Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

রশ্মিকা বিজয়ের প্রীতিভোজে দক্ষিণী তারকাদের মেলা সস্ত্রীক রামচরণ অল্লু অর্জুন সহ কারা ছিলেন অতিথি

রাত বাড়তেই হায়দরাবাদের বিলাসবহুল হোটেলে বাড়ানো হল নিরাপত্তা  আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন বহু তারকা সস্ত্রীক রামচরণ ও অল্লু অর্জুনের আগমনে প্রীতিভোজে জমল তারকাদের মেলা। ✨

ঝাঁ চকচকে আলোয় ভেসে উঠেছে চারদিক। ক্যামেরার ঝলকানি, অতিথিদের ভিড়, আর নিরাপত্তার কড়াকড়ি—সব মিলিয়ে যেন এক তারকাখচিত সন্ধ্যা। উপলক্ষ দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার বিয়ের প্রীতিভোজ। ২৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের চার হাত এক হয়েছে। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছিল উন্মাদনা। শোনা যাচ্ছিল, ৪ মার্চ হায়দরাবাদে বসতে চলেছে তাঁদের প্রীতিভোজের আসর। যদিও প্রথমে এই গুঞ্জন নিয়ে মুখ খোলেননি নবদম্পতি, শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হল।

হায়দরাবাদের একটি বিলাসবহুল হোটেলে আয়োজন করা হয়েছিল এই বিশেষ সন্ধ্যার। অনুষ্ঠান ঘিরে কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। কারণ শুধু দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতই নয়, বলিউডের অনেক তারকাও আমন্ত্রিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। সেই কারণেই অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই হোটেল চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিথিদের আগমনও বাড়তে থাকে।

প্রথমেই নজর কাড়েন দক্ষিণী সুপারস্টার রামচরণ। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। তাঁদের আগমন ঘিরে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ যেন থামতেই চাইছিল না। কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায় অভিনেতা অল্লু অর্জুনকেও। স্টাইলিশ উপস্থিতিতে তিনি স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে ওঠেন।

এই তারকাখচিত সন্ধ্যায় যোগ দিতে বাবার সঙ্গে এসেছিলেন অভিনেতা নাগ চৈতন্য। তাঁর বাবা, জনপ্রিয় অভিনেতা নাগার্জুনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। যদিও দক্ষিণী সিনেমার আর এক সুপারস্টার মহেশবাবুকে এ দিন দেখা যায়নি। তবে তাঁর পরিবার থেকে প্রতিনিধিত্ব করতে উপস্থিত হয়েছিলেন স্ত্রী নম্রতা শিরোদকর, সঙ্গে ছিলেন তাঁদের মেয়ে।

অনুষ্ঠানে হঠাৎই উপস্থিত হয়ে সকলকে চমকে দেন বর্ষীয়ান অভিনেতা চিরঞ্জীবী। তাঁকে খুব তাড়াহুড়োর মধ্যেই অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকতে দেখা যায়। তবে তিনি বেশিক্ষণ থাকেননি। সূত্রের খবর, প্রায় পনেরো মিনিটের মধ্যেই অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

দক্ষিণী তারকাদের পাশাপাশি বলিউড থেকেও বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখকে দেখা যায় এই প্রীতিভোজে। অভিনেত্রী নীনা গুপ্ত স্বামীর হাত ধরে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন। তাঁর উপস্থিতি সন্ধ্যাকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তোলে। অনুষ্ঠানে দেখা যায় অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননকেও। পরে উপস্থিত হন মৃণাল ঠাকুর এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা কর্ণ জোহর।

শোনা গিয়েছিল, শাহিদ কপূর এবং রণবীর কপূরেরও আসার কথা ছিল। যদিও তাঁদের দেখা মিলেছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিজয় এবং রশ্মিকা দু’জনেই বলিউডে কাজ করেছেন। সেই সূত্রেই মুম্বই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেক তারকার নাম অতিথি তালিকায় ছিল বলে জানা যায়।

রাত যত গড়াতে থাকে, ততই জমে ওঠে অনুষ্ঠান। হায়দরাবাদের সেই বিলাসবহুল হোটেলের চত্বর যেন ধীরে ধীরে রূপ নেয় এক তারকাখচিত মিলনমেলায়। অতিথিদের আগমন অব্যাহত, ক্যামেরার ঝলকানিও থামার নাম নেই। দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগত থেকে শুরু করে বলিউডের পরিচিত মুখ—এক এক করে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে থাকেন বহু তারকা। তাঁদের উপস্থিতিতে প্রীতিভোজের পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তা বলয় থাকলেও উৎসবের আবহে কোনও ঘাটতি ছিল না। হোটেলের বাইরে অনুরাগীদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। অনেকেই প্রিয় তারকাদের এক ঝলক দেখার আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন।

তবে এত তারকার সমাগমের মধ্যেও সন্ধ্যার মূল আকর্ষণ ছিলেন নবদম্পতি—বিজয় দেবরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। প্রীতিভোজে তাঁদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া, কিন্তু তাতে ছিল না বাড়াবাড়ি জাঁকজমক। বরং সংযত, সাদামাঠা অথচ অত্যন্ত রুচিশীল সাজেই উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁরা। বিজয়ের পোশাকে ছিল পরিমিত আভিজাত্যের ছাপ, আর রশ্মিকার সাজে ছিল অনাড়ম্বর সৌন্দর্য। ভারী গয়না, অতিরিক্ত অলংকার বা চমকপ্রদ সাজের পরিবর্তে তাঁরা বেছে নিয়েছিলেন সহজ অথচ মার্জিত লুক। সেই কারণেই হয়তো তাঁদের উপস্থিতি আরও বেশি চোখে পড়ে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেক অতিথিই মন্তব্য করেন, এই নবদম্পতি যেন দেখিয়ে দিলেন—আড়ম্বর ছাড়াও কীভাবে ব্যক্তিত্ব এবং রুচির মাধ্যমে নজর কাড়া যায়। তাঁদের স্বাভাবিক হাসি, অতিথিদের সঙ্গে আন্তরিক কথোপকথন এবং সহজাত আচরণ পুরো অনুষ্ঠানটিকে আরও উষ্ণ করে তোলে। অতিথিদের সঙ্গে ছবি তোলা, শুভেচ্ছা বিনিময়—সবকিছুতেই ছিল এক স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দের আবহ।

অনুষ্ঠানের মাঝেই এক সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় বিজয় জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান ও প্রীতিভোজের নানা প্রস্তুতি এবং ব্যস্ততার কারণে গত কয়েক সপ্তাহ তাঁদের সময় কেটেছে দৌড়ঝাঁপের মধ্যেই। তাই সব অনুষ্ঠান শেষ হলে কিছুদিনের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। ব্যস্ত কাজের সূচির বাইরে একটু ব্যক্তিগত সময় কাটাতে চান এই নবদম্পতি। কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং হয়তো ছোট্ট কোনও ভ্রমণের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

news image
আরও খবর

এই মুহূর্তে সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে প্রীতিভোজের নানা ছবি ও ভিডিও। অনুষ্ঠানের ছোট ছোট মুহূর্ত—অতিথিদের আগমন, হাসিমুখে নবদম্পতির অতিথি অভ্যর্থনা, ঝলমলে সাজসজ্জা—সবই এখন নেটমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অনুরাগীরা অধীর আগ্রহে সেই সব দৃশ্যের ঝলক দেখছেন এবং প্রিয় তারকাদের উপস্থিতি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। অনেকেই মনে করছেন, এই আয়োজন যেন দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগত ও বলিউডের এক বিরল মিলনমেলা। দুই ইন্ডাস্ট্রির বহু পরিচিত মুখ এক ছাদের তলায় উপস্থিত হওয়ায় অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বেড়ে গিয়েছে।

সব মিলিয়ে Vijay Deverakonda ও Rashmika Mandanna-র প্রীতিভোজ কেবল একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা পরিণত হয়েছে এক তারকাখচিত সামাজিক আয়োজনে। দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগত ও বলিউড—দুই ইন্ডাস্ট্রির বহু পরিচিত মুখের উপস্থিতিতে সন্ধ্যাটি যেন এক বিশেষ মিলনমেলার রূপ নেয়। অতিথিদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং উৎসবমুখর পরিবেশ পুরো অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের মুহূর্ত থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, এটি নিছক একটি রিসেপশন নয়; বরং বহু তারকার মিলনক্ষেত্র। অতিথিদের আগমন, ক্যামেরার ঝলকানি এবং চারপাশের সাজসজ্জা মিলিয়ে পরিবেশ ছিল অত্যন্ত জমকালো। দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখদের পাশাপাশি বলিউড থেকেও কয়েকজন পরিচিত তারকা এই প্রীতিভোজে উপস্থিত ছিলেন। ফলে দুই চলচ্চিত্র জগতের তারকাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় অনুষ্ঠানটি বিশেষ তাৎপর্য পায়।

তবে এত তারকার সমাগমের মধ্যেও সন্ধ্যার আসল আকর্ষণ ছিলেন নবদম্পতি নিজেই। বিজয় দেবরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানাকে দেখা যায় সংযত অথচ অত্যন্ত মার্জিত সাজে। ভারী অলংকার বা অতিরিক্ত জাঁকজমক নয়—বরং সহজ, রুচিশীল উপস্থিতিতেই তাঁরা সকলের নজর কেড়ে নেন। অনেক অতিথিই মন্তব্য করেন, তাঁদের উপস্থিতিতে ছিল এক ধরনের স্বাভাবিক সৌন্দর্য, যা কোনও অতিরিক্ত সাজসজ্জা ছাড়াই আলাদা করে চোখে পড়ে।

অনুষ্ঠান জুড়ে নবদম্পতিকে বেশ স্বতঃস্ফূর্ত মেজাজেই দেখা যায়। অতিথিদের সঙ্গে হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময়, আলাপচারিতা এবং ছবি তোলার মুহূর্তগুলো অনুষ্ঠানকে আরও উষ্ণ ও ঘনিষ্ঠ করে তোলে। বহু অতিথিই তাঁদের শুভকামনা জানান এবং নতুন জীবনের জন্য আশীর্বাদ করেন। এই আন্তরিক পরিবেশ পুরো প্রীতিভোজকে শুধু একটি তারকাখচিত অনুষ্ঠানই নয়, বরং এক আবেগঘন পারিবারিক মিলনমেলায় পরিণত করে।

সামাজিক মাধ্যমেও এখন এই অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। প্রীতিভোজের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। অনুরাগীরা নবদম্পতির সাজ, অতিথিদের উপস্থিতি এবং অনুষ্ঠানের পরিবেশ নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন। অনেকেই মনে করছেন, দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগত ও বলিউডের তারকাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় এই অনুষ্ঠান আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে। 

সব দিক বিবেচনায় Vijay Deverakonda ও Rashmika Mandanna-র এই প্রীতিভোজ নিঃসন্দেহে এ বছরের অন্যতম আলোচিত তারকা অনুষ্ঠানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। নবদম্পতির সংযত অথচ মার্জিত উপস্থিতি, অতিথিদের উচ্ছ্বাস এবং চারপাশের উৎসবমুখর পরিবেশ সন্ধ্যাটিকে বিশেষ করে তোলে। দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগত ও বলিউড—দুই ইন্ডাস্ট্রির বহু পরিচিত মুখের উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়।

অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল আনন্দ আর শুভেচ্ছার আবহ। অতিথিদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা, শুভেচ্ছা গ্রহণ এবং একসঙ্গে ছবি তোলার মুহূর্তে বারবার ধরা পড়ে নবদম্পতির সহজাত স্বাভাবিকতা। কোনও অতিরিক্ত জাঁকজমক ছাড়াই তাঁদের উপস্থিতি সবার নজর কেড়ে নেয়। অনেকেই মনে করছেন, এই সরল অথচ রুচিশীল উপস্থিতিই তাঁদের আরও আলাদা করে তুলেছে।

সামাজিক মাধ্যমেও এখন এই প্রীতিভোজ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে, যা দেখে উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা। অনেকেই এই আয়োজনকে দক্ষিণী ও বলিউড তারকাদের এক বিরল মিলনমেলা বলেও আখ্যা দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে বিজয় ও রশ্মিকার এই প্রীতিভোজ শুধু একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান নয়, বরং তারকাখচিত এক স্মরণীয় সন্ধ্যায় পরিণত হয়েছে।

 

 

Preview image