Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

Jio Airtel এর থেকে সস্তা হবে স্টারলিঙ্কের প্ল্যান মাসে কত পড়বে হিসেব কী বলছে

জিও ও এয়ারটেলের তুলনায় কি কম খরচে ইন্টারনেট পরিষেবা দেবে স্টারলিঙ্ক মাসিক প্ল্যানের সম্ভাব্য দাম নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ তবে শুধু মাসিক রিচার্জ নয় সংযোগ নেওয়ার যন্ত্রপাতি ও প্রাথমিক খরচ মিলিয়েই মোট ব্যয়ের তুলনা করা প্রয়োজন সম্ভাব্য হিসেব কী বলছে এবং গ্রাহকদের জন্য কতটা সাশ্রয়ী হতে পারে এই স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা  তা নিয়েই আলোচনা

ভারতে স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়ে আগ্রহের কেন্দ্রে এখন একটি প্রশ্ন জিও ও এয়ারটেলের তুলনায় কি কম খরচে সংযোগ পাওয়া যাবে  ইলন মাস্কের সাশ্রয়ী দামের বক্তব্য এই আলোচনা বাড়িয়েছে। তবে কম দামে পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য এবং প্রতিযোগীদের চেয়ে কম দামের নির্দিষ্ট প্ল্যান ঘোষণা এক বিষয় নয়। ১১ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাস্ক ভারতে স্টারলিঙ্কের দাম সাশ্রয়ী রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন, কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট মাসিক মূল্য জানাননি। ফলে তাঁর বক্তব্য থেকে স্টারলিঙ্ক নিশ্চিতভাবেই জিও বা এয়ারটেলের চেয়ে সস্তা হবে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাচ্ছে না।  গ্রাহকের প্রকৃত খরচ বোঝার জন্য মাসিক বিলের পাশাপাশি যন্ত্রপাতি, ইনস্টলেশন এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিষেবার প্রাপ্যতাও দেখতে হবে। মাসিক সাবস্ক্রিপশনের অঙ্ক আকর্ষণীয় হলেও বড় প্রাথমিক খরচ থাকলে প্রথম বছরের বাজেট অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। স্টারলিঙ্কের সম্ভাব্য ভারতীয় মূল্য নিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিক অঙ্ক প্রকাশিত হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর ২০২৫-এর টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে খুচরো গ্রাহকদের জন্য মাসে প্রায় ₹২,৫০০–₹৩,৫০০ খরচের সম্ভাবনার কথা উঠে আসে। একই প্রতিবেদনে আগে ওয়েবসাইটে সাময়িকভাবে ₹৮,৬০০ মাসিক মূল্য দেখানো এবং পরে তা সরিয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়। এগুলি পুরনো প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অক্টোবর ২০২৬-এর চূড়ান্ত, চালু ভারতীয় প্ল্যান হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক হবে না। সম্ভাব্য দাম নিয়ে আলোচনা বাজারের আগ্রহ বোঝাতে সাহায্য করে। কিন্তু সংযোগ নেওয়ার সিদ্ধান্তের ভিত্তি হতে হবে সংস্থার বর্তমান আনুষ্ঠানিক মূল্য ও শর্ত। স্টারলিঙ্কের নিজস্ব সহায়তা পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, দেশ, কর এবং স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী দাম পরিবর্তিত হয়। নিজের এলাকার হার্ডওয়্যার কিট ও মাসিক পরিষেবার মূল্য জানতে ওয়েবসাইটে ঠিকানা দিয়ে প্রযোজ্য মূল্য দেখতে হয়। তাই অন্য দেশের দামকে সরাসরি ভারতের সম্ভাব্য বিল ধরে নেওয়া যায় না। 

বর্তমান ব্রডব্যান্ড বিকল্পগুলির কয়েকটি উদাহরণ দেখলে দামের পার্থক্য বোঝা সহজ হয়।

পরিষেবা প্রদর্শিত প্ল্যানের মূল্য ঘোষিত সর্বোচ্চ গতি
JioFiber ₹৮৯৯ ১০০ Mbps
JioFiber ₹৯৯৯ ১৫০ Mbps
JioFiber ₹১,৪৯৯ ৩০০ Mbps
Airtel Wi-Fi ₹৪৯৯/মাস ৪০ Mbps
Airtel Wi-Fi ₹৭৯৯/মাস ১০০ Mbps
Airtel Wi-Fi ₹১,৫৯৯/মাস ৩০০ Mbps

জিও ও এয়ারটেলের সরকারি পৃষ্ঠায় এই বিকল্পগুলি দেখানো হয়েছে। এয়ারটেল জানিয়েছে, তাদের প্রদর্শিত মূল্য কর ছাড়া। ঠিকানা, প্ল্যানের মেয়াদ ও প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী চূড়ান্ত বিল এবং সংযোগের সুবিধা যাচাই করতে হবে।  এসব উদাহরণের পাশে স্টারলিঙ্কের পুরনো প্রতিবেদনে উল্লিখিত ₹২,৫০০–₹৩,৫০০ সম্ভাব্য মাসিক মূল্য রাখলে দেখা যায়, ওই মূল্য কার্যকর হলে নির্বাচিত ফাইবার প্ল্যানগুলির তুলনায় মাসিক খরচ বেশি হবে। এটি সম্ভাব্য অঙ্কের ভিত্তিতে করা তুলনা; স্টারলিঙ্কের চূড়ান্ত ভারতীয় দামের ঘোষণা নয়। সব প্ল্যানের সুবিধাও এক নয়। গতি, ডেটা ব্যবহারের শর্ত, বিনোদনের সাবস্ক্রিপশন এবং সংযোগের প্রাপ্যতা মিলিয়ে তুলনা করতে হবে। শুধু একটি প্ল্যানের দাম দেখে গোটা পরিষেবাকে সস্তা বা দামি বলা যথেষ্ট নয়।

নতুন সংযোগের মোট খরচ বোঝার সহজ হিসেব হল

প্রথম বছরের মোট ব্যয় = প্রাথমিক যন্ত্রপাতি ও স্থাপন খরচ + ১২ মাসের পরিষেবা মূল্য + প্রযোজ্য অন্যান্য চার্জ।

শুধু হিসেব বোঝানোর জন্য ধরা যাক, কোনও সংযোগে একবারের যন্ত্রপাতির খরচ ₹৩০,০০০ এবং মাসিক বিল ₹২,৫০০। এটি স্টারলিঙ্কের ঘোষিত দাম নয়, একটি কাল্পনিক উদাহরণ।

news image
আরও খবর

এই ক্ষেত্রে হিসেব হবে:

খরচের বিষয় পরিমাণ
একবারের যন্ত্রপাতির খরচ ₹৩০,০০০
১২ মাসের পরিষেবা মূল্য ₹৩০,০০০
প্রথম বছরের মোট ব্যয় ₹৬০,০০০
প্রথম বছর গড়ে প্রতি মাসের ব্যয় ₹৫,০০০

অর্থাৎ মাসিক সাবস্ক্রিপশন ₹২,৫০০ হলেও যন্ত্রপাতির খরচ ধরলে প্রথম বছরের গড় মাসিক ব্যয় দ্বিগুণ হচ্ছে। অতিরিক্ত ইনস্টলেশন বা অন্য চার্জ থাকলে মোট খরচ আরও বাড়বে। একই যন্ত্রপাতি দুই বছর ব্যবহার করলে এবং মাসিক মূল্য অপরিবর্তিত থাকলে মোট ব্যয় হবে ₹৯০,০০০। তখন ২৪ মাসে গড় খরচ দাঁড়াবে ₹৩,৭৫০। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ফলে প্রাথমিক খরচের মাসিক প্রভাব কমলেও প্রথমবার সংযোগ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নগদ অর্থের পরিমাণ বদলায় না। এই কারণে কোনও নতুন পরিষেবা নেওয়ার আগে প্রথম মাসের খরচ, প্রথম বছরের মোট ব্যয় এবং পরবর্তী বছরের নিয়মিত বিল আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। যেখানে ভালো ফাইবার সংযোগ পাওয়া যায়, সেখানে মাসিক বিল ও পরিষেবার সুবিধা মিলিয়ে বর্তমান বিকল্পগুলি তুলনা করা সহজ। কিন্তু যেখানে ফাইবার পৌঁছয়নি এবং মোবাইল ইন্টারনেটও দুর্বল, সেখানে গ্রাহকের প্রয়োজন আলাদা। দূরবর্তী বাড়ি, ছোট অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কাজের জায়গায় সংযোগের অভাব থাকলে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট একটি সম্ভাব্য বিকল্প হতে পারে। এমন জায়গায় শুধু সবচেয়ে কম বিল নয়, প্রয়োজনীয় কাজ করার মতো সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে কি না, সেটিও সিদ্ধান্তের অংশ। উদাহরণ হিসেবে, কোনও ছোট ব্যবসায় ইন্টারনেটের সমস্যায় নিয়মিত অর্ডার নেওয়া বা অনলাইন কাজ ব্যাহত হলে সংযোগের মূল্য বিচার করতে হবে কাজের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে। তবে এটি প্রয়োজনের ভিত্তিতে করা বিশ্লেষণ। কোনও নির্দিষ্ট এলাকায় স্টারলিঙ্ক পাওয়া যাবে বা প্রত্যাশিত গতি মিলবে তা সংশ্লিষ্ট ঠিকানার প্রাপ্যতা ও আনুষ্ঠানিক শর্ত যাচাই করেই জানতে হবে।

স্থাপনের জায়গাও গুরুত্বপূর্ণ স্টারলিঙ্কের ইনস্টলেশন নির্দেশিকা অনুযায়ী স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখতে যন্ত্রটির আকাশের পরিষ্কার দৃশ্য প্রয়োজন। ফলে বাড়ির ছাদ বা অন্য স্থানে উপযুক্ত জায়গা আছে কি না, তা আগে দেখতে হবে।  সংস্থার প্রকাশিত স্পেসিফিকেশনেও স্থাপনের পরিবেশ, যন্ত্রের অবস্থান, আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয় পরিষেবার কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে উল্লেখ রয়েছে। তাই দাম জানার পাশাপাশি স্থাপনের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝাও দরকার।  গ্রাহকের তুলনায় মাসিক খরচের সঙ্গে স্থাপনের প্রয়োজন, ব্যবহারযোগ্য গতি এবং সমস্যার সময় সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থাও থাকা উচিত। বাড়ির সাধারণ ব্যবহার এবং গুরুত্বপূর্ণ অফিসের কাজের জন্য একই ধরনের অগ্রাধিকার নাও থাকতে পারে। বাজারে সহযোগিতার ব্যবস্থাও রয়েছে এয়ারটেল ১১ মার্চ ২০২৫-এ স্পেসএক্সের সঙ্গে একটি চুক্তির ঘোষণা করেছিল। প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে ভারতে স্টারলিঙ্কের পরিষেবা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ অনুসন্ধান করা ছিল এর উদ্দেশ্য। এতে দোকানে যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং ব্যবসা, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সংযোগের সম্ভাবনার কথাও ছিল। ফলে গ্রাহকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে কোথা থেকে সংযোগ নেওয়া যাচ্ছে, কী শর্ত প্রযোজ্য এবং মোট কত টাকা দিতে হচ্ছে। স্টারলিঙ্কের আনুষ্ঠানিক ভারতীয় মূল্যতালিকা, হার্ডওয়্যারের খরচ ও নিজের এলাকার পরিষেবার শর্ত সামনে এলেই নির্ভরযোগ্য তুলনা করা সম্ভব হবে।

স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে বাইরের যন্ত্রের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। আকাশের পরিষ্কার দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তার অর্থ হল, শুধু একটি খালি জায়গা পেলেই সেখানে যন্ত্র বসিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া যথেষ্ট নয়। জায়গাটি থেকে প্রয়োজনীয় আকাশ দেখা যাচ্ছে কি না, সেটিও মূল্যায়ন করতে হবে। কোনও বাড়ির ছাদে জায়গা থাকলেও আশপাশের উঁচু ভবন, গাছ বা অন্য কাঠামোর অবস্থান বিবেচনা করা দরকার। তবে কোনও নির্দিষ্ট বাধা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা অনুমান করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট যন্ত্রের নির্দেশিকা এবং বাস্তব স্থাপনের পরিস্থিতি অনুযায়ী জায়গা নির্বাচন করতে হবে। নিজের বাড়ি, ভাড়াবাড়ি বা বহুতলের ক্ষেত্রে স্থাপনের সুবিধাও আলাদা হতে পারে। বহুতলে ছাদ ব্যবহার করা যাবে কি না, বাইরে যন্ত্র বসানোর অনুমতি আছে কি না এবং প্রয়োজনে সেখানে পৌঁছনো সম্ভব হবে কি না এসব প্রশ্ন আগেই পরিষ্কার করলে পরবর্তী জটিলতা কমতে পারে।

যেখানে ভালো ফাইবার সংযোগ পাওয়া যায়, সেখানে মাসিক বিল ও পরিষেবার সুবিধা মিলিয়ে বর্তমান বিকল্পগুলি তুলনা করা সহজ। কিন্তু যেখানে ফাইবার পৌঁছয়নি এবং মোবাইল ইন্টারনেটও দুর্বল, সেখানে গ্রাহকের প্রয়োজন আলাদা। দূরবর্তী বাড়ি, ছোট অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কাজের জায়গায় সংযোগের অভাব থাকলে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট একটি সম্ভাব্য বিকল্প হতে পারে। এমন জায়গায় শুধু সবচেয়ে কম বিল নয়, প্রয়োজনীয় কাজ করার মতো সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে কি না, সেটিও সিদ্ধান্তের অংশ। উদাহরণ হিসেবে, কোনও ছোট ব্যবসায় ইন্টারনেটের সমস্যায় নিয়মিত অর্ডার নেওয়া বা অনলাইন কাজ ব্যাহত হলে সংযোগের মূল্য বিচার করতে হবে কাজের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে। তবে এটি প্রয়োজনের ভিত্তিতে করা বিশ্লেষণ। কোনও নির্দিষ্ট এলাকায় স্টারলিঙ্ক পাওয়া যাবে বা প্রত্যাশিত গতি মিলবে তা সংশ্লিষ্ট ঠিকানার প্রাপ্যতা ও আনুষ্ঠানিক শর্ত যাচাই করেই জানতে হবে।

স্থাপনের জায়গাও গুরুত্বপূর্ণ স্টারলিঙ্কের ইনস্টলেশন নির্দেশিকা অনুযায়ী স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখতে যন্ত্রটির আকাশের পরিষ্কার দৃশ্য প্রয়োজন। ফলে বাড়ির ছাদ বা অন্য স্থানে উপযুক্ত জায়গা আছে কি না, তা আগে দেখতে হবে।  সংস্থার প্রকাশিত স্পেসিফিকেশনেও স্থাপনের পরিবেশ, যন্ত্রের অবস্থান, আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয় পরিষেবার কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে উল্লেখ রয়েছে। তাই দাম জানার পাশাপাশি স্থাপনের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝাও দরকার।  গ্রাহকের তুলনায় মাসিক খরচের সঙ্গে স্থাপনের প্রয়োজন, ব্যবহারযোগ্য গতি এবং সমস্যার সময় সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থাও থাকা উচিত। বাড়ির সাধারণ ব্যবহার এবং গুরুত্বপূর্ণ অফিসের কাজের জন্য একই ধরনের অগ্রাধিকার নাও থাকতে পারে। বাজারে সহযোগিতার ব্যবস্থাও রয়েছে এয়ারটেল ১১ মার্চ ২০২৫-এ স্পেসএক্সের সঙ্গে একটি চুক্তির ঘোষণা করেছিল। প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে ভারতে স্টারলিঙ্কের পরিষেবা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ অনুসন্ধান করা ছিল এর উদ্দেশ্য। এতে দোকানে যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং ব্যবসা, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সংযোগের সম্ভাবনার কথাও ছিল। ফলে গ্রাহকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে কোথা থেকে সংযোগ নেওয়া যাচ্ছে, কী শর্ত প্রযোজ্য এবং মোট কত টাকা দিতে হচ্ছে। স্টারলিঙ্কের আনুষ্ঠানিক ভারতীয় মূল্যতালিকা, হার্ডওয়্যারের খরচ ও নিজের এলাকার পরিষেবার শর্ত সামনে এলেই নির্ভরযোগ্য তুলনা করা সম্ভব হবে।

Preview image