Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পিঙ্কি রোশন লিখলেন আবেগপূর্ণ শ্রদ্ধাঞ্জলি, জারিনে খানের প্রতি তার অদ্বিতীয় বন্ধুত্বের স্মৃতিচারণ

পিঙ্কি রোশন, হৃতিক রোশানের মা, সম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি আবেগপূর্ণ শ্রদ্ধাঞ্জলি লিখেছেন জারিনে খানের জন্য। প্রাক্তন শাশুড়ি এবং দীর্ঘদিনের বন্ধু জারিনে খানের মৃত্যুর পর পিঙ্কি রোশন তার বন্ধু হওয়া এবং একে অপরকে সমর্থন করার কথা স্মরণ করেন। পিঙ্কি রোশন বলেন, “আমরা দুই মা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে কঠিন সময় পার করেছি এবং কখনোই আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো বিরোধ বা বিভেদ তৈরি হয়নি।” এটি প্রমাণ করে যে, সুশানে খান ও হৃতিক রোশানের বিবাহবিচ্ছেদের পরেও তাদের মায়েরা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে এক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছিলেন। এই বন্ধুত্ব শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে ছিল না, বরং তাদের সন্তানদের সম্পর্কেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল। পিঙ্কি রোশন এবং জারিনে খানের বন্ধুত্ব ছিল এক অমূল্য দৃষ্টান্ত, যেখানে সহানুভূতি, ভালোবাসা, এবং সহমর্মিতা ছিল প্রধান। এছাড়া, এই বন্ধুত্ব দুই পরিবারের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করেছিল, যা তাদের সন্তানদের মধ্যে সম্পর্কের দিকেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। পিঙ্কি রোশনের এই শ্রদ্ধাঞ্জলি শুধু একটি বন্ধুত্বের স্মৃতি নয়, বরং এটি মানবিক সম্পর্কের গুরুত্বকেও সামনে নিয়ে এসেছে, যেখানে হিংসা, বিদ্বেষের বদলে সহানুভূতি ও সমর্থন এগিয়ে আসে।

ভারতীয় বিনোদন শিল্পে পারিবারিক সম্পর্কের গুরুত্ব অতুলনীয়। একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রী যতই বড় নাম হন না কেন, তাদের ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের প্রভাব অনেক গূঢ় ও গভীর। বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা হৃতিক রোশান এবং তার প্রাক্তন স্ত্রী সুশানে খান তাদের বিবাহবিচ্ছেদের পর একাধিকবার মিডিয়ার শিরোনামে এসেছেন, কিন্তু এই ঘটনাও মুছে দিয়েছে তাদের পারিবারিক সম্পর্কের এক বিশেষ দিক। এইবার, আমরা জানবো সেই বিশেষ বন্ধুত্বের গল্প, যা জানিয়ে দিয়েছেন পিঙ্কি রোশন, হৃতিকের মা, তার শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং জারিনে খানের প্রতি তার অদ্ভুত সম্পর্কের কথা।

পিঙ্কি রোশনের একটি আবেগপূর্ণ পোস্টে তার বিশেষ বন্ধুত্বের কথা উঠে এসেছে, যেখানে তিনি স্মরণ করেছেন তার প্রাক্তন শাশুড়ি, তথা হৃতিকের মায়ের, জারিনে খানের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা। সুশানে খান এবং হৃতিক রোশানের বিবাহবিচ্ছেদের পর, যেখানে সম্পর্কের মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছিল, সেই সময়েও দুই পরিবারের মায়েরা একে অপরের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, এমনকি তারা একে অপরকে বন্ধু হিসেবে সহ্য করেছেন। এমন এক সময় যখন অনেক কিছু বিচ্ছিন্ন ছিল, তখন তাদের মধ্যে এক অদ্বিতীয় বন্ধন গড়ে উঠেছিল, যা সারা বিশ্বকে প্রমাণ করেছে যে, সম্পর্কের মধ্যে মানবিকতা ও সহমর্মিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পিঙ্কি রোশন, হৃতিক রোশানের মা, সম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি আবেগপূর্ণ শ্রদ্ধাঞ্জলি লিখেছেন জারিনে খানের জন্য। প্রাক্তন শাশুড়ি এবং দীর্ঘদিনের বন্ধু জারিনে খানের মৃত্যুর পর পিঙ্কি রোশন তার বন্ধু হওয়া এবং একে অপরকে সমর্থন করার কথা স্মরণ করেন। পিঙ্কি রোশন বলেন, “আমরা দুই মা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে কঠিন সময় পার করেছি এবং কখনোই আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো বিরোধ বা বিভেদ তৈরি হয়নি।”

এটি প্রমাণ করে যে, সুশানে খান ও হৃতিক রোশানের বিবাহবিচ্ছেদের পরেও তাদের মায়েরা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে এক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছিলেন। এই বন্ধুত্ব শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে ছিল না, বরং তাদের সন্তানদের সম্পর্কেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল। পিঙ্কি রোশন এবং জারিনে খানের বন্ধুত্ব ছিল এক অমূল্য দৃষ্টান্ত, যেখানে সহানুভূতি, ভালোবাসা, এবং সহমর্মিতা ছিল প্রধান।

এছাড়া, এই বন্ধুত্ব দুই পরিবারের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করেছিল, যা তাদের সন্তানদের মধ্যে সম্পর্কের দিকেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। পিঙ্কি রোশনের এই শ্রদ্ধাঞ্জলি শুধু একটি বন্ধুত্বের স্মৃতি নয়, বরং এটি মানবিক সম্পর্কের গুরুত্বকেও সামনে নিয়ে এসেছে, যেখানে হিংসা, বিদ্বেষের বদলে সহানুভূতি ও সমর্থন এগিয়ে আসে।

পিঙ্কি রোশন এবং জারিনে খানের সম্পর্ক:

পিঙ্কি রোশন, যিনি হৃতিক রোশানের মা, এবং জারিনে খান, যারা সুশানে খান এবং জায়েদ খান‑এর মা, তাদের সম্পর্ক ছিল একেবারে অদ্ভুত। যখন সুশানে এবং হৃতিকের সম্পর্ক শেষ হয়ে গিয়েছিল, তখন পিঙ্কি রোশন এবং জারিনে খানের বন্ধুত্বের গল্পও এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে। যদিও বলিউডের তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন সাধারণত প্রাইভেট থাকে, তবে দুই পরিবারের মধ্যে যে বন্ধুত্ব এবং সহমর্মিতা ছিল, তা সত্যিই অসাধারণ। এই বন্ধুত্ব শুধু দুই মায়ের সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল ছিল না, বরং এটি তাদের সন্তানদের সম্পর্কেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

পিঙ্কি রোশন তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বলেছেন— "এমন একটি বন্ধুত্ব যা বিরল, এমন একটি সম্পর্ক যা অমূল্য। আমাদের সন্তানরা যখন আলাদা হয়ে গেছে, তখন আমরা দুই মা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে হিংসা বা বিদ্বেষের বদলে আমরা সহানুভূতি ও সমবেদনা দিয়ে চলব।" পিঙ্কি রোশন এখানে নিজেদের সম্পর্কের মধ্যে যে সহানুভূতি এবং মানবিকতার গুরুত্ব দিয়েছেন, তা খুবই প্রশংসনীয়। তিনি আরও বলেন, “জারিনে, তুমি আমার জন্য এক অনন্য বন্ধু ছিলে, আর তোমার চলে যাওয়া আমাদের জীবনে একটি অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে।” (timesofindia.indiatimes.com)

এমন বন্ধুত্বের বিরলতা:

ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির এমন একটি বিতর্কিত সময়ের মধ্যে যেখানে সেলিব্রেটি সম্পর্কের অবনতি নিয়ে প্রায়ই গুজব এবং মিডিয়া আলোচনা চলে, সেখানে পিঙ্কি রোশন এবং জারিনে খানের বন্ধুত্ব একটি অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। দুই পরিবারের মধ্যে দুঃসময়ে এমন একটি বন্ধন খুবই বিরল। একদিকে, হৃতিক এবং সুশানে তাদের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়েছে, তবে অন্যদিকে তাদের মা‑রা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে এক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে সম্পর্ক, বিশেষ করে বন্ধুত্ব, শুধু পরিবারের মধ্যেই নয়, বৃহত্তর সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।

পিঙ্কি রোশন আরও বলেন, “আমরা দুই মা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে কিছু কঠিন সময় পার করেছি এবং কখনোই আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো বিরোধ বা বিভেদ তৈরি হয়নি। আমাদের সম্পর্কের মধ্যে শুধুমাত্র সহানুভূতি, ভালোবাসা, এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছিল।” এটি শুধুমাত্র একটি বন্ধুত্বের উদাহরণ নয়, বরং একটি নতুন পরিবারের ধারণা ও মূল্যবোধের প্রতিষ্ঠা।

পিঙ্কি রোশন এবং সুশানে খান:

news image
আরও খবর

পিঙ্কি রোশন এবং সুশানে খানের সম্পর্কও অনেকটাই একে অপরের প্রতি নির্ভরশীল ছিল। যদিও তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক পরিবর্তিত হয়েছে, তবে তারা একে অপরের বন্ধু হিসেবে জীবনযাপন করেছেন। তাদের মধ্যে কোনো ধরনের ঘৃণা বা বিদ্বেষ ছিল না, যা প্রমাণ করেছে যে, মায়ের বন্ধুত্বের মধ্যে কোনো পারিবারিক সমস্যাও অন্তরায় হতে পারে না।

এমনকি, যখন হৃতিক রোশানের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছিল, তখন সুশানে খান এবং পিঙ্কি রোশন একে অপরকে সমর্থন দিয়েছিলেন। তারা দুজনেই জানতেন যে তাদের সন্তানদের জন্য সঠিক পথ অনুসরণ করা উচিত এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে বন্ধুত্বই সর্বোচ্চ মানদণ্ড। পিঙ্কি রোশন এবং সুশানে খান একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সন্তানদের জন্য সহানুভূতিশীল এবং সমর্থক ভূমিকা পালন করেছেন।

জারিনে খান এবং তার পরিবার:

জারিনে খান, যিনি বলিউডের পর্দায় তার উপস্থিতি না থাকা সত্ত্বেও সমাজে বহু প্রভাব ফেলেছেন, একজন অভিনেত্রী এবং তারই সঙ্গে পরিবারের একজন প্রভাবশালী সদস্য। তার জীবনযাত্রার মধ্যে গড়া সম্পর্কের ব্যাপারে তিনি যে মানবিকতা এবং ভালোবাসা রক্ষায় এগিয়ে এসেছিলেন, তা অনেকের জন্য একটি শিক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি শুধু নিজের পেশাগত জীবনেই সফল ছিলেন না, বরং পারিবারিক সম্পর্কেও নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন।

তিনি বলিউডের শিল্পী হিসাবে উজ্জ্বল সময় পার করেছেন এবং তার ব্যক্তিগত জীবনও এমনভাবে তৈরি করেছিলেন যে, তাকে একটি আদর্শ ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা হত। তার অসামান্য নেতৃত্বের গুণাবলি, পরিবারে দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সুশানে খান ও জায়েদ খানের মতো সন্তানদের প্রতিও তার নিবেদন তাকে অনেকের কাছে শ্রদ্ধেয় করে তোলে।

পিঙ্কি রোশনের শোক:

জারিনে খানের মৃত্যুর পর পিঙ্কি রোশন প্রকাশ্যে তার শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, “তুমি চলে গেছ, কিন্তু তোমার ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব জীবনে আমার জন্য চিরকাল অমূল্য হয়ে থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “জারিনে, তুমি আমার জীবনের এক অমূল্য বন্ধু ছিলে, এবং তোমার চলে যাওয়ায় এক গভীর শূন্যতা তৈরি হয়েছে, যা পূর্ণ করা সম্ভব নয়।”

এটি প্রমাণ করে যে, সম্পর্কের মধ্যে সহানুভূতি, বন্ধুত্ব, এবং পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা কখনোই ছোট হয়ে থাকে না, এবং মৃত্যু তাদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারে না। পিঙ্কি রোশন এবং জারিনে খানের বন্ধুত্ব শুধু বলিউডের দুই তারকার জীবনে নয়, আমাদের সমাজের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে থাকবে।

উপসংহার:

পিঙ্কি রোশন এবং জারিনে খানের বন্ধুত্বের গল্প শুধুমাত্র বলিউডের নয়, বরং মানবিক সম্পর্কের এক অবিস্মরণীয় উদাহরণ। এটি দেখায়, সম্পর্কগুলোতে কিভাবে ভালোবাসা, সহানুভূতি, এবং পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখতে হয়। আজ যখন জারিনে খান আমাদের মধ্যে নেই, তখন পিঙ্কি রোশন তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আরও একবার প্রমাণ করলেন, সম্পর্কের মধ্যে শুধু রক্তের সম্পর্কই নয়, বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসাও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এই বন্ধুত্বের গল্প আমাদের শেখায় যে, সম্পর্ক, বন্ধুত্ব এবং সমর্থন জীবনে সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে, এবং এগুলো কোনো পরিস্থিতিতেই পরিবর্তিত হয় না।

Preview image