Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

‘কল্কি ২৮৯৮ এডি ২’-এ নতুন মুখ নয়, দীপিকার চরিত্র কি ফিরছে? মুখ খুললেন পরিচালক

‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-র সিক্যুয়েল নিয়ে বড় আপডেট দিলেন পরিচালক। নতুন কোনও অভিনেতা যুক্ত হচ্ছেন না বলে জানিয়ে দীপিকা পাড়ুকোনের চরিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও দিলেন গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

বিস্তারিত নিউজ বডি

‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ মুক্তির পর থেকেই ছবিটির দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ। ভবিষ্যতের এক কল্পিত পৃথিবী, পুরাণের সঙ্গে সায়েন্স ফিকশনের মেলবন্ধন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রকে ঘিরে তৈরি এই ছবির গল্প প্রথম পর্বেই বেশ কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সেই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতেই এখন নজর সিক্যুয়েলের দিকে। বিশেষ করে দীপিকা পাড়ুকোনের অভিনীত চরিত্রকে ঘিরে দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়েছে।

প্রথম ছবিতে দীপিকার চরিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গল্পের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড় তাঁর চরিত্রকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে। ফলে দ্বিতীয় পর্বে তাঁর উপস্থিতি, চরিত্রের গুরুত্ব এবং গল্পে তাঁর ভূমিকা কতটা থাকবে—এই বিষয়গুলি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই ছবির পরিচালক নাগ অশ্বিনের বক্তব্য নতুন করে সেই আলোচনাকে সামনে নিয়ে এসেছে।

সিক্যুয়েল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পরিচালক জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ছবিতে নতুন করে অনেক চরিত্র বা নতুন মুখ যোগ করার পরিকল্পনা নেই। অর্থাৎ প্রথম পর্বে যে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলি গল্পের ভিত তৈরি করেছে, তাদের ঘিরেই পরবর্তী কাহিনি এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বক্তব্যের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে দীপিকার চরিত্রের ভবিষ্যৎ কী?

প্রথম ছবির গল্পে দীপিকার গুরুত্ব

‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-তে দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত চরিত্রটি শুধুমাত্র একটি পার্শ্বচরিত্র নয়। গল্পের মূল কাঠামোর সঙ্গে তাঁর চরিত্র সরাসরি যুক্ত। ভবিষ্যতের এক অন্ধকার পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্ব, ক্ষমতার লড়াই এবং একটি বিশেষ শিশুকে ঘিরে তৈরি হওয়া ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে তাঁর চরিত্রের সম্পর্ক রয়েছে।

ছবির গল্পে দীপিকার চরিত্রের সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র তৈরি করা হয়েছে। সেই কারণেই প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর তাঁর চরিত্রকে ঘিরে আরও অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়। দ্বিতীয় পর্বে সেই প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া যেতে পারে বলেই মনে করছেন দর্শকদের একাংশ।

তবে সিক্যুয়েলের গল্প সম্পর্কে এখনও সব তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। পরিচালক এবং ছবির নির্মাতারা গল্পের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি গোপন রাখার চেষ্টা করছেন। ফলে দীপিকার চরিত্র ঠিক কীভাবে ফিরে আসবে, কতটা সময় পর্দায় দেখা যাবে কিংবা গল্পে তাঁর ভূমিকা কী হবে—তা নিয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন।

নতুন মুখ না থাকার ইঙ্গিত কেন গুরুত্বপূর্ণ?

সিক্যুয়েলে নতুন কেউ থাকবেন না—পরিচালকের এই বক্তব্যকে ছবির গল্পের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বড় বাজেটের ফ্র্যাঞ্চাইজি ছবিতে সাধারণত দ্বিতীয় পর্বে নতুন চরিত্র যোগ করে গল্পের পরিধি আরও বাড়ানো হয়। কিন্তু ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’র ক্ষেত্রে নির্মাতারা যদি প্রথম ছবির চরিত্রগুলির উপরেই জোর দেন, তাহলে গল্পের ধারাবাহিকতা আরও বেশি গুরুত্ব পেতে পারে।

প্রথম ছবিতে যে চরিত্রগুলির পরিচয় দেওয়া হয়েছিল, তাদের প্রত্যেকেরই ভবিষ্যৎ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে প্রভাসের চরিত্র, অমিতাভ বচ্চনের চরিত্র এবং দীপিকার চরিত্রকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় পর্বে কী ধরনের গল্প তৈরি হবে, সেটিই এখন আলোচনার বিষয়।

নতুন চরিত্র কম থাকলে গল্পের ফোকাসও মূল চরিত্রগুলির উপর বেশি থাকবে। সেক্ষেত্রে দীপিকার চরিত্রের গুরুত্ব কমার বদলে আরও বাড়তে পারে—যদিও এটি এখনই নিশ্চিত নয়। চূড়ান্ত উত্তর মিলবে ছবির গল্প এবং নির্মাতাদের পরবর্তী ঘোষণায়।

দীপিকার চরিত্র নিয়ে কেন এত আলোচনা?

দীপিকার চরিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে এত আলোচনা হওয়ার অন্যতম কারণ প্রথম ছবির শেষাংশ। গল্পের যে জায়গায় প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে, সেখানে বেশ কিছু ঘটনা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ফলে দর্শকরা স্বাভাবিকভাবেই জানতে চাইছেন, দ্বিতীয় পর্বে সেই ঘটনাগুলির পরিণতি কী হবে।

একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় পর্ব সাধারণত প্রথম ছবির অসম্পূর্ণ গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’র ক্ষেত্রেও একই প্রত্যাশা রয়েছে। বিশেষ করে প্রথম ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলির সম্পর্ক এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে প্রশ্নগুলি তৈরি হয়েছে, দ্বিতীয় পর্বে তার উত্তর পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দীপিকার চরিত্রও সেই প্রশ্নগুলির অন্যতম। তাঁর চরিত্রের সঙ্গে গল্পের ভবিষ্যৎ ঘটনাপ্রবাহের যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি সিক্যুয়েলে আরও বিস্তৃত হতে পারে। তবে নির্মাতারা এখনও গল্পের নির্দিষ্ট কোনও তথ্য প্রকাশ না করায় সবটাই আপাতত অপেক্ষার বিষয়।

পরিচালক নাগ অশ্বিনের পরিকল্পনা

পরিচালক নাগ অশ্বিন প্রথম ছবির মাধ্যমে ভারতীয় সিনেমায় একটি বড় আকারের ভবিষ্যৎ-ভিত্তিক জগত তৈরি করেছিলেন। পুরাণ, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যতের পৃথিবীকে একসঙ্গে মিলিয়ে গল্প বলার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। ফলে দ্বিতীয় পর্ব নিয়েও দর্শকদের প্রত্যাশা অনেকটাই বেশি।

সিক্যুয়েল নিয়ে পরিচালকের বক্তব্য থেকে যে বিষয়টি স্পষ্ট, তা হল গল্পের মূল চরিত্র এবং প্রতিষ্ঠিত জগতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। নতুন চরিত্রের সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে আগের গল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকেই নির্মাতারা নজর দিতে পারেন।

এতে প্রথম ছবির সঙ্গে দ্বিতীয় ছবির সংযোগ আরও দৃঢ় হওয়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি দর্শকদের কাছে পরিচিত চরিত্রগুলির গল্প আরও গভীরভাবে দেখানো সম্ভব হবে।

প্রভাসের চরিত্রও থাকবে গুরুত্বপূর্ণ

‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’র দ্বিতীয় পর্বে প্রভাসের চরিত্র স্বাভাবিকভাবেই অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। প্রথম ছবিতে তাঁর চরিত্রকে ঘিরে যে রহস্য তৈরি করা হয়েছে, তার অনেকটাই এখনও সামনে আসেনি।

প্রথম পর্বের ঘটনাগুলির পর তাঁর চরিত্র কোন পথে এগোবে, সেটিও সিক্যুয়েলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রভাসের চরিত্রের সঙ্গে গল্পের ভবিষ্যৎ সংঘাত এবং পুরাণের নানা সূত্র কীভাবে যুক্ত হবে, তা নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।

নতুন মুখ না থাকার ইঙ্গিত সত্যি হলে প্রভাস, দীপিকা এবং অমিতাভ বচ্চনের মতো প্রতিষ্ঠিত চরিত্রগুলিকে আরও বেশি জায়গা দেওয়া হতে পারে। তবে কে কতটা সময় পর্দায় থাকবেন, তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে চূড়ান্ত চিত্রনাট্যের উপর।

news image
আরও খবর

অমিতাভ বচ্চনের চরিত্র নিয়েও আগ্রহ

প্রথম ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের অভিনয় এবং তাঁর চরিত্র দর্শকদের মধ্যে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তাঁর চরিত্রের সঙ্গে ছবির পুরাণভিত্তিক অংশের যোগসূত্রও গুরুত্বপূর্ণ।

সিক্যুয়েলে সেই চরিত্র কীভাবে গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, সেটি দেখার জন্যও দর্শকরা অপেক্ষা করছেন। দ্বিতীয় ছবিতে নতুন চরিত্রের সংখ্যা সীমিত থাকলে পুরনো চরিত্রগুলির গল্প আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

এই পরিস্থিতিতে দীপিকার চরিত্রও গল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকতে পারে। তবে নির্মাতাদের তরফে চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।

প্রথম ছবির সাফল্যের পর প্রত্যাশা

‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’কে ঘিরে প্রথম থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ছিল। ছবির অভিনয়শিল্পী, বিশাল বাজেট, ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা এবং গল্পের বিষয়বস্তু—সব মিলিয়ে ছবিটি ভারতীয় সিনেমায় বিশেষ আলোচনার জায়গা তৈরি করে।

সেই ছবির সিক্যুয়েল স্বাভাবিকভাবেই আরও বড় প্রত্যাশা তৈরি করেছে। দর্শকদের একটি বড় অংশ জানতে চাইছেন, প্রথম ছবিতে যে প্রশ্নগুলি রেখে যাওয়া হয়েছে, সেগুলির উত্তর দ্বিতীয় পর্বে কীভাবে দেওয়া হবে।

বিশেষ করে দীপিকার চরিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহের কারণ হল তাঁর চরিত্রের সঙ্গে গল্পের মূল রহস্যের যোগসূত্র। তাই নতুন অভিনেতা না থাকার খবর সামনে আসার পরও দীপিকাকে ঘিরে কৌতূহল কমছে না।

সিক্যুয়েলে গল্প কোন পথে যেতে পারে?

সিক্যুয়েলের গল্প সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য এখনও সীমিত। তাই সম্ভাব্য গল্প নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও সেগুলিকে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখা উচিত নয়। নির্মাতারা যে তথ্য প্রকাশ করবেন, সেটিই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

তবে প্রথম ছবির গল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দ্বিতীয় পর্বে আরও বড় সংঘাত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুরাণের চরিত্র ও ভবিষ্যতের প্রযুক্তির মেলবন্ধন আরও বিস্তৃত হতে পারে। একই সঙ্গে প্রথম পর্বে তৈরি হওয়া চরিত্রগুলির সম্পর্কও আরও গভীরভাবে তুলে ধরা হতে পারে।

দীপিকার চরিত্র এই গল্পের কোন পর্যায়ে থাকবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। তাঁর চরিত্রকে সামনে রেখে গল্পের আবেগের দিকটিও আরও জোরালো করা হতে পারে।

দর্শকদের কৌতূহল কোথায়?

সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের কৌতূহলের বড় অংশই চরিত্রগুলির ভবিষ্যৎকে ঘিরে। প্রথম ছবির শেষে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়, তার পরবর্তী ঘটনা কী হবে—এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

দীপিকার চরিত্র কি আগের মতোই গল্পের কেন্দ্রে থাকবে? তাঁর চরিত্রের মাধ্যমে কি গল্পের নতুন কোনও অধ্যায় শুরু হবে? নাকি তাঁর ভূমিকা অন্য কোনও চরিত্রের গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে? এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনই জানা যাচ্ছে না।

পরিচালকের বক্তব্য অবশ্য একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—সিক্যুয়েলের গল্পে নতুন মুখের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়ার পরিবর্তে পরিচিত চরিত্রগুলির উপর গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে প্রথম ছবির চরিত্রগুলির গল্প আরও গভীর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

‘কল্কি ২’ নিয়ে আপাতত যা জানা যাচ্ছে

সিক্যুয়েল নিয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আগ্রহের জায়গা হল এর গল্প ও চরিত্র। নির্মাতারা এখনও ছবির সমস্ত তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে কাস্ট, শুটিং, গল্প এবং মুক্তির সময়সূচি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা থাকলেও সব তথ্যকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে ধরা উচিত নয়।

পরিচালকের বক্তব্য অনুযায়ী নতুন চরিত্র যুক্ত না করার পরিকল্পনা থাকলে প্রথম ছবির মূল চরিত্রগুলিই দ্বিতীয় পর্বের গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারেন। সেই তালিকায় দীপিকার চরিত্রও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে দীপিকার চরিত্রের ঠিক কী ভবিষ্যৎ, তা জানতে হলে নির্মাতাদের পরবর্তী ঘোষণা বা ছবির আনুষ্ঠানিক তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

শেষ কথা

‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’র সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। নতুন কেউ যুক্ত না হওয়ার পরিচালকের ইঙ্গিত সেই আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে দীপিকা পাড়ুকোনের চরিত্র প্রথম ছবির গল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ায় তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন থাকাটাই স্বাভাবিক।

সিক্যুয়েলে পরিচিত চরিত্রগুলির গল্প আরও বিস্তৃত হলে প্রথম ছবির সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বের যোগসূত্রও আরও দৃঢ় হতে পারে। তবে দীপিকার চরিত্র ঠিক কোন অবস্থায় থাকবে, তাঁর ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং প্রথম ছবির অসম্পূর্ণ ঘটনাগুলির কী পরিণতি হবে—এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনও নির্মাতাদের কাছেই।

তাই আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’র দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ শুধু নতুন কোনও চরিত্র আসছে কি না, তা নয়; বরং প্রথম ছবিতে তৈরি হওয়া চরিত্রগুলির গল্প কোন দিকে এগোয়, সেটিই দর্শকদের নজরে থাকবে। আর সেই তালিকায় দীপিকা পাড়ুকোনের চরিত্র নিঃসন্দেহে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে থাকবে।

Preview image