Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

‘দৃশ্যম ৩’-এ অজয়ের পারিশ্রমিক কমলেও অঙ্কটা আকাশছোঁয়া! জানুন, বাকি অভিনেতারা কে কত টাকা পেলেন

‘দৃশ্যম ৩’-এ অজয় দেবগণের পারিশ্রমিক কমলেও অঙ্কটা এখনও কোটি টাকার! ছবিতে তাঁর সঙ্গে থাকা বাকি অভিনেতারা কত পারিশ্রমিক পেয়েছেন, জানুন বিস্তারিত।

‘দৃশ্যম ৩’-এ অজয়ের পারিশ্রমিক কমলেও অঙ্কটা আকাশছোঁয়া! জানুন, বাকি অভিনেতারা কে কত টাকা পেলেন

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রাইম-থ্রিলার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দৃশ্যম’ আবারও দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রে। প্রথম দুই কিস্তির সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই তৃতীয় ছবিকে ঘিরে প্রত্যাশা তুঙ্গে। বিশেষ করে বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রে অজয় দেবগণের প্রত্যাবর্তন নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। গল্প, চিত্রনাট্য, পরিচালনা এবং তারকাদের পাশাপাশি এবার আলোচনায় উঠে এসেছে ছবির পারিশ্রমিকের অঙ্ক।

‘দৃশ্যম’-এর জগতে অজয় দেবগণের চরিত্র বিজয় সালগাঁওকর একজন সাধারণ কেবল অপারেটর হলেও পরিস্থিতির চাপে নিজের পরিবারকে বাঁচাতে যে বুদ্ধি ও কৌশলের আশ্রয় নেয়, সেটিই এই ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল আকর্ষণ। প্রথম ছবির পর দ্বিতীয় কিস্তিতেও অজয়ের অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছিল। ফলে তৃতীয় ছবিতে তাঁর পারিশ্রমিক কত হতে পারে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ‘দৃশ্যম ৩’-এর জন্য অজয় দেবগণের পারিশ্রমিক আগের তুলনায় কিছুটা কমতে পারে। তবে কমলেও সেই অঙ্ক সাধারণ বলিউড ছবির তুলনায় অত্যন্ত বড়। কারণ একটি সফল ফ্র্যাঞ্চাইজির মুখ হিসেবে অজয়ের বাজারমূল্য এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী। তাঁর উপস্থিতিই ছবির ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে অনেকটা বাড়িয়ে দেয়।

অজয়ের পারিশ্রমিকের পাশাপাশি দর্শকদের আগ্রহের আরেকটি বড় জায়গা হল—ছবির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অভিনেতারা কে কত টাকা পারিশ্রমিক পাচ্ছেন। বিশেষ করে শ্রিয়া সরন, টাবু এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের শিল্পীদের পারিশ্রমিক নিয়েও বিভিন্ন ধরনের তথ্য সামনে এসেছে।

তবে এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। তারকাদের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত তথ্য অনেক সময় প্রযোজনা সংস্থা বা অভিনেতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় না। ফলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত অঙ্কের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পারিশ্রমিকের সঙ্গে লাভের অংশ, বোনাস, প্রযোজনার শর্ত বা অন্য চুক্তিগত বিষয়ও যুক্ত থাকে। তাই প্রকাশিত অঙ্ককে সবসময় নিশ্চিত চূড়ান্ত পারিশ্রমিক হিসেবে ধরা উচিত নয়।

অজয় দেবগণের পারিশ্রমিক কেন এত বেশি?

অজয় দেবগণ দীর্ঘদিন ধরেই বলিউডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অভিনেতা। অ্যাকশন, কমেডি, ড্রামা থেকে শুরু করে থ্রিলার—বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়। কিন্তু ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁর গুরুত্ব আরও বেশি।

বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রটি অজয়ের অভিনয়ের সঙ্গে এমনভাবে মিশে গিয়েছে যে তাঁকে বাদ দিয়ে ‘দৃশ্যম’-এর কথা ভাবাই কঠিন। প্রথম দুই ছবির সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল তাঁর অভিনয় এবং চরিত্রটির প্রতি দর্শকদের আবেগ।

এই কারণেই তৃতীয় কিস্তির ক্ষেত্রে অজয়ের পারিশ্রমিক নিয়ে এত আলোচনা। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর পারিশ্রমিক আগের ছবির তুলনায় কিছুটা কমানো হলেও সেটি এখনও বহু কোটি টাকার অঙ্কে। অর্থাৎ ‘পারিশ্রমিক কমেছে’ মানেই যে অঙ্কটি ছোট হয়েছে, তা নয়। বরং কমার পরেও তিনি ছবির সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতাদের একজন হতে পারেন।

‘দৃশ্যম ৩’-এ টাবুর গুরুত্ব

‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে টাবুর চরিত্রও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় তাঁর অভিনয় প্রথম দুই ছবির উত্তেজনা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিল। বিজয় সালগাঁওকর এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো চরিত্রটি গল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।

টাবুর অভিনীত চরিত্র এবং অজয়ের চরিত্রের মধ্যে যে মানসিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়, সেটিই ‘দৃশ্যম’-এর থ্রিলকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। ফলে তৃতীয় কিস্তিতেও তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

টাবুর পারিশ্রমিক নিয়েও বিভিন্ন রিপোর্টে নানা অঙ্কের কথা উঠে এসেছে। তবে তাঁর চুক্তির নির্দিষ্ট পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না হলে কোনও নির্দিষ্ট অঙ্ককে নিশ্চিত বলে দাবি করা ঠিক হবে না।

শ্রিয়া সরনের পারিশ্রমিক কত?

অজয় দেবগণের স্ত্রী চরিত্রে শ্রিয়া সরনের অভিনয়ও ‘দৃশ্যম’ সিরিজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নন্দিনী সালগাঁওকর চরিত্রে তাঁর অভিনয় গল্পের আবেগের দিকটি তুলে ধরে। পরিবারের বিপদের সময়ে স্বামী ও সন্তানদের রক্ষা করার জন্য তাঁর চরিত্রের মানসিক অবস্থাও দর্শকদের গল্পের সঙ্গে যুক্ত করে।

‘দৃশ্যম ৩’-এ শ্রিয়া সরনের প্রত্যাবর্তন হলে তাঁর পারিশ্রমিক নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা তৈরি হবে। বিভিন্ন বিনোদনমূলক রিপোর্টে তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে অনুমান করা হলেও, চূড়ান্ত চুক্তির অঙ্ক নিশ্চিতভাবে জানানো না হলে সেটিকে রিপোর্টেড ফিগার হিসেবেই দেখা উচিত।

‘দৃশ্যম ৩’-এর বাজেট ও তারকাদের পারিশ্রমিক

একটি বড় ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অভিনেতাদের পারিশ্রমিকই বাজেটের বড় অংশ নয়। লোকেশন, সেট, প্রযুক্তি, পোস্ট-প্রোডাকশন, প্রচার, ভিএফএক্স এবং অন্যান্য খরচও যুক্ত থাকে। ‘দৃশ্যম’-এর মতো থ্রিলার ছবিতে গল্প ও পরিবেশ তৈরি করতে প্রোডাকশন ডিজাইন এবং পোস্ট-প্রোডাকশনেরও যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।

তবে ছবির সবচেয়ে বড় সম্পদ হল এর তারকা-কাস্ট এবং জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ভ্যালু। প্রথম দুই ছবির সাফল্যের কারণে তৃতীয় কিস্তিকে ঘিরে ব্যবসায়িক প্রত্যাশাও বেশি। তাই তারকাদের পারিশ্রমিকের অঙ্ক নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক।

কেন পারিশ্রমিক কমতে পারে?

অভিনেতার পারিশ্রমিক কমার অর্থ সবসময় তাঁর বাজারমূল্য কমে যাওয়া নয়। অনেক সময় কোনও অভিনেতা ছবির ব্যবসায়িক কাঠামো অনুযায়ী পারিশ্রমিকের ধরন পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন—প্রাথমিক পারিশ্রমিকের সঙ্গে লাভের অংশ, বক্স অফিস বোনাস বা অন্যান্য চুক্তিগত সুবিধা থাকতে পারে।

ফ্র্যাঞ্চাইজি ছবিতে এমন ব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ ছবির সাফল্যের সম্ভাবনা আগে থেকেই তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। ‘দৃশ্যম’-এর মতো প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডে প্রযোজক এবং অভিনেতা দু’পক্ষই ঝুঁকি ও লাভ ভাগ করে নিতে পারেন।

তাই অজয়ের পারিশ্রমিক কমেছে বলে তাঁর আয়ও একই অনুপাতে কমেছে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

news image
আরও খবর

‘দৃশ্যম ৩’ নিয়ে কেন এত উত্তেজনা?

‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে বড় শক্তি হল এর গল্প বলার ধরন। সাধারণ একটি পরিবারের জীবন কীভাবে একটি অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে পরিবারের সদস্যরা কীভাবে পরিকল্পনা করে—এই বিষয়টি দর্শকদের শুরু থেকেই আকৃষ্ট করেছে।

প্রথম ছবির শেষে যে প্রশ্নগুলো তৈরি হয়েছিল, দ্বিতীয় ছবিতে তার অনেকটাই উত্তর পাওয়া যায়। আবার দ্বিতীয় ছবির পরেও নতুন কিছু সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাই তৃতীয় ছবিতে গল্প কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রবল কৌতূহল রয়েছে।

বিশেষ করে বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রটি এবার কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। অজয় দেবগণের অভিনয় এই চরিত্রকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে। ফলে তৃতীয় ছবিতে তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনা হওয়াও স্বাভাবিক।

শুধু অজয় নন, পুরো কাস্টই গুরুত্বপূর্ণ

একটি সফল সিনেমার সাফল্য কখনও শুধুমাত্র একজন অভিনেতার উপর নির্ভর করে না। ‘দৃশ্যম’-এর ক্ষেত্রে অজয় দেবগণ নিঃসন্দেহে কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন, কিন্তু টাবু, শ্রিয়া সরন এবং অন্যান্য অভিনেতাদের অভিনয়ও ছবির গল্পকে শক্তিশালী করেছে।

বিজয় সালগাঁওকরের পরিবারের সদস্যদের চরিত্রগুলো না থাকলে গল্পের আবেগ অনেকটাই কমে যেত। একইভাবে পুলিশের তদন্ত এবং তার সঙ্গে যুক্ত চরিত্রগুলো থ্রিলারের উত্তেজনা ধরে রাখে।

এই কারণে ‘দৃশ্যম ৩’-এর পারিশ্রমিকের তালিকায় শুধু অজয়ের অঙ্ক দেখলেই ছবির সম্পূর্ণ অর্থনীতি বোঝা যাবে না। পুরো কাস্ট, প্রযোজনা ব্যয় এবং প্রচার খরচ মিলিয়েই ছবির মোট বাজেট তৈরি হবে।

পারিশ্রমিকের অঙ্ক নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি

বলিউড তারকাদের পারিশ্রমিক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়ে। কখনও কোনও একটি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টকে ভিত্তি করে নির্দিষ্ট অঙ্ক প্রচার করা হয়, আবার কখনও সেই অঙ্ক আরও বাড়িয়ে বা কমিয়ে প্রকাশ করা হয়।

তাই ‘দৃশ্যম ৩’-এর ক্ষেত্রেও কোনও নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের অঙ্ক দেখলে তার উৎস যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রযোজনা সংস্থা বা অভিনেতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকলে সেটিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে ব্যবহার না করাই ভালো।

বিশেষ করে অজয় দেবগণের মতো শীর্ষ অভিনেতার ক্ষেত্রে পারিশ্রমিকের পাশাপাশি প্রফিট-শেয়ারিং বা অন্য চুক্তিগত সুবিধা থাকতে পারে। ফলে শুধু একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার ভিত্তিতে তাঁর মোট আয় নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

দর্শকদের প্রত্যাশা কোথায়?

‘দৃশ্যম ৩’ নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা মূলত তিনটি জায়গায়—গল্প, অজয় দেবগণের অভিনয় এবং আগের দুই ছবির সঙ্গে নতুন ছবির সংযোগ। দর্শকরা চান তৃতীয় কিস্তিতেও সেই একই ধরনের বুদ্ধির লড়াই, রহস্য এবং টানটান উত্তেজনা বজায় থাকুক।

অজয়ের বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রটি এই প্রত্যাশার কেন্দ্রে। তাঁর চরিত্রের প্রতিটি সিদ্ধান্ত কীভাবে গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যায়, সেটাই ‘দৃশ্যম’-এর অন্যতম আকর্ষণ। তাই তৃতীয় ছবিতেও তাঁর উপস্থিতি নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি।

বলিউডে ফ্র্যাঞ্চাইজির অর্থনীতি

বর্তমানে বলিউডে সফল ফ্র্যাঞ্চাইজির গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। পরিচিত চরিত্র এবং জনপ্রিয় গল্পের কারণে নতুন ছবির প্রতি দর্শকদের আগ্রহ তৈরি করা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। একই সঙ্গে প্রযোজকরাও আগের ছবির ব্যবসায়িক তথ্য দেখে নতুন ছবির বাজেট নির্ধারণ করতে পারেন।

‘দৃশ্যম’ সেই দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্র্যাঞ্চাইজি। প্রথম দুই ছবির জনপ্রিয়তা তৃতীয় ছবির জন্য বড় সুবিধা। অজয়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতার উপস্থিতি সেই সুবিধাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

তাই তাঁর পারিশ্রমিক কয়েক কোটি টাকা কমলেও ছবির সামগ্রিক অর্থনীতিতে সেটি বড় পরিবর্তন তৈরি নাও করতে পারে। বরং ছবির ব্যবসায়িক সাফল্য হলে অভিনেতা এবং প্রযোজক—দুই পক্ষই লাভবান হতে পারেন।

শেষ কথা

‘দৃশ্যম ৩’-এ অজয় দেবগণের পারিশ্রমিক নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তার মূল কারণ হল এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁর গুরুত্ব এবং তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা। রিপোর্ট অনুযায়ী পারিশ্রমিক কিছুটা কমলেও অঙ্কটি এখনও আকাশছোঁয়া। একই সঙ্গে টাবু, শ্রিয়া সরন এবং অন্যান্য অভিনেতাদের পারিশ্রমিক নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে।

তবে তারকাদের চুক্তির সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা অঙ্ককে আনুমানিক বা রিপোর্টেড পারিশ্রমিক হিসেবে দেখা উচিত। কারণ চূড়ান্ত চুক্তিতে বোনাস, লাভের অংশ এবং অন্যান্য আর্থিক শর্ত যুক্ত থাকতে পারে।

সবচেয়ে বড় কথা, ‘দৃশ্যম ৩’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ শুধুমাত্র তারকাদের পারিশ্রমিকের কারণে নয়। বিজয় সালগাঁওকর আবার কীভাবে দর্শকদের চমকে দেবেন, গল্প কোন নতুন মোড় নেবে এবং আগের দুই ছবির রহস্যের সঙ্গে নতুন কাহিনির কীভাবে যোগসূত্র তৈরি হবে—সেটিই শেষ পর্যন্ত ছবির আসল আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

অজয় দেবগণের পারিশ্রমিক কমেছে কি না, কে কত টাকা পেয়েছেন—এসব নিয়ে আলোচনা চলতেই পারে। কিন্তু দর্শকদের কাছে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে একটি প্রশ্ন—‘দৃশ্যম ৩’ কি আগের দুই ছবির মতোই সাসপেন্স ও থ্রিল ধরে রাখতে পারবে?

Preview image