রসাদ। এক সময় ভারতীয় দলে দ্রাবিড় ও কুম্বলের সতীর্থ ছিলেন তিনি। সেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও দীর্ঘদিনের ক্রিকেট-সহযাত্রার স্মৃতিই যেন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে রূপ পেল। সভাপতি হওয়ার পর প্রসাদ বুঝিয়ে দিলেন—কেবল ভবিষ্যৎ গড়াই নয়, অতীতের অবদানকেও মর্যাদা দেওয়া জরুরি।

চিন্নাস্বামী: স্মৃতির মাঠ, গর্বের ঠিকানা

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম বেঙ্গালুরুর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। পাঁচ দশক ধরে এই মাঠ ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অসংখ্য ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী। টেস্ট, একদিনের আন্তর্জাতিক, টি-টোয়েন্টি—সব ফরম্যাটেই এই মাঠে রচিত হয়েছে বহু নাটকীয় অধ্যায়। কর্নাটক ক্রিকেটের উত্থান, ভারতীয় দলের বহু স্মরণীয় জয়, কিংবদন্তি ইনিংস—সব কিছুর সঙ্গেই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে এই স্টেডিয়ামের নাম।

৫০ বছর পূর্তিতে তাই কেবল আলোকসজ্জা বা আনুষ্ঠানিকতা নয়—স্থায়ী স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তই নিয়েছে সংস্থা। স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে চিরস্থায়ীভাবে খোদাই থাকবে দ্রাবিড়, কুম্বলে ও রঙ্গস্বামীর নাম। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যখন ম্যাচ দেখতে আসবে, তারা জানবে—এই নামগুলি শুধু স্ট্যান্ডের পরিচয় নয়, কর্নাটক ক্রিকেটের ভিত্তিপ্রস্তর।

দ্রাবিড়: শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও শ্রদ্ধার প্রতীক

রাহুল দ্রাবিড় শুধু একজন সফল ব্যাটার নন; তিনি ভারতীয় ক্রিকেটে শৃঙ্খলা, স্থিতধী মানসিকতা ও নৈতিক নেতৃত্বের প্রতীক। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর অগণিত ম্যাচ-বাঁচানো ইনিংস, বিদেশের মাটিতে শতরান, এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন—সব মিলিয়ে তিনি এক পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেটব্যক্তিত্ব।

স্ট্যান্ড উদ্বোধনের সময় দ্রাবিড়ের বক্তব্য ছিল আবেগঘন। তিনি বলেন, এই মাঠ তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি। বাড়ির থেকেও বেশি সময় হয়তো কাটিয়েছেন এই মাঠে। আনন্দ, ব্যর্থতা, হতাশা—সব অনুভূতির সাক্ষী এই স্টেডিয়াম। তাঁর ভাষায়, “এই মাঠই আমাকে সব কিছু দিয়েছে।” একজন ক্রীড়াবিদের জীবনে এমন স্বীকৃতি বিরল—নিজের শিকড়ের কাছে ফিরে গিয়ে সম্মান গ্রহণের মুহূর্তে তাঁর কৃতজ্ঞতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

কুম্বলে: লড়াই, নেতৃত্ব ও আত্মমর্যাদার গল্প

অনিল কুম্বলে ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সফল লেগ স্পিনার। টেস্টে ৬০০-র বেশি উইকেট, দিল্লিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক ইনিংসে ১০ উইকেট—এমন রেকর্ড তাঁকে কিংবদন্তির আসনে বসিয়েছে। অধিনায়ক হিসেবেও তিনি দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন কঠিন সময়ে।

সম্মান গ্রহণের সময় কুম্বলে বলেন, কেএসসিএ যেমন ক্রিকেটারদের গড়ে তোলে, তেমন ক্রিকেটারদের অবদান মিলিয়েই সংস্থা শক্ত ভিত পায়। তাঁর মতে, কোন স্ট্যান্ডে কার নাম লেখা হল, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল অবদানের স্বীকৃতি। দ্রাবিড় ও রঙ্গস্বামীর সঙ্গে একই মঞ্চে সম্মানিত হতে পেরে তিনি বিশেষ আনন্দিত।

শান্তা রঙ্গস্বামী: নারী ক্রিকেটের অগ্রদূত

এই সম্মানের আরেক গুরুত্বপূর্ণ নাম শান্তা রঙ্গস্বামী। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটে তিনি পথিকৃৎ। দেশের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট শতরান করার কৃতিত্ব তাঁর। এমন এক সময়ে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন, যখন নারী ক্রিকেট অবকাঠামো, প্রচার বা অর্থনৈতিক সহায়তায় অনেকটাই পিছিয়ে ছিল।

স্টেডিয়ামের একটি স্ট্যান্ড তাঁর নামে হওয়া প্রতীকী দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। এটি নারী ক্রিকেটের প্রতি সম্মান, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেয়েদের জন্য অনুপ্রেরণা।

প্রসাদের উদ্যোগ: সতীর্থ থেকে প্রশাসক

বেঙ্কটেশ প্রসাদ, এক সময়ের জাতীয় দলের পেসার, এখন প্রশাসনিক দায়িত্বে। তাঁর এই পদক্ষেপে বোঝা যায়—ক্রিকেটারদের অবদান স্মরণে রাখা কতটা জরুরি। ব্যক্তিগত সম্পর্কের আবেগ থাকলেও সিদ্ধান্তটি নিছক আবেগপ্রসূত নয়; এটি ইতিহাসকে মর্যাদা দেওয়ার সচেতন প্রয়াস।

আইপিএল, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ

সম্প্রতি কর্নাটক সরকার এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএল ম্যাচ আয়োজনের ছাড়পত্র দিয়েছে। গত বছর আইপিএল জয়ের পর উদ্‌যাপনে ভিড়ের চাপে দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও তাজা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সচেষ্ট প্রশাসন।

news image
আরও খবর

স্টেডিয়ামের ৫০ বছর পূর্তি ও নতুন স্ট্যান্ড নামকরণ তাই কেবল অতীতের গৌরব নয়, ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতিও বহন করছে।

ভারতীয় ক্রিকেটে এমন অনেক উদাহরণ আছে যেখানে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা প্রশাসনিক ভূমিকায় এসে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন। বেঙ্কটেশ প্রসাদ সেই তালিকায় উল্লেখযোগ্য নাম। নব্বইয়ের দশকে ভারতীয় দলের নির্ভরযোগ্য পেসার হিসেবে যিনি দেশের হয়ে একাধিক স্মরণীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন, আজ তিনি কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার (কেএসসিএ) সভাপতি হিসেবে প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। মাঠের লড়াই থেকে প্রশাসনিক টেবিল—এই যাত্রাপথ সহজ নয়। কিন্তু প্রসাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেটার হিসেবে যে মূল্যবোধ তিনি বহন করতেন, প্রশাসক হিসেবেও তা-ই তাঁর সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হচ্ছে।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের স্ট্যান্ডের নামকরণ নিয়ে তাঁর উদ্যোগ নিছক আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নয়; এটি ক্রিকেট সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষার একটি সচেতন প্রয়াস। প্রাক্তন সতীর্থ রাহুল দ্রাবিড় এবং অনিল কুম্বলে-র সঙ্গে তিনি বহু বছর ড্রেসিংরুম ভাগ করেছেন। জয়-পরাজয়ের চাপ, বিদেশ সফরের লড়াই, দেশের প্রত্যাশা—সব কিছুর সাক্ষী ছিলেন তাঁরা একসঙ্গে। সেই সম্পর্কের আবেগ থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কেবল ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতার উপর নির্ভর করে না। এখানে প্রয়োজন নিরপেক্ষ মূল্যায়ন—কে কতটা অবদান রেখেছেন, তাঁদের সাফল্য কতটা প্রভাব ফেলেছে রাজ্য ও দেশের ক্রিকেটে।

দ্রাবিড় ও কুম্বলে শুধু পরিসংখ্যানের বিচারে নয়, চরিত্র ও নেতৃত্বের দিক থেকেও কর্নাটক ক্রিকেটের আদর্শ মুখ। তাঁদের নাম স্ট্যান্ডে খোদাই হওয়া মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এক বার্তা পৌঁছে দেওয়া—কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দায়বদ্ধতাই সাফল্যের চাবিকাঠি। প্রসাদের সিদ্ধান্তে এই প্রতীকী গুরুত্বই সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয়।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, একই সঙ্গে শান্তা রঙ্গস্বামী-র নামও অন্তর্ভুক্ত করা। নারী ক্রিকেট দীর্ঘদিন অবহেলার শিকার হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে রঙ্গস্বামীর মতো পথিকৃৎকে একই মঞ্চে সম্মান দেওয়া প্রশাসনিক সংবেদনশীলতার পরিচায়ক। প্রসাদ যেন বোঝাতে চেয়েছেন—ক্রিকেটের ইতিহাস শুধু পুরুষদের নয়; নারী ক্রিকেটারদের অবদানও সমানভাবে স্মরণীয়।

প্রশাসকের আসনে বসে অনেক সময় কঠিন আর্থিক বা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সেখানে আবেগের জায়গা কম। কিন্তু ইতিহাস সংরক্ষণ, কৃতিত্বকে মর্যাদা দেওয়া—এই বিষয়গুলো প্রশাসনের মানবিক দিককে সামনে আনে। প্রসাদের উদ্যোগ সেই মানবিকতাকেই তুলে ধরে। তিনি বুঝিয়েছেন, ক্রিকেট কেবল পরিসংখ্যানের খেলা নয়; এটি স্মৃতি, ঐতিহ্য ও অনুপ্রেরণারও ক্ষেত্র।

আইপিএল, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি আইপিএলেরও গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু। বেঙ্গালুরুভিত্তিক ফ্র্যাঞ্চাইজি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-র ঘরের মাঠ এটি। সাম্প্রতিক সময়ে কর্নাটক সরকারের পক্ষ থেকে স্টেডিয়ামে আইপিএল ম্যাচ আয়োজনের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এই অনুমোদন প্রশাসনিক আস্থা ও পরিকাঠামোগত প্রস্তুতির প্রতীক।

তবে আনন্দের পাশাপাশি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাও সামনে এসেছে। গত বছর আইপিএল জয়ের উচ্ছ্বাসে উদ্‌যাপনের সময় অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে যে দুর্ঘটনা ঘটেছিল, তা রাজ্য প্রশাসন ও ক্রিকেট মহলকে নাড়া দিয়েছিল। জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা বলয়, জরুরি পরিষেবা—এই সব বিষয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছিল। ক্রিকেট শুধুই খেলা নয়; এটি আবেগের বিস্ফোরণ। সেই আবেগকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

স্টেডিয়ামের ৫০ বছর পূর্তি তাই কেবল অতীত স্মরণের উপলক্ষ নয়; এটি অবকাঠামোগত পুনর্মূল্যায়নেরও সুযোগ। আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, উন্নত প্রবেশ ও নির্গমন পথ, ভিড় নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি—সব কিছুতেই আপডেট প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম হিসেবে চিন্নাস্বামীর মর্যাদা বজায় রাখতে হলে দর্শক সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেতেই হবে।

আইপিএল বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগ। প্রতিটি ম্যাচে বিপুল দর্শকসমাগম হয়, টেলিভিশন ও ডিজিটাল সম্প্রচারে কোটি কোটি মানুষ যুক্ত থাকেন। ফলে একটি ভেন্যুর সুনাম নির্ভর করে তার নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার উপর। কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা ও রাজ্য সরকার সেই দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন বলেই মনে হচ্ছে।

স্টেডিয়ামের নতুন স্ট্যান্ড নামকরণ এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটেই গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে অতীতের কিংবদন্তিদের সম্মান জানানো, অন্যদিকে ভবিষ্যতের নিরাপদ ও আধুনিক ক্রিকেট পরিবেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার—দুটি দিকই এখানে মিলিত হয়েছে। ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা ও আগামী দিনের প্রতি দায়বদ্ধতা—এই দুইয়ের সমন্বয়েই একটি প্রতিষ্ঠান পরিণত হয়।

সব মিলিয়ে, এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ৫০ বছর পূর্তি ও স্ট্যান্ড নামকরণ এক প্রতীকী মুহূর্ত। এটি স্মরণ করিয়ে দেয়—ক্রিকেট কেবল ব্যাট-বলের খেলা নয়; এটি উত্তরাধিকার, দায়বদ্ধতা ও সম্মানের ধারাবাহিকতা। প্রসাদের উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতাকেই শক্ত ভিত দিয়েছে। আর নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি জানিয়ে দিয়েছে—আগামী দিনেও এই স্টেডিয়াম ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম গর্ব হয়ে থাকবে।

Preview image