Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

দিদির দেওয়া সেই উপহারই বদলে দিয়েছিল রণবীরের জীবন! কী ভাবে মিলেছিল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত?

রণবীর সিংহের ২৩তম জন্মদিনে দিদির দেওয়া সেই বিশেষ উপহার আজও অভিনেতার কাছে বিস্ময়ের। কী ছিল সেই উপহার, আর কী ভাবে তা তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল?

কখনও কখনও জীবনের ছোট্ট কোনও ঘটনা বহু বছর পরে ফিরে এসে নতুন অর্থ তৈরি করে। এমনই এক স্মৃতি রয়েছে অভিনেতা রণবীর সিংহের জীবনে। তাঁর ২৩তম জন্মদিনে দিদি তাঁকে এমন একটি উপহার দিয়েছিলেন, যা তখন নিছকই মজার কল্পনা বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু কয়েক বছর পর সেই কল্পনার সঙ্গে বাস্তব জীবনের অদ্ভুত মিল খুঁজে পান অভিনেতা নিজেই।

রণবীরের দিদি তাঁর জন্মদিনে কোনও সাধারণ উপহার দেননি। জনপ্রিয় কয়েকটি হিন্দি ছবির পোস্টারকে নিজের মতো করে বদলে সেখানে শাহরুখ খানের মুখের জায়গায় বসিয়ে দিয়েছিলেন রণবীরের মুখ। সেই ছবিগুলির মধ্যে ছিল ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ এবং ‘ধুম’-এর পোস্টার। বিষয়টি আরও চমকপ্রদ, কারণ সেই সময় রণবীর এখনও অভিনয় জগতে পা রাখেননি। বলিউডে তাঁর কেরিয়ার শুরু হবে, তিনিই একদিন জনপ্রিয় অভিনেতা হয়ে উঠবেন—এমন কোনও নিশ্চয়তাও তখন ছিল না।

তবু দিদির কল্পনায় রণবীর ছিলেন ভবিষ্যতের এক সফল অভিনেতা। কয়েক বছর পর যখন সত্যিই অভিনয় জগতে পা রাখলেন রণবীর, তখন পিছনে ফিরে তাকিয়ে নিজের জন্মদিনের সেই উপহারের কথা মনে পড়ে যায় তাঁর। অভিনেতার কথায়, দিদির সেই কল্পনা যেন কোনও এক অদ্ভুত উপায়ে বাস্তব হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

২৩তম জন্মদিনের সেই বিশেষ উপহার

রণবীর এক সাক্ষাৎকারে তাঁর ২৩তম জন্মদিনের এই ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন। অভিনেতার বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর দিদি তখন ইতিবাচক চিন্তাভাবনা এবং নিজের ভবিষ্যৎকে কল্পনা করার বিষয়ে একটি বই পড়েছিলেন। সেই বইয়ের ভাবনা থেকেই হয়তো ভাইকে নিয়ে এমন একটি কল্পনা তৈরি হয়েছিল তাঁর।

জন্মদিনে কেক বা অন্য কোনও প্রচলিত উপহারের বদলে দিদি রণবীরকে দিয়েছিলেন কয়েকটি ছোট ছবি। ছবিগুলি আসলে জনপ্রিয় বলিউড ছবির পোস্টারকে বদলে তৈরি করা হয়েছিল। পোস্টারে যেখানে শাহরুখ খানের মুখ থাকার কথা, সেখানে বসানো হয়েছিল রণবীরের মুখ।

একজন তরুণ, যিনি তখনও বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করেননি, তাঁর মুখ জনপ্রিয় ছবির নায়কের জায়গায় বসিয়ে দেওয়ার ঘটনা নিছক পারিবারিক মজার বিষয় বলেই মনে হতে পারে। কিন্তু রণবীরের ক্ষেত্রে সেই স্মৃতির সঙ্গে পরে জুড়ে যায় তাঁর বাস্তব জীবনের সাফল্য।

দিদির দেওয়া সেই ছবিগুলি নিজের ঘরে টাঙিয়ে রেখেছিলেন রণবীর। অর্থাৎ, সেই কল্পনাটি তাঁর কাছে শুধু একটি মজার জন্মদিনের উপহার হয়ে থাকেনি। বরং ছবিগুলি তাঁর ঘরের অংশ হয়ে গিয়েছিল।

কল্পনা থেকে বাস্তবের পথে রণবীর

জন্মদিনের সেই উপহারের সময় রণবীর অভিনয় জগতে প্রবেশ করেননি। কিন্তু তাঁর মধ্যে অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল এবং ভবিষ্যতে বলিউডে কাজ করার স্বপ্নও ছিল। দিদির সেই উপহার যেন সেই স্বপ্নকে আরও দৃশ্যমান করে তুলেছিল।

এর কয়েক বছর পর রণবীর সত্যিই বলিউডে পা রাখেন। ২০১০ সালে যশরাজ ফিল্মসের ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয় জীবনের শুরু। ছবিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন অনুষ্কা শর্মা। প্রথম ছবিতেই রণবীর দর্শকদের নজর কাড়েন।

তাঁর অভিনয়, পর্দায় উপস্থিতি এবং চরিত্রের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা খুব দ্রুতই তাঁকে বলিউডের নতুন প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য অভিনেতাদের তালিকায় নিয়ে আসে।

দিদির দেওয়া পোস্টারে যে কল্পনা ছিল, তা যে বাস্তবে পরিণত হবে, সেই সময় হয়তো কেউই ভাবতে পারেননি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রণবীর নিজেই সেই ঘটনাকে নিজের জীবনের একটি মজার এবং আশ্চর্য স্মৃতি হিসেবে দেখেছেন।

‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ থেকে বলিউডের বড় তারকা

রণবীরের বলিউড অভিষেকের ছবিটি ছিল মূলত একটি রোম্যান্টিক কমেডি। ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’-এ তাঁর চরিত্র ছিল দিল্লির এক তরুণের, যে নিজের ব্যবসা এবং সম্পর্ক—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খোঁজার চেষ্টা করে।

ছবিটি দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়। রণবীরও নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে আলাদা করে নজর কাড়েন। তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় এবং প্রাণবন্ত পর্দা উপস্থিতি দর্শকদের কাছে নতুন ধরনের নায়ক হিসেবে তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করে।

প্রথম ছবির পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অভিনেতাকে। একের পর এক ছবিতে তিনি ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কখনও রোম্যান্টিক নায়ক, কখনও ঐতিহাসিক চরিত্র, কখনও আবার সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের অ্যাকশন বা কমেডি চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরেছেন।

এই বৈচিত্র্যই তাঁর অভিনয়জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে।

শাহরুখের পোস্টারে রণবীরের মুখ—অদ্ভুত মিল

দিদির দেওয়া পোস্টারের ঘটনাটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হল সেখানে শাহরুখ খানের জায়গায় রণবীরের মুখ বসানো হয়েছিল। শাহরুখ তখন বলিউডের অন্যতম বড় তারকা। তাঁর জনপ্রিয়তা এবং প্রভাব ছিল বিশাল।

সেই সময় একজন তরুণ রণবীরের মুখকে শাহরুখের জায়গায় বসিয়ে দেওয়া ছিল নিঃসন্দেহে দিদির পক্ষ থেকে একটি বড় কল্পনা। তবে সেই কল্পনার পিছনে ছিল ভাইয়ের প্রতি বিশ্বাস এবং তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক ভাবনা।

রণবীরের নিজের কথাতেও এই ঘটনার মধ্যে সেই বিষয়টি উঠে আসে। দিদি যে বইটি পড়েছিলেন, তার প্রভাবেই ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচকভাবে কল্পনা করার ধারণাটি তাঁর মধ্যে তৈরি হয়েছিল। সেই ভাবনা থেকেই হয়তো তিনি কল্পনা করেছিলেন, একদিন তাঁর ভাইও বড় অভিনেতা হবেন।

আজ রণবীরের কেরিয়ারের দিকে তাকালে সেই পুরনো ছবিগুলি তাই আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে হয়।

একের পর এক চরিত্রে নিজেকে বদলেছেন রণবীর

‘ব্যান্ড বাজা বারাত’-এর পর রণবীর সিংহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ছবিতে অভিনয় করেন। ‘লেডিস ভার্সেস রিকি বেহল’, ‘গোলিওঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’, ‘দিল ধড়কনে দো’, ‘বাজিরাও মস্তানি’, ‘পদ্মাবত’, ‘গলি বয়’—বিভিন্ন ছবিতে তাঁর চরিত্রের ধরন ছিল সম্পূর্ণ আলাদা।

বিশেষ করে ‘বাজিরাও মস্তানি’ এবং ‘পদ্মাবত’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে প্রশংসা পায়। ঐতিহাসিক চরিত্রকে পর্দায় তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর অভিনয় দক্ষতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে ‘গলি বয়’-এর মতো ছবিতে একেবারে অন্য ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি প্রমাণ করেন যে একই ধরনের চরিত্রে আটকে থাকতে চান না।

news image
আরও খবর

এই কারণেই রণবীরের কেরিয়ারকে শুধু একজন বাণিজ্যিক অভিনেতার যাত্রা হিসেবে দেখলে পুরো ছবিটা ধরা পড়ে না। বরং নানা ধরনের চরিত্রের মাধ্যমে নিজেকে ক্রমাগত বদলেছেন তিনি।

‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্যে নতুন উচ্চতা

সাম্প্রতিক সময়ে রণবীরের জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে ‘ধুরন্ধর’ ছবির সাফল্যের পরে। ছবিটি দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি করে এবং বক্স অফিসে বড় সাফল্য পায়।

দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ছবিটির আয় প্রায় ৮৯৫ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা। বিশ্বজুড়ে ছবিটির আয় প্রায় ১ হাজার ৩৫৪ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা। এই সাফল্য রণবীরের কেরিয়ারে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে।

একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের আগ্রহ ধরে রাখা সহজ নয়। কিন্তু রণবীরের ক্ষেত্রে চরিত্র বাছাই এবং পর্দায় নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা তাঁর জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।

‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্যের ফলে তাঁর পরবর্তী কাজ নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।

সামনে ‘প্রলয়’

রণবীর সিংহের সামনে রয়েছে আরও নতুন কাজ। তাঁকে আগামী দিনে দেখা যাবে ‘প্রলয়’ ছবিতে। ছবিতে তাঁর বিপরীতে রয়েছেন কল্যাণী প্রিয়দর্শন।

নতুন ছবিতে রণবীর কোন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করবেন এবং ছবিটি তাঁকে কেরিয়ারের কোন জায়গায় নিয়ে যাবে, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।

তবে রণবীরের কেরিয়ারের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট—তিনি বারবার নতুন ধরনের চরিত্র এবং গল্পের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ফলে তাঁর পরবর্তী কাজ নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও নতুন অধ্যায়

রণবীরের জীবনে শুধু পেশাগত ক্ষেত্রেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও এসেছে নতুন অধ্যায়। স্ত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে তাঁর পরিবার আরও বড় হয়েছে।

দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রণবীর ও দীপিকার কোলে কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। সমাজমাধ্যমে ছোট্ট পায়ের ছাপের ছবি দিয়ে তাঁরা সন্তানের জন্মের খবর জানিয়েছিলেন।

এর আগে তাঁদের প্রথম সন্তান দুয়া জন্মেছিল ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। ফলে রণবীরের জীবনে এখন অভিনয়ের পাশাপাশি পরিবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

একদিকে বড় পর্দায় একের পর এক সাফল্য, অন্যদিকে ব্যক্তিগত জীবনে পরিবারকে ঘিরে নতুন দায়িত্ব—দুই দিক থেকেই রণবীরের জীবন এখন নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

দিদির সেই কল্পনার সঙ্গে আজকের রণবীরের মিল

রণবীরের ২৩তম জন্মদিনের সেই ঘটনাটি আজও তাই বিশেষ। কারণ সেই সময় দিদি যে ছবিগুলি তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেগুলিতে রণবীরকে এমন জায়গায় কল্পনা করা হয়েছিল, যেখানে তখন বাস্তবে তিনি ছিলেন না।

কয়েক বছর পর সত্যিই তিনি বলিউডের অভিনেতা হয়ে ওঠেন। তারপর ধীরে ধীরে নিজের অভিনয় ক্ষমতা এবং জনপ্রিয়তার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী জায়গা তৈরি করেন।

অবশ্যই জীবনের সাফল্যের পেছনে শুধুমাত্র ইতিবাচক চিন্তা বা কোনও কল্পনার ভূমিকা রয়েছে—এমন দাবি করা যায় না। একজন অভিনেতার সাফল্যের জন্য প্রতিভা, পরিশ্রম, সুযোগ, সঠিক চরিত্র নির্বাচন এবং দর্শকের গ্রহণযোগ্যতা—সবকিছুরই ভূমিকা থাকে।

তবু দিদির সেই জন্মদিনের উপহারের ঘটনা রণবীরের জীবনের একটি সুন্দর স্মৃতি হয়ে রয়েছে। কারণ সেটি ছিল তাঁর অভিনয়জীবন শুরুর আগেই তাঁকে একজন সফল অভিনেতা হিসেবে কল্পনা করার এক পারিবারিক মুহূর্ত।

স্বপ্ন, পরিবার এবং সাফল্যের গল্প

রণবীরের গল্পের এই অংশটি তাই শুধুমাত্র একটি পুরনো জন্মদিনের উপহারের গল্প নয়। এটি পরিবারের কারও স্বপ্ন এবং বিশ্বাস একজন মানুষের আত্মবিশ্বাসকে কীভাবে প্রভাবিত করতে পারে, তারও একটি সুন্দর উদাহরণ।

দিদির দেওয়া সেই ছোট ছোট ছবিগুলি হয়তো তখন নিছক মজার উপহার ছিল। কিন্তু রণবীর সেগুলি নিজের ঘরে টাঙিয়ে রেখেছিলেন। পরে যখন তিনি সত্যিই অভিনয় জগতে প্রতিষ্ঠা পান, তখন সেই ছবিগুলির স্মৃতি তাঁর কাছে আরও বিশেষ হয়ে ওঠে।

আজ রণবীর সিংহ বলিউডের পরিচিত নাম। তাঁর কেরিয়ারে রয়েছে নানা ধরনের চরিত্র, বড় বাজেটের ছবি, সমালোচকদের প্রশংসা এবং বক্স অফিস সাফল্য। সামনে রয়েছে আরও নতুন ছবি এবং নতুন চরিত্র।

তাই ২৩তম জন্মদিনের সেই কল্পনার দিকে ফিরে তাকালে বিষয়টি নিঃসন্দেহে মজার এবং আবেগেরও। একজন দিদি তাঁর ভাইকে যে জায়গায় কল্পনা করেছিলেন, কয়েক বছর পর সেই ভাই সত্যিই সেই জগতের অংশ হয়ে ওঠেন।

জীবনের প্রতিটি স্বপ্ন যে বাস্তবে পরিণত হবে, তার নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু কোনও কাছের মানুষের বিশ্বাস, উৎসাহ এবং ইতিবাচক ভাবনা কখনও কখনও সেই স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে। রণবীরের জন্মদিনের সেই উপহারের গল্পটিও তাই তাঁর জীবনের একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে রয়েছে।

Preview image