Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বারবার খিদে পাচ্ছে? ‘ফুড নয়েজ়’ কমানোর সহজ উপায় জেনে নিন

খিদে না পেলেও কি বারবার খাওয়ার কথা মনে পড়ছে? এই অভ্যাসের নেপথ্যে থাকতে পারে ‘ফুড নয়েজ়’। জানুন, কীভাবে সহজ উপায়ে তা কমানো যায়।

ফুড নয়েজ় কী? খিদে না পেলেও সারাক্ষণ খাওয়ার ইচ্ছে হওয়ার কারণ ও কমানোর উপায়

দুপুরে পেট ভরে ভাত খাওয়ার পরেও কি মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করে? বিকেল হতে না হতেই ফুচকা, মোমো, চিপস কিংবা চকোলেটের কথা মনে পড়ে? এমনকি অফিসে কাজ করার সময়ও কি বারবার কিছু না কিছু খেতে ইচ্ছে হয়? অথচ পেটের মধ্যে তেমন খিদে নেই। তবুও খাবারের কথা মাথা থেকে সরানো কঠিন হয়ে পড়ে। এই ধরনের অভিজ্ঞতাকে অনেক সময় ‘ফুড নয়েজ়’ (Food Noise) বলা হয়।

ফুড নয়েজ় বলতে মূলত খাবার নিয়ে বারবার চিন্তা করা, মুখরোচক খাবারের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ অনুভব করা এবং খিদে না থাকলেও খাওয়ার ইচ্ছে হওয়াকে বোঝানো হয়। এটি কোনও নির্দিষ্ট রোগের আনুষ্ঠানিক নাম নয়। তবে খাবারের প্রতি এই ধরনের চিন্তা কারও কারও দৈনন্দিন জীবন, খাদ্যাভ্যাস এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

ফুড নয়েজ় কী?

সহজ ভাষায়, পেট ভরা থাকলেও যখন মস্তিষ্ক বারবার খাবারের কথা মনে করিয়ে দেয়, তখন সেই অভিজ্ঞতাকে ফুড নয়েজ় বলা হয়। যেমন, খাওয়ার পরেও মিষ্টির কথা মনে পড়া, সামাজিক মাধ্যমে খাবারের ছবি দেখে খেতে ইচ্ছে করা কিংবা কাজের ফাঁকে বারবার বিস্কুট বা চিপস খোঁজা।

সাধারণ শারীরিক খিদে এবং ফুড নয়েজ় এক বিষয় নয়। শারীরিক খিদে সাধারণত শরীরের শক্তি ও পুষ্টির প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে, ফুড নয়েজ়ের ক্ষেত্রে খাবারের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হতে পারে অভ্যাস, আবেগ, পরিবেশ, খাবারের গন্ধ কিংবা চোখের সামনে থাকা সুস্বাদু খাবারের কারণে।

তবে এই দুই অভিজ্ঞতা একসঙ্গেও হতে পারে। তাই বারবার খেতে ইচ্ছে হলেই ফুড নয়েজ় হয়েছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

ফুড নয়েজ় হওয়ার ৫টি সম্ভাব্য কারণ

১. মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও একাকিত্ব

মানসিক চাপের সঙ্গে খাওয়ার অভ্যাসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কাজের চাপ, পারিবারিক সমস্যা, একাকিত্ব কিংবা মন খারাপের সময় অনেকেই খাবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি খুঁজে পান।

বিশেষ করে মিষ্টি, ভাজাভুজি এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেলে সাময়িক আনন্দ বা তৃপ্তি অনুভূত হতে পারে। ফলে মন খারাপ হলেই খাবার খোঁজার অভ্যাস তৈরি হতে পারে।

এই ধরনের আবেগ সামলানোর জন্য বারবার খাওয়ার প্রবণতাকে অনেক সময় ইমোশনাল ইটিং (Emotional Eating) বলা হয়। এটি ফুড নয়েজ়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যদিও দুটো এক বিষয় নয়।

২. খাবারের ছবি, গন্ধ ও চোখের সামনে থাকা মুখরোচক খাবার

রাস্তার ধারে ফুচকার দোকান, বেকারির কেক কিংবা সামাজিক মাধ্যমে বিরিয়ানি ও চকোলেটের ছবি দেখলে হঠাৎ খেতে ইচ্ছে করতে পারে।

এর কারণ, খাবারের দৃশ্য, গন্ধ ও স্বাদ সম্পর্কে প্রত্যাশা মস্তিষ্কের পুরস্কার-সম্পর্কিত প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে পারে। ফলে পেট ভরা থাকলেও সুস্বাদু খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়তে পারে।

বাড়িতে বা অফিসে সব সময় চিপস, বিস্কুট, চকোলেট কিংবা মিষ্টি হাতের কাছে থাকলে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তাই খাবারের পরিবেশ এবং সহজলভ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ।

৩. অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির ঘাটতি

সকালের ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা কিংবা খাবারের তালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার না থাকা ক্ষুধা ও তৃপ্তির অনুভূতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রোটিন এবং ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, শুধুমাত্র অল্প পরিমাণে মিষ্টি বা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খেলে কিছুক্ষণ পর আবার খিদে পেতে পারে।

তাই সারাদিন বারবার খাওয়ার ইচ্ছে হলে নিজের খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া দরকার। তবে সব সময় খাবারের কথা মনে পড়ার কারণ পুষ্টির ঘাটতি, এমন নয়।

৪. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব

রাতে কম ঘুম হলে পরের দিন ক্ষুধা, খাবারের প্রতি আকর্ষণ এবং শক্তির অনুভূতিতে পরিবর্তন আসতে পারে। ঘুমের ঘাটতি ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন হরমোন ও মস্তিষ্কের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।

ফলে ক্লান্ত অবস্থায় মিষ্টি, ভাজাভুজি কিংবা উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়তে পারে। রাতে দেরি করে ঘুমোনো, অনিয়মিত ঘুমের সময় এবং ঘন ঘন ঘুম ভেঙে যাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেগুলিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতি রাতে ৭–৯ ঘণ্টা ঘুমের লক্ষ্য রাখা উপকারী।

৫. অভ্যাসবশত বারবার খাওয়া

অনেক সময় খিদে না থাকলেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়। যেমন, টিভি দেখতে দেখতে চিপস খাওয়া, অফিসে কম্পিউটারের সামনে বসে বিস্কুট খাওয়া কিংবা মোবাইল ব্যবহার করার সময় বারবার কিছু মুখে দেওয়া।

দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে নির্দিষ্ট সময় বা পরিবেশের সঙ্গে খাওয়ার ইচ্ছা যুক্ত হয়ে যেতে পারে। ফলে প্রকৃত খিদে না থাকলেও হাত খাবারের দিকে চলে যায়।

এই অভ্যাস বুঝতে পারলে ধীরে ধীরে খাওয়ার ধরন পরিবর্তন করা সম্ভব।

ফুড নয়েজ় কমানোর ৭টি সহজ উপায়

১. সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, শাকসবজি, ফল এবং প্রয়োজনমতো কার্বোহাইড্রেট রাখুন। ডাল, ডিম, মাছ, দুধ বা দই, ছোলা, বিভিন্ন শাকসবজি এবং ফল থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যেতে পারে।

শুধু ওজন কমানোর জন্য খাবার অতিরিক্ত কমিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। পর্যাপ্ত খাবার না খেলে বরং ক্ষুধা এবং খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়তে পারে।

২. নিয়মিত সময়ে খাবার খান

সকালের ব্রেকফাস্ট, দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবারের জন্য একটি সুবিধাজনক সময়সূচি তৈরি করুন। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে যদি অতিরিক্ত খিদে তৈরি হয়, তাহলে প্রয়োজনমতো মাঝখানে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খেতে পারেন।

তবে প্রত্যেকের খাবারের প্রয়োজন এক নয়। নিজের ক্ষুধা, দৈনন্দিন কাজ এবং শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ ঠিক করা ভালো।

৩. স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হাতের কাছে রাখুন

অফিস বা বাড়িতে বারবার চিপস, কেক কিংবা চকোলেট খাওয়ার পরিবর্তে ফল, অল্প পরিমাণ বাদাম, ভাজা ছোলা বা চিনি ছাড়া দইয়ের মতো বিকল্প রাখতে পারেন।

এতে খিদে পেলে সহজে পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া যায়। পছন্দের সব খাবার একেবারে নিষিদ্ধ করার দরকার নেই। বরং পরিমাণ ও খাওয়ার অভ্যাসের মধ্যে ভারসাম্য রাখা বেশি কার্যকর।

৪. খাওয়ার আগে নিজের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করুন

কিছু খাওয়ার ইচ্ছে হলেই নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন—সত্যিই কি খিদে পেয়েছে? শেষ কখন খেয়েছি? নাকি বিরক্তি, দুশ্চিন্তা বা ক্লান্তির কারণে কিছু খেতে ইচ্ছে করছে?

news image
আরও খবর

এই প্রশ্নগুলি নিজের খাওয়ার অভ্যাস বুঝতে সাহায্য করতে পারে। খিদে না থাকলে কিছুক্ষণ অন্য কাজে মন দিতে পারেন। তবে প্রকৃত খিদে থাকলে অযথা খাবার এড়িয়ে যাবেন না।

৫. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন

প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করুন। ঘুমের আগে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার কমানো, শান্ত পরিবেশে থাকা এবং বিকেলের পর ক্যাফেইন কমানো অনেকের ক্ষেত্রে ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত ঘুম খাবারের প্রতি আকর্ষণ এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

৬. মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন

মন খারাপ বা দুশ্চিন্তা হলেই খাবারের উপর নির্ভর না করে অন্য উপায়ে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করুন। যেমন, হাঁটতে যাওয়া, গান শোনা, পছন্দের কাজ করা, বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে কথা বলা কিংবা কয়েক মিনিট ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়া।

এগুলি মানসিক চাপ সামলানোর সহায়ক পদ্ধতি হতে পারে। তবে দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ থাকলে বা আবেগের কারণে খাওয়ার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

৭. খাবার খাওয়ার সময় মনোযোগ দিন

টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটারের সামনে বসে খাওয়ার বদলে সম্ভব হলে খাবারের সময় খাবারের দিকেই মনোযোগ দিন। ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান এবং পেট ভরার অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করুন।

কখন, কী এবং কেন খেতে ইচ্ছে করছে, তা কয়েক দিন লিখে রাখলেও নিজের অভ্যাস সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এই অভ্যাসকে মাইন্ডফুল ইটিং (Mindful Eating) বলা হয়।

ফুড নয়েজ় কি ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে?

ফুড নয়েজ়ের কারণে কেউ যদি বারবার খাবার খান এবং শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করেন, তাহলে সময়ের সঙ্গে ওজন বাড়তে পারে। তবে ফুড নয়েজ় থাকা মানেই ওজন বাড়বে, এমন নয়।

ওজনের উপর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, ঘুম, জিনগত বৈশিষ্ট্য, ওষুধ এবং বিভিন্ন শারীরিক অবস্থার প্রভাব রয়েছে। তাই শুধু খাবারের চিন্তাকে ওজন বৃদ্ধির একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা উচিত নয়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

যদি খাবার নিয়ে চিন্তা এতটাই বেড়ে যায় যে কাজ, পড়াশোনা, ঘুম বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়, তাহলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো। বারবার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অতিরিক্ত খাওয়া, খাওয়া নিয়ে তীব্র অপরাধবোধ অথবা ওজনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলেও সাহায্য নেওয়া উচিত।

এ ছাড়া অস্বাভাবিক ক্ষুধার সঙ্গে অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, দুর্বলতা বা অকারণে ওজন কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের কাছে যান। এসবের পেছনে অন্য শারীরিক কারণ থাকতে পারে।

নিজে থেকে ক্ষুধা কমানোর ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঠিক নয়।

ফুড নয়েজ় সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. ফুড নয়েজ় কী?

খিদে না পেলেও বারবার খাবারের কথা মনে পড়া এবং মুখরোচক খাবার খেতে ইচ্ছে হওয়ার অভিজ্ঞতাকে ফুড নয়েজ় বলা হয়।

২. ফুড নয়েজ় কেন হয়?

মানসিক চাপ, খাবারের গন্ধ বা ছবি, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের অভাব এবং অভ্যাসবশত খাওয়ার কারণে এই প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

৩. ফুড নয়েজ় কি কোনও রোগ?

ফুড নয়েজ় নিজে কোনও নির্দিষ্ট রোগের আনুষ্ঠানিক নাম নয়। তবে এর পেছনে থাকা কারণ বা অতিরিক্ত খাওয়ার সমস্যা মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।

৪. ফুড নয়েজ় কমাতে কী খাবেন?

প্রোটিন ও ফাইবারসমৃদ্ধ সুষম খাবার খান। ডাল, ডিম, মাছ, ফল, শাকসবজি, ছোলা এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

৫. ফুড নয়েজ় কমাতে কি সব মিষ্টি ও মুখরোচক খাবার বন্ধ করতে হবে?

না। সব পছন্দের খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, উপযুক্ত পরিমাণ এবং খাবারের প্রতি সচেতন মনোভাব বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

৬. ফুড নয়েজ় কি মানসিক চাপের কারণে হতে পারে?

হ্যাঁ, মানসিক চাপ ও আবেগের সঙ্গে খাবারের আকাঙ্ক্ষার সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে সব ক্ষেত্রে মানসিক চাপই একমাত্র কারণ নয়।

উপসংহার

ফুড নয়েজ় বা সারাক্ষণ খাওয়ার চিন্তা অনেকের দৈনন্দিন জীবনের একটি পরিচিত অভিজ্ঞতা। তবে খিদে না পেলেও বারবার খেতে ইচ্ছে হলে নিজের খাদ্যাভ্যাস, ঘুম, মানসিক চাপ এবং খাবার খাওয়ার পরিবেশের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

নিয়মিত সুষম খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস বেছে নেওয়া এবং নিজের খাওয়ার অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হওয়া এই প্রবণতা সামলাতে সাহায্য করতে পারে। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, লক্ষ্য শুধু খাওয়ার ইচ্ছা দমন করা নয়; বরং শরীরের প্রকৃত চাহিদা বুঝে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা।

Preview image