Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

গুরপ্রীতের ভুলে স্বপ্নভঙ্গ, সাম্বা ম্যাজিকে বিধ্বস্ত ভারত

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সুযোগ ছিল ভারতীয় ফুটবলারদের কাছে স্বপ্নের মতো। এমন ঐতিহাসিক ম্যাচে লড়াইয়ের স্মৃতি সারাজীবন গর্বের সঙ্গে মনে রাখার মতো হলেও, শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল পেল না ভারত।

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সুযোগ যে কোনও ভারতীয় ফুটবলারের কাছেই অত্যন্ত বিশেষ মুহূর্ত। এমন ম্যাচের স্মৃতি ফুটবল জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মনে থেকে যায়। ভবিষ্যতে নাতি-নাতনিদের কাছে গর্বের সঙ্গে বলা যায়, বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে একদিন দেশের জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু ২০২৬ সালের ৩ অক্টোবরের রাতটা ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত অনেকের কাছেই হয়তো তেমন সুখের স্মৃতি হয়ে থাকল না। বিশেষ করে ভারতীয় গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুর জন্য যুবভারতীর এই রাত দ্রুত ভুলে যাওয়াই স্বস্তির হতে পারে।

কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের লড়াই শুরু হয়েছিল যথেষ্ট আশাব্যঞ্জকভাবে। প্রতিপক্ষের তুলনায় বল পজেশনে পিছিয়ে থাকলেও ভারতীয় ফুটবলারদের শরীরী ভাষায় ছিল লড়াইয়ের স্পষ্ট ইঙ্গিত। মনবীর সিং, আনোয়ার আলি এবং দলের অন্যান্য ফুটবলাররা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী ব্রাজিলের আক্রমণ সামলানোর চেষ্টা করছিলেন। পাল্টা আক্রমণে সুযোগ তৈরি করে ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ তৈরির পরিকল্পনাও ছিল ভারতের। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়েছে, ব্যক্তিগত ভুল ততই ভারতের যাবতীয় পরিকল্পনাকে দুর্বল করে দিয়েছে।

শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলে ব্রাজিলের কাছে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ভারতকে। ব্রাজিলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন স্যামুয়েল লিনো। এছাড়া স্কোরশিটে নাম তুলেছেন এস্তেভাও এবং পেড্রো। ব্রাজিলের তারকা ফুটবলারদের সাম্বা ম্যাজিক যেমন যুবভারতীর গ্যালারিকে মুগ্ধ করেছে, তেমনই ভারতীয় দলের ভুলগুলিও ম্যাচের ফলকে একেবারে একপেশে করে দিয়েছে।

ম্যাচের শুরুটা কিন্তু একেবারেই এমন ফলাফলের ইঙ্গিত দেয়নি। পানামার বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করেছিলেন ভারতের কোচ খালিদ। মাঝমাঠকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অনিরুদ্ধ থাপা এবং সাহালকে প্রথম একাদশে আনা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে মাঝমাঠে সংগঠন বজায় রেখে সুযোগ বুঝে আক্রমণে ওঠা।

শুরু থেকেই ব্রাজিল বল দখলে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখলেও ভারতীয় ফুটবলাররা একেবারে হাল ছেড়ে দেননি। মনবীরদের দৌড়, আনোয়ারদের প্রতিরোধ এবং মাঝমাঠে ভারতীয় ফুটবলারদের পরিশ্রম চোখে পড়েছিল। এমনকি ব্রাজিলের তারকা ভিনিসিয়াসও বেশ কয়েকবার অফসাইডের ফাঁদে পড়েন। ভারতের পরিকল্পনা ছিল মূলত পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে ব্রাজিলের রক্ষণকে চ্যালেঞ্জ করা। সেই পরিকল্পনা থেকে কয়েকটি সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল।

কিন্তু ২৮ মিনিটে ম্যাচের প্রথম বড় ধাক্কা আসে। বাঁ দিক দিয়ে দুই ভারতীয় ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলের দিকে শট নেন এস্তেভাও। প্রথম পোস্টে অবস্থান করছিলেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। কিন্তু সেই শট সামলাতে ব্যর্থ হন ভারতীয় গোলরক্ষক। তাঁর হাতে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০ গোলে।

এই গোলের পর থেকেই ম্যাচের গতিপথ অনেকটাই বদলে যায়। আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে ব্রাজিল আক্রমণের গতি বাড়াতে থাকে। ভারতের রক্ষণকে ক্রমাগত ব্যস্ত রাখেন ব্রাজিলের আক্রমণভাগের ফুটবলাররা। ৩৬ মিনিটে পেড্রোর হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সেই মুহূর্তে স্বস্তি পেলেও ভারত বেশিক্ষণ বিপদমুক্ত থাকতে পারেনি।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই আবারও বড় ভুল করে বসে ভারতীয় দল। এস্তেভাওয়ের পাস থেকে পেড্রো শট নেন। সেই শট রুখতে পারেননি গুরপ্রীত। ফলে ম্যাচের ৪২ মিনিটের কাছাকাছি সময়ে ব্রাজিলের ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০। ভারতীয় গোলরক্ষকের দ্বিতীয় ভুলের পরই যুবভারতীর গ্যালারিতে গোলরক্ষক পরিবর্তনের দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে ভারতীয় দল বিরতিতে যায়। পরিস্থিতি বুঝে কোচ খালিদ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গুরপ্রীতের পরিবর্তে প্রভসুখন সিং গিলকে মাঠে নামান। পাশাপাশি আকাশ মিশ্র এবং আশিক কুরুনিয়ানের পরিবর্তে জয় গুপ্তা এবং মহম্মদ সানানকে নামানো হয়। লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করা।

অন্যদিকে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনসেলোত্তিও একাধিক পরিবর্তন করেন। দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে তুলে নিয়ে রিজার্ভ বেঞ্চের খেলোয়াড়দের সুযোগ দেন তিনি। ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ডানিলোদের মতো ফুটবলাররা মাঠ ছাড়লেও ব্রাজিলের দাপট কমেনি। বরং পরিবর্তিত ফুটবলাররাও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে শুরু করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ভারতীয় ফুটবলাররা প্রথমার্ধের হতাশা ভুলে ফের লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করেন। মনবীর সিং এবং রায়ান উইলিয়ামসরা ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যান। আনোয়াররাও নিজেদের জায়গা থেকে দলকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ফের একটি ব্যক্তিগত ভুল ভারতের সব পরিশ্রমকে ধাক্কা দেয়।

৫৮ মিনিটে বিজয় ভার্গেসের মিস পাস থেকে সুযোগ পেয়ে যান ব্রাজিলের স্যামুয়েল লিনো। সুযোগ নষ্ট করেননি তিনি। ভারতীয় রক্ষণকে কাজে লাগিয়ে গোল করে ব্রাজিলের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন। স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-০। এই গোলের পর কার্যত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ব্রাজিলের হাতে চলে যায়।

তিন গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্রাজিলের কোচ আনসেলোত্তি আরও বড়সড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। গোলরক্ষককে বাদ দিলে প্রথম একাদশের বাকি ফুটবলারদের একে একে তুলে নেন তিনি। এর ফলে ব্রাজিলের বেঞ্চের ফুটবলারদেরও নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ আসে। অন্যদিকে ভারতীয় দল তখনও অন্তত একটি গোল করে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।

news image
আরও খবর

৬৪ মিনিটে ভারত গোল করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়। রায়ান উইলিয়ামসের শট ব্রাজিলের গোলের দিকে এগিয়ে গেলেও গোললাইন থেকে দুর্দান্ত সেভ করে ভারতকে গোল থেকে বঞ্চিত করেন ব্রাজিলের মাউরো জুনিয়র। সেই মুহূর্তে ভারত গোল পেলে ম্যাচের শেষ ভাগে কিছুটা হলেও উত্তেজনা তৈরি হতে পারত। কিন্তু সেই সুযোগও কাজে লাগাতে পারেনি ভারতীয় দল।

এরপর ভারতীয় ফুটবলাররা একাধিকবার আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের রক্ষণ ভাঙা সম্ভব হয়নি। মনবীর সিং, রায়ান উইলিয়ামসদের প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসনীয়। কিন্তু স্কোরবোর্ডে তার প্রতিফলন ঘটেনি। অন্যদিকে ব্রাজিল সুযোগ পেলেই আক্রমণে উঠে ভারতীয় রক্ষণকে পরীক্ষা করছিল।

ম্যাচের সংযোজিত সময়ে ফের গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন স্যামুয়েল লিনো। তাঁর ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি ভারতীয় দলের হতাশা আরও বাড়িয়ে দেয়। এই গোলের ক্ষেত্রেও গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। ফলে ম্যাচ শেষ হয় ৪-০ ব্যবধানে।

ফলাফল হয়তো ভারতের জন্য হতাশাজনক, কিন্তু ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলারদের জন্য নিঃসন্দেহে মূল্যবান। বিশেষ করে মনবীর সিং, আনোয়ার আলি এবং দলের অন্য ফুটবলাররা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী লড়াই করার চেষ্টা করেছেন। তবে বড় দলের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলও যে কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে, যুবভারতীর ম্যাচ তারই বড় উদাহরণ।

এই ম্যাচে আলাদা করে নজর কেড়েছেন এস্তেভাও। চোটের কারণে বিশ্বকাপের দলে থাকতে পারেননি তিনি। কিন্তু কলকাতার যুবভারতীতে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন এই তরুণ উইঙ্গার। দুই ভারতীয় ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তাঁর গোল ছিল ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। শুধু গোল করাই নয়, পেড্রোর দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও তাঁর পাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ফলে ম্যাচে ব্রাজিলের দাপটের অন্যতম কারণ হয়ে ওঠেন এস্তেভাও।

স্যামুয়েল লিনোর পারফরম্যান্সও ম্যাচের অন্যতম আলোচিত বিষয়। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে ভারতীয় রক্ষণকে বারবার সমস্যায় ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত জোড়া গোল করে দলের ৪-০ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ব্রাজিলের পরিবর্তিত দলেও যে প্রতিভার কোনও অভাব নেই, তাঁর পারফরম্যান্স সেটাই দেখিয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। অভিজ্ঞ গোলরক্ষক হিসেবে তাঁর কাছ থেকে বড় ম্যাচে আরও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রথমার্ধে তাঁর দুটি ভুলই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। প্রথম গোলটি আটকাতে ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয় গোলেও তিনি শট রুখতে পারেননি। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর তাঁকে তুলে নেওয়া হয়।

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে হারার পর গুরপ্রীতের অবসর নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বয়স এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে জাতীয় দলের গোলপোস্টে পরিবর্তনের দাবি উঠছে। তবে কোনও ফুটবলারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কোচ এবং দলের নির্বাচকদের বিষয়। এই ম্যাচ অবশ্য নতুন করে সেই বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে।

ভারতের কোচ খালিদের কাছেও ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে থাকবে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নের বিরুদ্ধে কৌশল, দল নির্বাচন, মাঝমাঠের সংগঠন এবং রক্ষণে ভুল কমানোর প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়েছে। ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে সুযোগ তৈরি করা কঠিন। আর সুযোগ তৈরি হওয়ার পরও যদি নিজেদের ভুলে গোল হজম করতে হয়, তাহলে ম্যাচে টিকে থাকা আরও কঠিন।

যুবভারতীর গ্যালারিতে অবশ্য হতাশার পাশাপাশি ছিল ব্রাজিলের ফুটবলের প্রতি গভীর মুগ্ধতা। সাম্বা ফুটবলের ছন্দ, দ্রুত পাস, ব্যক্তিগত দক্ষতা এবং আক্রমণের বৈচিত্র্য দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। ভিনিসিয়াস জুনিয়র থেকে শুরু করে এস্তেভাও, পেড্রো এবং স্যামুয়েল লিনো—ব্রাজিলের একাধিক ফুটবলার নিজেদের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন।

ভারতীয় দলের জন্য ৪-০ হার অবশ্যই হতাশাজনক। কিন্তু এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগও কম নয়। বিশ্বের সেরা দলগুলির বিরুদ্ধে খেলতে গেলে শুধু লড়াইয়ের মানসিকতা নয়, ভুলহীন ফুটবলও প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ভুল, পাসিংয়ের ভুল এবং রক্ষণে সামান্য অসতর্কতাও বড় দলের বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে।

৩ অক্টোবর ২০২৬-এর যুবভারতীর রাত তাই ভারতীয় ফুটবলের কাছে একইসঙ্গে গর্ব এবং হতাশার গল্প হয়ে থাকবে। একদিকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার ঐতিহাসিক সুযোগ, অন্যদিকে ৪-০ ব্যবধানে বড় হার। মনবীর-আনোয়ারদের লড়াই, এস্তেভাওয়ের জাদু, স্যামুয়েল লিনোর জোড়া গোল এবং গুরপ্রীতের ভুল—সব মিলিয়ে ম্যাচটি দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকবে।

ভারতের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এই ম্যাচের ভুলগুলি থেকে কতটা শিক্ষা নেওয়া যায়। ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে হলে রক্ষণকে আরও সংগঠিত করতে হবে, গোলরক্ষকের ভুল কমাতে হবে এবং আক্রমণে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে হারের ব্যবধান বড় হলেও ভারতীয় ফুটবলের জন্য এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

Preview image