সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Short Description): নতুন বছরের শুরুতেই সংস্কারের কাজের জন্য বেলঘরিয়া ফ্লাইওভার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। এই সময় যান চলাচলের জন্য প্রশাসনের তরফে একাধিক বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে যাত্রীদের অসুবিধা কম হয়।
নতুন বছরের শুরুতেই উত্তর কলকাতা ও তার আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার যান চলাচলে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। বেলঘরিয়া ফ্লাইওভারের সংস্কার কাজ শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভারটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই ফ্লাইওভারের একাধিক অংশে ফাটল, কংক্রিটের ক্ষয়, লোহার রড বেরিয়ে আসা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাব নিয়ে অভিযোগ উঠছিল। সেই সব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যেই এবার বড় আকারের সংস্কার কাজের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বেলঘরিয়া ফ্লাইওভার উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ দমদম, বেলঘরিয়া, ব্যারাকপুর এবং বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি এই ফ্লাইওভার ব্যবহার করে। অফিসযাত্রী, পণ্যবাহী ট্রাক, বাস, অ্যাম্বুল্যান্স থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই এই রাস্তার উপর নির্ভরশীল। ফলে ফ্লাইওভার বন্ধ থাকলে যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় প্রভাব পড়বে, তা স্বাভাবিকভাবেই অনুমান করা যায়। তবুও নিরাপত্তার স্বার্থে এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি এড়াতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ফ্লাইওভারের কাঠামোর ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়েছে। ভারী যানবাহনের চলাচল, বর্ষার জল জমে থাকা এবং দূষণের প্রভাব মিলিয়ে ফ্লাইওভারের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। ইঞ্জিনিয়ারদের রিপোর্ট অনুযায়ী, সময়মতো সংস্কার না করলে ভবিষ্যতে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই কারণেই নতুন বছরের শুরুতেই সংস্কারের কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংস্কার কাজ চলাকালীন ফ্লাইওভারে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এতে করে প্রথম দিকে কিছুটা যানজট এবং ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে প্রশাসন স্বীকার করেছে। তবে এই অসুবিধা সাময়িক এবং দীর্ঘমেয়াদে এটি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্যই করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে, যাতে যান চলাচল পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে না পড়ে।
যানবাহন চালকদের জন্য বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে, বি টি রোড, জেসোর রোড এবং ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একাধিক রাস্তা ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ ইতিমধ্যেই এই রুটগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে, যাতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। বিশেষ করে অফিস টাইমে এবং স্কুল-কলেজ খোলার সময় যাতে বড় ধরনের সমস্যা না হয়, সে দিকেও নজর রাখা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই ফ্লাইওভারের অবস্থা খারাপ ছিল এবং মাঝেমধ্যে ছোটখাটো দুর্ঘটনার খবরও পাওয়া যাচ্ছিল। অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন যে রাতে ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগে, কারণ কিছু অংশে আলো কম এবং রাস্তার অবস্থা খারাপ। তাই সময় থাকতে সংস্কার কাজ শুরু হওয়াই বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, কিছু নিত্যযাত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ফ্লাইওভার বন্ধ থাকলে বিকল্প রাস্তায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ পড়বে এবং যাতায়াতে সময় অনেকটাই বেড়ে যাবে। বিশেষ করে অফিসযাত্রীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে রুট পরিবর্তন করে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
সংস্কার কাজের মধ্যে ফ্লাইওভারের কংক্রিটের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত, লোহার রডের জং ধরা অংশ বদলানো, নতুন করে রোড সারফেসিং, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি এবং আলো ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে নতুন গার্ড রেল বসানো এবং সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে ফ্লাইওভারকে আরও মজবুত ও নিরাপদ করে তোলাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
প্রশাসনের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে। তবে আবহাওয়া, প্রযুক্তিগত সমস্যা বা অন্য কোনও অপ্রত্যাশিত কারণে কাজের সময়সীমা কিছুটা বাড়তেও পারে। সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ধরার আবেদন জানানো হয়েছে। কারণ এই সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ হলে আগামী বহু বছর ধরে নিরাপদে ফ্লাইওভার ব্যবহার করা যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরের পুরনো পরিকাঠামো সময়মতো সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি। কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বহু ফ্লাইওভার ও সেতু রয়েছে, যেগুলি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হলে সেগুলি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বেলঘরিয়া ফ্লাইওভারের ক্ষেত্রে প্রশাসন যে আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছে, তা ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, বেলঘরিয়া ফ্লাইওভারের সংস্কার কাজ নতুন বছরের শুরুতে সাধারণ মানুষের জীবনে কিছুটা অস্বস্তি আনলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি নিরাপত্তা ও সুবিধার দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। সাময়িক ভোগান্তি মেনে নিয়ে যদি ভবিষ্যতে নিরাপদ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা পাওয়া যায়, তবে এই সিদ্ধান্তকে যুক্তিসঙ্গত বলেই মনে করছেন অনেকেই। প্রশাসনের পরিকল্পনা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর হয়, তার উপরই নির্ভর করবে এই সংস্কার পর্ব কতটা সফলভাবে সম্পন্ন করা যায়।
নতুন বছরের শুরুতেই উত্তর কলকাতা ও তার আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার যান চলাচলে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। বেলঘরিয়া ফ্লাইওভারের সংস্কার কাজ শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভারটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই ফ্লাইওভারের একাধিক অংশে ফাটল, কংক্রিটের ক্ষয়, লোহার রড বেরিয়ে আসা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাব নিয়ে অভিযোগ উঠছিল। সেই সব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যেই এবার বড় আকারের সংস্কার কাজের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বেলঘরিয়া ফ্লাইওভার উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ দমদম, বেলঘরিয়া, ব্যারাকপুর এবং বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি এই ফ্লাইওভার ব্যবহার করে। অফিসযাত্রী, পণ্যবাহী ট্রাক, বাস, অ্যাম্বুল্যান্স থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই এই রাস্তার উপর নির্ভরশীল। ফলে ফ্লাইওভার বন্ধ থাকলে যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় প্রভাব পড়বে, তা স্বাভাবিকভাবেই অনুমান করা যায়। তবুও নিরাপত্তার স্বার্থে এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি এড়াতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ফ্লাইওভারের কাঠামোর ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়েছে। ভারী যানবাহনের চলাচল, বর্ষার জল জমে থাকা এবং দূষণের প্রভাব মিলিয়ে ফ্লাইওভারের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। ইঞ্জিনিয়ারদের রিপোর্ট অনুযায়ী, সময়মতো সংস্কার না করলে ভবিষ্যতে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই কারণেই নতুন বছরের শুরুতেই সংস্কারের কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংস্কার কাজ চলাকালীন ফ্লাইওভারে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এতে করে প্রথম দিকে কিছুটা যানজট এবং ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে প্রশাসন স্বীকার করেছে। তবে এই অসুবিধা সাময়িক এবং দীর্ঘমেয়াদে এটি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্যই করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে, যাতে যান চলাচল পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে না পড়ে।
যানবাহন চালকদের জন্য বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে, বি টি রোড, জেসোর রোড এবং ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একাধিক রাস্তা ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ ইতিমধ্যেই এই রুটগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে, যাতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। বিশেষ করে অফিস টাইমে এবং স্কুল-কলেজ খোলার সময় যাতে বড় ধরনের সমস্যা না হয়, সে দিকেও নজর রাখা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই ফ্লাইওভারের অবস্থা খারাপ ছিল এবং মাঝেমধ্যে ছোটখাটো দুর্ঘটনার খবরও পাওয়া যাচ্ছিল। অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন যে রাতে ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগে, কারণ কিছু অংশে আলো কম এবং রাস্তার অবস্থা খারাপ। তাই সময় থাকতে সংস্কার কাজ শুরু হওয়াই বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, কিছু নিত্যযাত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ফ্লাইওভার বন্ধ থাকলে বিকল্প রাস্তায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ পড়বে এবং যাতায়াতে সময় অনেকটাই বেড়ে যাবে। বিশেষ করে অফিসযাত্রীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে রুট পরিবর্তন করে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
সংস্কার কাজের মধ্যে ফ্লাইওভারের কংক্রিটের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত, লোহার রডের জং ধরা অংশ বদলানো, নতুন করে রোড সারফেসিং, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি এবং আলো ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে নতুন গার্ড রেল বসানো এবং সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে ফ্লাইওভারকে আরও মজবুত ও নিরাপদ করে তোলাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
প্রশাসনের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে। তবে আবহাওয়া, প্রযুক্তিগত সমস্যা বা অন্য কোনও অপ্রত্যাশিত কারণে কাজের সময়সীমা কিছুটা বাড়তেও পারে। সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ধরার আবেদন জানানো হয়েছে। কারণ এই সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ হলে আগামী বহু বছর ধরে নিরাপদে ফ্লাইওভার ব্যবহার করা যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরের পুরনো পরিকাঠামো সময়মতো সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি। কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বহু ফ্লাইওভার ও সেতু রয়েছে, যেগুলি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হলে সেগুলি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বেলঘরিয়া ফ্লাইওভারের ক্ষেত্রে প্রশাসন যে আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছে, তা ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, বেলঘরিয়া ফ্লাইওভারের সংস্কার কাজ নতুন বছরের শুরুতে সাধারণ মানুষের জীবনে কিছুটা অস্বস্তি আনলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি নিরাপত্তা ও সুবিধার দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। সাময়িক ভোগান্তি মেনে নিয়ে যদি ভবিষ্যতে নিরাপদ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা পাওয়া যায়, তবে এই সিদ্ধান্তকে যুক্তিসঙ্গত বলেই মনে করছেন অনেকেই। প্রশাসনের পরিকল্পনা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর হয়, তার উপরই নির্ভর করবে এই সংস্কার পর্ব কতটা সফলভাবে সম্পন্ন করা যায়।