Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বিহারের আকাশে ঘূর্ণাবর্ত! পুজোয় বাংলার আবহাওয়া কেমন, কবে বিদায় নেবে বর্ষা?

উত্তরের পাঁচ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে হতে পারে বৃষ্টি।

পুজোর মুখে বাংলার আবহাওয়া নিয়ে ফের তৈরি হয়েছে কৌতূহল। বিহার, সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশ এবং অসমের উপর ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, এর প্রভাবে কি আবারও বৃষ্টিতে ভাসতে পারে পশ্চিমবঙ্গ? দুর্গাপুজোর আগে বৃষ্টির আশঙ্কা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই চিন্তা রয়েছে। বিশেষ করে পুজোর কেনাকাটা, মণ্ডপ পরিদর্শন, ঠাকুর দেখা এবং বিভিন্ন পুজো পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আবহাওয়ার পূর্বাভাস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে আপাতত হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বাংলায় ভারী বৃষ্টির কোনও বড় সম্ভাবনার কথা বলা হয়নি।

ভারতের আবহাওয়া দফতর এবং আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্রের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ৩ অক্টোবর গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই। তবে দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় স্থানীয়ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে। ফলে পুজোর মুখে একেবারে বৃষ্টিমুক্ত আবহাওয়া থাকবে, এমনটা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

বিহার-উত্তরপ্রদেশ-অসমে ঘূর্ণাবর্ত, বাংলায় কী প্রভাব?

বিহার, সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশ এবং অসমের উপর ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার খবর সামনে আসার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হলেই যে তার সরাসরি প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টি হবে, এমনটা নয়। সেই কারণে বর্তমান পূর্বাভাসে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও স্থানীয়ভাবে মেঘ তৈরি এবং হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

পুজোর আগে এই পরিস্থিতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অক্টোবরের শুরুতেই বর্ষার বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ এখনও যথেষ্ট বেশি। এর ফলে দিনের বিভিন্ন সময়ে মেঘলা আকাশ, আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি এবং কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি দেখা যেতে পারে।

শনিবার কলকাতার আবহাওয়া কেমন?

শনিবার কলকাতায় বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ আংশিক থেকে মেঘলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

তবে কলকাতায় ভারী বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই। অর্থাৎ শহরের বাসিন্দাদের জন্য আপাতত বড় ধরনের বর্ষণের আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে না। RMC Kolkata-র ৩ অক্টোবরের তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা-আলিপুরে সকালে তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। ফলে বৃষ্টি কম হলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকতে পারে।

দক্ষিণবঙ্গে কোথায় বৃষ্টির সম্ভাবনা?

শনিবার দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও সংলগ্ন কয়েকটি জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য কয়েকটি জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বৃষ্টিকে আপাতত ব্যাপক বর্ষণ হিসেবে দেখছে না আবহাওয়া দফতর। ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও নেই।

গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৩ অক্টোবর থেকে পরবর্তী কয়েকদিনের সতর্কতা তালিকাতেও কোনও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেখানো হয়নি। ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ এবং ৯ অক্টোবরের জন্য গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে কোনও সতর্কতা নেই বলে RMC Kolkata জানিয়েছে।

রবিবার থেকে কী পরিবর্তন হতে পারে?

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনাও ধীরে ধীরে কমতে পারে। অর্থাৎ শনিবার যে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তা পরবর্তী সময়ে আরও কমে আসার ইঙ্গিত রয়েছে।

তবে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় বৃষ্টি না হলেও গরম ও ভ্যাপসা অনুভূতি থাকতে পারে। দিনের বেলায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়তে পারে। তাই পুজোর বাজার বা বাইরে বেরোনোর সময় বৃষ্টির তুলনায় গরম ও আর্দ্রতার বিষয়টিও মাথায় রাখা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা নেই

বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে অন্তত আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই। ফলে পুজোর মুখে হঠাৎ করে বড়সড় বর্ষণের আশঙ্কা আপাতত তৈরি হয়নি।

অবশ্য আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তনশীল। নতুন করে কোনও নিম্নচাপ, ঘূর্ণাবর্ত বা অন্য কোনও আবহাওয়াজনিত সিস্টেম তৈরি হলে পূর্বাভাস পরিবর্তিত হতে পারে। তাই দুর্গাপুজোর দিনগুলির আবহাওয়া সম্পর্কে আরও নির্দিষ্ট ছবি পেতে পরবর্তী কয়েকদিনের আপডেট গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি

দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা বেশি। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি—উত্তরের এই পাঁচ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে পাহাড় ও ডুয়ার্স সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় আবহাওয়ার কারণে বৃষ্টির প্রবণতা দেখা যেতে পারে। রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পংয়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে।

তবে সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পরিমাণ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির যে প্রবণতা থাকবে, সেটিও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার ইঙ্গিত নেই।

দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে কেমন আবহাওয়া?

দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে অক্টোবরের শুরুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সব জায়গায় একসঙ্গে ভারী বৃষ্টি হবে, এমন পূর্বাভাস নেই। পাহাড়ি এলাকায় স্থানীয় মেঘ ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে।

বিশেষ করে রবিবার কালিম্পংয়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকতে পারে। ফলে পুজোর আগে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে স্থানীয় আবহাওয়ার আপডেট দেখে বেরোনো উপযোগী।

জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে নজর

উত্তরবঙ্গের সমতল ও ডুয়ার্স অঞ্চলে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার এই দুই জেলাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমার সম্ভাবনা থাকায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নত হতে পারে। তাই পুজোর সময় উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া নিয়ে এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই; বরং প্রতিদিনের পূর্বাভাস নজরে রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।

কবে বিদায় নেবে বর্ষা?

পশ্চিমবঙ্গে বর্ষার বিদায় নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। কারণ দুর্গাপুজোর সঙ্গে আবহাওয়ার সম্পর্ক বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। পুজোর সময়ে আকাশ পরিষ্কার থাকবে নাকি বৃষ্টি হবে, তা নিয়ে প্রতি বছরই কৌতূহল থাকে।

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলায় বর্ষার বিদায়ের পর্ব শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে বর্ষার প্রভাব কমে শুষ্ক আবহাওয়ার দিকে পরিস্থিতি এগোতে পারে।

news image
আরও খবর

তবে বর্ষা বিদায়ের নির্দিষ্ট দিন সবসময় একই থাকে না। আবহাওয়ার পরিস্থিতি, বাতাসের প্রবাহ, জলীয়বাষ্প এবং বিভিন্ন আবহাওয়া ব্যবস্থা দেখে সময় নির্ধারণ করা হয়।

পুজোয় কি বৃষ্টি হবে?

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—দুর্গাপুজোর সময়ে বাংলায় বৃষ্টি হবে কি না? বর্তমান পরিস্থিতি থেকে যা বোঝা যাচ্ছে, তা হল অক্টোবরের শুরুতে বিচ্ছিন্ন হালকা বৃষ্টি থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই।

তবে পুজোর কয়েকদিন এখনও সামনে। ফলে এত আগে থেকে পুজোর প্রতিটি দিনের আবহাওয়া নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। নতুন আবহাওয়া ব্যবস্থা তৈরি হলে পূর্বাভাসেও পরিবর্তন আসতে পারে।

এই মুহূর্তে যে ছবি পাওয়া যাচ্ছে, তাতে কলকাতা ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

পুজোর পরিকল্পনায় কী প্রভাব পড়তে পারে?

পুজোর আগে বাজার করা, প্যান্ডেল ঘোরা, প্রতিমা দর্শন কিংবা বাইরে বেরোনোর পরিকল্পনা থাকলে আবহাওয়ার আপডেট দেখে বেরোনো ভালো। কলকাতায় হালকা বৃষ্টি হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী বা ভারী হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই।

দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় অবশ্য স্থানীয়ভাবে বৃষ্টি হতে পারে। তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের মতো জেলায় বাইরে বেরোনোর আগে আকাশের পরিস্থিতি দেখে নেওয়া ভালো।

উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে বিশেষ করে পাহাড় ও ডুয়ার্স এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। পাহাড়ি এলাকায় আবহাওয়া দ্রুত বদলে যেতে পারে।

আবহাওয়ার বড় ছবিটা কী?

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়ার ছবিকে তিন ভাগে দেখা যায়। প্রথমত, কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গে হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। দ্বিতীয়ত, উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। তৃতীয়ত, দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই এবং রবিবারের পর বৃষ্টির প্রবণতা আরও কমতে পারে।

এর পাশাপাশি অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বর্ষার বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আগামী কয়েকদিন বাংলার আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে পারে।

ঘূর্ণাবর্ত মানেই কি বড় বৃষ্টি?

ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে বলেই যে গোটা বাংলায় প্রবল বৃষ্টি হবে, এমন ধারণা ঠিক নয়। কোনও ঘূর্ণাবর্তের অবস্থান, শক্তি, গতিপথ, জলীয়বাষ্প এবং অন্যান্য বায়ুপ্রবাহের উপর নির্ভর করে তার প্রভাব কতটা হবে।

এই মুহূর্তে RMC Kolkata-র সতর্কতা অনুযায়ী গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৩ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত কোনও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নেই। তাই বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও অসমের ঘূর্ণাবর্তের খবরকে কেন্দ্র করে বাংলায় বড় ধরনের বৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে—এমনটা বর্তমান সরকারি সতর্কতা সমর্থন করছে না।

কলকাতার বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তি

কলকাতায় পুজোর আগে বৃষ্টি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, আপাতত সেখানে কিছুটা স্বস্তির ছবি রয়েছে। শনিবার মেঘলা আকাশ এবং দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিও হতে পারে। কিন্তু ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নেই।

RMC Kolkata-র বর্তমান পর্যবেক্ষণেও কলকাতা-আলিপুরে ৩ অক্টোবর সকালে ২৮.৪°C তাপমাত্রা এবং ৯১ শতাংশ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল। ফলে বৃষ্টির তুলনায় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তি বেশি অনুভূত হতে পারে।

শেষ কথা

সব মিলিয়ে পুজোর মুখে বাংলার আবহাওয়ায় এখনই বড় কোনও দুর্যোগের ইঙ্গিত নেই। বিহার, সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশ ও অসমে ঘূর্ণাবর্ত থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। শনিবার দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে এবং কলকাতাতেও বেলা বাড়লে মেঘলা আকাশের সঙ্গে দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পংয়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকতে পারে। সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রার বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকতে পারে। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলায় বর্ষার বিদায়ের পর্ব শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই পুজোর আগে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—ঘূর্ণাবর্তের কারণে বাংলায় ভারী বৃষ্টি হচ্ছে কি না, তা নয়; বরং আগামী কয়েকদিনে এই আবহাওয়া ব্যবস্থা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বর্ষার বিদায় কতটা দ্রুত হচ্ছে। বর্তমান সরকারি আবহাওয়া আপডেট অনুযায়ী, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে অন্তত আপাতত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নেই।

নোট: আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। পুজোর নির্দিষ্ট দিনগুলির জন্য পরবর্তী আপডেট প্রকাশ হলে পূর্বাভাস আরও নির্দিষ্ট হবে।

Preview image