টলিপাড়ায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় দিতিপ্রিয়া এবং জীতুকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সম্ভাব্য অশান্তি নানা অনানুষ্ঠানিক সূত্রে শোনা যাচ্ছে দিতিপ্রিয়া নাকি মহিলা কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আর্টিস্ট ফোরামেও কোনও লিখিত নোটিশ জমা দিয়েছেন যদিও এই তথ্যের কোনও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই অভিনেত্রী বা জীতু কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি তাদের নীরবতা গুজবকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে বিনোদন জগতের প্রতিযোগিতামূলক এবং চাপপূর্ণ পরিবেশে ভুল বোঝাবুঝি প্রায়ই বড় আকার নেয় কখনো সেটা ব্যক্তিগত আবেগ থেকে কখনো আবার কাজের সময় শৃঙ্খলা বা আচরণগত কারণে হতে পারে অনেক সময়ে আবার মিডিয়া অতিরঞ্জন ঘটায় ফলে দর্শকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এই পরিস্থিতিতে দিতিপ্রিয়ার সম্ভাব্য অভিযোগের বিষয়টি কতটা সত্য তা এখনও অস্পষ্ট আবার জীতুর অবস্থান সম্পর্কেও কোনও তথ্য জানা যায়নি তাই পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত মন্তব্য করা সম্ভব নয় শুধু এটুকুই স্পষ্ট যে ঘটনা বাস্তব হোক বা গুজব টলিপাড়ার মধ্যে নারী শিল্পীর নিরাপত্তা সম্মান এবং কর্মপরিবেশ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে যা শিল্পী সমাজের সামগ্রিক উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়ই বলে দেবে দিতিপ্রিয়া এবং জীতুর সম্পর্ক নিয়ে আসল সত্য কী
টলিপাড়ার আলো ঝলমলে দুনিয়াটি বাইরে থেকে যতটা রঙিন দেখায় ভিতরে ততটাই জটিল সম্পর্ক প্রতিযোগিতা কাজের চাপ মানসিক টানাপোড়েন আর নানা ভুল বোঝাবুঝিতে ভরা এই জগতের আলো যেমন মন কেড়ে নেয় তেমনি অন্দরমহলের ছায়াগুলোও কখনো কখনো সামনে আসে নানা বিতর্কের খবরে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে টলিউডে এমনই এক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন দুটি জনপ্রিয় মুখ দিতিপ্রিয়া এবং জীতু তাদের পর্দার রসায়ন দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হলেও বর্তমান সময়ে তারা নাকি ব্যক্তিগত ও পেশাগত অশান্তির জটিল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এমনই নানা সূত্রে ভাসছে গুঞ্জন বিশেষত বাজারে শোনা যাচ্ছে দিতিপ্রিয়া নাকি মহিলা কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আর্টিস্ট ফোরামেও কোনও লিখিত নোটিশ জমা দিয়েছেন যা বিষয়টিকে আরও বেশি আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে যদিও এই তথ্যের কোনও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই পরিস্থিতি ঘিরে জন্মেছে অসংখ্য প্রশ্ন যা এই প্রতিবেদনে বিশদে আলোচিত হবে যা সম্পূর্ণরূপে সাংবাদিকতামূলক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে রচিত এবং কল্পনানির্ভর
টলিপাড়ার ইতিহাসে দুই জনপ্রিয় শিল্পীর মধ্যে কাজকে কেন্দ্র করে ভিন্নমত হতেই পারে কিন্তু সেই মতভেদ কখন এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে মহিলা কমিশনের দরজায় ঠকঠক করতে হয় এই প্রশ্নটাই যেন দর্শকদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে তুলেছে কিন্তু দিতিপ্রিয়া নামক এই তরুণ অভিনেত্রী এমন কোনও অবস্থায় পৌঁছেছেন কিনা তা এখনও অস্পষ্ট কারণ তিনি কোনও প্রকাশ্য মন্তব্য করেননি জীতুও নীরব থেকেছেন এই নীরবতাই জল্পনা আরও উসকে দিচ্ছে যেহেতু সাধারণত শিল্পীরা সামান্য মতবিরোধ বা সেটে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রথমেই চেষ্টা করেন বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নিতে বাইরে না আসুক তাই চান তাই যদি সত্যিই কোনও অভিযোগ বা আবেদন জমা দেওয়া হয়ে থাকে তবে ঘটনাটি যে সামান্য নয় তা অনুমান করা কঠিন নয় যদিও এই লেখায় উল্লেখিত সবকিছু জনপ্রিয় গুজব বিশ্লেষণ ব্যতীত আর কিছুই নয়
বিনোদন জগতের কর্মপরিবেশ সম্পর্কে শিল্পীরা প্রায়ই বলেন কখনো কখনো এটি অত্যন্ত কঠিন ও মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং জায়গা একটি প্রজেক্টে শত শত মানুষের কাজ নতুন নতুন চরিত্র এবং শিল্পীদের মধ্যে সময়ের সঙ্গে তৈরি হওয়া সখ্যতা তার মধ্যেই আসে চাপ ডেডলাইন দায়িত্ব আর প্রত্যাশার পাহাড় এতে একটি ছোট ভুল বোঝাবুঝি মুহূর্তেই বড় আকার ধারণ করতে পারে এর আগেও দেখা গেছে বহু তারকা সহকর্মীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়েছেন কখনো সেটা কাজের ধরন নিয়ে কখনো আবার ব্যক্তিগত পরিসরের অতিক্রমতাকে কেন্দ্র করে আবার কখনো দেখা গেছে কোনও বৃহত্তর সমস্যাকে মিডিয়া অতিরঞ্জিতভাবে প্রকাশ করেছে এবং মানুষ সেটিকে সত্যি বলে ধরে নিয়েছে এবার দিতিপ্রিয়া ও জীতুর সম্পর্কেও হয়তো অনুরূপ কিছু ঘটছে হয়তো আবার সত্যিই কোনও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন কোনও পক্ষ তবে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া কিছুই নিশ্চিত করা যায় না
মহিলা কমিশনে অভিযোগ করা মানে বিষয়টি সামান্য নয় কারণ কমিশন সাধারণত কাজের মতবিরোধ বা সামান্য সম্পর্কের জটিলতায় হস্তক্ষেপ করে না সেখানে অভিযোগ করতে হলে প্রথমত অভিযোগকারীর দৃঢ় অবস্থান থাকা প্রয়োজন দ্বিতীয়ত অভিযোগের প্রকৃতি এতটাই গুরুতর হতে হয় যাতে সরকারি স্তরে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন দেখা দেয় দিতিপ্রিয়া যদি সত্যিই এমন কোনও পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন তাহলে ধরে নেওয়া যায় তিনি নিজেকে কোনওভাবে অসহায় বোধ করেছিলেন বা নিজের নিরাপত্তা মানসিক সুস্থতা কিংবা পেশাগত সম্মান নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন অন্যদিকে আবার এটাও সত্য আজকের দিনে একটু ভুল ব্যাখ্যা বা অস্পষ্ট পরিস্থিতিও নানা রূপে মানুষের সামনে আসে এবং সেটি কখন কোন পথে ছড়াবে তা বলা কঠিন এবং কখনো কখনো গুজবই বাস্তবের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে
একই সঙ্গে আর্টিস্ট ফোরামে কোনও লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার বিষয়টি আরেকটি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে কারণ শিল্পীদের প্রতিদিনের সমস্যার ক্ষেত্রে সাধারণত ফোরামই প্রথম আশ্রয় হয় শুটিং সেটে কাজের সময় একজন শিল্পীর সঙ্গে অন্যের সময়মত সহযোগিতা সমস্যা পারিশ্রমিক বা কর্মঘণ্টা নিয়ে অনিয়ম সব কিছুই ফোরামের আওতায় পড়ে তাই যদি দিতিপ্রিয়া সত্যিই লিখিত নোট দেন তাহলে এটি হয়তো কাজ সংক্রান্ত কোনও বিষয় থেকেই শুরু হয়েছিল তবে সে কাজের পরিবেশটির মধ্যে মানসিক অস্বস্তি বা অশালীন অভিজ্ঞতার ইঙ্গিত থাকলেও থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে কারণ বর্তমানে কোনও তথ্যই নিশ্চিত নয় টলিপাড়ার অনেক শিল্পীই বলেন ফোরামে অভিযোগের বিষয়টি বহু সময়েই মিডিয়া বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার আগেই মিটমাট হয়ে যায় কিন্তু এই ক্ষেত্রে বিষয়টি জনসমক্ষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসায় পরিস্থিতির গুরুত্ব যে বেড়েছে তা স্পষ্ট
এবার প্রশ্ন উঠছে জীতুর ভূমিকাকে ঘিরে তিনি জনপ্রিয় অভিনেতা এবং তাঁর কাজের পরিচিতি অত্যন্ত দৃঢ় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ উঠলে তা দর্শকদের মনেও প্রশ্ন তৈরি করে যদিও তিনি সরাসরি কখনো কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি এ বিষয়ে শিল্পী সমাজেও মতভেদ তৈরি হয়েছে কেউ মনে করছেন জীতুর বিরুদ্ধে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে তা হয়তো অতিরঞ্জিত আবার কেউ মনে করছেন যেখানে ধোঁয়া আছে সেখানে আগুন তো থাকেই তবে তথ্যহীনতার ওপর যুক্তির ভিত্তি দাঁড় করানোও অনুচিত
মনস্তাত্ত্বিকভাবে দেখলে দুই জনপ্রিয় অভিনেতা একই প্রজেক্টে কাজ করলে তাদের কাজের ধরন মনোভাব শৃঙ্খলা সময় ব্যবস্থাপনা সব ক্ষেত্রেই মিল থাকা প্রয়োজন কিন্তু শিল্পকর্ম এমনই এক জায়গা যেখানে প্রত্যেকের নিজস্ব ধারা থাকে যা অন্যের সঙ্গে সংঘর্ষে লেগেও যেতে পারে আবার একই পেশায় থাকার পরও শিল্পীরা একে অপরের প্রতি ভুল ধারণা পোষণ করতে পারেন যা সময়ের সঙ্গে বাড়তে পারে আবার মিটেও যেতে পারে এই স্বাভাবিক সম্পর্কের ওঠানামার মধ্যেই হয়তো কোনও এক পর্যায়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে যার উৎস সম্পর্কে এখনও অন্ধকারে জনসাধারণ
টলিপাড়ায় এর আগেও বহু যৌথ অভিনয়কারী জুটির মধ্যে অশান্তির খবর সামনে এসেছে কিছু সত্য ছিল কিছু আবার ছিল সম্পূর্ণ প্রচার সৃষ্টি কিন্তু সমাজের চোখে এবং দর্শকের মনে এইসব বিতর্ক দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে শিল্পীরা বলেন তারা চায় তাদের কাজের আলোচনাই যেন মুখ্য থাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের নয় কিন্তু বাস্তবে দর্শক ও মিডিয়া অনেক সময় সেটা হতে দেয় না ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে
দিতিপ্রিয়া ও জীতুর সম্ভাব্য এই ভুল বোঝাবুঝির সময়ে সামাজিক মাধ্যমে নানারকম মন্তব্য ছড়াচ্ছে কেউ দিতিপ্রিয়ার পাশে দাঁড়াচ্ছেন আবার কেউ মনে করছেন তিনি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন কেউ আবার জীতুর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলছেন তিনি নাকি অত্যন্ত পেশাদার মানুষ কিন্তু আসল সত্য উদঘাটন না হওয়া পর্যন্ত কোনও মন্তব্যই যৌক্তিক নয় কারণ শিল্পী মাত্রই মানুষ আর মানুষ হিসেবে তাদের আবেগ মনস্তত্ত্ব ও সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নানাধরনের জটিলতা থাকা স্বাভাবিক
দর্শকমহলে একটি প্রচলিত ধারণা সবসময়ই বিরাজমান যে পর্দায় যাদের রসায়ন ভালো তারা বাস্তবেও ভালো সম্পর্ক বজায় রাখেন কিন্তু বাস্তবে ঘটনা ঠিক উলটোও হতে পারে কখনো কখনো পর্দায় যারা দারুণ সখ্যতা দেখান বাস্তবে তাদের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে আবার বাস্তবে যাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব দারুণ পর্দায় তারা হিমশীতল দূরত্ব রাখেন এই জগতের এই বৈপরীত্যটাই যেন আরও রহস্যময় করে তোলে শিল্পীদের ব্যক্তিগত জীবন
সবশেষে এই প্রশ্নই সবচেয়ে বড় যে আসলে সত্যটা কী কোনও অভিযোগ সত্যিই জমা দেওয়া হয়েছে কিনা সেটাই জানা নেই কোনও বিবৃতি নেই কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই ফলে দিতিপ্রিয়া এবং জীতুকে ঘिरে বর্তমান জল্পনা আপাতত গুজবই থেকে যাচ্ছে হয়তো সময়ের সঙ্গে তারা নিজেরাই বিষয়টি পরিষ্কার করবেন অথবা হয়তো বিষয়টি তেমন গুরুতর না হওয়ায় নিজের মতো শেষ হয়ে যাবে টলিপাড়ায় এমন ঘটনা নতুন নয় বরং বিনোদন জগতের অংশ বলেই ধরা যায়
সত্যিকারের বিচার করতে হলে উভয় পক্ষের বক্তব্য জানা প্রয়োজন এবং তথ্যের নিশ্চিত ভিত্তি ছাড়া কারো প্রতি পক্ষপাত তৈরি করা উচিত নয় কারণ মিডিয়ার গুজব মুহূর্তে মানুষের ভাবমূর্তি বদলে দিতে পারে এবং ভুল ধারণা সমাজে প্রচার পেতে পারে দিতিপ্রিয়া কিংবা জীতু দুইজনই তাদের পরিশ্রম প্রতিভা এবং অভিনয়ের জন্য বহু মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন তাই তাদের সম্পর্কের ওঠানামাকেও মানুষের বোঝাপড়ার দৃষ্টিতে দেখা উচিত
এই ঘটনা যেভাবে সামনে এসেছে তাতে স্পষ্ট বোঝা যায় সমাজে এবং শিল্পী মহলে নারীর নিরাপত্তা সম্মান এবং স্বস্তির বিষয়টি এখন আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে নারী তারকারা আগের চেয়ে বেশি সচেতন এবং নিজের অবস্থান নিয়ে মুখ খোলার সাহস দেখাচ্ছেন আবার পুরুষ শিল্পীরাও নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেন এই পরিবর্তন বিনোদন জগতকে আরও উন্নত এবং সবার জন্য নিরাপদ করবে এমনটাই প্রত্যাশা
যাই হোক এই পুরো ঘটনাকে ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে তা বাস্তব হোক বা না হোক আমাদের মনে করিয়ে দেয় শিল্পীদের জীবন সহজ নয় তারা যেমন আলোতে থাকেন তেমনি ছায়াও তাদের পথ অনুসরণ করে কখনো কখনো সেই ছায়া আলোকে ঢেকে দেয় আবার কখনো আলোই সব ভুল বোঝাবুঝি মুছে দেয় সময়ই বলবে দিতিপ্রিয়া এবং জীতুর বর্তমান পরিস্থিতির আসল সত্য কী