Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

কেউ অল্প খেয়েও ফুলছেন, কেউ গোগ্রাসে খেয়েও রোগা, কেন হয় এমন? যুক্তি দিলেন গবেষকেরা

প্রতিটি মানুষের শরীরের মেটাবলিজমের হার ভিন্ন হয় যার কারণে কিছু মানুষের শরীর অল্প খেলে দ্রুত ওজন বাড়ে আবার কেউ বেশি খেয়েও ওজন ধরে রাখেন

কেউ অল্প খেয়েও ফুলছেন, কেউ গোগ্রাসে খেয়েও রোগা, কেন হয় এমন? যুক্তি দিলেন গবেষকেরা
Health & Science

আপনার সহকর্মী প্রতিদিন প্রচুর খাবার খাচ্ছেন অথচ তাঁর শরীরে এক বিন্দু মেদ জমছে না আবার আপনি মেপে মেপে খাচ্ছেন সেজন্য এবং তারপরও ওজন বাড়ছে এবং চর্বির স্তর পেটে জমছে এই পরিস্থিতি অনেকেই জানেন। এটাই হয়ে থাকে যখন আপনি চেষ্টা করছেন রোগা হতে অথচ ওজন কমাতে কম খাবার খেয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অথচ অন্যরা বেশি খেয়েও রোগা থেকে যাচ্ছেন। কেন এমন হচ্ছে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা করেছেন এবং যুক্তি দিয়ে জানিয়েছেন যে, রোগা বা মোটা হওয়ার পেছনে খাবারের পরিমাণ একমাত্র কারণ নয়।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এর পিছনে রয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হরমোন এবং কিছু বিশেষ জিনের খেলা। আমাদের শরীরে থাকা কিছু হরমোন যেমন ইনসুলিন, লেপটিন, গ্রেলিন এবং কোর্টিসল ওজন নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা রাখে। এই হরমোনগুলির ভারসাম্য ঠিকমতো না থাকলে, শরীরের মেটাবলিজম ও খাবারের চাহিদা ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। তাই কেউ বেশি খাবার খেয়ে রোগা থাকতে পারেন আবার কেউ কম খেয়ে ওজন বাড়াতে পারেন।

এছাড়াও, আমাদের জিনের কাঠামোও এই বিষয়ে বড় ভূমিকা রাখে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, কিছু মানুষ এমন কিছু জিনের অধিকারী যেগুলি তাঁদের মেটাবলিজমকে দ্রুত করতে সহায়তা করে। আবার কিছু মানুষের মেটাবলিজম ধীর গতিতে কাজ করে যার কারণে তাঁদের শরীরে সহজে মেদ জমে। এমন কিছু জিনের কারণে আপনি যতই কম খাবেন না কেন, আপনার শরীরে চর্বির স্তর বাড়তেই থাকবে। এই পরিস্থিতি অনেকেই যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হন, আবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এই জিনসমূহ মেটাবলিজমে সহায়তা করে এবং তাদের শরীরে মেদ জমে না।

এই গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন যে খাবারের পরিমাণ, খাবারের ধরন এবং শারীরিক কার্যকলাপের পাশাপাশি, আমাদের শরীরের জিন এবং হরমোনের ব্যালান্সও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে, শুধুমাত্র খাবারের পরিমাণ কমিয়ে রোগা হওয়া সম্ভব নয় যদি শরীরের এই ভেতরকার প্রক্রিয়া সঠিক না থাকে। এর মানে, একজন মানুষের শরীরের প্রকৃতি তার শরীরের ওজন এবং মেদ নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি ভূমিকা পালন করে।

এই কারণে, যদি আপনি চান দীর্ঘমেয়াদীভাবে সুস্থ থাকতে এবং রোগা হতে, তাহলে শুধু খাওয়ার পরিমাণ কমানোর দিকে না গিয়ে আপনার শরীরের মেটাবলিজম এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। যদি শরীরের ভিতরকার হরমোন এবং জিনের কাজ সঠিকভাবে হয়, তাহলে আপনি যে কোনো খাদ্য গ্রহণ করলেও তা শরীরে সহজে মেদ তৈরি করবে না এবং আপনি দীর্ঘ সময় সুস্থ ও রোগা থাকতে পারবেন।

এটি নিশ্চিত করে যে, ওজন কমানোর ব্যাপারে একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন যেখানে হরমোন, জিন এবং খাদ্যতালিকার মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা হবে।

আপনার সহকর্মী প্রতিদিন প্রচুর খাবার খাচ্ছেন অথচ তাঁর শরীরে এক বিন্দু মেদ জমছে না আবার আপনি মেপে মেপে খাচ্ছেন সেজন্য এবং তারপরও ওজন বাড়ছে এবং চর্বির স্তর পেটে জমছে এই পরিস্থিতি অনেকেই জানেন। এটাই হয়ে থাকে যখন আপনি চেষ্টা করছেন রোগা হতে অথচ ওজন কমাতে কম খাবার খেয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অথচ অন্যরা বেশি খেয়েও রোগা থেকে যাচ্ছেন। কেন এমন হচ্ছে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা করেছেন এবং যুক্তি দিয়ে জানিয়েছেন যে, রোগা বা মোটা হওয়ার পেছনে খাবারের পরিমাণ একমাত্র কারণ নয়।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এর পিছনে রয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হরমোন এবং কিছু বিশেষ জিনের খেলা। আমাদের শরীরে থাকা কিছু হরমোন যেমন ইনসুলিন, লেপটিন, গ্রেলিন এবং কোর্টিসল ওজন নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা রাখে। এই হরমোনগুলির ভারসাম্য ঠিকমতো না থাকলে, শরীরের মেটাবলিজম ও খাবারের চাহিদা ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। তাই কেউ বেশি খাবার খেয়ে রোগা থাকতে পারেন আবার কেউ কম খেয়ে ওজন বাড়াতে পারেন।

এছাড়াও, আমাদের জিনের কাঠামোও এই বিষয়ে বড় ভূমিকা রাখে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, কিছু মানুষ এমন কিছু জিনের অধিকারী যেগুলি তাঁদের মেটাবলিজমকে দ্রুত করতে সহায়তা করে। আবার কিছু মানুষের মেটাবলিজম ধীর গতিতে কাজ করে যার কারণে তাঁদের শরীরে সহজে মেদ জমে। এমন কিছু জিনের কারণে আপনি যতই কম খাবেন না কেন, আপনার শরীরে চর্বির স্তর বাড়তেই থাকবে। এই পরিস্থিতি অনেকেই যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হন, আবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এই জিনসমূহ মেটাবলিজমে সহায়তা করে এবং তাদের শরীরে মেদ জমে না।

news image
আরও খবর

এই গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন যে খাবারের পরিমাণ, খাবারের ধরন এবং শারীরিক কার্যকলাপের পাশাপাশি, আমাদের শরীরের জিন এবং হরমোনের ব্যালান্সও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে, শুধুমাত্র খাবারের পরিমাণ কমিয়ে রোগা হওয়া সম্ভব নয় যদি শরীরের এই ভেতরকার প্রক্রিয়া সঠিক না থাকে। এর মানে, একজন মানুষের শরীরের প্রকৃতি তার শরীরের ওজন এবং মেদ নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি ভূমিকা পালন করে।

এই কারণে, যদি আপনি চান দীর্ঘমেয়াদীভাবে সুস্থ থাকতে এবং রোগা হতে, তাহলে শুধু খাওয়ার পরিমাণ কমানোর দিকে না গিয়ে আপনার শরীরের মেটাবলিজম এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। যদি শরীরের ভিতরকার হরমোন এবং জিনের কাজ সঠিকভাবে হয়, তাহলে আপনি যে কোনো খাদ্য গ্রহণ করলেও তা শরীরে সহজে মেদ তৈরি করবে না এবং আপনি দীর্ঘ সময় সুস্থ ও রোগা থাকতে পারবেন।

এটি নিশ্চিত করে যে, ওজন কমানোর ব্যাপারে একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন যেখানে হরমোন, জিন এবং খাদ্যতালিকার মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা হবে।

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উদ্যোগটি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থায় এক নতুন দিকের সূচনা করবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শক্তিশালী কর্মসংস্থান তৈরি করবে। এটি শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকীকরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে পরিগণিত হবে। এটি কেবল বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রগতি ঘটাবে না বরং শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং তাদের চাকরির বাজারে সাফল্য অর্জনে সহায়তা করবে। এআই, সাইবার নিরাপত্তা, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য আধুনিক কোর্সের অন্তর্ভুক্তি শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ দেবে যা তাদের ভবিষ্যত পেশাগত জীবনকে উন্নত করবে।

আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনের কার্যকলাপ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এমনকি আমাদের খাদ্যাভ্যাসও আমাদের শরীরের মেটাবলিজম প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে এবং এটি আমাদের ওজন এবং শরীরের চর্বির স্তরের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। যাঁরা ওজন কমানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করছেন তাদের মধ্যে অনেকেই লক্ষ্য করছেন যে প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শরীরে চর্বি জমে যাচ্ছে। তারা হয়তো দেখছেন যে তাদের সহকর্মীরা বা বন্ধুরা যাঁরা অধিক খাবার খাচ্ছেন তাও সত্ত্বেও তেমন মেদ জমাচ্ছেন না এবং রোগা থাকছেন। কেন এমনটা হয়?

এটি হরমোন এবং জিনের প্রভাবের কারণে। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে রোগা বা মোটা হওয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র খাবারের পরিমাণই দায়ী নয়। এর জন্য দায়ী অনেকগুলি কারণ। এর মধ্যে অন্যতম হল শরীরে থাকা কিছু হরমোন যেমন ইনসুলিন, গ্রেলিন, লেপটিন, এবং কোর্টিসল। এই হরমোনগুলি শরীরের শক্তি খরচ, ক্ষুধার অনুভূতি এবং চর্বির সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। যেমন, যদি ইনসুলিন হরমোনের মাত্রা বেশি থাকে তবে শরীর সহজেই চর্বি জমাতে শুরু করে এবং গ্রেলিন হরমোন ক্ষুধা বাড়ায়। এই হরমোনগুলির মাত্রা যদি সঠিক না হয় তবে খাবারের পরিমাণ কম হলেও শরীরে মেদ জমতে পারে।

তাছাড়া, জিনের ভূমিকা অপরিহার্য। কিছু মানুষের শরীরের জিন এমনভাবে কাজ করে যা তাদের মেটাবলিজমকে দ্রুত গতিতে চালিত করে এবং ফলে তারা বেশি খেয়েও মোটা হন না। অন্যদিকে, কিছু মানুষের জিনে এমন বৈশিষ্ট্য থাকে যা তাদের মেটাবলিজমকে ধীর করে দেয় এবং ফলে তাদের শরীরে সহজেই মেদ জমে। এটি প্রমাণিত যে জিনের কার্যক্রম ও হরমোনের পরিমাণ ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই, শুধু খাবারের পরিমাণ কমানোর মাধ্যমে রোগা হওয়া সম্ভব নয় যদি শরীরের ভিতরকার এই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে কাজ না করে।

গবেষকরা আরও জানিয়েছেন যে, শুধু খাবার নয়, আমাদের জীবনযাপন এবং শারীরিক কার্যকলাপও মেটাবলিজমে প্রভাব ফেলে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সঠিক শারীরিক ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে শরীরের হরমোন এবং মেটাবলিজমের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব। এই ভারসাম্য বজায় রাখলে শরীরে মেদ জমার প্রবণতা কমে যায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

অতএব, যদি আপনি দীর্ঘকাল ধরে সুস্থ থাকতে চান এবং ওজন কমাতে চান, তবে শুধু খাবারের পরিমাণ কমানোর দিকে না গিয়ে আপনার শরীরের ভিতরের প্রক্রিয়াগুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। শরীরের মেটাবলিজম এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা আপনাকে শুধু রোগা হতে সাহায্য করবে না বরং একটি সুস্থ জীবনযাপনেও সহায়ক হবে।

Preview image