Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

প্রেসক্রিপশনে ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাধ্যতামূলক, কড়া নির্দেশ স্বাস্থ্যদপ্তরের

প্রেসক্রিপশনে ডাক্তারের একাধিক ডিগ্রি ও যোগ্যতার উল্লেখ থাকলেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর না থাকায় উঠছে প্রশ্ন। এবার প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লেখা বাধ্যতামূলক করে কড়া নির্দেশ স্বাস্থ্যদপ্তরের।

চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে একাধিক ডিগ্রি, ডিপ্লোমা এবং সার্টিফিকেট লেখা থাকলেও যদি না থাকে রেজিস্ট্রেশন নম্বর, তাহলে এবার থেকে তা আর মেনে নেওয়া হবে না। চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন নিয়ে এবার কড়া অবস্থান নিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, একজন চিকিৎসক যত উচ্চশিক্ষিতই হোন না কেন, প্রেসক্রিপশনে তাঁর বৈধ রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করতেই হবে। রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া শুধুমাত্র নামের পাশে একের পর এক ডিগ্রি বা যোগ্যতার উল্লেখ থাকলে সেই প্রেসক্রিপশন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এমনকি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে ভুয়ো চিকিৎসক হিসেবে সন্দেহ করে তাঁর চেম্বারে অভিযান চালানোর কথাও জানানো হয়েছে।

বর্ধমান শহরে সামনে আসা একটি প্রেসক্রিপশনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই চিকিৎসক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের নামের পাশে লেখা রয়েছে একাধিক ডিগ্রি ও সার্টিফিকেট। এমডি, ডিএনবি, এফপিসি, এমএএমএস, এমসিজিপি, ডিএফএম-এর মতো একাধিক যোগ্যতার উল্লেখ রয়েছে প্রেসক্রিপশনে। শুধু তাই নয়, ডিআইএবি, পিজি ডিপ্লোমা ইন গ্যাস্ট্রো মেডিসিন, পিজি ইন ডায়াবেটিস, সার্টিফিকেট ইন থাইরয়েড, রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস থেকে সার্টিফিকেট-সহ আরও বিভিন্ন যোগ্যতার কথা সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রেসক্রিপশনের বড় অংশজুড়ে জায়গা নিয়েছে চিকিৎসকের বিভিন্ন ডিগ্রি ও সার্টিফিকেট। কিন্তু অভিযোগের মূল জায়গা হল—সেখানে চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করা হয়নি।

এই বিষয়টি সামনে আসতেই শহরের বহু প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসকের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। চিকিৎসক মহলের একাংশের বক্তব্য, রোগীর কাছে একজন চিকিৎসকের যোগ্যতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হল সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বৈধ রেজিস্ট্রেশন। কারণ একজন চিকিৎসক কোন মেডিক্যাল কাউন্সিল বা সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের অধীনে নথিভুক্ত, তা বোঝার অন্যতম প্রধান উপায় হল তাঁর রেজিস্ট্রেশন নম্বর। তাই প্রেসক্রিপশনে ডিগ্রি ও সার্টিফিকেটের তালিকা দীর্ঘ হলেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর না থাকলে রোগীর পক্ষে চিকিৎসকের বৈধতা যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে।

স্বাস্থ্যদপ্তরের নতুন নির্দেশকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে নাম, ডিগ্রি বা বিশেষ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশন নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে যিনি রোগী দেখছেন, তাঁর পরিচয় ও বৈধ চিকিৎসা-রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। রোগীর স্বার্থেই এই নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসা পরিষেবায় রোগীর আস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন রোগী যখন কোনও চিকিৎসকের কাছে যান, তখন তাঁর কাছে চিকিৎসকের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বৈধতা—সবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণ মানুষ চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা সার্টিফিকেটের অর্থ সবসময় বুঝতে পারেন না। এমডি, ডিএনবি, ডিএফএম, ডিআইএবি বা বিভিন্ন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেটের মতো সংক্ষিপ্ত শব্দ দেখে অনেকেই চিকিৎসকের দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা তৈরি করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক আদৌ বৈধভাবে রেজিস্টার্ড কি না, সেই তথ্য জানা রোগীর পক্ষে অনেক সময় সহজ হয় না।

এই কারণেই প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন চিকিৎসক মহলের একাংশ। একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর চিকিৎসকের পেশাগত পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন যাচাই করার সুযোগ তৈরি হয়। কোনও চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে বা তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে রেজিস্ট্রেশন নম্বরও গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বর্ধমানের ঘটনাটি সেই বৃহত্তর প্রশ্নকেই সামনে নিয়ে এসেছে। একজন চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে এতগুলি ডিগ্রি ও সার্টিফিকেট উল্লেখ করার প্রয়োজন কতটা, তা নিয়েও চিকিৎসক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রেসক্রিপশনের বড় অংশ যদি চিকিৎসকের যোগ্যতার তালিকায় ভরে যায়, তাহলে রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের নাম, ডোজ, ব্যবহারের নিয়ম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা-নির্দেশ স্পষ্টভাবে লেখা কতটা সুবিধাজনক—সেই প্রশ্নও উঠছে।

স্বাস্থ্যদপ্তরের কড়া অবস্থানের ফলে চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন লেখার ক্ষেত্রে এবার আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। শুধু নামের পাশে একাধিক ডিগ্রি বা সার্টিফিকেট থাকলেই চিকিৎসকের পরিচয় সম্পূর্ণ হয় না। চিকিৎসক হিসেবে তাঁর বৈধ রেজিস্ট্রেশনও স্পষ্ট থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নিয়ম না মানলে বিষয়টি হালকাভাবে দেখা হবে না।

বিশেষ করে ভুয়ো চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে। কোনও ব্যক্তি যদি নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে রোগী দেখান, অথচ তাঁর বৈধ রেজিস্ট্রেশন না থাকে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ না থাকলে প্রাথমিক পর্যায়েই রোগী ও প্রশাসনের পক্ষে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরিচয় যাচাই করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

এই কারণেই স্বাস্থ্যদপ্তর জানিয়েছে, এবার থেকে প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে রাখা হবে। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁরাও এই নিয়ম মেনে চলবেন বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন করে চিকিৎসা পরিষেবা শুরু করা চিকিৎসকদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ চিকিৎসকের ডিগ্রি যতই বেশি হোক না কেন, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া প্রেসক্রিপশন সম্পূর্ণ বলে গণ্য করা হবে না।

বর্ধমান শহরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। একজন চিকিৎসকের নামের পাশে একাধিক ডিগ্রি থাকলে সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর যোগ্যতা সম্পর্কে স্বাভাবিকভাবেই উচ্চ ধারণা তৈরি হয়। কিন্তু কোনও ডিগ্রি বা সার্টিফিকেটের উল্লেখ নিজে থেকেই চিকিৎসকের বৈধ রেজিস্ট্রেশনের প্রমাণ নয়। তাই রোগীদেরও শুধু নামের পাশে লেখা ডিগ্রি দেখে চিকিৎসক বেছে না নিয়ে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তাঁর রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কিত তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

news image
আরও খবর

চিকিৎসকদের সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, এই ধরনের নিয়ম চিকিৎসক এবং রোগী—উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃত চিকিৎসকরা যাতে অযথা সন্দেহের মুখে না পড়েন, তার জন্যও প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর স্পষ্ট থাকা প্রয়োজন। অন্যদিকে ভুয়ো চিকিৎসকদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রেও একই তথ্য প্রশাসনকে সাহায্য করতে পারে।

স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দেশের মূল উদ্দেশ্য তাই শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনের একটি অংশে নম্বর লেখা নিশ্চিত করা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, রোগীর নিরাপত্তা এবং চিকিৎসকের পেশাগত পরিচয়ের নির্ভরযোগ্যতা। রোগী যখন কোনও চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নেবেন, তখন তিনি যেন জানতে পারেন যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বৈধভাবে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত কি না, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করাই এই ধরনের নিয়মের অন্যতম উদ্দেশ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা নথি। রোগীর রোগ নির্ণয়, চিকিৎসার পরিকল্পনা, ওষুধের নাম, মাত্রা এবং চিকিৎসকের পরিচয়—সবকিছুই সেখানে যথাযথভাবে থাকা প্রয়োজন। তাই প্রেসক্রিপশনকে শুধুমাত্র ওষুধের তালিকা হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি রোগীর চিকিৎসা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। ভবিষ্যতে রোগীর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হলেও পুরনো প্রেসক্রিপশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরিচয় এবং রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকের নামের পাশে অজস্র ডিগ্রি থাকলেও যদি রেজিস্ট্রেশন নম্বর খুঁজে পাওয়া না যায়, তাহলে রোগীর মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। সেই প্রশ্ন যাতে না ওঠে এবং চিকিৎসকের পরিচয় নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় থাকে, সে জন্যই স্বাস্থ্যদপ্তরের এই নির্দেশ বলে মনে করা হচ্ছে।

বর্ধমানের ঘটনার পর এখন নজর থাকবে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। স্বাস্থ্যদপ্তর জানিয়েছে, নিয়ম না মানা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী চেম্বারে অভিযান চালানো হতে পারে। ফলে চিকিৎসকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই সতর্কতা তৈরি হয়েছে। প্রেসক্রিপশন লেখার সময় তাঁরা রেজিস্ট্রেশন নম্বর যথাযথভাবে উল্লেখ করছেন কি না, তা ভবিষ্যতে প্রশাসনের নজরদারির আওতায় আসতে পারে।

চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে মানুষের আস্থা বজায় রাখতে প্রশাসনিক নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে ভুয়ো চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি। কারণ চিকিৎসার ক্ষেত্রে সামান্য ভুলও রোগীর জন্য বড় বিপদের কারণ হতে পারে। একজন ব্যক্তি যদি যথাযথ চিকিৎসা-যোগ্যতা বা বৈধ রেজিস্ট্রেশন ছাড়া চিকিৎসা করেন, তাহলে রোগীর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এই কারণেই স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দেশকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে। ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা সার্টিফিকেটের তালিকা যত দীর্ঘই হোক, চিকিৎসকের বৈধ রেজিস্ট্রেশন নম্বর অবশ্যই থাকতে হবে। চিকিৎসক হিসেবে নিজের পরিচয় স্পষ্ট রাখতে এবং রোগীর কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরতে প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লেখা এখন আর ঐচ্ছিক বিষয় নয়।

বর্ধমান শহরের ঘটনাটি তাই শুধুমাত্র একজন চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনকে ঘিরে বিতর্ক নয়। এর মাধ্যমে রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরও বড় একটি বিষয় সামনে এসেছে—চিকিৎসকের পেশাগত পরিচয় এবং রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত স্বচ্ছতা। স্বাস্থ্যদপ্তরের কড়া বার্তা হল, চিকিৎসকের যোগ্যতা নিয়ে যত তথ্যই দেওয়া হোক না কেন, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া তা পূর্ণাঙ্গ নয়।

এখন থেকে প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর আছে কি না, তা আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হতে পারে। একইসঙ্গে রোগীদেরও সচেতন হতে হবে। কোনও চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে নাম, ডিগ্রি ও অন্যান্য যোগ্যতার উল্লেখ থাকলেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর না থাকলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন বৈধ কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।

সার্বিকভাবে, স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পদক্ষেপ চিকিৎসা পরিষেবায় স্বচ্ছতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। চিকিৎসকরা যাতে তাঁদের পেশাগত পরিচয় স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন এবং রোগীরা যাতে চিকিৎসকের বৈধতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নিয়ম ভাঙলে প্রশাসনিক অভিযান এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনাও থাকছে।

তাই চিকিৎসকদের জন্য বার্তা স্পষ্ট—নামের পাশে যত ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা সার্টিফিকেটই থাকুক না কেন, প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর অবশ্যই লিখতে হবে। আর রোগীদের জন্য বার্তা, শুধু ডিগ্রির দীর্ঘ তালিকা দেখেই কোনও চিকিৎসকের যোগ্যতা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসকের বৈধ রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কেও সচেতন থাকা জরুরি। স্বাস্থ্যদপ্তরের নতুন নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর এই বিষয়টি চিকিৎসক ও রোগী—দুই পক্ষের কাছেই আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে।

Preview image