অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাই কোর্ট অভিযোগ একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য অগ্রিম ১৫ লক্ষ টাকা নিয়েও তিনি কাজ করেননি এবং পরে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন এই ঘটনায় বালুরঘাট থানায় দায়ের হওয়া মামলায় আগাম জামিন চেয়েছিলেন অভিনেতা সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযোগকারীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের পাল্টা সোহমও তাঁর বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ তুলেছেন বিষয়টি বিচারাধীন
অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাই কোর্ট। একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য টাকা নিয়েও কাজ না করার অভিযোগে বালুরঘাট থানায় দায়ের হওয়া মামলায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই মামলার কেন্দ্রে রয়েছে একটি ছবিতে অভিনয় এবং সেই কাজের জন্য দেওয়া অর্থ নিয়ে বিরোধ। অভিযোগকারীর দাবি, প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সোহমকে অগ্রিম টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন হয়নি। পরে অর্থ ফেরত চাওয়া নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। এগুলো অভিযোগকারীর বক্তব্য; অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে আদালতের চূড়ান্ত রায় হিসেবে এগুলোকে দেখা যাবে না। কী অভিযোগ করেছেন প্রযোজক এবিপি আনন্দর প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযোগকারী চলচ্চিত্র প্রযোজক তরুণ দাস বালুরঘাটের মঙ্গলপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর দাবি, ২০১৮ সালে একটি ছবি তৈরির পরিকল্পনার সময় সোহমের সঙ্গে কাজের কথা হয়। অভিনেতা মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে সম্মত হন এবং পারিশ্রমিক বাবদ ধাপে ধাপে মোট ১৫ লক্ষ টাকা নেন। প্রযোজকের অভিযোগ, কাজ শুরু করার আশ্বাস দেওয়া হলেও বারবার শুটিংয়ের তারিখ পিছিয়ে যায়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অভিনেতার কাজ সম্পন্ন হয়নি। এই পরিস্থিতিতে তিনি দেওয়া টাকা ফেরত চান। তবে টাকা ফেরত দিতে সোহম অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই প্রযোজক। হুমকির অভিযোগের পাশাপাশি পাল্টা অভিযোগও অর্থসংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে হুমকির অভিযোগও যুক্ত হয়েছে। সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রযোজকের দাবি, টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে তিনি হুমকির মুখে পড়েন। অন্যদিকে সোহমও প্রযোজকের বিরুদ্ধে পাল্টা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। ফলে এই ঘটনায় এক পক্ষের অভিযোগের পাশাপাশি অভিনেতার পাল্টা অবস্থানও সামনে এসেছে। দুই পক্ষের বক্তব্যের মধ্যে কোনটি নথি ও সাক্ষ্যপ্রমাণে সমর্থিত, সেটি তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার বিষয়। চুক্তির শর্ত, অর্থপ্রদানের প্রমাণ শুটিংয়ের সময়সূচি এবং সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ বিরোধের প্রকৃতি বোঝার ক্ষেত্রে এসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে কোন নথি আদালতে কীভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, তার সম্পূর্ণ বিবরণ প্রকাশিত খবর থেকে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। কেন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সোহম বালুরঘাট থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর আগাম জামিনের আবেদন করেন অভিনেতা। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিচারপতি দেবাংশু বসাক অভিযোগের গুরুত্ব, কেস ডায়েরিতে থাকা উপাদান এবং মামলায় অভিনেতার কথিত সংশ্লিষ্টতা বিবেচনা করে আবেদন খারিজ করেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনেও আবেদন খারিজের কথা জানানো হয়েছে। সেখানে কেস ডায়েরিতে আরও তদন্তের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উঠে আসার উল্লেখ রয়েছে। তবে আদালতের পূর্ণাঙ্গ আদেশ সরাসরি পর্যালোচনা না করে তার বাইরে কোনও অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণ বা নির্দেশের দাবি করা সমীচীন নয়।
অভিযোগ ও আদালতের সিদ্ধান্ত আলাদা করে দেখা জরুরি এই খবরের দুটি পৃথক দিক রয়েছে। প্রথমটি হলো প্রযোজকের আনা অভিযোগ এবং সোহমের পাল্টা অভিযোগ। দ্বিতীয়টি হলো আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত। প্রকাশিত সংবাদে জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার তথ্য রয়েছে; অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে অভিনেতার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার কথা বলা হয়নি। তাই ঘটনাটিকে উপস্থাপনের সময় টাকা আত্মসাৎ করেছেন বা প্রতারণা করেছেন বলে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর পরিবর্তে অভিযোগের ভাষা বজায় রাখা প্রয়োজন। একইভাবে, আগাম জামিন খারিজের খবর থেকে গ্রেফতার হয়ে গিয়েছে বা কখন গ্রেফতার করা হবে এমন সিদ্ধান্তও টানা যায় না। চলচ্চিত্রের কাজ ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছবিতে অভিনয়ের জন্য অগ্রিম অর্থ দেওয়া হলে কাজের সময়সূচি, শিল্পীর দায়িত্ব এবং কাজ অসম্পূর্ণ থাকলে অর্থ ফেরতের শর্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এই মামলাতেও অর্থ দেওয়া, কাজ না হওয়া এবং ফেরত চাওয়া এই বিষয়গুলো অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে। তবে বিরোধটির প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করতে শুধু একটি পক্ষের বক্তব্য যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট চুক্তি এবং উভয় পক্ষের প্রমাণ বিবেচনা করেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন সম্ভব। সোহমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তাঁর পাল্টা বক্তব্যও সেই প্রক্রিয়ার অংশ। আপাতত নিশ্চিতভাবে প্রকাশিত তথ্য হলো, বালুরঘাটের মামলায় সোহম চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন কলকাতা হাই কোর্ট খারিজ করেছে। অর্থ নেওয়া, অভিনয় না করা এবং হুমকির অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি এখনও বিচারপ্রক্রিয়ার বিষয়। মামলার পরবর্তী অগ্রগতি জানতে আদালতের নির্দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইকৃত তথ্যের দিকে নজর রাখতে হবে।
অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য অর্থ নিয়েও কাজ না করার অভিযোগ ঘিরে মামলা আদালতে পৌঁছেছে। বালুরঘাট থানায় দায়ের হওয়া সেই মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন কলকাতা হাই কোর্ট খারিজ করেছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে অভিযোগের চূড়ান্ত বিচারকে এক করে দেখা যাবে না। সংবাদে আগাম জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার তথ্য রয়েছে; অভিনেতা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, এমন তথ্য নেই। ঘটনাটি বুঝতে অভিযোগকারীর দাবি, অভিনেতার পাল্টা বক্তব্য এবং আদালতের সিদ্ধান্ত এই তিনটি বিষয় পৃথকভাবে দেখা প্রয়োজন। কোনও পক্ষের বক্তব্য প্রকাশিত হওয়া এবং সেই বক্তব্য বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হওয়া আলাদা বিষয়। ছবিতে অভিনয় ও অগ্রিম অর্থ নিয়ে বিরোধ এবিপি আনন্দর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রযোজক তরুণ দাসের অভিযোগ, একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য সোহমকে ধাপে ধাপে মোট ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজের আশ্বাস দেওয়া হলেও বারবার শুটিং পিছিয়ে যায় এবং অভিনেতার কাজ সম্পন্ন হয়নি বলে তাঁর দাবি। টাকা ফেরত চাইলে তা ফেরত দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। অগ্রিম অর্থ দেওয়া হয়েছে এই তথ্য একা কাজ অসম্পূর্ণ থাকার সম্পূর্ণ কারণ ব্যাখ্যা করে না। একইভাবে, কাজ শেষ হয়নি বলে অভিযোগ উঠলেই তার পিছনে অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছিল বলে ধরে নেওয়া যায় না। নির্দিষ্ট ঘটনায় কী ঘটেছে, তা বুঝতে চুক্তি, অর্থপ্রদানের প্রমাণ এবং দুই পক্ষের আচরণের ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা প্রয়োজন।
হুমকির অভিযোগ ও সোহমের পাল্টা প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী অর্থ ফেরত চাওয়ার পর প্রযোজককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অন্যদিকে সোহমও ওই প্রযোজকের বিরুদ্ধে পাল্টা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। ফলে ঘটনাটিতে একতরফা বক্তব্যের পাশাপাশি বিপরীত দাবিও রয়েছে। পাল্টা অভিযোগ থাকলেই মূল অভিযোগ মিথ্যা হয়ে যায় না। আবার মূল অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলেই পাল্টা বক্তব্যকে অগ্রাহ্য করাও যথাযথ নয়। প্রতিটি দাবির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ, পরিস্থিতি এবং বক্তব্যের সামঞ্জস্য বিচার করা প্রয়োজন। এই কারণেই ঘটনাটি নিয়ে লেখার সময় কে কোন অভিযোগ করেছেন, তা স্পষ্ট রাখা জরুরি। অভিযোগকারীর দাবি এবং তদন্তে প্রতিষ্ঠিত তথ্যকে একই ভাষায় উপস্থাপন করলে পাঠকের কাছে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগের গুরুত্ব, কেস ডায়েরিতে থাকা উপাদান এবং মামলায় সোহমের কথিত সংশ্লিষ্টতা বিবেচনা করে তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়। এই খবর থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, সংশ্লিষ্ট আবেদনটি আদালত মঞ্জুর করেনি। কিন্তু এখান থেকে মামলার সমস্ত অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। প্রকাশিত প্রতিবেদনেও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার কোনও রায়ের উল্লেখ নেই। একই কারণে, আগাম জামিন খারিজ হওয়ার খবরের সঙ্গে গ্রেফতারের খবরও আলাদা রাখতে হবে। গ্রেফতার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পৃথক ও যাচাইকৃত তথ্য প্রয়োজন। কখন গ্রেফতার করা হবে বা পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে নির্ভরযোগ্য তথ্য ছাড়া তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
চুক্তি ও যোগাযোগের নথি কেন গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র নির্মাণে একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। শিল্পীর সময়, শুটিংয়ের প্রস্তুতি, অর্থের জোগান এবং নির্মাণের অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। কাজ পিছিয়ে গেলে তার কারণ নিয়ে দুই পক্ষের ব্যাখ্যা আলাদা হতে পারে। বিরোধ তৈরি হলে লিখিত চুক্তি, অর্থপ্রদানের রসিদ, ব্যাংকের লেনদেন, শুটিংয়ের তারিখসংক্রান্ত বার্তা এবং কাজ বাতিল বা পিছোনোর যোগাযোগ ঘটনাক্রম বোঝাতে সাহায্য করতে পারে। তবে এই মামলায় কোন নথি কী বক্তব্য সমর্থন করছে, তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখানে পাওয়া যায়নি। তাই সম্ভাব্য প্রমাণের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা এবং নির্দিষ্ট প্রমাণের ফল সম্পর্কে দাবি করা এই দুটির পার্থক্য বজায় রাখা প্রয়োজন। অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রশ্নেও চুক্তির শর্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কোন পরিস্থিতিতে অর্থ ফেরতযোগ্য, কোনও কাজ ইতিমধ্যে হয়েছে কি না এবং দুই পক্ষ পরবর্তী সময়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এসব বিষয় না জেনে বিরোধের সম্পূর্ণ মূল্যায়ন করা কঠিন। খবরের ভাষায় অভিযোগের পরিচয় স্পষ্ট থাকা প্রয়োজন কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের সময় অভিযোগ অনুযায়ী প্রযোজকের দাবি বা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ ধরনের শব্দ ঘটনাটির অবস্থান স্পষ্ট করে। এগুলো পাঠককে বুঝতে সাহায্য করে কোন তথ্য আদালতের সিদ্ধান্ত, কোনটি এক পক্ষের বক্তব্য এবং কোন বিষয়ে এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সোহমের ক্ষেত্রেও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বা প্রতারণা করেছেন বলে নিশ্চিত ঘোষণা করার পরিবর্তে তাঁর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ উঠেছে, সেটি উল্লেখ করা যথাযথ। একই সঙ্গে তাঁর পাল্টা বক্তব্যের প্রাসঙ্গিক অংশও তুলে ধরা প্রয়োজন। এখানে আলোচিত বিষয়টি বালুরঘাট থানায় দায়ের হওয়া মামলা এবং সেই মামলায় আগাম জামিনের আবেদন সংক্রান্ত। অন্য কোনও অভিযোগ বা পৃথক ঘটনার সঙ্গে এটিকে মিশিয়ে বিচার করলে বর্তমান মামলার প্রকৃতি অস্পষ্ট হয়ে যেতে পারে। পরবর্তী অগ্রগতিতে নজর সোহমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তাঁর পাল্টা বক্তব্যের মূল্যায়ন তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার অংশ। পরবর্তী সময়ে আদালতের নির্দেশ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য বা পক্ষগুলোর নথিভিত্তিক বক্তব্য সামনে এলে মামলার অবস্থান আরও স্পষ্ট হতে পারে। এই মুহূর্তে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার ঘটনাটিই নির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা যায়। অর্থ লেনদেন, অভিনয়ের কাজ অসম্পূর্ণ থাকা এবং হুমকির অভিযোগ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য প্রমাণ ও বিচারপ্রক্রিয়ার ফলের অপেক্ষা প্রয়োজন।