দেশজুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২,১৫৮ জন, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ।
দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৭৩ হাজারের গণ্ডি পেরিয়েছে। এর মধ্যেই গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এটাই একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সর্বোচ্চ সংখ্যা।
রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টার নতুন রোগী যুক্ত হওয়ার ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৬৯৬ জনে।
ডেঙ্গুর এই ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে, কারণ শুধু নতুন রোগী ভর্তি নয়, একই সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। গত একদিনে ছয়জনের মৃত্যু হওয়ায় ডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্ষার পরবর্তী সময়ে মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ বাড়তে থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা। অর্থাৎ, মাত্র একদিনের মধ্যেই দুই হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
নতুন রোগী ভর্তির এই সংখ্যা ডেঙ্গুর বর্তমান পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরছে। বিভিন্ন বিভাগ এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় রোগী শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের সিটি কর্পোরেশনের বাইরের এলাকায়, চট্টগ্রাম বিভাগ, খুলনা বিভাগ এবং ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায়। পাশাপাশি বরিশাল, ময়মনসিংহ, রংপুর ও সিলেট বিভাগেও নতুন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গত ২৪ ঘণ্টায় কোন অঞ্চলে কতজন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তার বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২৭ জন।
চট্টগ্রাম বিভাগে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী।
ঢাকা বিভাগের সিটি কর্পোরেশনের বাইরের এলাকায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫৬ জন। বিভাগভিত্তিক হিসাবে এই সংখ্যা অন্যতম বেশি।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯৭ জন।
খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২৯ জন।
ময়মনসিংহ বিভাগে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৩২ জন।
রংপুর বিভাগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৩ জন।
অন্যদিকে সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে ডেঙ্গুর সংক্রমণ শুধু রাজধানী বা নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের একাধিক বিভাগেই নতুন করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছরে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৭৩ হাজার ৬৯৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এই সংখ্যা বছরের শুরু থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালভিত্তিক সরকারি হিসাবের ওপর নির্ভরশীল। বাস্তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বাড়িতেই চিকিৎসা নিতে পারেন। ফলে হাসপাতালভিত্তিক পরিসংখ্যানের বাইরে থাকা আক্রান্তের সংখ্যা আলাদা হতে পারে।
তবে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তা ডেঙ্গুর বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝাতে যথেষ্ট। বিশেষ করে একদিনে ২ হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতির ওপর নতুন করে নজর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লেও চিকিৎসার পর বিপুল সংখ্যক মানুষ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৬৮ হাজার ৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টাতেই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৭৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী।
অর্থাৎ, একদিকে নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, অন্যদিকে চিকিৎসার পর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরছেন। হাসপাতালগুলিতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এই দুই প্রবাহই গুরুত্বপূর্ণ।
ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু ভাইরাস মানুষের শরীরে ছড়ায়। বর্ষাকাল এবং বর্ষা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে। ফলে এই সময়ে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়তে দেখা যায়।
বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রাম, বালতি, ছাদ বা অন্য কোনো স্থানে জমে থাকা পরিষ্কার পানিও এডিস মশার প্রজননের জায়গা হয়ে উঠতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া নয়, মশার বংশবিস্তার রোধ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে অনেকের ক্ষেত্রে হঠাৎ জ্বর দেখা দিতে পারে। এর সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ও পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বমি ভাব বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে সব রোগীর উপসর্গ একরকম হয় না।
জ্বরের সঙ্গে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে অতিরিক্ত দুর্বলতা, পেটের তীব্র ব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাতের লক্ষণ, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব বা অন্যান্য গুরুতর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
ডেঙ্গু সন্দেহ হলে নিজের মতো করে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং পরীক্ষার ফল অনুযায়ী চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হয়।
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে ব্যক্তিগত সুরক্ষার পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা গুরুত্বপূর্ণ। দিনের বেলাতেও এডিস মশার কামড়ের ঝুঁকি থাকায় শুধু রাতে মশা থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করলেই যথেষ্ট নয়।
বাড়ির আশপাশে কোথাও পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, প্লাস্টিকের সামগ্রী, পুরনো টায়ার বা অন্যান্য জায়গায় পানি জমে থাকলে সেগুলি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
মশারি ব্যবহার, প্রয়োজন অনুযায়ী মশা প্রতিরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শরীরের যতটা সম্ভব অংশ ঢেকে রাখা ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
একদিনে ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপের বিষয়টিও সামনে আনছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একসঙ্গে নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে হাসপাতালের বেড, চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে।
তবে একই সময়ে ১ হাজার ৭৫৫ জন রোগীর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার তথ্যও রয়েছে। এর ফলে হাসপাতালের শয্যা ব্যবস্থাপনায় কিছুটা ভারসাম্য তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকে। তারপরও প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তির সংখ্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্যকে সামনে রেখে ডেঙ্গু পরিস্থিতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক—
এই পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে যে ডেঙ্গু এখনো দেশের জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হয়ে রয়েছে।
ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সাধারণ মানুষের সচেতনতাও গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া—এই বিষয়গুলিতে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মশা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। ডেঙ্গুর প্রকোপ কোনো একটি এলাকা বা শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকায় সমন্বিতভাবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
২৭ সেপ্টেম্বরের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে ২ হাজার ১৫৮ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং ছয়জনের মৃত্যু ডেঙ্গু পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে চলতি বছরে মোট হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৭৩ হাজার ৬৯৬-এ পৌঁছেছে।
অন্যদিকে ৬৮ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ২৪ ঘণ্টাতেও ১ হাজার ৭৫৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। ফলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নতুন আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি, মৃত্যু এবং সুস্থ হয়ে ওঠা—সবকটি পরিসংখ্যানই গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা জরুরি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনো নজরদারির মধ্যে রয়েছে। একদিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তাই ব্যক্তি, পরিবার, স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা—সব স্তরেই সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
নোট: এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত রোগী ভর্তি, মৃত্যু ও সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পাওয়ার সংখ্যা ২৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সরকারি পরিসংখ্যানে পরিবর্তন হলে সংখ্যাগুলিও পরিবর্তিত হতে পারে।