পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালী ও অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের জুটি ফের চমক দিতে চলেছে। ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’-র সাফল্যের পর তাঁদের নতুন প্রজেক্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা ও জল্পনা।
বলিউডে জুটি মানেই সাধারণত নায়ক-নায়িকার জুটি। কিন্তু কোনও কোনও ক্ষেত্রে পরিচালক ও অভিনেত্রীর পেশাগত রসায়নও দর্শক এবং সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করে। সঞ্জয় লীলা বনশালী এবং আলিয়া ভাটের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই দেখা যাচ্ছে। ‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’-র সাফল্যের পর এই পরিচালক-অভিনেত্রী জুটি ইতিমধ্যেই দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। এরপর ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’-এ তাঁদের পুনর্মিলন নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা। এবার সেই প্রত্যাশাকে আরও বাড়িয়ে দিল ‘ইনশাআল্লা’ নিয়ে নতুন খবর।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সঞ্জয় লীলা বনশালীর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘ইনশাআল্লা’-য় ফের দেখা যেতে পারে আলিয়া ভাটকে। অর্থাৎ ‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’ এবং ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পর আরও একবার একই পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে চলেছেন অভিনেত্রী। যদিও ছবিটির নায়ক হিসেবে এখনও কারও নাম নিশ্চিতভাবে সামনে আসেনি, তবে আলিয়ার ডেট ইতিমধ্যেই পরিচালক নিয়ে ফেলেছেন বলে খবর। ফলে ‘ইনশাআল্লা’ নিয়ে বলিউডে ফের শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
সঞ্জয় লীলা বনশালী বলিউডের অন্যতম পরিচিত পরিচালক। তাঁর সিনেমায় গল্পের পাশাপাশি গুরুত্ব পায় চরিত্রের নির্মাণ, ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা, আবহ, পোশাক, সংগীত এবং আবেগ। তাঁর ছবির চরিত্রগুলি সাধারণত দর্শকের মনে দীর্ঘ সময় ধরে থেকে যায়। সেই কারণেই সঞ্জয়ের নতুন কোনও সিনেমা নিয়ে খবর প্রকাশ্যে এলেই তা নিয়ে বলিউডে আগ্রহ তৈরি হয়। ‘ইনশাআল্লা’ও তার ব্যতিক্রম নয়।
অনেক বছর আগে ‘ইনশাআল্লা’ ছবির পরিকল্পনা করেছিলেন সঞ্জয় লীলা বনশালী। তখন ছবির মুখ্য চরিত্রে বলিউডের সুপারস্টার সলমন খানকে ভাবা হয়েছিল। সঞ্জয় এবং সলমনের জুটি নিয়ে সেই সময় থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে যথেষ্ট কৌতূহল ছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। সলমন খান শেষ পর্যন্ত ছবিটি থেকে সরে যান। ফলে থমকে যায় ‘ইনশাআল্লা’-র কাজ।
এরপর ছবির নায়ক হিসেবে শাহরুখ খানের নাম সামনে আসে। বলিউডের ‘কিং খান’-এর সঙ্গে সঞ্জয় লীলা বনশালীর কাজ করার সম্ভাবনাও স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছিল। কিন্তু শাহরুখ খানের ব্যস্ত শিডিউলের কারণে সেই পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হয়নি বলে জানা যায়। শাহরুখের মতো ব্যস্ত তারকার ডেট পাওয়া যে সহজ নয়, তা বলিউডে সকলেরই জানা। ফলে ‘ইনশাআল্লা’ আবারও অনিশ্চয়তার মধ্যে চলে যায়।
তবে এবার ছবিটিকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছেন সঞ্জয় লীলা বনশালী। আর সেই নতুন পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন আলিয়া ভাট। সূত্রের খবর, ‘ইনশাআল্লা’-র নায়িকার চরিত্রের জন্য আলিয়ার সঙ্গে ইতিমধ্যেই ডেটের বিষয়ে এগিয়েছেন পরিচালক। নায়কের নাম এখনও প্রকাশ্যে না এলেও আলিয়াকে ঘিরে ছবির প্রত্যাশা ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে।
আলিয়া ভাট এবং সঞ্জয় লীলা বনশালীর সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। ‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’ ছবিতে প্রথমবার সঞ্জয়ের পরিচালনায় কাজ করেন আলিয়া। মুম্বইয়ের কামাঠিপুরার এক শক্তিশালী নারী চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে আলিয়ার অভিনয় দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিল। চরিত্রটির ভাষা, শরীরী ভাষা, আবেগ এবং দৃঢ়তা পর্দায় তুলে ধরার ক্ষেত্রে অভিনেত্রীর পারফরম্যান্স বিশেষভাবে আলোচিত হয়।
‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’-র পর থেকেই সঞ্জয় লীলা বনশালী এবং আলিয়া ভাটের জুটি নিয়ে আলাদা প্রত্যাশা তৈরি হয়। পরিচালক অভিনেত্রীর অভিনয় দক্ষতার উপর যে আস্থা রাখেন, সেটিও স্পষ্ট হয়ে যায়। আলিয়ার মতো অভিনেত্রীকে দিয়ে জটিল এবং আবেগঘন চরিত্র করানোর ক্ষেত্রে সঞ্জয়ের পরিচালনাশৈলী কার্যকর হয়েছে বলেই মনে করেন অনেক সিনেমাপ্রেমী।
এরপর তাঁদের আবার একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’-এ। ছবিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকের মধ্যে প্রবল কৌতূহল রয়েছে। সঞ্জয় লীলা বনশালীর পরিচালনা এবং একাধিক জনপ্রিয় তারকার উপস্থিতি ছবিটিকে বলিউডের অন্যতম আলোচিত প্রজেক্টে পরিণত করেছে। সেই ছবির শ্যুটিং সদ্য শেষ করেছেন আলিয়া ভাট। ফলে ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর কাজ শেষ হওয়ার পরই ফের ‘ইনশাআল্লা’-য় তাঁর নাম জড়িয়ে যাওয়ায় বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
একই পরিচালকের সঙ্গে পরপর একাধিক ছবিতে কাজ করার ঘটনা বলিউডে খুব একটা বিরল নয়। তবে সঞ্জয় লীলা বনশালীর মতো পরিচালক যখন কোনও অভিনেত্রীকে বারবার নিজের ছবিতে কাস্ট করেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—তাঁদের পেশাগত রসায়নের বিশেষত্ব কোথায়? আলিয়ার ক্ষেত্রে উত্তরটা সম্ভবত তাঁর অভিনয়ের বৈচিত্র্যের মধ্যেই রয়েছে।
আলিয়া ভাট একদিকে যেমন আধুনিক, শহুরে চরিত্রে সাবলীল, অন্যদিকে তেমনই ঐতিহাসিক বা পিরিয়ড-ধর্মী চরিত্রেও নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন। ‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’-তে তাঁর অভিনয়ের পর এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছিল। সঞ্জয় লীলা বনশালীর সিনেমায় চরিত্রের আবেগ এবং নাটকীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলিয়ার অভিনয়ের স্বাভাবিকতা সেই নাটকীয়তার সঙ্গে মিশে গিয়ে আলাদা মাত্রা তৈরি করতে পারে।
এবার ‘ইনশাআল্লা’য় আলিয়ার চরিত্রটি কেমন হবে, তা নিয়ে অবশ্য এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ছবির গল্প, চরিত্রের বয়স, পটভূমি কিংবা শ্যুটিং কবে শুরু হবে—এসব বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। নায়ক হিসেবেও কে থাকবেন, তা স্পষ্ট নয়। ফলে ‘ইনশাআল্লা’ নিয়ে জল্পনার জায়গা এখনও যথেষ্ট রয়েছে।
বিশেষ করে ছবির নায়ক নিয়ে কৌতূহল সবচেয়ে বেশি। কারণ ছবিটির সঙ্গে অতীতে সলমন খান এবং শাহরুখ খানের নাম জড়িয়েছিল। দুই তারকার মতো বড় নামের সঙ্গে ‘ইনশাআল্লা’-র আলোচনা হওয়ায় ছবিটিকে ঘিরে প্রত্যাশা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। এখন নতুন পরিকল্পনায় আলিয়া ভাটকে নেওয়ার খবর সামনে আসায় প্রশ্ন উঠছে, তাঁর বিপরীতে শেষ পর্যন্ত কাকে দেখা যাবে?
নায়কের নাম প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া কঠিন। তবে সঞ্জয় লীলা বনশালীর সিনেমায় কাস্টিং সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ‘ইনশাআল্লা’-র নায়ক নির্বাচনের বিষয়টিও যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে, তা বলাই যায়।
অন্যদিকে আলিয়া ভাটের কেরিয়ারের দিক থেকেও সঞ্জয় লীলা বনশালীর সঙ্গে বারবার কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ। অভিনেত্রী ইতিমধ্যেই বলিউডের অন্যতম সফল এবং জনপ্রিয় মুখ। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। কিন্তু একজন পরিচালকের সঙ্গে একাধিকবার কাজ করলে একজন অভিনেত্রীর অভিনয়ের অন্য দিকও প্রকাশ পাওয়ার সুযোগ থাকে। সঞ্জয়ের সিনেমায় সেই সুযোগ আলিয়া একাধিকবার পেয়েছেন।
‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’-তে আলিয়ার অভিনয় ছিল তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। চরিত্রটির মধ্যে ছিল শক্তি, আবেগ, দুর্বলতা, প্রতিবাদ এবং ব্যক্তিত্বের একাধিক স্তর। সঞ্জয় লীলা বনশালীর ক্যামেরায় সেই চরিত্রকে আলিয়া যে ভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা দর্শকের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।
এরপর ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’-এ তাঁদের দ্বিতীয় বড় সহযোগিতা। সেই ছবির শ্যুটিং শেষ হওয়ার পরই ‘ইনশাআল্লা’-র সঙ্গে আলিয়ার নাম জড়িয়ে যাওয়ায় মনে করা হচ্ছে, পরিচালকও অভিনেত্রীর উপর যথেষ্ট আস্থা রাখছেন। অর্থাৎ এটি শুধুমাত্র একবারের সাফল্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি কোনও সহযোগিতা নয়; বরং ধীরে ধীরে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিচালক-অভিনেত্রী জুটি হিসেবে তাঁদের সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে।
বলিউডে সাধারণত দর্শকরা নায়ক-নায়িকার জুটির রসায়ন নিয়ে আলোচনা করেন। কিন্তু সঞ্জয় লীলা বনশালী এবং আলিয়া ভাটের ক্ষেত্রে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পরিচালক ও অভিনেত্রীর সৃজনশীল বোঝাপড়া। একজন পরিচালক কীভাবে কোনও অভিনেত্রীর অভিনয়ক্ষমতাকে কাজে লাগান এবং অভিনেত্রী কীভাবে পরিচালকের ভিশনকে পর্দায় তুলে ধরেন, সেই জায়গাতেই এই জুটির বিশেষত্ব।
‘ইনশাআল্লা’ যদি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এই পরিচালক-অভিনেত্রী জুটির যাত্রায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যোগ হবে। তবে ছবিটি কবে ফ্লোরে যাবে, কবে শ্যুটিং শুরু হবে এবং কবে মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে। আপাতত আলিয়ার কাস্টিংই ছবিটির সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।
এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। সঞ্জয় লীলা বনশালীর ছবিতে শুধু গল্প নয়, চরিত্রের লুক এবং পর্দায় উপস্থাপনও বিশেষ গুরুত্ব পায়। আলিয়া ভাটকে তাঁর নতুন চরিত্রে কেমন দেখানো হবে, সেটিও সিনেমাপ্রেমীদের আগ্রহের অন্যতম কারণ হতে পারে। ‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’-তে আলিয়ার লুক এবং অভিনয়ের মধ্যে যে সমন্বয় দেখা গিয়েছিল, তার পর নতুন কোনও চরিত্রে তাঁকে দেখার আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই বেশি।
অন্যদিকে ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পর আলিয়ার সঙ্গে সঞ্জয়ের তৃতীয় কাজের সম্ভাবনা তাঁদের সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে। যদি ‘ইনশাআল্লা’ ছবিতে আলিয়ার চরিত্রটি শক্তিশালী হয়, তাহলে অভিনেত্রীর ফিল্মোগ্রাফিতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারে।
সব মিলিয়ে ‘ইনশাআল্লা’ নিয়ে এখন একাধিক প্রশ্ন। সলমন খান থাকছেন না, শাহরুখ খানও অতীতের পরিকল্পনায় যুক্ত হতে পারেননি। এবার নতুন করে ছবির পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। সেই পরিকল্পনায় আলিয়া ভাটকে রাখার খবর সামনে এসেছে। কিন্তু তাঁর বিপরীতে কে থাকবেন, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
সঞ্জয় লীলা বনশালী এবং আলিয়া ভাটের পরিচালক-অভিনেত্রী জুটি ইতিমধ্যেই ‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’-র মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে। ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর মুক্তির অপেক্ষার মধ্যেই তাঁদের নতুন সহযোগিতার খবর সামনে আসায় দর্শকের আগ্রহ আরও বেড়েছে। এবার ‘ইনশাআল্লা’ সত্যিই কতটা নতুন চমক নিয়ে আসে, সেটাই দেখার।
তবে আপাতত একটি বিষয় বেশ স্পষ্ট—সঞ্জয় লীলা বনশালী তাঁর সিনেমার জন্য আলিয়া ভাটের উপর যথেষ্ট আস্থা রাখছেন। আর আলিয়াও পরিচালকের ভিশনের সঙ্গে নিজেকে বারবার মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে তাঁদের এই পেশাগত রসায়ন আগামী দিনে বলিউডে আরও একাধিক আলোচনার জন্ম দিতে পারে।
‘ইনশাআল্লা’-র নায়ক হিসেবে শেষ পর্যন্ত কোন তারকার নাম ঘোষণা করা হয়, সেটিই এখন নজরে। কারণ সলমন খান ও শাহরুখ খানের মতো বড় তারকার নাম একসময় এই ছবির সঙ্গে জড়িত ছিল। সেই জায়গায় নতুন কোনও তারকা যদি আলিয়ার বিপরীতে আসেন, তাহলে ছবিটির কাস্টিং ঘিরে ফের নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।
এই মুহূর্তে তাই ‘ইনশাআল্লা’ শুধু একটি সিনেমার নাম নয়, বরং বলিউডের একটি বহু প্রতীক্ষিত প্রজেক্ট হিসেবেই আলোচনায় রয়েছে। সঞ্জয় লীলা বনশালীর পরিচালনা, আলিয়া ভাটের অভিনয় এবং ছবির অজানা নায়ক—এই তিনটি বিষয় মিলিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের কৌতূহল ক্রমশ বাড়ছে।
‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’ থেকে ‘লভ অ্যান্ড ওয়ার’, আর সেখান থেকে সম্ভাব্য ‘ইনশাআল্লা’—সঞ্জয় লীলা বনশালী ও আলিয়া ভাটের এই যাত্রা যে বলিউডের অন্যতম আকর্ষণীয় পরিচালক-অভিনেত্রী সহযোগিতায় পরিণত হচ্ছে, তা বলাই যায়। এখন অপেক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। ছবির গল্প, নায়ক এবং শ্যুটিং সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সামনে এলেই ‘ইনশাআল্লা’ নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়বে।