Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সূর্য জ্বলে উঠলেন বরুণের স্পিনে ধস অভিষেক রিঙ্কুর ঝড়ে ভারতের জয়

দুয়ারে বিশ্বকাপ আর তার আগে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজেই শেষ প্রস্তুতি। কাপযুদ্ধের আগে দল গুছিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই নেমেছিল টিম ইন্ডিয়া শুরুটা হল বেশ আত্মবিশ্বাসী জয় দিয়ে।

বিশ্বকাপের আগে শক্ত বার্তা, নাগপুরে কিউইদের উড়িয়ে দিল টিম ইন্ডিয়া

বিশ্বকাপের দামামা বেজে উঠতে আর বেশি দেরি নেই। বড় মঞ্চে নামার আগে শেষ প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেই প্রস্তুতির প্রথম পরীক্ষাতেই দারুণভাবে পাশ করল সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৪৮ রানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বকাপের পথে এগোল ভারত।

এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জয় নয়, বরং ভারতীয় দলের ব্যাটিং গভীরতা, ফিনিশিং ক্ষমতা এবং আক্রমণাত্মক মানসিকতার এক শক্ত প্রদর্শনী। বিশেষ করে অভিষেক শর্মা ও রিঙ্কু সিং যেভাবে কিউই বোলারদের ওপর ঝড় তুললেন, তাতে বিশ্বকাপের আগে প্রতিপক্ষ দলগুলোর চিন্তা বাড়তেই পারে।


টস হেরে ব্যাটিং, তবু ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট

নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। উইকেট যে ব্যাটিং-সহায়ক, তা প্রথম ওভার থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। ভারতের ওপেনিং জুটি হিসেবে নামেন অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। যদিও সঞ্জু (১০) বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন, তবু শুরুটা খারাপ ছিল না।

এরপর যা শুরু হল, তা কার্যত একতরফা শো। অভিষেক শর্মা নিজের চেনা স্টাইলে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করেন। পাওয়ারপ্লেতেই কিউই বোলারদের লাইন-লেংথ এলোমেলো করে দেন তিনি। অফ-সাইডে কাট, পুল শট, আর সোজা মাঠে লম্বা ছক্কা— সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য ছিল নিখাদ বিনোদন।


অভিষেক শর্মা: বোলারদের দুঃস্বপ্ন

এই ফরম্যাটে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার হওয়ার প্রমাণ ফের দিলেন অভিষেক শর্মা। মাত্র ৩৫ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৮টি ছক্কা ও ৫টি চার। স্ট্রাইক রেট ছিল আকাশছোঁয়া।

শতরান কার্যত নিশ্চিত মনে হচ্ছিল। কিন্তু বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। তবুও তাঁর ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। যুবরাজ সিংয়ের ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা এই বাঁ-হাতি ব্যাটার যে বড় ম্যাচের খেলোয়াড়, তা আবারও প্রমাণিত হল।


সূর্যকুমারের প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত

দীর্ঘদিন পর ব্যাট হাতে কিছুটা ছন্দে দেখা গেল অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে। ২২ বলে ৩২ রান করে তিনি দেখালেন যে বড় টুর্নামেন্টের আগে তাঁর ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত মিলছে। অভিষেকের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৪৭ বলে ৯৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন সূর্য।

এই জুটি শুধু রানই তুলেনি, বরং ম্যাচের রাশ পুরোপুরি ভারতের হাতে তুলে দেয়।


মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা, কিন্তু…

মাঝের দিকে ভারতের কিছু ব্যাটার হতাশ করেন। তিলক ভার্মার অসুস্থতায় সুযোগ পাওয়া ঈশান কিষান (৮), শিবম দুবে (৯) ও অক্ষর প্যাটেল (৫) বড় রান করতে পারেননি। এখানেই কিছুটা চিন্তায় পড়তে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট।

কিন্তু ভারতের শক্তি এখানেই— ব্যাটিং গভীরতা।


রিঙ্কু সিং: ভারতের নির্ভরযোগ্য ফিনিশার

সাত নম্বরে নেমে রিঙ্কু সিং আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাঁকে ভারতের সেরা ফিনিশারদের তালিকায় রাখা হয়। মাত্র ২০ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ ওভারে একাই ২১ রান তুলে ভারতের স্কোর নিয়ে যান ২৩৮-এ।

এই ইনিংসে ছিল শক্তিশালী ছক্কা, নিখুঁত টাইমিং এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিংয়ের নিদর্শন। বিশ্বকাপের আগে রিঙ্কুর এই ফর্ম ভারতীয় দলের জন্য বড় স্বস্তির।


নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে ধস

২৩৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড শুরু থেকেই চাপে পড়ে। প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফেরেন ডেভন কনওয়ে। এরপর রাচীন রবীন্দ্রও (১) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।

টিম রবিনসন (২১) কিছুটা লড়াই করলেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। এক সময় স্কোরবোর্ডে দ্রুত উইকেট পড়তে থাকায় কার্যত ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায় কিউইদের।


গ্লেন ফিলিপসের একার লড়াই

চারে নেমে গ্লেন ফিলিপস যা করলেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। মাত্র ৪০ বলে ৭৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি ছক্কা ও ৪টি চার।

মার্ক চ্যাপম্যানের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৭৯ রানের জুটি গড়ে নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন ফিলিপস। তবে অক্ষর প্যাটেলের বলে তাঁর আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কিউইদের আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়।


বোলিংয়ে ভারতের সামগ্রিক সাফল্য

ভারতের বোলিং আক্রমণ এদিন বেশ ভারসাম্যপূর্ণ ছিল।

ব্যাটে ব্যর্থ হলেও শিবম দুবে বল হাতে ২টি উইকেট তুলে কিছুটা হলেও নিজের ভূমিকা রাখেন।


ফিল্ডিংয়ে চিন্তার ভাঁজ

জয়ের আনন্দের মাঝেও ভারতের ফিল্ডিং ছিল চিন্তার কারণ। বেশ কয়েকটি সহজ ক্যাচ পড়ে যায়, একটি গুরুত্বপূর্ণ রানআউটের সুযোগও নষ্ট হয়। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ধরনের ভুল বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।


সিরিজে এগিয়ে ভারত, চোখ রায়পুরে

এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ভারত। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ শুক্রবার রায়পুরে। সেখানে আরও একবার নিজেদের শক্তি পরীক্ষা করবে টিম ইন্ডিয়া।

ফিল্ডিংয়ে ভারতের পারফরম্যান্স: উন্নতির সুযোগ

জয়ের আনন্দের মাঝেও ভারতের ফিল্ডিংয়ে কিছুটা উদ্বেগের কারণ দেখা দিয়েছে। ম্যাচের বিভিন্ন মুহূর্তে সহজ ক্যাচ হাতছাড়া হয়েছে, যা বড় মঞ্চে বিশেষ করে বিশ্বকাপে বিপজ্জনক হতে পারে। অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা যেমন যশপ্রীত বুমরাহ এবং হার্দিক পান্ডিয়া নিজস্ব দক্ষতা দেখিয়েছেন, তবুও মিডল ও লেট ওভারে কিছু রান সহজেই লস হয়েছে। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা যে কৌশলে সহজ ক্যাচ এড়িয়েছে, তা ফিল্ডিংয়ের মান উন্নত করার গুরুত্ব বোঝায়।

রানআউটের ক্ষেত্রে কিছু সুযোগ হাতছাড়া হওয়াও ভারতের জন্য চিন্তার বিষয়। চলতি সিরিজটি বিশ্বকাপের আগে একটি মূল্যবান প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাই এই ধরনের ছোট ভুল শুধুমাত্র পয়েন্ট লস নয়, বরং দলের আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলতে পারে। ফিল্ডিংয়ে ধারাবাহিকতা আনলেই ভারতীয় দলকে আরও শক্তিশালী ও আক্রমণাত্মক হওয়া সম্ভব। ফিল্ডিংয়ে আত্মবিশ্বাসী হওয়া মানেই বোলারদের উপর চাপ তৈরি করা, যা বিশেষ করে কিউইদের মতো শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ।

শিবম দুবে এবং অক্ষর প্যাটেলের মতো যুব খেলোয়াড়দের কাছে ফিল্ডিংয়ে আরও দায়িত্ব নিতে হবে। ভবিষ্যতে যদি ভারত বিশ্বকাপে ভালো ফলাফল পেতে চায়, তবে ফিল্ডিং উন্নয়নের ওপর জোর দিতে হবে। প্রত্যেক ক্যাচ, প্রত্যেক রানের প্রতিযোগিতা বিশ্বকাপে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে শেষ ওভারগুলিতে ফিল্ডারদের দৃঢ়তা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া ভারতের জয় নিশ্চিত করতে পারে।


বোলিং বিশ্লেষণ: বুমরাহ এবং অন্যান্যদের অবদান

যশপ্রীত বুমরাহ এই ম্যাচে তার কৌশল এবং চাপ পরিচালনার ক্ষমতা দেখিয়েছেন। প্রথম দিকে উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে তিনি নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করেছেন। বুমরাহর বোলিং কৌশল শুধু উইকেট নেওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়; তিনি ব্যাটারদের মানসিকভাবে বিপদে ফেলেছেন। তাঁর ফাস্ট বোলিং এবং সুইং-সেকশন ব্যাটারদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়েছে।

অর্শদীপ সিং এবং বরুণ চক্রবর্তী মিডল ওভারে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছেন। বিশেষ করে চ্যাপম্যান এবং ফিলিপসকে আউট করা ভারতের জয়ের পথ আরও সুগম করেছে। হার্দিক পান্ডিয়াও শেষ ওভারে বড় শটের চেষ্টা রোধ করতে সক্ষম হয়েছেন। এই মিলিত বোলিং আক্রমণ ভারতের বোলিং গভীরতা এবং অভিজ্ঞতার প্রমাণ।

তবে কিছু শটের ক্ষেত্রে মিডল ও লেট ওভারে ভারতীয় বোলারদের অভিজ্ঞতা কিছুটা কমে গেছে। নিউজিল্যান্ড ব্যাটাররা কিছু সময়ে সহজভাবে রান সংগ্রহ করেছে, যা পরবর্তীতে বড় ম্যাচে চাপ তৈরি করতে পারে। বোলিং ডেপথ থাকলেও বোলারদের চাপের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও উন্নত করতে হবে।


ব্যাটিং বিশ্লেষণ: অভিষেক শর্মা ও রিঙ্কু সিং-এর রোল

অভিষেক শর্মা এই ম্যাচে যেমন একাধিক ছক্কা হাঁকিয়েছেন, তেমনি ব্যাটিংয়ে আক্রমণাত্মক মানসিকতা দেখিয়েছেন। ৩৫ বলে ৮৪ রানের ইনিংস ভারতীয় ব্যাটিং-এর ভিতকে শক্ত করেছে। এই ধরনের ইনিংস বিশেষ করে বিশ্বকাপে দলের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

রিঙ্কু সিং সাত নম্বরে নেমে অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। ফিনিশার হিসেবে তাঁর দক্ষতা ভারতের জয়ের অন্যতম কারণ। শেষ ওভারে যে দাপট দেখিয়েছেন, তা প্রমাণ করে ভারত যে কোনো পরিস্থিতি থেকে রান তুলতে সক্ষম।

অধিনায়ক সূর্যকুমারের ব্যাট থেকে এসেছে ৩২ রানের ইনিংস। যদিও তিনি বড় ইনিংস করেননি, তবুও এই ইনিংস তাঁকে বড় টুর্নামেন্টে আত্মবিশ্বাস জোগাবে। ভারতের ব্যাটিং ডেপথে এই তিন খেলোয়াড়ই এক গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করেছেন।


সিরিজের প্রেক্ষাপট: রায়পুরের প্রতীক্ষা

নাগপুরের জয় শুধু প্রথম ম্যাচের বিজয় নয়। এটি সিরিজে ভারতের মনোবল বাড়িয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচ শুক্রবার রায়পুরে। সেখানে ভারতকে আরও শক্তিশালী খেলায় নামতে হবে। নিউজিল্যান্ডকে পুনরায় চ্যালেঞ্জ দিতে হলে ফিল্ডিং, বোলিং এবং ব্যাটিংয়ের সমন্বয় আরও নিখুঁত করতে হবে।

রায়পুরে নতুন উইকেট, আবহাওয়া এবং দর্শকরা ভারতের খেলায় প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড নিজের কৌশল পরিবর্তন করে নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে। তাই ভারতের দলের জন্য এটি শুধু জেতার ম্যাচ নয়, বরং বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।


বিশ্বকাপের প্রাক প্রস্তুতি: ভারতীয় দলের শক্তি ও দুর্বলতা

এই সিরিজের মাধ্যমে ভারতীয় দল নিজের শক্তি এবং দুর্বলতা উভয়ই যাচাই করছে। ব্যাটিংয়ে অভিষেক শর্মা ও রিঙ্কুর পারফরম্যান্স আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। তবে ফিল্ডিং এবং মিডল অর্ডারের কিছু ব্যাটারদের দুর্বলতা বিশ্বকাপে সংশোধন করা জরুরি।

বিশ্বকাপে বড় ম্যাচে এই ছোট ভুলগুলো বড় রূপ নিতে পারে। তাই অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে দলের সকল বিভাগকে আরও উন্নত করতে হবে। বোলিং-ডেপথ, ফিল্ডিং ড্রিল এবং ব্যাটিং স্ট্র্যাটেজি নিয়ে এখনই প্রস্তুতি নিলে বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত শক্ত অবস্থানে থাকবে।


উপসংহার

নাগপুরে প্রথম টি-২০ ম্যাচে ভারতের ৪৮ রানের বিজয় শুধু স্কোর বোর্ডে নয়, মানসিক ও কৌশলগতভাবে একটি বড় বার্তা। অভিষেক শর্মা এবং রিঙ্কু সিং-এর ইনিংস, সূর্যকুমারের প্রত্যাবর্তন, বুমরাহ ও অন্যান্য বোলারদের সক্রিয় বোলিং, এবং কিছুটা ফিল্ডিংয়ে সতর্কতার প্রয়োজন— সব মিলিয়ে এটি ভারতীয় দলের প্রস্তুতির একটি নিখুঁত দৃষ্টান্ত।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ রায়পুরে, যেখানে ভারতকে আরও শক্তিশালীভাবে আত্মপ্রকাশ করতে হবে। বিশ্বকাপের আগে এই ধরনের প্রস্তুতি ম্যাচগুলো দলের জন্য অমূল্য। ফিল্ডিং-সঠিক বোলিং-স্ট্র্যাটেজি, এবং ব্যাটিংয়ের গভীরতা নিশ্চিত করলে ভারত বিশ্বের যে কোনো দলকে চ্যালেঞ্জ দিতে সক্ষম।

নাগপুরের ম্যাচ শুধু জয়ের গল্প নয়, বরং ভারতীয় ক্রিকেটের বিশ্বকাপ প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরেছে।

Preview image