উত্তর ভারত জুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে কুয়াশার দাপট আরও বেড়েছে। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিন দিল্লি উত্তরপ্রদেশ সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা আবহাওয়া বজায় থাকবে ফলে জনজীবন ও যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে।
উত্তর ভারত জুড়ে চলতি শীতের মরসুমে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক আকার নিচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কুয়াশার দাপট। বিশেষ করে ভোররাত ও সকালের দিকে দৃশ্যমানতা নেমে যাচ্ছে কয়েক মিটারের মধ্যে। এই প্রতিকূল আবহাওয়ারই করুণ পরিণতি দেখা গেল উত্তরপ্রদেশ-এ, যেখানে ঘন কুয়াশার কারণে একের পর এক গাড়ির সংঘর্ষে আহত হয়েছেন বহু মানুষ।
রবিবার ভোরের দিকে উত্তরপ্রদেশের ব্যস্ততম সড়কগুলির একটি—লখনউ-দিল্লি ৯ নম্বর জাতীয় সড়ক—ঘন কুয়াশায় কার্যত অদৃশ্য হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা এতটাই কম ছিল যে কয়েক হাত দূরের কিছুই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। ঠিক এই সময়েই একের পর এক গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটে গজরৌলা কোতওয়ালি থানা এলাকার শাহওয়াজপুর দোর গ্রামের কাছে। অন্তত ১০টি গাড়ি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় বেশ কয়েকটি গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার জেরে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে প্রশাসন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভোরবেলায় হঠাৎ করে একের পর এক বিকট শব্দ তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। প্রথমে তাঁরা বুঝে উঠতে পারেননি কী ঘটেছে। পরে চিৎকার ও কান্নার আওয়াজ শুনে তাঁরা জাতীয় সড়কের দিকে ছুটে যান। কুয়াশার কারণে সামনে কী ঘটেছে তা বোঝা কঠিন হলেও কাছে গিয়ে দেখা যায়, একের পর এক গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
স্থানীয়রাই প্রথমে আহতদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। অনেককে গাড়ির ভেতর থেকে বের করে আনা হয়। কেউ কেউ রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কের পাশে পড়ে ছিলেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এই দুর্ঘটনার ফলে জাতীয় সড়কের ওই অংশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে আটকে পড়ে শত শত গাড়ি। কুয়াশার কারণে উদ্ধার কাজেও সমস্যা হয়। ট্রাফিক পুলিশকে পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। পরে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িগুলি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হয়।
প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহ জুড়েই উত্তর ভারতজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ চলছে। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা। মৌসম ভবন আগেই সতর্কবার্তা জারি করেছিল যে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ-সহ বিস্তীর্ণ উত্তর ভারতে আগামী কয়েক দিন কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বজায় থাকবে। বিশেষ করে ভোর ও রাতের দিকে দৃশ্যমানতা বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বইতে থাকা ঠান্ডা হাওয়া ও আর্দ্রতার কারণে এই কুয়াশা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ফলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যাচ্ছে। শুধুমাত্র জাতীয় সড়ক নয়, রাজ্য সড়ক ও গ্রামীণ পথগুলিতেও একই রকম বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।
এই ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষ ও চালকদের উদ্দেশে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। কুয়াশার মধ্যে অপ্রয়োজনে গাড়ি না চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অত্যাবশ্যক হলে ধীরগতিতে চলা, ফগ লাইট ব্যবহার করা এবং পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি হাইওয়েতে গাড়ি থামানোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কুয়াশার সময়ে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে হঠাৎ ব্রেক কষা বা সামনে থাকা গাড়ি দেখতে না পাওয়ার কারণে। তাই চালকদের সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।
উল্লেখ্য, শীতের মরসুম এলেই উত্তর ভারতের বিভিন্ন জাতীয় সড়কে কুয়াশাজনিত দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ে। গত কয়েক বছর ধরেই লখনউ-দিল্লি, আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়ে সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়কে একই ধরনের বহু-গাড়ির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবুও সম্পূর্ণভাবে এই দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কুয়াশা-প্রবণ এলাকায় উন্নত সাইনেজ, রিফ্লেক্টিভ মার্কার এবং স্বয়ংক্রিয় সতর্কতা ব্যবস্থা চালু করা গেলে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের মধ্যে কয়েক জনের আঘাত গুরুতর হলেও অধিকাংশই আশঙ্কামুক্ত। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসার কারণে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। আহতদের পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে খবর দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, উত্তর ভারতজুড়ে চলা শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশা এখন আর শুধু একটি আবহাওয়াজনিত সমস্যা নয়, বরং তা ক্রমশ এক ভয়াবহ প্রাণঘাতী ঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। প্রতি বছর শীত এলেই এই অঞ্চলের মানুষ ঠান্ডা, কুয়াশা আর দৈনন্দিন সমস্যার সঙ্গে লড়াই করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই সমস্যার তীব্রতা যে মাত্রায় বেড়েছে, তা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকেও। লখনউ–দিল্লি জাতীয় সড়কের সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা সেই বাস্তবতারই এক নির্মম উদাহরণ।
চলতি শীতের মরসুমে উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই নীচে নেমে গিয়েছে। দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ—প্রায় সর্বত্রই রাতের দিকে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাচ্ছে। দিনের বেলাতেও রোদের দেখা মিলছে খুব কম সময়ের জন্য। উত্তুরে হাওয়ার দাপটে ঠান্ডার অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঘন কুয়াশা, যা ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত গোটা অঞ্চলকে ঢেকে রাখছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শৈত্যপ্রবাহের পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা ও শুষ্ক হাওয়া এবং বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতার পরিমাণ—এই সব মিলিয়েই তৈরি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার পরিস্থিতি। ফলে দিনের পর দিন দৃশ্যমানতা কম থাকছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে যান চলাচলের উপর।
কুয়াশা সাধারণত চোখে দেখা যায় না এমন এক নীরব বিপদ ডেকে আনে। বিশেষ করে জাতীয় সড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েগুলিতে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি প্রকট। ভোরবেলা যখন যানবাহনের চাপ তুলনামূলক বেশি থাকে, ঠিক সেই সময়েই কুয়াশা ঘন হয়ে ওঠে। কয়েক মিটার দূরের গাড়িও স্পষ্ট দেখা যায় না। ফলে হঠাৎ ব্রেক কষা, সামনে থাকা গাড়ির গতি বুঝতে না পারা কিংবা রাস্তার বাঁক ঠিকভাবে আন্দাজ করতে না পারার মতো সমস্যা তৈরি হয়।
লখনউ–দিল্লি জাতীয় সড়কের দুর্ঘটনাও ঠিক এমনই পরিস্থিতির ফল। ঘন কুয়াশার কারণে একের পর এক গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের অসতর্কতা মুহূর্তের মধ্যে বদলে দেয় বহু মানুষের জীবন।
এই ধরনের দুর্ঘটনার প্রভাব শুধু আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রতিটি দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বহু পরিবার, বহু গল্প। কেউ অফিসে যাচ্ছিলেন, কেউ ব্যবসার কাজে বেরিয়েছিলেন, কেউবা পরিবারের সঙ্গে কোথাও যাওয়ার পথে ছিলেন। এক মুহূর্তের দুর্ঘটনা তাঁদের জীবনে এনে দেয় আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা আর আর্থিক ক্ষতির বোঝা।
আহতদের চিকিৎসার খরচ, গাড়ি মেরামতের ব্যয়, কাজ বন্ধ থাকার কারণে আয়হানি—সব মিলিয়ে একটি দুর্ঘটনা বহু স্তরে প্রভাব ফেলে। অনেক ক্ষেত্রে মানসিক আঘাতও দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে তাড়া করে বেড়ায়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ধরনের অভিজ্ঞতা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
কুয়াশাজনিত দুর্ঘটনার আর একটি বড় প্রভাব দেখা যায় যানজটের মাধ্যমে। একটি বড় দুর্ঘটনা মানেই জাতীয় সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ বা ধীরগতি। এর ফলে পণ্য পরিবহণ ব্যাহত হয়, দেরিতে পৌঁছয় জরুরি পরিষেবা, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যবসা-বাণিজ্য। প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক ও বাণিজ্যিক গাড়ি এই সড়কগুলির উপর নির্ভর করে। একটি বড় যানজট মানেই কোটি কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতের মরসুমে কুয়াশাজনিত কারণে উত্তর ভারতে যে পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়, তা অত্যন্ত গুরুতর। তবুও এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এখনও পর্যাপ্ত পরিকাঠামোগত উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে না।
প্রশাসনের তরফে প্রতি বছরই সতর্কবার্তা জারি করা হয়। ফগ লাইট ব্যবহার, গতি নিয়ন্ত্রণ, দূরত্ব বজায় রাখা—এই সব পরামর্শ দেওয়া হয় চালকদের। কিছু এলাকায় পুলিশ টহলও বাড়ানো হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও দুর্ঘটনা কমছে না।
এর অন্যতম কারণ সচেতনতার অভাব। অনেক চালকই সময় বাঁচানোর তাগিদে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালান, কুয়াশাকে গুরুত্ব দেন না। আবার অনেক ক্ষেত্রে সড়কের পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও দায়ী। পর্যাপ্ত রিফ্লেক্টিভ সাইনেজ, লেন মার্কিং বা আধুনিক সতর্কতা ব্যবস্থা সব জায়গায় নেই।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এই সমস্যার সমাধানে বড় ভূমিকা নিতে পারে। স্মার্ট হাইওয়ে সিস্টেম, যেখানে কুয়াশার মাত্রা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে গতি সীমা নির্ধারণ হবে, চালকদের জন্য বড় সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি উন্নত সিসিটিভি, সেন্সর-ভিত্তিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং রিয়েল-টাইম ট্রাফিক আপডেট দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
কিছু দেশে কুয়াশা-প্রবণ এলাকায় বিশেষ ধরনের আলো ও সাউন্ড অ্যালার্ট ব্যবস্থাও চালু আছে। ভারতে ধীরে ধীরে এই ধরনের প্রযুক্তি প্রয়োগের কথা ভাবা হচ্ছে, তবে তা বাস্তবায়নের গতি এখনও ধীর।
প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও দায়িত্ব কম নয়। কুয়াশার সময়ে অপ্রয়োজনে বের না হওয়া, গাড়ি চালানোর সময় ধৈর্য রাখা, গতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা—এই সবই দুর্ঘটনা কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় দেখা যায়, সামান্য তাড়াহুড়োই বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশেষ করে পেশাদার চালকদের ক্ষেত্রে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কর্মসূচি চালু করা প্রয়োজন। কারণ জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার বড় অংশই ঘটে ভারী যানবাহনের সঙ্গে জড়িত।
সব দিক বিবেচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, উত্তর ভারতজুড়ে চলা শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশা এখন আর কেবল প্রকৃতির খামখেয়াল নয়। এটি এক গভীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটের রূপ নিচ্ছে। লখনউ–দিল্লি জাতীয় সড়কের দুর্ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সামনে সামান্য অসতর্কতাও কত বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
আগামী দিনগুলিতে আবহাওয়া আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, উন্নত পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতন আচরণই পারে এই ধরনের দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে। সতর্কতা ও দায়িত্ববোধই হতে পারে শীতের এই নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র।