সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে পুরীর একটি শপিং মলে হামলার হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস খুন্তিয়ার উপর হামলার কথাও উল্লেখ থাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরকে কেন্দ্র করে ফের একবার আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হল। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি হুমকি পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা পুরী শহরজুড়ে। ওই পোস্টে শুধু পুরীর জগন্নাথ মন্দিরেই নয়, একটি শপিং মলে হামলার হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস খুন্তিয়ার উপর হামলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তৎক্ষণাৎ কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় মন্দির চত্বর। মোতায়েন করা হয় এটিএস (সন্ত্রাস দমন বাহিনী) এবং বম্ব ডিজ়পোজ়াল স্কোয়াড। পুলিশ ইতিমধ্যেই এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
মঙ্গলবার সকালে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট ঘিরে প্রথম চাঞ্চল্য ছড়ায়। ওই পোস্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, পুরীর একটি শপিং মলে খুব শীঘ্রই হামলা চালানো হবে। শুধু তাই নয়, বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস খুন্তিয়ার নাম উল্লেখ করে তাঁর উপর হামলার হুমকিও দেওয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হুমকি পোস্টটি একটি মহিলার সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া হয়েছিল। তবে ওই মহিলা পরে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান যে, তিনি নিজে এই পোস্ট করেননি। তাঁর দাবি, কেউ বা কারা তাঁর নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে এই হুমকি পোস্ট করেছে। বিষয়টি সামনে আসতেই পুলিশ দ্রুত তদন্তে নামে।
হুমকি পোস্টের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরীর জগন্নাথ মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। মন্দিরের সমস্ত প্রবেশপথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রতিটি দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে, সঙ্গে ব্যাগ ও অন্যান্য সামগ্রীও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দেহজনক কোনও বস্তু বা আচরণ চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, মন্দির চত্বরে পৌঁছে যায় এটিএস এবং বম্ব ডিজ়পোজ়াল স্কোয়াড। মন্দিরের ভিতর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু সময়ের জন্য দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয় বলেও জানা গিয়েছে।
ওই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি এবং হুমকি পোস্টের যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাঁর মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ডিভাইস পরীক্ষা করা হচ্ছে।
পুরীর সাইবার অপরাধ দমন থানায় এই ঘটনায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। সাইবার শাখা পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাক করা হচ্ছে এবং পোস্টটি কোথা থেকে করা হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।
ঘটনার খবর পেয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস খুন্তিয়া পুরীর পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, শুধু সমাজমাধ্যমেই নয়, অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন করেও হুমকি দিয়েছেন। সাংসদের নিরাপত্তা নিয়েও সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
পুরীর এসপি প্রতীক সিংহ সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, “দিনকয়েক আগে সমাজমাধ্যমে জগন্নাথ মন্দিরে হামলার হুমকি দিয়ে একটি পোস্ট করা হয়েছিল। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ এবং সাইবার অপরাধ দমন শাখা সক্রিয় হয়। পরবর্তীতে আবার একটি হুমকি বার্তা পোস্ট করে তা ডিলিট করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে মন্দিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মন্দির চত্বরে যাঁরা প্রবেশ করছেন, তাঁদের প্রত্যেকের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। কোনও রকম ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না।
এই প্রথম নয়, এর আগেও পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে হামলার হুমকি মিলেছিল। গত বছর অগস্ট মাসে শতাব্দীপ্রাচীন এই মন্দিরের দেওয়ালে দুই ভাষায় লেখা হুমকিবার্তা পাওয়া যায়। আঁকাবাঁকা হস্তাক্ষরে খোদাই করা ওই বার্তা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তরা। সেই সময়েও তড়িঘড়ি মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়।
প্রশাসনের মতে, জগন্নাথ মন্দির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও পর্যটন কেন্দ্র। প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত দেশ-বিদেশ থেকে এখানে আসেন। ফলে কোনও রকম হুমকিকে হালকা ভাবে নেওয়া যায় না।
ধর্মীয় স্থাপনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
এই ঘটনার পর ফের একবার ধর্মীয় স্থাপনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে সমাজমাধ্যমে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে হুমকি ছড়ানোর প্রবণতা প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাইবার অপরাধ দমন শাখার মতে, ভুয়ো তথ্য ও গুজব রুখতে প্রযুক্তিগত নজরদারি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
পুলিশ সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুধুমাত্র আতঙ্ক ছড়ানো নাকি এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে—তা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তদন্ত চলবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। সাইবার অপরাধ দমন শাখা ইতিমধ্যেই ওই সমাজমাধ্যম পোস্টের ডিজিটাল ট্রেইল বিশ্লেষণ শুরু করেছে। কোন ডিভাইস থেকে পোস্ট করা হয়েছিল, কোন কোন আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার হয়েছে এবং পোস্টটি আগে কোথাও শেয়ার বা ফরওয়ার্ড করা হয়েছিল কি না—এই সব তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের এক আধিকারিক জানান, ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে হুমকি দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে ধর্মীয় স্থান ও জনপ্রতিনিধিকে একসঙ্গে লক্ষ্য করে হুমকি দেওয়া অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তাই এই ঘটনায় কোনও সংগঠিত চক্র জড়িত আছে কি না, তা জানতেই তদন্তকারীরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রয়োজনে রাজ্যের বাইরে থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সাংসদ শুভাশিস খুন্তিয়াকে ফোন করে যাঁরা হুমকি দিয়েছেন, তাঁদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টাও চলছে। ফোন নম্বরের কল ডিটেল রেকর্ড (CDR) সংগ্রহ করা হয়েছে। ফোন কল এবং সমাজমাধ্যমের পোস্ট—এই দুটির মধ্যে কোনও যোগসূত্র আছে কি না, সেটিও তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
বর্তমানে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। তবে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় পুলিশ। মন্দির চত্বর এবং আশপাশের এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ চলছে। মন্দিরে প্রবেশের আগে দর্শনার্থীদের একাধিক ধাপে তল্লাশি করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ করে ভিড়ের সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় বৈঠকও করা হচ্ছে। কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু নজরে এলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষ এবং ভক্তদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—গুজব বা অযাচিত তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। সমাজমাধ্যমে কোনও হুমকি বা উসকানিমূলক পোস্ট চোখে পড়লে, তা নিজে থেকে শেয়ার না করে পুলিশের নজরে আনার অনুরোধ করা হয়েছে। পুলিশের মতে, এই ধরনের ঘটনায় গুজব দ্রুত আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভক্তরা প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে কেউ কেউ বলেছেন, “পুরীর মতো দর্শনার্থী ও ভক্ত সমৃদ্ধ শহরে এই ধরনের হুমকি বার্তা নিত্যদিনের অংশ হতে পারে না। মন্দিরের নিরাপত্তা আরও উন্নত হওয়া প্রয়োজন।” বিশেষ করে পর্যটক ও ভক্তদের ভিড় বেশি হওয়ায়, ছোটখাটো অব্যবস্থা নিয়েও বড় ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।
পুরীর অর্থনীতি এবং পর্যটন শিল্পও এই ধরনের ঘটনায় প্রভাবিত হতে পারে। জগন্নাথ মন্দিরে বছরে লাখ লাখ ভক্ত ও পর্যটক আসেন। হঠাৎ হুমকি বা নিরাপত্তা সতর্কতার কারণে ভক্তরা আসা-যাওয়ায় দেরি করতে পারেন অথবা ভ্রমণ বাতিল করতে পারেন। তাই প্রশাসন এবং মন্দির কর্তৃপক্ষ ভক্তদের নিরাপত্তা এবং পর্যটন সচল রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
সাইবার অপরাধ দমন শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে হুমকি ছড়ানো আজকের যুগে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ভুয়ো অ্যাকাউন্ট, অজ্ঞাত সোর্স থেকে পোস্ট করা বার্তা এবং ফোন কলের মাধ্যমে হুমকি—এই সবই আমাদের নিয়মিত নজরদারি ও প্রযুক্তিগত সমাধানের প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে।” তদন্তকারীরা ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের প্যাটার্ন খুঁজে বের করার পাশাপাশি সম্ভাব্য সংগঠিত চক্রের সন্ধানও করছেন।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে যে, সাংসদ শুভাশিস খুন্তিয়ার নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁকে ফোন করে হুমকি দেওয়া ব্যক্তির খোঁজও অব্যাহত আছে। ফোন কল এবং সামাজিক মাধ্যমে পোস্টের মধ্যে কোনও যোগসূত্র পাওয়া গেলে তা অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে।
এছাড়াও মন্দির চত্বরে তল্লাশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি, ব্যাগ তল্লাশি, এবং সন্দেহজনক বস্তু পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি চত্বরের ভিতরে ও আশেপাশে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং সিসিটিভি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা হচ্ছে।
পুরীর বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে, এই ধরনের সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা ভক্তি ও আস্থা বজায় রেখেছেন। অনেকেই বলছেন, “মন্দিরে ভক্তি করতে আসা মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। আমরা বিশ্বাস করি প্রশাসন সব ধরনের ঝুঁকি সামলাতে সক্ষম।”
পুলিশও জানিয়েছে যে, গুজব বা ভুয়ো হুমকি ছড়ানোর ক্ষেত্রে জনগণকে সচেতন করা হবে। কোনও পোস্ট বা কল সন্দেহজনক মনে হলে তা শেয়ার না করে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানো প্রয়োজন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা বার্তায় বলা হয়েছে, “সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ করতে হবে, যাতে আতঙ্ক সৃষ্টি না হয়।”
গত বছরের অভিজ্ঞতাও মনে করিয়ে দিয়েছে যে, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সেই সময়ও দেওয়ালে হুমকির বার্তা পাওয়া গিয়েছিল, যা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় কমিউনিটি, ভক্ত, পর্যটক এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা হচ্ছে যাতে কোনও প্রকার দুর্ঘটনা বা আতঙ্ক সৃষ্টি না হয়।
সর্বশেষে, স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের কার্যক্রমের প্রশংসা জানাচ্ছেন। তবে অনেকেই মনে করছেন, ভবিষ্যতের জন্য আরও প্রযুক্তিগত নজরদারি এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা উচিত। কারণ, যেকোনও সময় সামাজিক মাধ্যমে নতুন হুমকি পোস্ট হতে পারে। তাই প্রশাসনের সক্রিয়তা, সাইবার নিরাপত্তা ও মন্দির চত্বরের দৃঢ় নজরদারি একসাথে মিলিয়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখা এখন মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।