ভারতের বিরুদ্ধে ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলা টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের আগেই বড় ধাক্কা খেল নিউজিল্যান্ড শিবির। সিরিজ় শুরুর আগে দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারকে হারানোয় চিন্তা বাড়ল কিউয়ি শিবিরে। তাঁদের অনুপস্থিতি আসন্ন সিরিজ়ে দলের শক্তি ও পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।
ঘরের মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরু হওয়ার আগেই বড়সড় ধাক্কা খেল নিউজ়িল্যান্ড। চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেলেন দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার মার্ক চ্যাপম্যান এবং জ্যাক ফোক্স। শুক্রবার নিউজ়িল্যান্ড ক্রিকেটের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানানো হয়েছে। তাঁদের পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন অলরাউন্ডার জশ ক্লার্কসন এবং অভিজ্ঞ পেসার ব্লেয়ার টিকনার। ফলে ভারতের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের প্রস্তুতির মধ্যেই দল সাজানোর পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হচ্ছে কিউয়ি শিবিরকে।
আগামী ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে ভারত ও নিউজ়িল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়। দুই দলের কাছেই এই সিরিজ় গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে যেমন নিজেদের ঘরের মাঠে ভালো ফল করতে চাইবে নিউজ়িল্যান্ড, অন্যদিকে তেমনই প্রতিপক্ষের মাঠে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের লক্ষ্য নিয়ে নামবে ভারত। এমন পরিস্থিতিতে সিরিজ়ের আগে দুই ক্রিকেটারের চোট নিউজ়িল্যান্ডের পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার। যদিও দুই ক্রিকেটারের পরিবর্তে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার কথা মাথায় রেখেই বিকল্প বেছে নিয়েছে কিউয়ি টিম ম্যানেজমেন্ট।
নিউজ়িল্যান্ডের মিডল অর্ডারের অন্যতম ভরসা মার্ক চ্যাপম্যান। বাঁহাতি এই ব্যাটার সীমিত ওভারের ক্রিকেটে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। মাঝের ওভারে ইনিংস সামলানো, প্রয়োজন অনুযায়ী রান তোলার গতি বাড়ানো এবং চাপের মুখে ব্যাট করার মতো দায়িত্ব থাকে তাঁর উপর। তাই ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের আগে চ্যাপম্যানের ছিটকে যাওয়া নিউজ়িল্যান্ডের কাছে বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগের (ETPL) উদ্বোধনী আসরে খেলতে গিয়ে চোট পান চ্যাপম্যান। দৌড়নোর সময় তাঁর বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট লাগে। হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যা ক্রিকেটারদের দৌড়নো, দ্রুত দিক পরিবর্তন করা এবং মাঠে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুত রান নেওয়া, বাউন্ডারি বাঁচাতে ছোটা এবং ফিল্ডিংয়ের সময় ক্ষিপ্রতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে পুরোপুরি সুস্থ না হয়ে মাঠে নামলে চোট আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সেই কারণেই ভারতের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে চ্যাপম্যানকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে নিউজ়িল্যান্ড শিবিরের আশা, পরবর্তী পাঁচ ম্যাচের এক দিনের আন্তর্জাতিক (ODI) সিরিজ় শুরু হওয়ার আগে তিনি পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারবেন। যদিও তাঁর প্রত্যাবর্তন নির্ভর করবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার উপর।
চ্যাপম্যানের অনুপস্থিতিতে মিডল অর্ডারে নতুন সমন্বয় খুঁজতে হতে পারে নিউজ়িল্যান্ডকে। দলের অন্য ব্যাটারদের উপর অতিরিক্ত দায়িত্ব আসতে পারে। বিশেষ করে ভারতের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে মাঝের ওভারগুলিতে উইকেট ধরে রেখে রান তোলার ক্ষেত্রে কিউয়ি ব্যাটারদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
চ্যাপম্যানের পাশাপাশি চোটের কারণে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় থেকে ছিটকে গিয়েছেন তরুণ ফাস্ট বোলার জ্যাক ফোক্স। ক্যান্টারবারির হয়ে অনুশীলনের সময় চোট পান তিনি। নেটে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তাঁর ডান হিপ ফ্লেক্সরে টান লাগে বলে জানা গিয়েছে।
ক্রিকেটে হিপ ফ্লেক্সর পেশি দৌড়নো, হাঁটু তোলা এবং শরীরের নড়াচড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে একজন ফাস্ট বোলারের ক্ষেত্রে দৌড়ে এসে বল করা, শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ডেলিভারির পরে স্বাভাবিকভাবে গতি কমানোর জন্য শরীরের বিভিন্ন পেশির উপর চাপ পড়ে। ফলে এই ধরনের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠার আগে মাঠে নামা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ফোক্সের পুনর্বাসন কবে শুরু হবে এবং তিনি কবে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন, তা চিকিৎসকদের পরামর্শের উপর নির্ভর করছে। তাঁর চোটের প্রকৃত অবস্থা এবং সুস্থ হয়ে ওঠার সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না থাকায় প্রত্যাবর্তনের নির্দিষ্ট দিন বলা সম্ভব নয়।
তরুণ পেসার হিসেবে ফোক্সের কাছে এই সিরিজ় ছিল নিজের দক্ষতা তুলে ধরার একটি সুযোগ। কিন্তু চোটের কারণে সেই সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশ হওয়ার কথা তাঁর। অন্যদিকে, দলের বোলিং বিভাগে বিকল্প খেলোয়াড়কে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দুই ক্রিকেটার ছিটকে যাওয়ার পর দ্রুত বিকল্প বেছে নিয়েছে নিউজ়িল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁদের পরিবর্তে দলে নেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার জশ ক্লার্কসন এবং অভিজ্ঞ পেসার ব্লেয়ার টিকনারকে।
জশ ক্লার্কসনের অন্তর্ভুক্তি দলের ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই বিকল্প তৈরি করতে পারে। একজন অলরাউন্ডার হিসেবে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁকে বিভিন্ন ভূমিকায় ব্যবহার করা সম্ভব। চ্যাপম্যানের অনুপস্থিতিতে ব্যাটিংয়ের গভীরতা বাড়ানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বোলিংয়ের বিকল্প হিসেবেও ক্লার্কসনকে কাজে লাগানো যেতে পারে।
অন্যদিকে, ব্লেয়ার টিকনারের অভিজ্ঞতা নিউজ়িল্যান্ডের পেস বিভাগকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। ফোক্সের পরিবর্তে তাঁকে দলে নেওয়ায় বোলিং আক্রমণে অভিজ্ঞতার ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছে কিউয়ি শিবির।
নতুন দুই ক্রিকেটারের অন্তর্ভুক্তি দলের পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে তাঁদের খেলার সুযোগ এবং মাঠের পারফরম্যান্সের উপর। তবে সিরিজ়ের আগে বিকল্প ক্রিকেটারদের প্রস্তুত রাখা যে কোনও আন্তর্জাতিক দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
দুই ক্রিকেটারের চোটের খবরে হতাশা প্রকাশ করেছেন নিউজ়িল্যান্ডের প্রধান কোচ রব ওয়াল্টার। একই সঙ্গে বিকল্প ক্রিকেটারদের নিয়ে আশাবাদী তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মার্ক চ্যাপম্যান এবং জ্যাক ফোক্সের চোট দলের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। তবে জশ ক্লার্কসন ও ব্লেয়ার টিকনারের মতো ক্রিকেটার দলে থাকায় বিকল্প নিয়ে আশাবাদী নিউজ়িল্যান্ড শিবির।
কোচের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, চোটের ধাক্কা সামলেও ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট খেলার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী কিউয়িরা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সিরিজ় শুরুর আগে চোট-আঘাত নতুন ঘটনা নয়। তবে সঠিক সময়ে বিকল্প খেলোয়াড়দের প্রস্তুত রাখা এবং তাঁদের দলের পরিকল্পনার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াই কোচিং স্টাফের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
চ্যাপম্যান ও ফোক্সের অনুপস্থিতিতে অন্য ক্রিকেটারদের সামনে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘ সফরে একাধিক ফরম্যাটে খেলতে হলে দলের বেঞ্চের শক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ভারত ও নিউজ়িল্যান্ডের ক্রিকেটীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা বরাবরই আকর্ষণীয়। দুই দলই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও তাদের লড়াই ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ যথেষ্ট।
আপনার দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের কাছে হারতে হয়েছিল নিউজ়িল্যান্ডকে। সেই হারের স্মৃতি আসন্ন সিরিজ়ে কিউয়ি ক্রিকেটারদের বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে। যদিও একটি টুর্নামেন্টের ফাইনাল এবং দ্বিপাক্ষিক সিরিজ়ের পরিস্থিতি এক নয়, তবু বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতা দুই দলের মানসিক প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্বকাপের ফাইনালে হারার পর ঘরের মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে ভালো ফল করতে চাইবে নিউজ়িল্যান্ড। নিজেদের দর্শকদের সামনে সিরিজ় জেতার লক্ষ্য যেমন থাকবে, তেমনই প্রতিপক্ষের শক্তিশালী ব্যাটিং ও বোলিং বিভাগকে চ্যালেঞ্জ জানাতে হবে তাদের।
তবে সিরিজ়ের ফল নির্ধারিত হবে মাঠের পারফরম্যান্সের উপর। অতীতের জয়-পরাজয় বা প্রতিশোধের মানসিকতার পাশাপাশি বর্তমান ফর্ম, পিচের চরিত্র, দল নির্বাচন এবং ম্যাচের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে নিউজ়িল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মিচেল স্যান্টনার। তাঁর নেতৃত্বে দলে রাখা হয়েছে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি একাধিক তরুণ খেলোয়াড়কেও। ফলে দলটিতে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশ্রণ রয়েছে।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়কের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, বোলারদের সঠিক সময়ে ব্যবহার করা, ফিল্ডিং সাজানো এবং ব্যাটিংয়ের সময় পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল বদলানো—সব ক্ষেত্রেই অধিনায়ককে সক্রিয় থাকতে হয়। স্যান্টনারের সামনে তাই শুধু ভারতকে হারানোর চ্যালেঞ্জ নয়, চোটের কারণে পরিবর্তিত দলকে দ্রুত ছন্দে ফেরানোর দায়িত্বও থাকবে।
দলের ব্যাটিং বিভাগে টিম সাইফার্ট এবং ফিন অ্যালেনের মতো আগ্রাসী ওপেনারদের উপর নজর থাকবে। পাওয়ার প্লে-তে দ্রুত রান তুলতে পারলে পরের ব্যাটারদের জন্য সুবিধাজনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেট ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
ডেভন কনওয়ে, ড্যারিল মিচেল এবং গ্লেন ফিলিপসের মতো ক্রিকেটাররাও দলের ব্যাটিং শক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা মাঝের ওভারে ইনিংস সামলানো এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রান তোলার গতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে।
বোলিং বিভাগেও নিউজ়িল্যান্ডের সামনে থাকবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে রাখতে পেসারদের সঠিক লাইন-লেন্থ বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে মাঝের ওভারে রান নিয়ন্ত্রণের জন্য স্পিনারদেরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রদত্ত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২২ অক্টোবর ক্রাইস্টচার্চে শুরু হওয়ার কথা পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়। পরবর্তী ম্যাচগুলির জন্য ওয়েলিংটন, অকল্যান্ড ও হ্যামিল্টনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ সূচি, ম্যাচের তারিখ এবং ভেন্যু সম্পর্কে প্রকাশের আগে নিউজ়িল্যান্ড ক্রিকেটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা মিলিয়ে নেওয়া উচিত।
টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের পরে দুই দলের মধ্যে পাঁচ ম্যাচের এক দিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ় এবং দুটি টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অর্থাৎ, সফরটি দীর্ঘ হলে ক্রিকেটারদের ফিটনেস, দলের গভীরতা এবং বিভিন্ন ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
বিশেষ করে একাধিক ফরম্যাটের সিরিজ়ে চোটের সমস্যা দলের পরিকল্পনায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। একজন ক্রিকেটার টি-টোয়েন্টিতে না খেললেও পরবর্তী ফরম্যাটে ফিরতে পারেন, আবার পুনর্বাসন দীর্ঘ হলে আরও বেশি ম্যাচে অনুপস্থিত থাকতে হতে পারে। তাই চ্যাপম্যানের ফিটনেস এবং ফোক্সের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার উপর নজর থাকবে নিউজ়িল্যান্ডের।
প্রদত্ত দলতালিকা অনুযায়ী, নিউজ়িল্যান্ডের স্কোয়াডে রয়েছেন—
মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক)
ফিন অ্যালেন
মাইকেল ব্রেসওয়েল
জশ ক্লার্কসন
ডেভন কনওয়ে
জ্যাকব ডাফি
লকি ফার্গুসন
ম্যাট হেনরি
বেভন জ্যাকবস
কাইল জেমিসন
অ্যাডাম মিলনে
ড্যারিল মিচেল
গ্লেন ফিলিপস
টিম সাইফার্ট
নাথান স্মিথ
ব্লেয়ার টিকনার
এই তালিকায় চ্যাপম্যান ও ফোক্সের পরিবর্তে ক্লার্কসন ও টিকনারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রকাশের আগে স্কোয়াডের সরকারি বানান, খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তি এবং চূড়ান্ত তালিকা সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ঘোষণা থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।
ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের আগে মার্ক চ্যাপম্যান ও জ্যাক ফোক্সের চোট নিউজ়িল্যান্ডের জন্য নিঃসন্দেহে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। একদিকে মিডল অর্ডারের ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে, অন্যদিকে পেস বোলিং বিভাগেও বিকল্পের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে কিউয়ি শিবিরকে। তবে জশ ক্লার্কসন ও ব্লেয়ার টিকনারের অন্তর্ভুক্তি দলকে নতুন বিকল্প দিয়েছে।
মিচেল স্যান্টনারের নেতৃত্বে নিউজ়িল্যান্ড ঘরের মাঠে কতটা শক্তিশালী ক্রিকেট খেলতে পারে, তা দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা। অন্যদিকে, ভারতের বিরুদ্ধে এই সিরিজ়ে দুই দলের ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সও পরবর্তী দীর্ঘ সফরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। শেষ পর্যন্ত চোটের সমস্যা সামলে কিউয়িরা কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারে, তার উত্তর মিলবে মাঠেই।