বড়দিনের সময় থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে আবহাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক আপডেটে শীত উধাও হয়ে যাবে নাকি আরও কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রার ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে কোথাও সকালে হালকা শীত অনুভূত হলেও বেলা বাড়তেই উষ্ণতা বাড়ছে আবার কোথাও রাতের দিকে ঠান্ডার দাপট বাড়ছে আবহাওয়া দফতরের মতে বড়দিনের পর থেকে উত্তরের হাওয়া কিছুটা সক্রিয় হতে পারে এর প্রভাবে রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমার সম্ভাবনা রয়েছে বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের অনুভূতি তুলনামূলক বেশি হতে পারে সকালের দিকে কুয়াশার দাপট বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে যার ফলে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে দক্ষিণের জেলাগুলিতে শীত খুব বেশি কনকনে না হলেও হালকা ঠান্ডা বজায় থাকতে পারে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে তবে রাতের দিকে ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে এই সময় শীত পুরোপুরি উধাও হওয়ার সম্ভাবনা নেই বরং ধাপে ধাপে ঠান্ডা বাড়তে পারে চাষিদের জন্য এই আবহাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কারণ শীতকালীন ফসলের জন্য কম তাপমাত্রা সহায়ক বলে মনে করা হয় তবে কুয়াশার কারণে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে তাই কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে পাশাপাশি প্রবীণ ও শিশুদের শীতজনিত অসুস্থতা এড়াতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে শহরাঞ্চলে সকালে ও রাতে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলায় রোদের কারণে স্বস্তি মিলতে পারে ফলে শীতের পোশাক ব্যবহার নিয়ে দ্বিধা তৈরি হতে পারে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে আগামী কয়েক দিন আবহাওয়ার এই রকম পরিবর্তন চলতে পারে সব মিলিয়ে বড়দিনের সময় থেকে রাজ্যে শীতের দাপট কিছুটা বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে যদিও তা খুব চরম আকার নেবে না আবহাওয়ার এই পরিবর্তন উৎসবের আমেজে কিছুটা ভিন্ন অনুভূতি যোগ করবে বলে মনে করছেন অনেকেই তাই শীত উধাও নয় বরং ধীরে ধীরে কনকনে ঠান্ডার দিকে এগোচ্ছে রাজ্যের আবহাওয়া
বড়দিনের সময় ঘিরে রাজ্যের আবহাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ক্রমশ বাড়ছে শীত কি এবার হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যাবে নাকি ধীরে ধীরে আরও কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে এই প্রশ্ন এখন সবার মনে আবহাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী বড়দিনের পর থেকেই তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে যদিও এই পরিবর্তন এক দিনে নয় বরং ধাপে ধাপে ঘটবে বলে জানানো হয়েছে
ডিসেম্বরের শুরু থেকে মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আবহাওয়ার মধ্যে বৈচিত্র্য দেখা গেছে কোথাও সকালে ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় রোদের দাপটে সেই শীত অনেকটাই কমে যাচ্ছে আবার কোথাও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডার তীব্রতা বাড়ছে এই ওঠানামার কারণ মূলত উত্তর দিক থেকে আসা হাওয়ার গতি এবং আর্দ্রতার পরিমাণ বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা
বড়দিনের সময় থেকে উত্তর ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে সমতল রাজ্যগুলিতে উত্তর দিক থেকে আসা শুষ্ক ঠান্ডা হাওয়া সক্রিয় হলে রাতের তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের অনুভূতি বেশি হতে পারে এই সব এলাকায় সকালের দিকে কুয়াশার দাপট বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে
কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে যার প্রভাব পড়তে পারে যান চলাচলে ভোরের দিকে রাস্তায় বের হওয়া মানুষজনকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে একই সঙ্গে ট্রেন ও বাস চলাচলেও কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে বড়দিনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের আবহাওয়া নিয়ে মানুষের আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে শীত কি এবার ধীরে ধীরে বিদায় নেবে নাকি নতুন করে কনকনে ঠান্ডার আবির্ভাব হবে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র আবহাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ এবং পূর্বাভাস অনুযায়ী বড়দিনের সময় থেকেই আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে যদিও এই পরিবর্তন হঠাৎ নয় বরং ধাপে ধাপে অনুভূত হবে বলে জানানো হয়েছে
আবার কোথাও রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডার তীব্রতা বেড়েছে এই পরিবর্তনের পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করছে উত্তর দিক থেকে আসা হাওয়া এবং বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আবহাওয়াবিদদের মতে এই সময় শীতের প্রকৃতি অনেকটাই নির্ভর করে পার্বত্য অঞ্চলের পরিস্থিতির উপর
বড়দিনের সময় উত্তর ভারতের পাহাড়ি এলাকাগুলিতে তুষারপাত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এর প্রভাব সমতল অঞ্চলেও পড়তে পারে পাহাড়ে তুষারপাত বাড়লে উত্তর দিক থেকে শুষ্ক ও ঠান্ডা হাওয়া নেমে আসে যার ফলে রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের অনুভূতি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে দার্জিলিং কালিম্পং জলপাইগুড়ি কোচবিহার সহ আশপাশের এলাকায় সকালের দিকে কুয়াশার দাপট বাড়তে পারে
কুয়াশা বাড়লে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এর ফলে সড়ক ও রেলপথে যাতায়াতে কিছুটা অসুবিধা তৈরি হতে পারে বিশেষ করে যাঁরা নিয়মিত ভোরবেলা কাজে বের হন তাঁদের জন্য বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে যানবাহন চালকদের ধীরে গাড়ি চালানোর এবং আলো ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের দাপট সাধারণত তুলনামূলক কম থাকে তবে বড়দিনের পর থেকে এখানেও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা নামতে পারে দিনের বেলায় সূর্যের উপস্থিতিতে আবহাওয়া স্বস্তিকর থাকলেও ভোর ও গভীর রাতে হালকা থেকে মাঝারি শীত অনুভূত হতে পারে কলকাতা সহ শহরাঞ্চলে এই সময় শীতের আমেজ টের পাওয়া যায় মূলত সকাল ও রাতে
শহরের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এই পরিবর্তন স্পষ্ট হয়ে ওঠে সকালে হাঁটতে বেরোনো মানুষের সংখ্যা কিছুটা কমে যায় যারা বেরোন তারা গরম পোশাক পরে নিজেদের সুরক্ষিত রাখেন রাস্তার ধারে চা কফির দোকানগুলিতে ভিড় বাড়ে কারণ ঠান্ডা সকালে গরম পানীয়ের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে এবছর শীত খুব চরম আকার নেবে না তবে একেবারে অনুপস্থিতও থাকবে না বরং ধীরে ধীরে তার উপস্থিতি জানান দেবে ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে জানুয়ারির প্রথম ভাগ পর্যন্ত শীতের অনুভূতি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে এই সময় রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নামার সম্ভাবনা রয়েছে
চাষিদের জন্য এই সময়ের আবহাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শীতকালীন ফসল যেমন আলু সরষে গম বিভিন্ন শাকসবজি চাষের ক্ষেত্রে ঠান্ডা আবহাওয়া সহায়ক হলেও অতিরিক্ত কুয়াশা এবং শিশির ফসলের ক্ষতি করতে পারে পাতায় ছত্রাকজনিত রোগ দেখা দিতে পারে তাই কৃষি বিশেষজ্ঞরা চাষিদের নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রয়োজনে সঠিক সময়ে সেচ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে
উৎসবের মরসুমে আবহাওয়ার এই পরিবর্তন মানুষের পরিকল্পনাতেও প্রভাব ফেলে বড়দিন ও নতুন বছরের সময় অনেক মানুষ ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন পাহাড় সমুদ্র বা অন্য পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন পাহাড়ি এলাকায় শীত ও কুয়াশার কারণে রাস্তার অবস্থা বদলে যেতে পারে তাই সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি
পর্যটন শিল্পের উপরেও শীতের প্রভাব পড়ে শীতকালে পাহাড়ি অঞ্চলে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ে তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা বা কুয়াশা হলে কিছু মানুষ ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিলও করতে পারেন তাই আবহাওয়ার স্থিতিশীলতা এই সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে কম হলেও বড়দিনের পর থেকে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা নামতে পারে দিনের বেলায় রোদ থাকায় খুব বেশি ঠান্ডা অনুভূত না হলেও ভোর ও রাতের দিকে হালকা থেকে মাঝারি শীত অনুভূত হতে পারে শহরাঞ্চলে এই সময় শীতের পোশাক ব্যবহার নিয়ে দ্বিধা দেখা যায় কারণ সকাল ও রাতে গরম জামাকাপড় প্রয়োজন হলেও দুপুরে তা অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে এবছর শীত খুব চরম আকার নেবে না তবে একেবারে উধাওও হবে না বরং ধীরে ধীরে ঠান্ডা বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারির প্রথম দিক পর্যন্ত শীতের অনুভূতি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে এই সময় রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নামতে পারে
চাষিদের জন্য এই আবহাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শীতকালীন ফসল যেমন আলু সরষে গম সহ বিভিন্ন শাকসবজির জন্য ঠান্ডা আবহাওয়া সহায়ক হলেও অতিরিক্ত কুয়াশা ও শিশির ফসলের ক্ষতি করতে পারে তাই কৃষকদের নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনে সেচ ও কীটনাশক ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে
প্রবীণ ও শিশুদের ক্ষেত্রে শীতজনিত সমস্যা বাড়ার আশঙ্কা থাকে তাই চিকিৎসকদের মতে এই সময় গরম পোশাক ব্যবহার করা এবং ঠান্ডা এড়িয়ে চলা প্রয়োজন সকালে কুয়াশার মধ্যে বের হলে শ্বাসকষ্ট বা সর্দি কাশির সমস্যা দেখা দিতে পারে তাই প্রয়োজন ছাড়া ভোরে বাইরে বের না হওয়াই ভালো
শহরের জীবনযাত্রায় শীতের প্রভাব আলাদা ভাবে দেখা যায় সকালে পার্কে হাঁটতে বেরোনো মানুষদের সংখ্যা কিছুটা কমে যায় আবার যারা বেরোন তারা গরম পোশাকে নিজেদের মুড়ে রাখেন চা কফির দোকানে ভিড় বাড়ে শীতের সকালে গরম পানীয়ের চাহিদা বেড়ে যায়
সব মিলিয়ে বলা যায় বড়দিনের সময় থেকে রাজ্যের আবহাওয়ায় একটি ধীর পরিবর্তনের সূচনা হতে চলেছে শীত পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছে না বরং ধাপে ধাপে তার উপস্থিতি জানান দিচ্ছে খুব কনকনে ঠান্ডা না হলেও হালকা থেকে মাঝারি শীত অনুভূত হবে বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস এই পরিবর্তন মানুষের উৎসবের আনন্দে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন অনেকেই খুব কনকনে ঠান্ডা না হলেও হালকা থেকে মাঝারি শীত মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলবে এই পরিবর্তন উৎসবের আনন্দে এক ভিন্ন অনুভূতি যোগ করবে বলেই মনে করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা