Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মাত্র৫০ হাজার টাকায় জুটমিল শ্রমিকদের ফ্ল্যাট! রাজ্যের বড় ঘোষণা

জুটমিল শ্রমিকদের জন্য বড় উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। শ্রমিক পরিবারগুলির স্থায়ী আবাসনের লক্ষ্যে ৪৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে

জুটমিল শ্রমিকদের জন্য বড় আবাসন উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিল্পাঞ্চলের কুলি লাইনে অস্বাস্থ্যকর ও অনুন্নত পরিবেশে বসবাস করা জুটমিল শ্রমিক পরিবারগুলির জন্য এবার স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে। ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি জুটমিল শ্রমিক পরিবারকে একটি করে ৪৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। এই ফ্ল্যাটের মোট দাম ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা। তবে পুরো অর্থ শ্রমিক পরিবারকে দিতে হবে না। সরকারি বিভিন্ন অংশের আর্থিক সহায়তার ফলে শ্রমিকের নিজের খরচ পড়বে মাত্র ৫০ হাজার টাকা।

ঘোষণা অনুযায়ী, ফ্ল্যাট তৈরির জন্য অর্থের একটি বড় অংশ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মাধ্যমে দেওয়া হবে। শ্রমিককে দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা। শ্রমদপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে ৭১ হাজার টাকা। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে দেড় লক্ষ টাকা। বাকি ২ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। ফলে মোট ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ফ্ল্যাট শ্রমিক পরিবারগুলি তুলনামূলকভাবে কম নিজস্ব খরচে পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রস্তাবিত ফ্ল্যাটগুলির আয়তন হবে ৪৫০ বর্গফুট। একটি ফ্ল্যাটে থাকবে দুটি ঘর, একটি কিচেন এবং একটি বাথরুম। অর্থাৎ একটি শ্রমিক পরিবারের দৈনন্দিন বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক পরিকাঠামো রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আবাসন প্রকল্পে একেকটি ফ্লোরে চারটি করে ফ্ল্যাট থাকার কথাও জানানো হয়েছে।

এই আবাসন তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের কুলি লাইনে, যেখানে বহু জুটমিল শ্রমিক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং তাঁদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও স্থায়ী বসবাসের পরিবেশ তৈরি করাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে।

এই প্রকল্পের জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। ফলে যোগ্য জুটমিল শ্রমিক পরিবারগুলি কীভাবে আবেদন করবেন, আবেদনের জন্য কী কী নথি প্রয়োজন হবে, কারা এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য এবং আবেদন করার সময়সীমা কতদিন—এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী পর্যায়ে প্রকাশ করা হতে পারে। আবেদন সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশিত হলে শ্রমিকদের তা ভালোভাবে দেখে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং এই আবাসন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে এই আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মন্ত্রী এই প্রকল্পকে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্যে জুটমিল শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের আবাসন সমস্যার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

শ্রমমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, জুটমিল শ্রমিকদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে কুলি লাইনের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন। স্থায়ী ও স্বাস্থ্যকর আবাসন পেলে তাঁদের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে। মাত্র ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ৪৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট পাওয়ার সুযোগ শ্রমিক পরিবারগুলির জন্য আবাসনের ক্ষেত্রে একটি বড় সহায়তা হতে পারে।

তবে এই ফ্ল্যাট পাওয়ার পরেও একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। ঘোষণায় বলা হয়েছে, ফ্ল্যাট পাওয়ার পর পাঁচ বছর পর্যন্ত সেটি বিক্রি করা যাবে না। অর্থাৎ আবাসন পাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের আগে ফ্ল্যাটটি বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকবে। প্রকল্পের চূড়ান্ত নিয়মাবলিতে এই শর্তের বিস্তারিত বিষয় স্পষ্ট করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, জুটমিল শ্রমিকদের আবাসন সমস্যার সমাধানে এই প্রকল্পকে ঘিরে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মাত্র ৫০ হাজার টাকায় ৪৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট, তার সঙ্গে দুটি ঘর, কিচেন ও বাথরুম—এই সুবিধার পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের আর্থিক সহায়তার কথাও জানানো হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের কুলি লাইনে বসবাসকারী জুটমিল শ্রমিক পরিবারগুলির জন্য এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তাঁদের স্থায়ী ও স্বাস্থ্যকর আবাসনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

অনলাইনে আবেদন কবে থেকে শুরু হবে, আবেদন করার জন্য কী কী যোগ্যতা লাগবে, কোন কোন জুটমিলের শ্রমিকরা এই সুবিধা পাবেন এবং কী কী নথি জমা দিতে হবে—এই সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই বিষয়গুলি আরও পরিষ্কার হবে। তাই আগ্রহী শ্রমিকদের সরকারি ঘোষণা ও নির্দেশিকার দিকে নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

news image
আরও খবর

জুটমিল শ্রমিকদের জন্য বড় আবাসন উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিল্পাঞ্চলের কুলি লাইনে অস্বাস্থ্যকর ও অনুন্নত পরিবেশে বসবাস করা জুটমিল শ্রমিক পরিবারগুলির জন্য এবার স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে। ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি জুটমিল শ্রমিক পরিবারকে একটি করে ৪৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। এই ফ্ল্যাটের মোট দাম ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা। তবে পুরো অর্থ শ্রমিক পরিবারকে দিতে হবে না। সরকারি বিভিন্ন অংশের আর্থিক সহায়তার ফলে শ্রমিকের নিজের খরচ পড়বে মাত্র ৫০ হাজার টাকা।

ঘোষণা অনুযায়ী, ফ্ল্যাট তৈরির জন্য অর্থের একটি বড় অংশ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মাধ্যমে দেওয়া হবে। শ্রমিককে দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা। শ্রমদপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে ৭১ হাজার টাকা। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে দেড় লক্ষ টাকা। বাকি ২ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। ফলে মোট ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ফ্ল্যাট শ্রমিক পরিবারগুলি তুলনামূলকভাবে কম নিজস্ব খরচে পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রস্তাবিত ফ্ল্যাটগুলির আয়তন হবে ৪৫০ বর্গফুট। একটি ফ্ল্যাটে থাকবে দুটি ঘর, একটি কিচেন এবং একটি বাথরুম। অর্থাৎ একটি শ্রমিক পরিবারের দৈনন্দিন বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক পরিকাঠামো রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আবাসন প্রকল্পে একেকটি ফ্লোরে চারটি করে ফ্ল্যাট থাকার কথাও জানানো হয়েছে।

এই আবাসন তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের কুলি লাইনে, যেখানে বহু জুটমিল শ্রমিক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং তাঁদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও স্থায়ী বসবাসের পরিবেশ তৈরি করাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে।

এই প্রকল্পের জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। ফলে যোগ্য জুটমিল শ্রমিক পরিবারগুলি কীভাবে আবেদন করবেন, আবেদনের জন্য কী কী নথি প্রয়োজন হবে, কারা এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য এবং আবেদন করার সময়সীমা কতদিন—এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী পর্যায়ে প্রকাশ করা হতে পারে। আবেদন সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশিত হলে শ্রমিকদের তা ভালোভাবে দেখে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং এই আবাসন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে এই আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মন্ত্রী এই প্রকল্পকে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্যে জুটমিল শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের আবাসন সমস্যার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

শ্রমমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, জুটমিল শ্রমিকদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে কুলি লাইনের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন। স্থায়ী ও স্বাস্থ্যকর আবাসন পেলে তাঁদের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে। মাত্র ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ৪৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট পাওয়ার সুযোগ শ্রমিক পরিবারগুলির জন্য আবাসনের ক্ষেত্রে একটি বড় সহায়তা হতে পারে।

তবে এই ফ্ল্যাট পাওয়ার পরেও একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। ঘোষণায় বলা হয়েছে, ফ্ল্যাট পাওয়ার পর পাঁচ বছর পর্যন্ত সেটি বিক্রি করা যাবে না। অর্থাৎ আবাসন পাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের আগে ফ্ল্যাটটি বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকবে। প্রকল্পের চূড়ান্ত নিয়মাবলিতে এই শর্তের বিস্তারিত বিষয় স্পষ্ট করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, জুটমিল শ্রমিকদের আবাসন সমস্যার সমাধানে এই প্রকল্পকে ঘিরে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মাত্র ৫০ হাজার টাকায় ৪৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট, তার সঙ্গে দুটি ঘর, কিচেন ও বাথরুম—এই সুবিধার পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের আর্থিক সহায়তার কথাও জানানো হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের কুলি লাইনে বসবাসকারী জুটমিল শ্রমিক পরিবারগুলির জন্য এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তাঁদের স্থায়ী ও স্বাস্থ্যকর আবাসনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

অনলাইনে আবেদন কবে থেকে শুরু হবে, আবেদন করার জন্য কী কী যোগ্যতা লাগবে, কোন কোন জুটমিলের শ্রমিকরা এই সুবিধা পাবেন এবং কী কী নথি জমা দিতে হবে—এই সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই বিষয়গুলি আরও পরিষ্কার হবে। তাই আগ্রহী শ্রমিকদের সরকারি ঘোষণা ও নির্দেশিকার দিকে নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ। 

Preview image