Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বেঞ্চ থেকে নেমেই বাজিমাত, ৩ মিনিটে মেসির গোল; আইসল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা

প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন লিওনেল মেসি। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেই নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। বদলি হিসেবে নামার মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। তাঁর গোলের সুবাদে আইসল্যান্ডকে ৩ ০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি সফলভাবে সেরে নিল আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গেল আর্জেন্টিনাকে। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলের অনায়াস জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে নিল লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন লিওনেল মেসি। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে না খেললেও দ্বিতীয় ম্যাচে তাঁকে ঘিরেই ছিল সমর্থকদের সমস্ত আগ্রহ। সেই প্রত্যাশার মর্যাদা রেখে মাঠে নামার মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই গোল করে নিজের উপস্থিতি জানান দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর কয়েক দিন বাকি। ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা। তার আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জয় শুধু নয়, দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সও স্বস্তি দিয়েছে সমর্থকদের। এই জয় নিয়ে টানা সাতটি ম্যাচ অপরাজিত থাকল আর্জেন্টিনা। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নামার আগে আত্মবিশ্বাস যে তুঙ্গে, তা বলাই যায়।

ম্যাচের শুরুটা কিন্তু আর্জেন্টিনার জন্য খুব সহজ ছিল না। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম কোনও ইউরোপীয় দলের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল তারা। আইসল্যান্ডও শুরু থেকেই চমকে দেওয়ার চেষ্টা করে। ম্যাচের প্রথম দিকেই গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল তারা। মিকায়েল এলার্টসন প্রায় একা অবস্থায় বল পেয়েছিলেন বক্সের মধ্যে। কিন্তু কাছ থেকে নেওয়া তাঁর শট বারের অনেক উপর দিয়ে চলে যায়। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচের চিত্র অন্য রকমও হতে পারত।

প্রতিপক্ষের সেই ভুলের সুযোগ নেয় আর্জেন্টিনা। ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্কালোনির দল। মাঝমাঠে বলের দখল ধরে রেখে আক্রমণ গড়ে তুলতে থাকে তারা। প্রথম গোল আসে একটি ফ্রিকিক থেকে। আইসল্যান্ডের রক্ষণ বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হয়। সেই সুযোগে এগিয়ে এসে গোল করে যান তরুণ ডিফেন্ডার ভ্যালেন্টিন বারকো। গোল করার পাশাপাশি পুরো ম্যাচেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। বাম দিক দিয়ে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করে আইসল্যান্ডের রক্ষণকে চাপে রেখেছিলেন।

প্রথমার্ধে আরও গোলের সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। নিকো পাজ় একটি দুর্দান্ত সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি। তবু ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। সেই সময় পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি তাদের হাতেই ছিল।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার সিদ্ধান্ত নেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। তিনি একে একে মাঠে নামান আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজ়ো ফের্নান্দেজ় এবং লাউতারো মার্তিনেজ়কে। এই পরিবর্তনের পর আর্জেন্টিনার আক্রমণের ধার অনেকটাই বেড়ে যায়। মাঝমাঠ থেকে দ্রুত বল সরবরাহ এবং সামনে আক্রমণের গতি আইসল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেয়।

তবে ভাগ্য কিছুটা সঙ্গ না দেওয়ায় ব্যবধান দ্রুত বাড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাক অ্যালিস্টারের একটি শট পোস্টে লাগে। লাউতারো মার্তিনেজ়ও দু'বার গোলের খুব কাছে গিয়েও পোস্টে বাধা পান। তবু আর্জেন্টিনার আক্রমণের ধার দেখে স্পষ্ট ছিল, দ্বিতীয় গোল আসতে বেশি সময় লাগবে না।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে অবশেষে সেই মুহূর্ত আসে, যার জন্য অপেক্ষা করছিলেন স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শক এবং বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। বদলি হিসেবে মাঠে নামেন লিওনেল মেসি। দীর্ঘ সময় পর মাঠে নেমেই নিজের প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন তিনি। প্রথম স্পর্শ থেকেই বোঝা যায়, ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা এখনও তাঁর অটুট।

মাঠে নামার পরপরই একটি অসাধারণ ডিফেন্সচেরা পাস দেন লাউতারো মার্তিনেজ়কে। সেই আক্রমণ সামাল দিতে গিয়ে আইসল্যান্ডের ডিফেন্ডার লাফসন ফাউল করেন মার্তিনেজ়কে। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট-কিক নিতে এগিয়ে আসেন মেসি নিজেই। কোনও ভুল না করে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলকিপারকে ভুল পথে পাঠিয়ে সহজেই ব্যবধান ২-০ করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

এই গোলের মাধ্যমে শুধু নিজের ফিটনেস বা ফর্মের বার্তাই দেননি মেসি, বরং বিশ্বকাপের আগে প্রতিপক্ষদের জন্যও স্পষ্ট সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দিয়েছেন। বয়স যতই বাড়ুক, ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়ার ক্ষমতা এখনও তাঁর হাতেই রয়েছে।

গোল করার পরও থেমে থাকেননি মেসি। বরং আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন তিনি। বল পায়ে পেলেই নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করতে থাকেন। ম্যাচের শেষ দিকে আবারও তাঁর জাদুকরী পাস থেকে আসে আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোল। মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত একটি বল বাড়ান রদ্রিগো দি পলকে। দি পল সেই বল নিয়ন্ত্রণ করে বক্সের মধ্যে থিয়াগো আলমাদার উদ্দেশে পাস বাড়ান। সুযোগ হাতছাড়া করেননি আলমাদা। নিখুঁত ফিনিশে আইসল্যান্ডের জালে বল জড়িয়ে ম্যাচের ফল ৩-০ করেন তিনি।

শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতেই রাখে আর্জেন্টিনা। রক্ষণ, মাঝমাঠ এবং আক্রমণ— তিন বিভাগেই ছিল দারুণ সমন্বয়। বিশেষ করে তরুণ এবং অভিজ্ঞ ফুটবলারদের মিশ্রণ স্কালোনির দলের অন্যতম শক্তি হিসেবে সামনে এসেছে।

বিশ্বকাপের আগে এই জয় আর্জেন্টিনার আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। গত কয়েক বছরে ধারাবাহিক সাফল্যের ফলে দলটি ইতিমধ্যেই বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল শক্তিতে পরিণত হয়েছে। কোপা আমেরিকা, ফাইনালিসিমা এবং বিশ্বকাপ জয়ের পরও তাদের ক্ষুধা যে কমেনি, এই ম্যাচ তারই প্রমাণ।

news image
আরও খবর

এখন সমস্ত নজর ১৬ জুনের দিকে। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। তার আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে তিন গোলের জয় এবং মেসির গোল সমর্থকদের আশাবাদী করে তুলেছে। যদি এই ছন্দ বজায় থাকে, তবে বিশ্বকাপের মঞ্চেও আর্জেন্টিনা যে অন্যতম ফেভারিট হিসেবে নামবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

এই ম্যাচে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক ছিল আর্জেন্টিনার বেঞ্চ শক্তি। প্রথম একাদশের বাইরে থাকা ফুটবলাররাও যে দলের ছন্দ নষ্ট না করে সমান দক্ষতায় দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল। স্কালোনি গত কয়েক বছরে এমন একটি দল গড়ে তুলেছেন, যেখানে কোনও এক বা দুই ফুটবলারের উপর নির্ভরশীলতা নেই। মেসি দলের প্রাণভোমরা হলেও তাঁকে ছাড়াও আর্জেন্টিনা ধারাবাহিকভাবে ভাল ফুটবল খেলতে সক্ষম। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা সেই ছবিই তুলে ধরেছে।

ভ্যালেন্টিন বারকোর পারফরম্যান্স বিশেষভাবে প্রশংসার দাবি রাখে। তরুণ এই ডিফেন্ডার শুধু গোলই করেননি, রক্ষণ এবং আক্রমণের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজও করেছেন দারুণভাবে। আধুনিক ফুটবলে ফুল-ব্যাকদের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, বারকোর পারফরম্যান্স তারই উদাহরণ। বাম প্রান্ত দিয়ে বারবার উঠে এসে আক্রমণ তৈরি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে রক্ষণেও ছিলেন নির্ভরযোগ্য। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন তরুণ ফুটবলারদের উত্থান আর্জেন্টিনার জন্য নিঃসন্দেহে সুখবর।

মাঝমাঠেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে আর্জেন্টিনা। এনজ়ো ফের্নান্দেজ় এবং আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের মতো ফুটবলারদের উপস্থিতি দলকে অন্য মাত্রা দেয়। তাঁদের পাসিং, বল নিয়ন্ত্রণ এবং খেলার গতি পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁরা মাঠে নামার পর ম্যাচ কার্যত একতরফা হয়ে যায়। আইসল্যান্ডের ফুটবলাররা মাঝমাঠে বল ধরে রাখার সুযোগই পাচ্ছিলেন না।

লাউতারো মার্তিনেজ় যদিও গোল পাননি, তবু তাঁর অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। একাধিকবার প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখেছেন তিনি। পেনাল্টি আদায় করার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গোল না পেলেও একজন স্ট্রাইকার হিসেবে দলের জন্য কীভাবে কাজ করতে হয়, তারই উদাহরণ তুলে ধরেছেন মার্তিনেজ়। বিশ্বকাপে তাঁর কাছ থেকে একই ধরনের পারফরম্যান্স আশা করবেন আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা।

অন্য দিকে, মেসির উপস্থিতি যে এখনও আর্জেন্টিনাকে আলাদা আত্মবিশ্বাস দেয়, তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে। তিনি মাঠে নামার আগে এবং পরে আর্জেন্টিনার খেলায় যে পার্থক্য দেখা গিয়েছে, তা চোখে পড়ার মতো। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি একটি গোল করেন, একটি পেনাল্টি আদায় করান এবং তৃতীয় গোল তৈরির পিছনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বয়স ৩৯-এর কাছাকাছি পৌঁছলেও তাঁর ফুটবল মস্তিষ্ক এখনও বিশ্বের সেরাদের মধ্যে অন্যতম। খেলার পরিস্থিতি বোঝা, সঠিক সময়ে সঠিক পাস দেওয়া এবং সুযোগ তৈরি করার ক্ষমতা তাঁকে এখনও অনন্য করে রেখেছে।

বিশ্বকাপের আগে মেসির ফিটনেস নিয়েও কিছুটা উদ্বেগ ছিল। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি পুরোপুরি প্রস্তুত কি না। কিন্তু আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর পারফরম্যান্স সেই সমস্ত জল্পনা অনেকটাই দূর করে দিয়েছে। স্কালোনি এবং আর্জেন্টিনা শিবিরও নিশ্চয়ই স্বস্তি পেয়েছে অধিনায়কের এই ছন্দ দেখে।

কোচ লিওনেল স্কালোনির কৌশলগত পরিকল্পনাও প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে ফুটবলার বদল করে দলের গতি বজায় রেখেছেন। শুধু ফল নয়, প্রতিটি ফুটবলারের ম্যাচ ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর দিকেও নজর দিয়েছেন। বিশ্বকাপের মতো দীর্ঘ টুর্নামেন্টে স্কোয়াডের প্রত্যেক সদস্যকে প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি। সেই কাজটিই নিখুঁতভাবে করে চলেছেন স্কালোনি।

আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক সাফল্যের পিছনে অন্যতম কারণ দলের ঐক্য এবং স্থিতিশীলতা। গত কয়েক বছরে খুব বেশি পরিবর্তন না এনে একই কোর গ্রুপকে ধরে রেখেছেন স্কালোনি। ফলে ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়া অনেক বেশি। মাঠে একে অপরের চলাফেরা এবং সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তারা আগে থেকেই সচেতন থাকে। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচেও সেই বোঝাপড়া একাধিকবার চোখে পড়েছে।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সামনে অবশ্য আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। প্রস্তুতি ম্যাচে জয় গুরুত্বপূর্ণ হলেও মূল আসরে প্রতিটি ম্যাচই হবে কঠিন। ইউরোপ, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দলগুলির বিরুদ্ধে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে। তবে বর্তমান ফর্ম, স্কোয়াডের গভীরতা এবং মেসির নেতৃত্ব আর্জেন্টিনাকে অন্যতম দাবিদার হিসেবে তুলে ধরছে।

বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, ২০২২ সালের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার সুযোগ রয়েছে আর্জেন্টিনার সামনে। অভিজ্ঞ এবং তরুণ ফুটবলারদের নিখুঁত মিশ্রণ, শক্তিশালী মাঝমাঠ, কার্যকর আক্রমণভাগ এবং সংগঠিত রক্ষণ— সব মিলিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল তৈরি হয়েছে। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ সেই বিশ্বাস আরও দৃঢ় করেছে।

এখন দেখার, ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনা কেমন শুরু করে। তবে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখে সমর্থকদের আশা বাড়তেই পারে। মেসির গোল, দলের দাপুটে জয় এবং টানা সাত ম্যাচের অপরাজিত রেকর্ড— সব কিছুই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বিশ্বকাপ মঞ্চে আবারও বড় কিছু করার লক্ষ্য নিয়েই নামতে চলেছে আর্জেন্টিনা। যদি এই ছন্দ বজায় থাকে, তবে ট্রফির অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে তাদের নাম যে সবার আগে উচ্চারিত হবে, তা বলাই যায়।

Preview image

About Us

Lenspedia brings you verified Bengali news, breaking updates, videos, and local stories. Our mission is to provide accurate and real-time coverage of events that matter to you.

সংবাদ অন্বেষণ করুন