ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই রহস্য বজায় রাখতে পছন্দ করেন সলমন খান। নিজের জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে চর্চা হলেও, তাঁকে নিয়ে কোনও বায়োপিক তৈরি হোক, তা একেবারেই চান না বলিউডের ভাইজান। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই কেন এমন মন্তব্য করলেন অভিনেতা?
বলিউডে তাঁর জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। পর্দায় কখনও রোম্যান্টিক নায়ক, কখনও অ্যাকশন হিরো, আবার কখনও হাস্যরসের মোড়কে দর্শকের মন জয় করেছেন সলমন খান। কিন্তু পর্দার বাইরের মানুষটি কেমন, তা নিয়ে অনুরাগীদের কৌতূহলের শেষ নেই। তাঁর প্রেমজীবন, সম্পর্ক, বিয়ে এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে বছরের পর বছর ধরে চর্চা হয়েছে। তবু নিজের ব্যক্তিগত জীবনের দরজা সবার জন্য খুলে দিতে যে তিনি রাজি নন, তা ফের স্পষ্ট করে দিলেন বলিউডের ভাইজান।
কর্ণ জোহরের জনপ্রিয় চ্যাট শো ‘কফি উইথ কর্ণ’-এ এসে নিজের জীবন নিয়ে বায়োপিক তৈরির সম্ভাবনা কার্যত উড়িয়ে দেন সলমন। শুধু তাই নয়, প্রেমের পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রেও নিজেকে খুব একটা যোগ্য বলে মনে করেন না তিনি। সম্পর্ক থেকে অতীতের প্রেম, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছবি তৈরি থেকে শুরু করে পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা—বিভিন্ন প্রসঙ্গে অকপটে কথা বলেন অভিনেতা। অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুরনো সহ-অভিনেত্রী করিশ্মা কপূরও। তাঁদের কথোপকথনে উঠে আসে সলমনের জীবনের নানা দিক, সঙ্গে ছিল মজার মন্তব্য ও চেনা রসিকতা।
সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে নিজের জীবনের গল্প নিয়ে সলমনের মন্তব্য। অভিনেতার স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর জীবনের কাহিনি নিয়ে কোনও জীবনীচিত্র তৈরি হবে না। তাঁর কথায়, “আমার জীবনের গল্প আমার সঙ্গেই কবরে যাবে।” এই মন্তব্যেই যেন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে তাঁর অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল।
‘কফি উইথ কর্ণ’-এর এই পর্বে করিশ্মা কপূর সলমনকে প্রশ্ন করেন, তাঁর জীবন নিয়ে ছবি তৈরি হলে কোন পরিচালককে সেই দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। প্রশ্নটি শুনে অভিনেতা কয়েক জন পরিচালকের নাম উল্লেখ করেন। তবে এই উত্তরকে নিজের বায়োপিক তৈরির সম্মতি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং বিভিন্ন ধরনের ছবির প্রসঙ্গে পরিচালকদের নাম বলতে গিয়ে নিজের পরিচিত রসবোধের পরিচয় দেন তিনি।
সলমনের কথায়, তাঁর জীবন নিয়ে যদি হাসির ছবি তৈরি করতে হয়, তা হলে পরিচালক হিসেবে ডেভিড ধবনকে বেছে নেওয়া যেতে পারে। অন্য দিকে, চিরাচরিত বিষাদময় প্রেমের গল্পের জন্য তাঁর পছন্দ সঞ্জয় লীলা ভন্সালী। একের পর এক সুন্দর প্রেমের গল্প বলতে হলে সূরজ বরজাতিয়া এবং প্রেমের সঙ্গে মারপিটের মিশেল থাকা ছবির জন্য কবীর খানের নাম করেন অভিনেতা।
এই পরিচালকদের প্রত্যেকের ছবির ধরন আলাদা। ডেভিড ধবন মূলত কমেডি ঘরানার ছবির জন্য পরিচিত। সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর ছবিতে প্রেম, আবেগ এবং দৃশ্যের জাঁকজমক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সূরজ বরজাতিয়ার ছবিতে পারিবারিক সম্পর্ক ও রোম্যান্সের বিশেষ জায়গা রয়েছে। অন্য দিকে, কবীর খানের ছবিতে অ্যাকশন, আবেগ এবং বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় তৈরি গল্পের মিশেল দেখা যায়।
সলমনের কেরিয়ারেও এই পরিচালকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের সঙ্গে কাজ করে বিভিন্ন ঘরানার ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তাই নিজের জীবনকে যদি কোনও কাল্পনিক ছবির ঘরানার সঙ্গে তুলনা করতে হয়, তা হলে এই পরিচালকদের নাম বেছে নেওয়ার মধ্যে অভিনেতার নিজস্ব রসবোধও ধরা পড়ে।
কিন্তু প্রশ্ন যখন সরাসরি তাঁর জীবনের অধিকার নিয়ে, তখন সলমন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন। তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সম্পর্ক কিংবা জীবনের নানা অধ্যায়কে পর্দায় তুলে ধরার অনুমতি তিনি দিতে চান না। অর্থাৎ, পরিচালকের নাম উল্লেখ করলেও নিজের বায়োপিক নিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তে কোনও বদল নেই।
The Indian Express
+1
সলমন খানের প্রেমজীবন বহু বছর ধরেই সংবাদমাধ্যমের আলোচনার বিষয়। তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন অভিনেত্রীর সম্পর্ক নিয়ে সময়ে সময়ে নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে বিস্তারিত আলোচনা করতে বরাবরই সতর্ক থেকেছেন অভিনেতা। ‘কফি উইথ কর্ণ’-এর এই পর্বেও অতীতের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের মুখে নিজের পরিচিত ভঙ্গিতেই উত্তর দেন তিনি।
অনুষ্ঠানের র্যাপিড ফায়ার পর্বে করিশ্মা সলমনের জীবনের সঙ্গে মিল থাকতে পারে, এমন কয়েকটি ছবির নাম তুলে ধরেন। সেই তালিকায় ছিল ‘তুমকো না ভুল পায়েঙ্গে’ এবং ‘লাকি: নো টাইম ফর লভ’-এর মতো ছবি। কিন্তু ছবির নাম শুনে সলমন যে মন্তব্য করেন, তা আলোচনাকে আরও মজার করে তোলে।
‘তুমকো না ভুল পায়েঙ্গে’ প্রসঙ্গে অভিনেতার বক্তব্য, কাউকে ভুলে যাওয়া অসম্ভব নয়, কারণ সময়ের সঙ্গে সবাই সবাইকে ভুলে যায়। তাঁর এই মন্তব্যকে অতীতের সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি কোনও স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বরং কথোপকথনের প্রেক্ষিতে এটি ছিল তাঁর ব্যক্তিগত রসিকতা এবং সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার নিজস্ব কৌশল।
‘লাকি: নো টাইম ফর লভ’ ছবির প্রসঙ্গে তাঁকে যখন প্রেম করার সময়ের অভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন সলমন বলেন, প্রেম করার জন্য সময়ের অভাব তাঁর কখনও ছিল না, ভবিষ্যতেও হবে না। তাঁর উত্তর শুনে বোঝা যায়, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গম্ভীর প্রশ্ন এলেও কথাকে হালকা রাখার চেষ্টা করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত নিজের পছন্দের ছবি হিসেবে ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’-র নাম বলেন সলমন। ১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ছবিতে প্রেমের গল্পের পাশাপাশি তাঁর অভিনয়ও দর্শকের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয়তা তৈরি করেছিল। সেই ছবির নাম বেছে নেওয়া যেন তাঁর পর্দার রোম্যান্টিক পরিচয়ের কথাও মনে করিয়ে দেয়।
তবে পর্দার প্রেমের গল্প এবং বাস্তব জীবনের সম্পর্ক যে এক নয়, সলমনের বক্তব্যে সেই পার্থক্য স্পষ্ট। অভিনেতা হিসেবে তিনি নানা প্রেমের গল্পে অভিনয় করেছেন, কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে দর্শকের সামনে তুলে ধরার বিষয়ে তাঁর অনীহা রয়েছে।
The Indian Express
+1
অনুষ্ঠানের আর একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত ছিল প্রেমের পরামর্শ নিয়ে আলোচনা। করিশ্মা কপূর জানতে চান, সলমনের ভাইপো নির্বাণ, আরহান বা অয়ান যদি সম্পর্ক নিয়ে তাঁর কাছে পরামর্শ চাইতে আসে, তা হলে কী বলবেন তিনি?
প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই সলমনের জবাব, তাঁর কাছে আসাটাই ভুল হবে। এমনকি, ভাইপোদের তাঁদের বাবাদের কাছে যেতে বলতেও বিশেষ আগ্রহ দেখাননি অভিনেতা। তাঁর এই মন্তব্যে যেমন রসিকতা ছিল, তেমনই ছিল নিজের সম্পর্কের অভিজ্ঞতা নিয়ে অতিরিক্ত উপদেশ না দেওয়ার মনোভাব।
সলমনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে অন্যদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম তৈরি করা যায় কি না, সে বিষয়ে অভিনেতা নিজেই যেন সন্দেহ প্রকাশ করেন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মানুষের পরিস্থিতি আলাদা। তাই নিজের অভিজ্ঞতাকে অন্যের জীবনে প্রয়োগ করার মতো পরামর্শদাতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চান না তিনি।
এই উত্তরও অনুষ্ঠানের বাকি কথোপকথনের সঙ্গে মানানসই। নিজের জীবন নিয়ে বায়োপিক তৈরিতে অনীহা, অতীতের সম্পর্ক নিয়ে বেশি কথা না বলা এবং প্রেমের পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা—সব ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত বিষয়কে ব্যক্তিগত রাখার প্রবণতা দেখা যায় সলমনের মধ্যে।
তাঁর অনুরাগীরা অবশ্য অভিনেতার এই ধরনের মন্তব্যের মধ্যেও আরও অনেক কিছু খুঁজে পান। কারণ, পর্দায় সলমনকে যতটা চেনেন দর্শক, বাস্তব জীবনের মানুষ হিসেবে তাঁকে জানার সুযোগ ততটাই সীমিত। ফলে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাঁর একটি মন্তব্যও দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।
সলমন ও করিশ্মার সম্পর্ক শুধু এই অনুষ্ঠানের কথোপকথনে সীমাবদ্ধ নয়। দু’জনে একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন এবং তাঁদের পর্দার জুটি দর্শকের কাছে পরিচিত। তাই অনুষ্ঠানে করিশ্মার উপস্থিতি পুরনো দিনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার সুযোগও তৈরি করে।
করিশ্মা যখন সলমনের জীবনের সঙ্গে মিল থাকতে পারে, এমন ছবির নাম বলেন, তখন তাঁদের দীর্ঘদিনের পরিচিতির ছাপ কথোপকথনে ফুটে ওঠে। র্যাপিড ফায়ার পর্বে প্রশ্নের দ্রুত উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি দু’জনের কথায় ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ খুনসুটি।
সলমনের কেরিয়ারে রোম্যান্টিক ছবি যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে কমেডি, অ্যাকশন ও পারিবারিক বিনোদনের ছবি। করিশ্মার সঙ্গে তাঁর কাজের স্মৃতি সেই দীর্ঘ কেরিয়ারেরই একটি অংশ। আর এই পুরনো সম্পর্কের সূত্র ধরেই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনাও নতুন মাত্রা পায়।
‘কফি উইথ কর্ণ’-এর মতো অনুষ্ঠানের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণই হল তারকাদের এমন অনানুষ্ঠানিক কথোপকথন। সাধারণ সাক্ষাৎকারের তুলনায় এখানে ব্যক্তিগত পছন্দ, স্মৃতি এবং রসিকতার জায়গা বেশি থাকে। ফলে তারকাদের পরিচিত ভাবমূর্তির বাইরেও তাঁদের কথাবার্তার নানা দিক সামনে আসে।
কর্ণ জোহরের সঞ্চালনায় ‘কফি উইথ কর্ণ’ দীর্ঘদিন ধরে বলিউডের তারকাদের নিয়ে তৈরি জনপ্রিয় চ্যাট শো। ব্যক্তিগত জীবন, কেরিয়ার, বন্ধুত্ব এবং চলচ্চিত্রজগতের নানা প্রসঙ্গ এখানে উঠে আসে। অনুষ্ঠানের নবম সিজনের প্রথম পর্বে সলমন খানকে নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো। করিশ্মা কপূরের বিশেষ উপস্থিতিও সেই পর্বে বাড়তি আকর্ষণ যোগ করে।
The Times of India
+1
সলমন এই অনুষ্ঠানে এর আগেও এসেছেন। ফলে তাঁর সঙ্গে কর্ণের কথোপকথনে পুরনো পরিচিতির ছাপ রয়েছে। এ বারও নানা প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতার রসিকতা, সরাসরি কথা বলার ভঙ্গি এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সতর্ক অবস্থান আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
শোনা যাচ্ছে, অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে শাহরুখ খানকে দেখা যেতে পারে। তবে সেই বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশিত না হলে সম্ভাবনাটিকে নিশ্চিত খবর হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।
সলমন খানের জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে দর্শকের আগ্রহ থাকবেই। তাঁর অভিনয়জীবন, জনপ্রিয়তা এবং দীর্ঘদিনের তারকাখ্যাতির কারণে ব্যক্তিগত বিষয়ও সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় আসে। কিন্তু কোনও তারকা সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল থাকলেই যে তিনি নিজের জীবনের প্রতিটি ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে বাধ্য, এমন নয়।
‘কফি উইথ কর্ণ’-এ সলমনের মন্তব্য সেই সীমারেখাকেই সামনে নিয়ে এসেছে। নিজের জীবনের গল্প নিয়ে ছবি তৈরিতে অনীহা, অতীতের সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত না বলা এবং প্রেমের পরামর্শ দিতে অস্বস্তি—সব মিলিয়ে তাঁর বক্তব্যের মূল সুর একটাই: নিজের ব্যক্তিগত জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতেই রাখতে চান তিনি।
অভিনেতার কথায় রসিকতা থাকলেও বায়োপিক নিয়ে তাঁর অবস্থান বেশ স্পষ্ট। পরিচালকদের নাম উল্লেখ করা কিংবা নিজের জীবনের সঙ্গে বিভিন্ন ছবির মিল নিয়ে মজা করা এক বিষয়, আর বাস্তবে নিজের জীবনকে সিনেমার গল্পে পরিণত করার অনুমতি দেওয়া অন্য বিষয়। সলমন সেই দু’টির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রেখেছেন।
তাই ‘আমার জীবনের গল্প আমার সঙ্গেই কবরে যাবে’—এই মন্তব্য শুধু অনুষ্ঠানের একটি চমকপ্রদ সংলাপ নয়, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে তাঁর অবস্থানেরও প্রকাশ। অনুরাগীরা হয়তো তাঁর জীবনের অজানা অধ্যায় জানতে চাইবেন, কিন্তু সলমন সেই গল্পের সবটা প্রকাশ্যে আনার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন না। বরং নিজের জীবনের কোন অংশ তিনি ভাগ করবেন, আর কোন অংশ নিজের কাছেই রাখবেন, সেই সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে চান বলিউডের ভাইজান।