Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

কাঞ্চন-মল্লিক ও শ্রীময়ীর হানিমুন মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই

কাঞ্চন-মল্লিক ও শ্রীময়ীর পাঁচতারা হোটেলে হানিমুন মুহূর্তে নেটদুনিয়ায় হইচই।কলকাতা স্কাইলাইনের সামনে চুম্বন ও বিছানায় দৃষ্টি বিনিময়ে ভাইরাল নতুন ছবি।তৃতীয় বিয়ের পর সুখী জীবন কাটাচ্ছেন কাঞ্চন-মল্লিক, পাশে শ্রীময়ী ও সন্তান কৃষভি।নেটিজেনরা মন্তব্যে জানালেন, দ্বিতীয় নয় তৃতীয় হানিমুন।বয়সের ব্যবধান ভুলেও ভালোবাসার উদাহরণ কাঞ্চন-মল্লিক ও শ্রীময়ীর নতুন ফ্রেমগুলো।

কাঞ্চন-মল্লিক ও শ্রীময়ীর হানিমুন মুহূর্ত: বয়সের ফারাককে চ্যালেঞ্জ করে প্রেমের নতুন অধ্যায়

বাংলা বিনোদন জগতে প্রেম, সম্পর্ক, এবং পরিবারের গল্প কখনও কখনও শুধু ব্যক্তিগত বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং এই গল্পগুলো সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এমনই একটি গল্প হলো কাঞ্চন মল্লিক এবং শ্রীময়ীর। ২০২৪ সালে তৃতীয়বার বিয়ে এবং নতুন সন্তানের আগমনের মধ্য দিয়ে তাদের জীবন শুরু হয়েছে এক নতুন অধ্যায়ে। সম্প্রতি তাদের হানিমুনের মুহূর্তগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যা শুধু ফটো নয়, বরং সম্পর্ক, ভালোবাসা, এবং সমাজে বয়সের ফারাককে নতুনভাবে বোঝার এক শক্তিশালী বার্তা।


সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল মুহূর্ত

নেটিজেনদের নজর কাড়েছে কাঞ্চন-মল্লিক ও শ্রীময়ীর পাঁচতারা হোটেলের ছবি। সাদা রোব পরে পাশে পাশে শুয়ে থাকা প্রথম ছবি যেন হানিমুনের ফ্রেমের মতো—নীরবতা, স্নিগ্ধতা, আর একরাশ আবেগ। দ্বিতীয় ছবিতে দেখা যায় কলকাতা স্কাইলাইনের পেছনে আয়নার প্রতিফলনে চুম্বনের মুহূর্ত। তৃতীয় ছবিতে বিছানায় অপলক দৃষ্টি বিনিময়, যা মুহূর্তের আবেগকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মুহূর্তগুলো শেয়ার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে নেটিজেনদের হুলস্থুল। কেউ লিখেছেন, “এটা কি দ্বিতীয় হানিমুন?” কেউ আবার ঠাট্টা করে মন্তব্য করেছেন, “এ সব ফটো সোশ্যাল মিডিয়ায় দিচ্ছেন কেন?” এক নেটিজেন স্পষ্টভাবে লিখেছেন, “বিশ্বাস করুন, আপনার বর এতটা সুন্দর নয়!”—যার প্রতিক্রিয়ায় কেউ ভুল শুধরে দিয়েছেন, “দ্বিতীয় নয়—তৃতীয়!”

এমন প্রতিক্রিয়া কেবল মজার নয়; এটি প্রমাণ করে যে সমাজ এখনও ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী এবং এমন মুহূর্তগুলো মানুষের কৌতূহলকে জাগিয়ে তোলে।


কাঞ্চন মল্লিকের জীবনের ধাপ

কাঞ্চন মল্লিক শুধু একজন অভিনেতা বা পাবলিক ফিগারই নন; তিনি একজন বাবা, একজন স্বামী, এবং একজন ব্যক্তি যার জীবনকাহিনী প্রায়ই মিডিয়ায় আলোচিত হয়। তিনি দু’বার ডিভোর্স করেছেন এবং এক সন্তানের বাবা। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ, বয়সের ফারাক ভুলে, তিনি তৃতীয়বার বিয়ে করেন শ্রীময়ীর সঙ্গে। তখন কাঞ্চনের বয়স ৫৩, আর শ্রীময়ীর বয়স ২৭। এই বয়সের ফারাক এবং তৃতীয় বিয়ের কারণে মিডিয়ায় নানা ধরনের আলোচনা এবং কটাক্ষ ওঠে।

কিন্তু এই সব সমালোচনার মধ্যেও, কাঞ্চন ও শ্রীময়ী প্রমাণ করেছেন যে ভালোবাসা কেবল বয়সে সীমাবদ্ধ নয়। সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায় কেবল আবেগের নয়; এটি পরিবার, দায়িত্ব এবং জীবনযাত্রার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে।
 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হানিমুনের ছবি

নেটিজেনদের চোখে পড়েছে কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর হোটেল স্টে। পাঁচতারা হোটেলের এক বিলাসবহুল ঘরে সাদা রোব পরে পাশে পাশে শুয়ে থাকা ছবি প্রথমেই সমালোচক এবং অনুরাগীদের কৌতূহল উস্কে দেয়। প্রথম ছবিতেই দেখা যায় যেন হানিমুনের কোনো ফ্রেম ধরা পড়েছে – নীরবতা, স্নিগ্ধতা, আর একরাশ আবেগ। দ্বিতীয় ছবিতে দেখা যায় আয়নার প্রতিবিম্বে কলকাতা স্কাইলাইনের সামনে চুম্বনের মুহূর্ত। আর তৃতীয় ছবিতে দু’জনে বিছানায় অপলক দৃষ্টি বিনিময় করছেন, যা নেটিজেনদের মনে এক উচ্ছ্বাসের সঞ্চার করে।

এমন ছবি শেয়ার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নেটদুনিয়ায় হুলস্থুল শুরু হয়। কেউ লিখেছেন, “এটা কি দ্বিতীয় হানিমুন?” আবার কেউ ঠাট্টা করে মন্তব্য করেছেন, “এ সব ফটো সোশ্যাল মিডিয়ায় দিচ্ছেন কেন?” এ ধরনের মন্তব্যে হইচই শুরু হওয়াই স্বাভাবিক। বিশেষভাবে এক নেটিজেন স্পষ্টভাবে লিখেছেন, “বিশ্বাস করুন, আপনার বর এতটা সুন্দর নয়!”—যার প্রতিক্রিয়ায় আবার কেউ ভুল শুধরে দিয়েছে, “দ্বিতীয় নয়—তৃতীয়!”

কাঞ্চন মল্লিক: জীবনের তৃতীয় অধ্যায়

কাঞ্চন মল্লিকের জীবন অবশ্য সুনির্দিষ্ট নয়—তাঁর প্রেম, সম্পর্ক, এবং পরিবার সব সময়ই মিডিয়ার নজরে থাকে। তিনি দু’বার ডিভোর্স করেছেন এবং এক সন্তানের বাবা। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ, বয়সের তফাত ভুলে, তিনি তৃতীয়বার বিয়ে করেন শ্রীময়ীর সঙ্গে। তখন কাঞ্চনের বয়স ৫৩, আর শ্রীময়ীর বয়স ২৭। এই বয়সের ফারাক এবং তৃতীয় বিয়ের কারণে মিডিয়ায় নানা ধরনের আলোচনা এবং কটাক্ষ ওঠে।

কিন্তু তীব্র সমালোচনা সত্ত্বেও, কাঞ্চন ও শ্রীময়ী প্রমাণ করেছেন যে ভালোবাসা বয়সে বাঁধা মানে না। তাদের নতুন সম্পর্ক কেবল আবেগের নয়, বরং পারিবারিক বন্ধন এবং জীবনের নতুন অধ্যায়ের প্রতীক। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে তাঁদের সন্তান কৃষভির জন্ম হয়, যা তাদের জীবনে নতুন আনন্দ এবং দায়িত্বের সূচনা করে।

পারিবারিক জটিলতা

যদিও নতুন পরিবার সুখী, তবুও কাঞ্চনের বড় ছেলে ওশের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে। কাঞ্চনের দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কির কাছে ছেলের যত্ন থাকে, কারণ কাঞ্চনের নিজস্ব দাবি ছিল মা আর সন্তানকে আলাদা করার। এই পারিবারিক জটিলতা হলেও, নতুন জীবন এবং নতুন পরিবারে কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর সুখের অনুভূতি স্পষ্ট।

news image
আরও খবর

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া

নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া যেভাবে এসেছে, তা নিছক আনন্দ বা রম্যটনা নয়। ছবি এবং মুহূর্তগুলো দেখেই বোঝা যায়, মানুষ আজও ব্যক্তিগত সম্পর্কের গল্প এবং ভালোবাসার উদাহরণকে গভীরভাবে গ্রহণ করে। হোটেলের বিলাসবহুল পরিবেশ, সাদা রোবের দৃশ্য, কলকাতা স্কাইলাইনের পেছনের রোমান্টিক মুহূর্ত—সব মিলিয়ে এই ছবি শুধুই ফটো নয়, এটি একটি গল্প।

ভালোবাসা এবং বয়সের ফারাক

কাঞ্চন-মল্লিক ও শ্রীময়ীর সম্পর্ক একটি বড় বার্তা দেয়। আমাদের সমাজে বয়সের ফারাককে প্রায়শই নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, বিশেষ করে যখন একজন বড় বয়সের মানুষ কম বয়সের সঙ্গীর সঙ্গে বিয়ে করেন। তবে কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর উদাহরণ প্রমাণ করে যে সম্পর্ক এবং ভালোবাসা কেবল অনুভূতির উপর নির্ভর করে। সামাজিক কটাক্ষের মধ্যেও তারা তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করে রেখেছেন।

নতুন জীবন, নতুন আশা

শ্রীময়ী এবং কৃষভি নিয়ে কাঞ্চন মল্লিকের নতুন জীবন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ছবি এবং মুহূর্তের মাধ্যমে প্রতিফলিত হচ্ছে, তা শুধু এক ব্যক্তিগত আনন্দের গল্প নয়; এটি সমাজকে দেখায় কিভাবে পরিবার, ভালোবাসা, এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে জীবনকে নতুন রূপ দেওয়া যায়।


পারিবারিক জটিলতা ও সামাজিক প্রভাব

যদিও নতুন পরিবার সুখী, তবুও কাঞ্চনের বড় ছেলে ওশের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে। কাঞ্চনের দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কির কাছে ছেলের যত্ন থাকে। কাঞ্চন নিজেই বিশ্বাস করেন, মা ও সন্তানকে আলাদা করা উচিত ছিল। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, পরিবারে নতুন অধ্যায় শুরু করা সহজ নয়, বিশেষ করে যখন পুরনো সম্পর্ক এবং নতুন সম্পর্ক একসাথে চলতে থাকে।

সামাজিক প্রভাবও বড়। মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারিত ছবি এবং মন্তব্যগুলো দেখায় যে, মানুষ এখনও পরিচিতি এবং ভালোবাসার গল্পের প্রতি গভীরভাবে আগ্রহী। বিশেষ করে হোটেলের বিলাসবহুল পরিবেশ, সাদা রোবের দৃশ্য, কলকাতা স্কাইলাইনের পেছনের চুম্বনের মুহূর্ত—সব মিলিয়ে এটি নিছক ফটো নয়, বরং এক জীবন্ত গল্প।


বয়সের ফারাককে চ্যালেঞ্জ

কাঞ্চন-মল্লিক ও শ্রীময়ীর সম্পর্ক একটি বড় বার্তা দেয়। সমাজে সাধারণত বয়সের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, বিশেষ করে যখন বড় বয়সের মানুষ কম বয়সের সঙ্গীর সঙ্গে বিয়ে করেন। তবে কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর উদাহরণ প্রমাণ করে যে সম্পর্ক এবং ভালোবাসা কেবল অনুভূতির উপর নির্ভর করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মুহূর্তগুলো মানুষের মধ্যে আলোচনা এবং বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই সমালোচনা করেছে, কেউ কেউ প্রশংসা করেছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাঞ্চন ও শ্রীময়ী তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছেন, এবং নতুন সন্তানের আগমনের মধ্য দিয়ে জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।


নতুন জীবন ও পরিবার

শ্রীময়ী এবং কৃষভি নিয়ে কাঞ্চনের নতুন জীবন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ছবি এবং মুহূর্তের মাধ্যমে প্রতিফলিত হচ্ছে, তা শুধুই এক ব্যক্তিগত আনন্দের গল্প নয়। এটি সমাজকে দেখায় কিভাবে পরিবার, ভালোবাসা, এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে জীবনকে নতুন রূপ দেওয়া যায়।

তাদের নতুন ছবি এবং মুহূর্তগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, ভালোবাসা এবং সুখ শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি সমাজের জন্যও এক প্রেরণার উৎস।


প্রেম, বিশ্বাস এবং সামাজিক বার্তা

কাঞ্চন-মল্লিক এবং শ্রীময়ীর গল্প প্রমাণ করে যে জীবনের প্রতিটি অধ্যায় নতুন চ্যালেঞ্জ এবং আনন্দ নিয়ে আসে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তাদের হানিমুনের মুহূর্তগুলো কেবল ব্যক্তিগত স্মৃতি নয়; এটি সমকালীন সমাজের জন্য এক শিক্ষণীয় গল্প।

প্রেম, পরিবার এবং ভালোবাসার মানে কেবল বয়সে বাঁধা নয়—বরং এটি অনুভূতি, বিশ্বাস, এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধার সঙ্গে জড়িত।

Preview image