সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে অশান্তির ঘটনায় ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার আগে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন এমন ঘটনা দেশের কাছে বাংলার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে
কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (SRFTI) একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ঘটনার নিন্দা জানান এবং জাতীয় স্তরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিসর বাইরের কোনও সংগঠনের অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার আগে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান। রবিবার ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়। অনুষ্ঠান ও ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের উপস্থিতি নিয়ে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানান। পরে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা ও সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। পড়ুয়াদের দাবি, তাঁদের মারধর করা হয়েছে এবং কয়েক জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, আয়োজক পক্ষও অনুষ্ঠান ব্যাহত করা ও তাদের সদস্যদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছে। ঘটনার বিভিন্ন দাবি তদন্তসাপেক্ষ।
এই পরিস্থিতিতে ফেসবুকে নিজের উদ্বেগের কথা জানান কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, FTII ও SRFTI বহু তরুণের কাছে চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ গড়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। অতীতে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের দাবি নিয়ে আন্দোলন বা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিরোধ হয়েছে। কিন্তু এ বারের ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদা বলে তিনি মনে করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও পড়ুয়াদের নিরাপত্তা যাতে কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের কথাও তাঁর পোস্টে উঠে এসেছে। পরিচালক বিশেষভাবে প্রশ্ন তুলেছেন অডিটোরিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে। তাঁর মতে, জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনও অংশ ভাড়া দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানটির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কাজের যোগ বা প্রাসঙ্গিকতা আছে কি না, তা বিবেচনা করা উচিত। এই ধরনের সিদ্ধান্তে যথেষ্ট সতর্কতা না থাকলে আবারও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
কৌশিকের কথায় আমরা সচেতন না হলে দেশের কাছে আমাদের ভাবমূর্তি গতকালের মতো খারাপ হবে বারবার। একই সঙ্গে ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি। তাঁর পোস্টের মূল বক্তব্য হলো, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কী ধরনের অনুষ্ঠান হবে এবং সেখানে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত গুরুত্ব দিয়ে নিতে হবে। SRFTI-র ঘটনাকে ঘিরে চলচ্চিত্র জগতের আরও কয়েক জন প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নির্ধারণের দায়িত্ব তদন্তকারীদের। তবে এই অশান্তি জাতীয় স্তরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠান আয়োজনের নিয়ম, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং পড়ুয়াদের উদ্বেগ শোনার প্রয়োজন নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (SRFTI) একটি অনুষ্ঠান ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে জাতীয় স্তরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম বাইরের সংগঠনের অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত। এমন অনুমতি দেওয়ার আগে অনুষ্ঠানটির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কাজের সম্পর্ক বা প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
SRFTI-র অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পড়ুয়াদের একাংশের সঙ্গে আয়োজক পক্ষের বিবাদ তৈরি হয়। পরে সংঘর্ষ ও আহত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। পড়ুয়ারা তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে, আয়োজক পক্ষেরও পাল্টা অভিযোগ রয়েছে। ফলে ঘটনার প্রতিটি দাবি যাচাই করে কী ঘটেছিল, তা নির্ধারণ করা জরুরি। এই ঘটনার পর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর পোস্টে চলচ্চিত্র শিক্ষার ক্ষেত্রে SRFTI ও FTII-এর গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। চলচ্চিত্রকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া বহু তরুণের কাছে প্রতিষ্ঠান দুটি শেখার ও নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার জায়গা। সেই পরিসরে কোনও অনুষ্ঠান ঘিরে অশান্তি তৈরি হলে তার প্রভাব শুধু একটি দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পড়ুয়াদের নিরাপত্তা, পড়াশোনার পরিবেশ এবং প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
পরিচালকের বক্তব্য, জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনও অংশ ভাড়া দেওয়ার আগে কর্তৃপক্ষের দেখা উচিত আয়োজিত অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কি না। তাঁর এই মন্তব্যে ভবিষ্যতের জন্য একটি সতর্কতার বার্তা রয়েছে। কোনও অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হলে তার ধরন অংশগ্রহণকারীদের প্রবেশ এবং ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কাজকর্মে সম্ভাব্য প্রভাব আগেই বিবেচনা করা প্রয়োজন। ফেসবুক পোস্টে কৌশিক লিখেছেন আমরা সচেতন না হলে দেশের কাছে আমাদের ভাবমূর্তি গতকালের মতো খারাপ হবে বারবার। এই বক্তব্যের পাশাপাশি তিনি ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ করে পরিস্থিতির সমাধান করবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন পরিচালক। SRFTI-র ঘটনা নিয়ে চলচ্চিত্র জগতের আরও কয়েক জন প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তবে কার অভিযোগ কতটা সত্য, তা তদন্তের বিষয়। এই মুহূর্তে প্রয়োজন ঘটনার নিরপেক্ষ অনুসন্ধান, আহতদের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের জায়গা বাইরের অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী নিয়ম মানা হবে, সেই প্রশ্নেরও স্পষ্ট উত্তর প্রয়োজন। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া সেই বৃহত্তর আলোচনাকেই সামনে এনেছে। একটি জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা ও শিক্ষার পরিবেশ কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের। সতর্ক সিদ্ধান্ত এবং অভিযোগের যথাযথ তদন্তই এই ঘটনার পর আস্থা ফেরানোর পথ তৈরি করতে পারে।
সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (SRFTI) অশান্তির ঘটনায় কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র জগতের আরও কয়েক জন প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের প্রতিক্রিয়ায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিসরে বাইরের অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ উঠে এসেছে। তবে ঘটনার দিন ঠিক কী ঘটেছিল, কে প্রথম সংঘর্ষে জড়িয়েছিল এবং কার কী ভূমিকা ছিল, তা অভিযোগের ভিত্তিতে স্থির করা যায় না। পড়ুয়া ও আয়োজক পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখে তদন্তের মাধ্যমেই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে প্রথম গুরুত্ব পাওয়া উচিত আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে এমন পরিবেশ ফিরিয়ে আনা জরুরি, যেখানে পড়ুয়ারা ভয় বা অনিশ্চয়তা ছাড়া ক্লাস ও অন্যান্য শিক্ষামূলক কাজে অংশ নিতে পারবেন। অশান্তির পর তাঁদের উদ্বেগ শোনা এবং কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্টভাবে জানানোও কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এতে পড়ুয়াদের আস্থা ফেরাতে সাহায্য হতে পারে। ঘটনাটি ইনস্টিটিউটের জায়গা বাইরের সংগঠনকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার নিয়ম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। কোনও অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কাজের সঙ্গে কতটা প্রাসঙ্গিক, সেখানে কারা প্রবেশ করবেন এবং স্বাভাবিক কাজকর্মে তার প্রভাব পড়তে পারে কি না অনুমতি দেওয়ার আগে এসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন। নিয়ম স্পষ্ট থাকলে ভবিষ্যতে একই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর সুযোগ বাড়বে। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর ফেসবুক পোস্টে এই সতর্কতার কথাই তুলে ধরেছেন। জাতীয় স্তরের একটি চলচ্চিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনও অংশ ভাড়া দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের যোগ রয়েছে কি না, তা বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। অশান্তির ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতাও কামনা করেছেন পরিচালক। তাঁর প্রতিক্রিয়া একটি দিনের ঘটনার বাইরে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার জায়গা তৈরি করেছে। এখন প্রয়োজন অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তার ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট করা উচিত, ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে বাইরের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি কীভাবে দেওয়া হবে। তদন্তে স্বচ্ছতা পড়ুয়াদের উদ্বেগের প্রতি গুরুত্ব এবং নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগই এই ঘটনার পর আস্থা ফেরাতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে প্রথম গুরুত্ব পাওয়া উচিত আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে এমন পরিবেশ ফিরিয়ে আনা জরুরি, যেখানে পড়ুয়ারা ভয় বা অনিশ্চয়তা ছাড়া ক্লাস ও অন্যান্য শিক্ষামূলক কাজে অংশ নিতে পারবেন। অশান্তির পর তাঁদের উদ্বেগ শোনা এবং কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্টভাবে জানানোও কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এতে পড়ুয়াদের আস্থা ফেরাতে সাহায্য হতে পারে। ঘটনাটি ইনস্টিটিউটের জায়গা বাইরের সংগঠনকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার নিয়ম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। কোনও অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কাজের সঙ্গে কতটা প্রাসঙ্গিক, সেখানে কারা প্রবেশ করবেন এবং স্বাভাবিক কাজকর্মে তার প্রভাব পড়তে পারে কি না অনুমতি দেওয়ার আগে এসব বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।