পুজো শেষে প্রার্থনায় রাহুলের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে আবেগঘন মন্তব্য করলেন মৌমিতা মা ওদের ক্ষমা করবে না তাঁর এই কথায় ফুটে উঠল শোক ও ক্ষোভ
দুর্গাপুজোর বিদায়বেলায় অভিনেত্রী মৌমিতা পণ্ডিতের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে উঠে এল রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি। বাড়ির পুজোর মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর লেখা একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নজর কেড়েছে। সেখানে মৌমিতা লিখেছেন মা ওদের ক্ষমা করবে না। তবে ওদের বলতে কাদের বোঝাতে চেয়েছেন, পোস্টে তা স্পষ্ট করেননি অভিনেত্রী। পুজোর কয়েকটি দিন বাড়ির উৎসবে অংশ নেওয়ার ছবি ও ভিডিও সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন মৌমিতা। সেই ধারাবাহিকতায় দশমীতে নবমীর ধুনুচি নাচের মুহূর্তও ভাগ করে নেন তিনি। পোস্টের শুরুতে ছিল ‘অরুণ উদয় হোক’ কথাটি। রাহুলের নামের সঙ্গে এই শব্দবন্ধের মিল থাকায় তাঁর স্মৃতির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও। উৎসবের ছবির সঙ্গে এমন বার্তা ব্যক্তিগত আবেগের একটি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। রাহুলের প্রয়াণের পরে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন মৌমিতা। এবিপি লাইভ বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিনেত্রী তখন জানিয়েছিলেন, তাঁদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আনার বিষয়ে তাঁরা ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখতে চেয়েছিলেন। রাহুলের জীবনের অন্য সম্পর্কগুলির প্রতিও সম্মান থাকার কথা বলেছিলেন তিনি। সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁকে। এই প্রেক্ষাপটে পুজোর পোস্টের বক্তব্য নিয়ে একাধিক ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। কেউ একে আগের সমালোচনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন। তবে মৌমিতা নিজে নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করায় তাঁর বক্তব্যের লক্ষ্য সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না। তাঁর প্রার্থনাকে কারও বিরুদ্ধে প্রমাণিত অভিযোগ হিসেবেও দেখা যায় না। এবিপি লাইভ বাংলার ২২ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তালসারিতে শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে রাহুলের মৃত্যু হয় এবং সেই ঘটনার তদন্ত চলছে। ফলে মৃত্যুর দায় নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে মৌমিতার ব্যক্তিগত পোস্টকে মিলিয়ে ফেলা যথাযথ হবে না। আপাতত তাঁর প্রকাশিত কথাগুলিই এই খবরের মূল বিষয় পুজোর আবহে রাহুলের স্মৃতি, ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং একটি ইঙ্গিতপূর্ণ প্রার্থনা। দুর্গাপুজোর আনন্দ শেষে উমার বিদায়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মনখারাপের অনুভূতি। সেই আবহেই অভিনেত্রী মৌমিতা পণ্ডিতের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে উঠে এল রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি। বাড়ির পুজোর ছবি ও ভিডিও ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন তিনি। তাঁর লেখা মা ওদের ক্ষমা করবে না। এই কথায় ব্যক্তিগত শোক ও ক্ষোভের ইঙ্গিত থাকলেও কাদের উদ্দেশে বক্তব্য, তা স্পষ্ট করেননি অভিনেত্রী।
পুজোর দিনগুলিতে বাড়ির উৎসবের নানা মুহূর্ত সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন মৌমিতা। পুজোর আচার থেকে ধুনুচি নাচ তাঁর প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে ধরা পড়েছে পারিবারিক উৎসবের পরিবেশ। দশমীতেও নবমীর ধুনুচি নাচের মুহূর্ত ভাগ করে নেন তিনি। কিন্তু সেই পোস্টের সঙ্গে থাকা কথাগুলি উৎসবের দৃশ্যের পাশাপাশি অন্য একটি আবেগের দিক সামনে আনে। পোস্টের শুরুতে মৌমিতা লিখেছিলেন, অরুণ উদয় হোক। রাহুলের নামের অরুণোদয় অংশটির সঙ্গে এই শব্দবন্ধের মিল থাকায় তাঁর স্মৃতির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও। পুজোর মুহূর্তের সঙ্গে এমন শব্দের ব্যবহারকে রাহুলের প্রতি স্মৃতিচারণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়েছে। তবে পোস্টের প্রতিটি কথার অর্থ নিয়ে অভিনেত্রী আলাদা করে কোনও ব্যাখ্যা দিয়েছেন, এমন তথ্য এখানে নেই। রাহুলের প্রয়াণের পরে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের কথা প্রকাশ করেছিলেন মৌমিতা। এবিপি লাইভ বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি তাঁরা ব্যক্তিগত পরিসরে রাখতে চেয়েছিলেন। একই সঙ্গে রাহুলের জীবনের অন্য সম্পর্কগুলির প্রতি নিজের সম্মান থাকার কথাও বলেছিলেন তিনি। সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরে তাঁকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। এই পূর্ববর্তী ঘটনার প্রেক্ষাপটে পুজোর পোস্টটিরও একাধিক ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। কেউ মনে করছেন, আগের সমালোচনার অভিজ্ঞতার সঙ্গে তাঁর বক্তব্যের যোগ থাকতে পারে। কিন্তু সেটি একটি ব্যাখ্যা মাত্র। মৌমিতা নিজে কোনও ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি। ফলে ওদের শব্দটি ধরে নির্দিষ্ট কাউকে চিহ্নিত করা কিংবা কারও বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করেছেন বলে দাবি করার সুযোগ নেই।
এই খবরের ক্ষেত্রে অভিনেত্রীর প্রকাশিত বক্তব্য এবং সেই বক্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া অনুমানের পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায় ক্ষোভের আভাস পাওয়া গেলেও সেই ক্ষোভের নির্দিষ্ট কারণ বা লক্ষ্য সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য মেলে না। ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশকে কোনও ঘটনার দায় নির্ধারণের প্রমাণ হিসেবেও বিবেচনা করা যায় না। এবিপি লাইভ বাংলার ২২ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী তালসারিতে শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে রাহুলের মৃত্যু হয়। প্রতিবেদনে ঘটনার তদন্ত চলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তাই মৃত্যুর দায় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে মৌমিতার এই পোস্টকে যুক্ত করা যথাযথ হবে না। তদন্তের তথ্য এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া দুটির মূল্যায়ন নিজস্ব প্রেক্ষাপটেই হওয়া প্রয়োজন। মৌমিতার পোস্টে আপাতত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে উৎসবের মাঝেও রাহুলের স্মৃতির উপস্থিতি। বাড়ির পুজোর আনন্দ, বিদায়বেলার মনখারাপ এবং তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ প্রার্থনা একই লেখায় জায়গা পেয়েছে। তবে মা ওদের ক্ষমা করবে না বলে তিনি ঠিক কাদের বোঝাতে চেয়েছেন, সেই প্রশ্নের উত্তর তাঁর নিজের ব্যাখ্যা ছাড়া নিশ্চিতভাবে দেওয়া সম্ভব নয়।
দুর্গাপুজোর বিদায়বেলায় মৌমিতা পণ্ডিতের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে উঠে এসেছে ব্যক্তিগত স্মৃতি ও একটি ইঙ্গিতপূর্ণ প্রার্থনা। বাড়ির পুজোর মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার সঙ্গে তাঁর লেখা মা ওদের ক্ষমা করবে না কথাটি আলাদা করে নজর কেড়েছে। এই বক্তব্যে ক্ষোভের আভাস থাকলেও কাদের উদ্দেশে তিনি এমন কথা বলেছেন, তা পোস্টে স্পষ্ট নয়। ফলে তাঁর প্রকাশিত কথার সঙ্গে বিভিন্ন অনুমানকে এক করে দেখলে বক্তব্যের অর্থ বদলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। একজন মানুষের ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ এবং কোনও ঘটনার বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ এক বিষয় নয়। মৌমিতার পোস্টে কোনও ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। কাউকে সরাসরি দায়ী করার স্পষ্ট বক্তব্যও উদ্ধৃত অংশে নেই। তাই ‘ওদের’ শব্দটির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কারও পরিচয় স্থির করা সম্ভব নয়। তাঁর কথার লক্ষ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হলে অভিনেত্রীর নিজের ব্যাখ্যা প্রয়োজন। এবিপি লাইভ বাংলার ২২ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালসারিতে শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়। ওই প্রতিবেদনে ঘটনার তদন্ত চলার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মৃত্যুর কারণ, ঘটনার পরিস্থিতি এবং কারও দায় রয়েছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে তদন্তে উঠে আসা তথ্যের উপর। কোনও ব্যক্তিগত পোস্ট সেই অনুসন্ধানের বিকল্প হতে পারে না। মৌমিতার বক্তব্য নিয়ে আলোচনা করার সময় তাই দুটি দিক আলাদা করে বোঝা প্রয়োজন। একটি হল তাঁর প্রকাশিত অনুভূতি, অন্যটি রাহুলের মৃত্যুর তদন্ত। অনুভূতির মধ্যে শোক, অভিমান কিংবা ক্ষোভের ইঙ্গিত থাকতে পারে। কিন্তু সেই ইঙ্গিত থেকে ঘটনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না। একইভাবে, পোস্টের সম্ভাব্য ব্যাখ্যাকে অভিনেত্রীর সরাসরি বক্তব্য হিসেবে তুলে ধরাও যথাযথ হবে না। পুজোর আবহে প্রকাশিত এই লেখায় রাহুলের স্মৃতির উপস্থিতিই বিশেষভাবে উঠে এসেছে। বাড়ির উৎসবের আনন্দের সঙ্গে প্রিয়জনের অনুপস্থিতির অনুভূতি পাশাপাশি থাকতে পারে। মৌমিতার পোস্টটিকেও সেই ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণের প্রেক্ষাপটে পড়া যায়। তবে তাঁর মনের অবস্থা কিংবা প্রতিটি শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ সম্পর্কে নিশ্চিত দাবি করার মতো তথ্য প্রকাশিত অংশে নেই। মা ওদের ক্ষমা করবে না এই বাক্যটি একটি প্রশ্ন রেখে যায়, কিন্তু তার উত্তর নিজে থেকে জানিয়ে দেয় না। মৌমিতা কাদের বোঝাতে চেয়েছেন, কেন এমন প্রার্থনা করেছেন কিংবা এর সঙ্গে কোনও নির্দিষ্ট ঘটনার যোগ রয়েছে কি না, তা তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য ছাড়া নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। খবরটি তুলে ধরার সময় তাঁর কথাগুলি যথাযথভাবে উদ্ধৃত করা এবং অজানা বিষয়গুলিকে অজানা হিসেবেই রাখা জরুরি।