কলকাতায় আসছেন না ব্রাজ়িলের তারকা ফুটবলার রাফিনহা তাঁকে সামনে থেকে দেখার অপেক্ষায় থাকা বাংলার ব্রাজ়িল সমর্থকদের জন্য এই খবর হতাশার কেন তাঁর কলকাতা সফর হচ্ছে না এবং কী হয়েছে তারকা ফুটবলারের তা নিয়েই এখন কৌতূহল
কলকাতায় ব্রাজ়িলের হয়ে রাফিনহাকে খেলতে দেখার অপেক্ষা আপাতত পূরণ হচ্ছে না। ডান ঊরুতে সমস্যার কারণে জাতীয় দলের শিবির থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে ৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত প্রীতি ম্যাচে থাকছেন না বার্সেলোনার এই তারকা ফুটবলার। তাঁর অনুপস্থিতি তাঁকে সরাসরি মাঠে দেখার অপেক্ষায় থাকা সমর্থকদের জন্য হতাশার খবর। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রাজ়িলের সাম্প্রতিক প্রীতি ম্যাচ চলাকালীন ডান ঊরুতে অস্বস্তি অনুভব করেন রাফিনহা। বিরতিতে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। ম্যাচটি ব্রাজ়িল ৪–২ ব্যবধানে জিতলেও তাঁর শারীরিক সমস্যা দলের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে। ওই ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোলও করেছিলেন তিনি।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রাজ়িল ফুটবল কনফেডারেশন জানিয়েছে, রাফিনহার ডান ঊরুতে ফোলা ধরা পড়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এবং তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কথা বিবেচনা করে জাতীয় দলের শিবির থেকে তাঁকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, তিনি পরবর্তী পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য বার্সেলোনায় ফিরবেন। তবে এই খবর থেকে তাঁর মাঠে ফেরার নির্দিষ্ট সময় বলা যাচ্ছে না। কলকাতার ম্যাচে তিনি থাকছেন না এটিই আপাতত নিশ্চিত তথ্য। কত দিন বিশ্রাম প্রয়োজন হবে এবং ক্লাবের হয়ে পরবর্তী কোন ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে, তা নির্ভর করবে আরও মূল্যায়ন ও তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর। কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে আন্তর্জাতিক তারকাদের সরাসরি দেখার সুযোগ বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে। টেলিভিশনে নিয়মিত দেখা একজন ফুটবলারের গতি, বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণ তৈরির দক্ষতা স্টেডিয়ামে বসে দেখার অভিজ্ঞতা আলাদা। রাফিনহার অনুপস্থিতিতে সেই ব্যক্তিগত প্রত্যাশা পূরণ হবে না। তবে তাঁর না আসার খবরকে ব্রাজ়িলের সম্পূর্ণ সফর বা ম্যাচ বাতিল হওয়ার খবর হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। প্রকাশিত সূচি ৩ অক্টোবর বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত ব্রাজ়িল প্রীতি ম্যাচ হওয়ার কথা। রাফিনহার অনুপস্থিতির মধ্যেও ম্যাচটি ঘিরে আগ্রহের ভিত্তি রয়েছে দুই জাতীয় দলের মুখোমুখি হওয়া।
একজন গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার না থাকলে দলের পরিকল্পনায় পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। তাঁর জায়গায় কাকে খেলানো হবে এবং আক্রমণ কীভাবে সাজানো হবে, তা কোচের সিদ্ধান্তের বিষয়। এখনই কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলারকে রাফিনহার বিকল্প হিসেবে নিশ্চিত করা যায় না। সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে অনুমানের চেয়ে দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই বেশি নির্ভরযোগ্য। রাফিনহার ক্ষেত্রে বর্তমান অগ্রাধিকার সুস্থ হয়ে ওঠা। সমর্থকদের কাছে তাঁর অনুপস্থিতি হতাশার হলেও শারীরিক সমস্যা নিয়ে আরও ম্যাচ খেলানোর সিদ্ধান্তে সতর্কতা প্রয়োজন। জাতীয় দল থেকে তাঁকে ছাড়ার ঘোষণায় সেই সতর্কতামূলক অবস্থানই সামনে এসেছে। বাংলার ব্রাজ়িল সমর্থকদের জন্য খবরটির মূল কথা তাই স্পষ্ট: ঊরুর সমস্যার কারণে রাফিনহাকে এবার কলকাতার মাঠে দেখা যাবে না। তাঁর প্রত্যাবর্তন নিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনও জানা যায়নি। পরবর্তী পরীক্ষা ও চিকিৎসার পরে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আরও পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
রাফিনহার অনুপস্থিতি ব্রাজ়িলের আক্রমণভাগের পরিকল্পনায় পরিবর্তনের প্রয়োজন তৈরি করতে পারে। একজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার দল থেকে সরে গেলে তাঁর জায়গায় অন্য কাউকে নামানোর পাশাপাশি মাঠে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার বিষয়টিও সামনে আসে। কে আক্রমণ তৈরি করবেন কে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ দেবেন এবং কোন ফুটবলারকে কোন জায়গায় ব্যবহার করা হবে এসব সিদ্ধান্ত নিতে হয় কোচকে। তবে রাফিনহার পরিবর্তে কাকে খেলানো হবে, তা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া নিশ্চিত করে বলা যায় না।
একজন ফুটবলারের বিকল্প বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু তাঁর খেলার জায়গা বিবেচনা করলেই চলে না। একই পজিশনে খেলা দুই ফুটবলারের দক্ষতা ও খেলার ধরন আলাদা হতে পারে। কেউ বল নিয়ে এগিয়ে যেতে স্বচ্ছন্দ, কেউ সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরিতে বেশি কার্যকর, আবার কেউ গোলের সামনে নিজের অবস্থান কাজে লাগাতে পারেন। ফলে রাফিনহার জায়গায় যিনি খেলবেন, তাঁকে ঘিরে দলের আক্রমণের ধরনেও কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। এটি সম্ভাব্য কৌশলগত বিশ্লেষণ; ব্রাজ়িলের নির্দিষ্ট পরিকল্পনার ঘোষণা নয়। কোচ চাইলে একজন ফুটবলারের উপর বাড়তি দায়িত্ব দিতে পারেন, আবার কয়েকজনের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দিতে পারেন। দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বোঝাপড়া, অনুশীলনে প্রস্তুতি এবং প্রতিপক্ষের খেলার ধরন এসব বিষয় সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে আলোচনা থাকলেও সেটিকে চূড়ান্ত দল হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়। ম্যাচের আগে ঘোষিত একাদশেই স্পষ্ট হবে রাফিনহার অনুপস্থিতি কীভাবে সামলাতে চাইছে ব্রাজ়িল।
প্রীতি ম্যাচেও খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও শারীরিক অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচে কোচের সামনে বিভিন্ন ফুটবলারকে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ থাকতে পারে। কিন্তু একজন তারকার অনুপস্থিতিকে শুধু অন্য কারও সুযোগ পাওয়ার বিষয় হিসেবে দেখলে পুরো পরিস্থিতি বোঝা যায় না। দলের পরিকল্পনা এবং সংশ্লিষ্ট ফুটবলারের সুস্থতা দুটি বিষয়ই এখানে বিবেচনায় রাখতে হয়। রাফিনহার ক্ষেত্রে এখন অগ্রাধিকার তাঁর শারীরিক সমস্যার মূল্যায়ন এবং সুস্থ হয়ে ওঠা। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডান ঊরুর সমস্যার পরে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁকে জাতীয় দলের শিবির থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাঁর বার্সেলোনায় ফেরার কথা জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত তাঁর অনুপস্থিতির কারণ পরিষ্কার করে, কিন্তু কত দিন পরে তিনি মাঠে ফিরবেন, তার উত্তর দেয় না। কোনও ফুটবলারের শারীরিক সমস্যা সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য এবং তাঁর প্রত্যাবর্তনের সময়সীমা এক বিষয় নয়। চিকিৎসা ও পরবর্তী মূল্যায়নের আগে নির্দিষ্ট দিন ধরে ফেরার কথা বলা তাই যথাযথ হবে না। একইভাবে সমস্যাটিকে অত্যন্ত গুরুতর বলে বর্ণনা করা কিংবা খুব দ্রুত সেরে যাবে বলে ধরে নেওয়ারও যথেষ্ট ভিত্তি নেই।
সমর্থকদের কাছে এই অপেক্ষা স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগের হতে পারে। তাঁরা জাতীয় দল ও ক্লাব দুই জায়গাতেই রাফিনহাকে খেলতে দেখতে চান। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থার নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া পর্যন্ত অনুমানের বদলে সংশ্লিষ্ট দলের পরবর্তী আপডেটের দিকে নজর রাখাই যুক্তিসংগত। মাঠে ফেরার বিষয়ে নতুন ঘোষণা এলে পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে। কলকাতায় তাঁকে সরাসরি দেখার অপেক্ষায় থাকা অনুরাগীদের জন্য খবরটি বিশেষ হতাশার। টেলিভিশন বা অনলাইনে দেখা একজন ফুটবলারকে নিজের শহরের স্টেডিয়ামে খেলতে দেখা আলাদা অভিজ্ঞতা। তাঁর বল নিয়ন্ত্রণ, গতি এবং আক্রমণে অংশ নেওয়ার মুহূর্ত সামনে থেকে দেখার আকাঙ্ক্ষা থাকে। এবার রাফিনহার অনুপস্থিতিতে সেই প্রত্যাশা পূরণ হবে না।
তবে একজন ফুটবলারের না থাকা এবং পুরো দলের সফর না হওয়া আলাদা বিষয়। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রাফিনহা কলকাতায় ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত প্রীতি ম্যাচে থাকছেন না। এই তথ্য থেকে ম্যাচ বাতিল বা ব্রাজ়িলের সম্পূর্ণ সফর বাতিল হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না। ব্রাজ়িলের হয়ে মাঠে নামা অন্য ফুটবলারদের পারফরম্যান্স এবং ভারতের বিরুদ্ধে দলের খেলার ধরন নিয়েও আগ্রহ থাকবে। রাফিনহার অনুপস্থিতিতে আক্রমণের দায়িত্ব কীভাবে ভাগ হয়, তা ম্যাচের একটি পর্যবেক্ষণের বিষয় হতে পারে। তবে সেই পরিবর্তন দলকে কতটা প্রভাবিত করবে, তা খেলা শুরু হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। বাংলার ব্রাজ়িল সমর্থকদের কাছে আপাতত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো ঊরুর সমস্যার কারণে রাফিনহাকে এবার কলকাতার মাঠে দেখা যাবে না। তাঁর জায়গায় কে খেলবেন, তা দলের ঘোষণায় জানা যাবে। আর তাঁর নিজের প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা মিলবে পরবর্তী পরীক্ষা, চিকিৎসা এবং আনুষ্ঠানিক আপডেটের মাধ্যমে। এখন তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াই সামনে রয়েছে।
কোচ চাইলে একজন ফুটবলারের উপর বাড়তি দায়িত্ব দিতে পারেন, আবার কয়েকজনের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দিতে পারেন। দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বোঝাপড়া, অনুশীলনে প্রস্তুতি এবং প্রতিপক্ষের খেলার ধরন এসব বিষয় সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে আলোচনা থাকলেও সেটিকে চূড়ান্ত দল হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়। ম্যাচের আগে ঘোষিত একাদশেই স্পষ্ট হবে রাফিনহার অনুপস্থিতি কীভাবে সামলাতে চাইছে ব্রাজ়িল। প্রীতি ম্যাচেও খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও শারীরিক অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচে কোচের সামনে বিভিন্ন ফুটবলারকে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ থাকতে পারে।